Darjeeling Trip
Darjeeling Trip
মে মাস। 8 জনের সংসার এখন 35 জনের দল হয়ে দার্জিলিংয়ের হোমস্টেতে। কাঞ্চনজঙ্ঘা জানলা দিয়ে উঁকি মারে। আর Antara-Abrya-র খুনসুটি চলছে ননস
ভোর 5:30। অন্তরা ফোনে 3টা অ্যালার্ম দিয়ে শুয়েছে। অভ্র চুপচাপ সব অ্যালার্ম অফ করে দিল। 6:00 টায় অন্তরা লাফিয়ে উঠল, “আমার অ্যালার্ম কোথায়?” অভ্র, “ তোমার ঘুমটা দরকার, প্রফেসর ম্যাডাম। কন্টেস্ট পরে, ঘুম আগে।” অন্তরা কোলবালিশ ছুঁড়ে মারল, “Corporate বাবুর চিটিং!”ঠান্ডায় অন্তরা নিজের মেরুন সোয়েটার খুঁজছে। অভ্র সেটা পরেই বারান্দায় কফি খাচ্ছে। “এটা আমার সোয়েটার!” অভ্র, “NGO-র নিয়ম। যা দরকার, ভাগ করে নাও।” অন্তরা অভ্রর কফির মগ কেড়ে নিল, “ঠিক আছে। Tax হিসেবে তোমার কফি আমার।”
অভ্র হঠাৎ অন্তরার চুল ঠিক করে দিল, “এই কফির দাগটা মুছো।” অন্তরা থতমত। সেই ফাঁকে অভ্র সেলফি তুলে ফেলল।
জাজ দিয়া রায় দিল, “দুজনেই জিতেছে।” শ্রী লাফিয়ে, “মোমো পার্টি!”
সকাল 9টা। ম্যালের রোদ। অর্ক দাদা, “আজ ফ্যামিলি ফটো ডে। সবাই ট্র্যাডিশনাল ড্রেস পরবে।”শপিং শুরু। শ্রী-দিয়ার জন্য ছোট টুপি, পুঁতির মালা, কোমরের বেল্ট। Antara নিল মেরুন বাকু, গলায় পাথরের মালা। Abrya নিল ছুরি-দার কোর্ট, মাথায় টুপি।
ফটো তোলার সময় *Abrya পকেট থেকে একটা পাহাড়ি অর্কিড বের করে Antara-র খোঁপায় গুঁজে দিল।* “আমার Antara-র খোঁপায় ফুল না থাকলে পাহাড়ি সাজ কমপ্লিট হয় না।”
Antara লজ্জায় লাল, “Abrya! সবাই দেখছে। কেউ দেখে ফেললে কী হবে?” Abrya, “দেখুক। এই ফুল, এই মালা, এই Antara – সব আমার।”
ফটোগ্রাফার, “একটা Kiss-এর পোজ দিন।” Antara, “Abrya! না!”
Abrya ফিসফিস করে, “Kiss না দিলে এই পুঁতির মালা ছিঁড়ে দেব। সবার সামনে।”
Antara উপায় না পেয়ে Abrya-র গালে চুমু। ক্লিক! দিয়া-শ্রী হাততালি।
পরদিন ভোর 3:30। Tiger Hill। ঠান্ডায় সবাই কাঁপছে। 4:45। কাঞ্চনজঙ্ঘার মাথায় প্রথম সোনালি আলো। Antara Abrya-র হাত চেপে ধরল। Abrya কানে ফিসফিস, “দেখো Antara, সূর্যটা যেমন কাঞ্চনজঙ্ঘাকে Kiss করছে...” Antara মুখ চেপে ধরল, “Abrya! শ্বশুর-শাশুড়ি পাশে।”
ফেরার পথে চা-বাগান। দিদিভাই, “চলো, চা-পাতা তুলি।” Antara পাতা তুলছে। Abrya পেছন থেকে কোমর জড়িয়ে ধরল। Antara, আমার চায়ের জন্য মিষ্টি পাতা তুলছো?”
Antara, “Abrya! লোকজন দেখছে।”
Abrya, “দেখুক। আমার বউ আমার চায়ের জন্য পাতা তুলবে, আমি আদর করব না?”
দোকান থেকে সবাই 2 কেজি করে চা-পাতা কিনল। শ্রী নিজের ব্যাগে পাতা ভরছে, “আমি মায়ের মতো চা বানাব।”
দুপুরে আবার ম্যাল। অর্ক দাদা মোমো খাওয়াল। তারপর শপিং। মা শাল কিনল, বাপির জন্য টুপি। “এই বয়সে বউয়ের মতো সাজব।”
দাদু, “তুমি সাজো। আমি Abrya-র মতো বউয়ের আঁচল ধরে টানব নাকি?”
দিম্মা,“টানবে। 60 বছর পরে হলেও টানবে।”দিয়া-শ্রী খেলনার দোকান।
সন্ধ্যায় হোমস্টেতে ফেরা। ব্যাগ ভর্তি – মালা, পুঁতি, টুপি, বেল্ট, চা-পাতা, শাল।
Abrya বারান্দায় Antara-কে ডাকল। কাঞ্চনজঙ্ঘায় শেষ আলো। *Abrya Antara-র খোঁপা থেকে সকালের সেই শুকনো অর্কিডটা খুলল।*
“Antara, এই ফুলটা রাখবে। দার্জিলিংয়ের স্মৃতি।”
Antara ফুলটা নিয়ে Abrya-র বুকে মাথা রাখল, “রাখব Abrya। যেমন তোমার ‘Kiss-এর জোর’ রেখেছি।”
Abrya Antara-র কপালে চুমু, “আর আমি রাখব তোমার লজ্জা, তোমার জেলাস, তোমার চা-পাতা তোলা হাত, আর সবার সামনে জোর করে Kiss করা ঠোঁট। কারণ তুমি আমার Antara.
