Sundar misti prem
Sundar misti prem
মফস্বলের দোতলা বাড়ি। অভ্র-অন্তরার সংসার মানে সকাল থেকে রাত অবধি একটাই সংবিধান: *Antara শুধু Abrya-র, Abrya শুধু Antara-র*। আর এই আইন মানানোর জন্য চলে ‘জোর করে আদর’।
জানলা খোলা। Antara-র 8টায় DNA ক্লাস। প্রথম অ্যালার্ম বাজতেই Antara উঠতে গেল। Abrya এক টানে বুকের কাছে। “Antara, গুড মর্নিং Kiss কোথায়? আমার Antara আমাকে Kiss না করে বিছানা ছাড়বে না।”
Antara, “Abrya, ছাড়ো! কলেজে HED স্যার আসবে।”
Abrya গাল এগিয়ে দিল, “উঁহু। না দিলে ছাড়ছি না। আমার স্পেশাল মানুষ পালালে চলবে?”
Antara লজ্জায় লাল, “Abrya! জানলা খোলা। কেউ দেখে ফেললে কী হবে বলো তো? লজ্জা করছে আমার।”
Abrya, “দেখুক Antara। না দিলে আজ সারাদিন আঁচল ধরে টানব।”
Antara উপায় না পেয়ে Abrya-র গালে চুমু দিল।
দ্বিতীয়বার উঠতে গেলেই Abrya হাত চেপে ধরল। বুকের কাছে টান। “Antara, উঠতে গেলেই Kiss।”
তৃতীয়বার Antara উঠে বসল। শাড়ির আঁচল বিছানায়। Abrya শুয়ে শুয়েই আঁচলটা ধরে টানল।
“Antara, আঁচল ছাড়ানো্ বারণ । উঠতে গেলেই টানব। হাত ধরে, আঁচল ধরে। কিন্তু Kiss না পেলে ছাড়ব না।”
Antara শাড়ি পরছে। Abrya দরজায় হেলান দিয়ে, “Antara, আমি কুচি ধরছি। কিন্তু শর্ত আছে। প্রতি কুচিতে একটা Kiss। আমার Antara আমাকে Kiss করবে। না দিলে শাড়ি পরানো বন্ধ।”
Antara চোখ পাকাল, “অসভ্য! এতগুলো কুচি?”
Abrya, “হ্যাঁ Antara। না করলে আঁচল ছাড়ছি না।”
Antara প্রতি কুচি শেষে Abrya-র গালে, কপালে চুমু দিল। শেষ কুচিতে Abrya আঁচলটা ধরে, “Antara, এবার ফাইনাল Kiss। ঠোঁটে।
মা পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, “ওরে ছাড় ছাড়।”
Antara, “দেখলে Abrya? বললাম না কেউ দেখে ফেলবে। লজ্জা করে।”
Abrya, “দেখুক Antara। আমার বউ আমাকে Kiss করছে।”
Antara লজ্জায় লাল হয়ে তবু Abrya-র ঠোঁটে চুমু দিল।
কলেজে রাহুল স্যার Antara-র কাছে। Abrya-র ভিডিও কল।
“Antara, আমার তোমার পাশে আমি ছাড়া কাউকে সহ্য হয় না। রাতে শোধ নেব। Kiss দিয়ে।”সন্ধ্যায় প্রিয়া ম্যাডাম Abrya-কে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়েছে। Antara দেখল।
ঘরে ঢুকতেই Antara মুখ ভার। Abrya পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল, “আরে Antara, ও শুধু কলিগ।”
Antara, “আমার পাশে রাহুল দাঁড়ালে তোমার জ্বলে। আর তোমার পাশে প্রিয়া দাঁড়ালে আমার বুঝি মিষ্টি লাগে? আমি তোমার স্পেশাল মানুষ Abrya।”Abrya Antara-কে দেয়ালে চেপে ধরল, “তাহলে এখনই প্রমাণ দাও। আমাকে Kiss করো। 10 সেকেন্ড। না করলে আজ নাইট ড্রেস পরতে দেব না।”
Antara উপায় না পেয়ে Abrya-র কলার চেপে ধরে 10 সেকেন্ডের চুমু দিল।
খাওয়া শেষ। Antara শাড়ি পরেই বিছানায়, “আজ টায়ার্ড Abrya। এভাবেই ঘুমাব।”Abrya, “উঁহু Antara। আমার বউ রাতে নাইট ড্রেস পরবে। এটা নিয়ম।”
“আমি শাড়ি পরেই ঘুমাব।”
Abrya দুষ্টু হাসি, “ঠিক আছে। তাহলে সবার সামনে শাস্তি।”
ভয় দেখিয়ে বললো,ড্রইংরুমে অর্ক দাদা, বৌদি মা-বাবা সবাই আছে। Abrya গলা চড়াল, *“শুনছো সবাই?Antara নাইট ড্রেস পরবে না বলছে। তাই ওকে এখনই আমাকে সবার সামনে Kiss করতে হবে। না করলে আমি করব।”*Antara লজ্জায় শেষ, “Abrya! কেউ দেখে ফেললে কী হবে? লজ্জা করছে আমার। ঠিক আছে, পরছি!”
Abrya, “Good girl Antara। *নাইট ড্রেস না পরলে সেটা জোর করে চুমুর ভয় দেখিয়ে সবার সামনে* আদায় করতে হয়।”
Antara নাইটি পরে এল।
Abrya দরজা লাগিয়ে দিল। Antara-কে টেনে নিল বুকের কাছে। “এই তো আমার Antara। এবার চা খাওয়াও। মিষ্টি কম।”
Abrya চা এনে চুমুক দিয়েই, “ধুর Antara, মিষ্টি হয়নি।”
Antara জানে কী হবে। Abrya Antara-কে কোলে বসাল, “আজ তুমি আমাকে জোর করে Kiss করবে। তারপর চা মিষ্টি হবে। না করলে আজ ঘুম নেই। সারারাত আঁচল ধরে টানব।”
Antara Abrya-র গলা জড়িয়ে ধরল, “অসভ্য Abrya!”
Abrya, “কারণ তুমি আমার বউ।তোমার্ জোর করা Kiss-টাই আমার কাছে সবচেয়ে মিষ্টি।”
Antara Abrya-র ঠোঁটে গভীর চুমু খেল। Abrya চায়ে চুমুক দিয়ে, “আহ! এবার পারফেক্ট।”
Abrya Antara-র সিঁথিতে চুমু খেল, “পাগলই তো করব Antara। কারণ আমরা একা অপরের পাশে কাউকে সইতে পারি না।”
রবিবার। বায়োলজি ডিপার্টমেন্টের পিকনিক। Antara সকালে গাড়িতে বলল, “Abrya, আজ আমি একটু মজা করব। রাহুল স্যারও আসছে। একটু জেলাস করাব তোমাকে।”
Abrya, “ঠিক আছে Antara। কিন্তু মনে রেখো, Abrya-র বদলা হয় ‘Kiss-এর জোর’-এ। সবার সামনে।”
রিসর্টে পৌঁছে Antara ইচ্ছে করে রাহুলের পাশে পাশে ঘুরল। সেলফি তুলল। লাঞ্চে রাহুলের পাশে বসে মাছের কাঁটা বাছতে বলল।
Abrya দূর থেকে দেখছে। চোয়াল শক্ত।
বিকেলে গ্রুপ ফটো। রাহুলের হাত Antara-র কাঁধের কাছে। Antara Abrya-র দিকে তাকিয়ে হাসল: “কী Abrya? জ্বলছে?”
Abrya আর পারল না। উঠে সোজা মাইক হাতে নিল।
“এক্সকিউজ মি। আমি অভ্র। Antara-র হাসবেন্ড। রাহুল স্যার, আপনি ভাবছেন আমার Antara-র পাশে দাঁড়ানো যায়। যায় না। কারণ ও আমার স্পেশাল মানুষ।”ও বিবাহিত।
Antara লজ্জায়, “Abrya! কী করছো? কেউ দেখে ফেলছে। লজ্জা করছে আমার।”
Abrya Antara-র কাছে হেঁটে গেল। সবার সামনে।
“উঁহু Antara। তুমি সকাল থেকে আমাকে জেলাস করালে। এবার আমার বদলা। আমার Antara এখনই আমাকে সবার সামনে জোর করে Kiss করবে। না করলে আমি করব।”
গোটা রিসর্ট “ওওওও” করে উঠল। Antara দু’হাতে মুখ ঢাকল, “Abrya! কেউ দেখে ফেললে কী হবে?”
Abrya, “দেখুক Antara। আমি চাই সবাই জানুক, তুমি শুধু আমার।”
Antara আর উপায় না পেয়ে সবার সামনে Abrya-র কলার চেপে ধরে গভীর চুমু খেল। 10 সেকেন্ড।
গোটা রিসর্ট হাততালি, শিস। HOD স্যার, “বায়োলজি ডিপার্টমেন্টের বেস্ট ডেমো ক্লাস। ‘ডাবল হেলিক্স বন্ডিং’।”
ছাড়তেই Antara Abrya-র বুকে মুখ লুকাল। Abrya চেঁচাল, “দেখলেন তো? এটাই আমার Antara। আর রাহুল স্যার, দূরে থাকবেন।”
*পর্ব 7: ফেরার পথে সমঝোতা*
গাড়িতে Antara, “Abrya, তুমি একটা অসভ্য। সবার সামনে...”
Abrya Antara-র হাত ধরে, “Antara, মুখ দেখাবে গর্ব করে। বলবে, আমার হাসবেন্ড আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে। আমাকে জোর করে Kiss করায়।”
Antara, “আর আমি যে জেলাস করলাম?”
Abrya হাসল, “ওটাই তো মজা। তুমি জেলাস করবে, আমি বদলা নেব ‘Kiss-এর জোর’-এ। তুমি বলবে ‘কেউ দেখে ফেললে কী হবে?’, আমি বলব ‘দেখুক’।”
Antara Abrya-র কাঁধে মাথা রাখল, “ঠিক আছে Abrya। কিন্তু প্রমিস করো, প্রিয়া ম্যাডামকে আর লিফট দেবে না।”
Abrya, “প্রমিস Antara। আমার পাশে, আমার লাইফে, আমার Kiss-এ – শুধু তুমি।”
Antara, “আর আমি প্রমিস করছি, আর জেলাস করব না... ঠিক আছে, একটু একটু করব। কারণ তোমাকে জ্বলতে দেখলে ভালো লাগে। তারপর সবার সামনে জোর করে Kiss করতে আরো ভালো লাগে।”
*শেষ কথা: Antara-Abrya-র ফুল সংবিধান*
1. *ভোর*: উঠতে গেলেই বুকের কাছে টান + হাত-আঁচল ধরে টান + Kiss না দিলে ছাড়বে না।
2. *শাড়ি*: প্রতি কুচিতে জোর করে Kiss। না করলে আঁচল ছাড়বে না।
3. *হিংসে*: পাশে অন্য কেউ থাকলে রাতে জোর করে Kiss আদায়।
4. *রাত*: *নাইট ড্রেস পরে সেটা জোর করে চুমুর ভয় দেখিয়ে সবার সামনে* আদায়। চা মিষ্টি করতে জোর করে Kiss।
5. *পিকনিক/পাবলিক*: জেলাস করালে সবার সামনে ‘Kiss-এর জোর’-এ বদলা।
6. *আসল কথা*: Antara শুধু Abrya-র, Abrya শুধু Antara-র। তাই জোর করা, টানাটানি, Kiss আদায় – সব জায়েজ।
বাড়ি ফিরে শ্রী-দিয়া দৌড়ে এল, “বাবা-মা, পিকনিকে কী হল?”
Abrya শ্রীকে কোলে তুলে, “তোর মা আমাকে সবার সামনে জোর করে Kiss করেছে।”
Antara লজ্জায় লাল, “Abrya!”
দিয়া হাততালি দিয়ে, “আমরা জানতাম! বাবা-মায়ের ‘Kiss-এর জোর’ বেস্ট!”
জানলা খোলা। জ্যোৎস্না ঢুকছে। আর এই বাড়িতে সবাই জানে – *ভালোবাসার বায়োলজি একটাই: জোর করো, টানো, Kiss করো, আর বলো “তুমি শুধু আমার”।*
---
এই হল তোমার দুটো গল্প জয়েন করে ফুল কমপ্লিট ভার্সন।
এরপর শুনবে শ্রী-দিয়া কীভাবে এই ‘পাবলিক Kiss’-এর নকল করে বাড়িতে নতুন কাণ্ড বাঁধাল?

