Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published
Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published

Kumar Archita

Abstract Inspirational


3.7  

Kumar Archita

Abstract Inspirational


আমার জন্মভূমি: আমার স্বপ্নের ভারত বর্ষ

আমার জন্মভূমি: আমার স্বপ্নের ভারত বর্ষ

4 mins 611 4 mins 611

আমাদের ভারত বর্ষ 73 তম স্বাধীনতা দিবসে পা দিয়েছে। প্রত্যেক বছর এই দিনটিতে ভারতবর্ষের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কিংবা কোন ক্লাবে বা ক্লাব সংলগ্ন মাঠে পতাকা উত্তোলন হয় আর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নাটক,গান, নাচ, এসব করে পালন করা হয় এই দিনটিকে। স্বাধীন পতাকার রং আমাদের প্রত্যেকের হৃদয়কে রাঙিয়ে দেয়। আমাদের জাতীয় সংগীত আমাদের চেতনাকে আরও দৃঢ় ভাবে জাগ্রত করে তোলে। 200 বছর ধরে রাজত্ব করে যাওয়া ব্রিটিশদের থেকে এই স্বাধীনতা পাওয়ার দিন টা আমরা উচ্ছ্বাসিত মনে আর উল্লাসিত হয়ে যে ভাবে পালন করি।কিন্তু কেউ কোনদিনও কি এটা ভেবেছে যে আমরা সত্যিই কি স্বাধীনতা পেয়েছি আমি বলতে চাইছি আজকের দিনে দাঁড়িয়ে যে #freeindia, যে সম্বোধনটা আমরা এখন করে থাকি সেটা আমরা সত্যিই কি সবাই উপলব্ধি করতে পারি।মনে হয় আমরা অনেকেই বলবো না কারণ আমরা ব্রিটিশের হাত থেকে তো স্বাধীনতা পেয়েছি কিন্তু কিছু পৌরানিক কুসংস্কার বা মেয়েদের প্রতি যে অত্যাচার, বাচ্চাদের কে পড়তে না দিয়ে কাজ করানো বা নব বধূদের পণ্যের জন্য জ্বালিয়ে দেওয়া এসব থেকে কিন্তু আমরা এখনো মুক্ত হতে পারিনি তাই আমি মনে করি যে আমরা এখনো পুরোপুরি স্বাধীন হতে পারিনি।


আমরা স্বাধীনতা মানে জানি আমাদের প্রত্যেক ভারত বাসি নিজেরা স্বাধীনভাবে এই ভারতবর্ষের মাটিতে প্রাণ খুলে বাঁচবে তাদের কখনো কেউ আটকাবে না কখনো কেউ কিছুতে বাধা দেবে না কখনো কেউ বলবে না যে এটা করো না ওটা করা উচিত নয় মেয়েরা রাত্রিবেলা বেরিও না মেয়েরা এটা করোনা মেয়েরা ওখানে যেও না বা মেয়েদের পড়াশোনা করতে নেই এই পড়াশোনা করলে মেয়েরা বিগড়ে যাবে কিংবা ছোট ছোট বাচ্চাদের চায়ের দোকানে বা আমাদের রোজকার যে জিনিসপত্র গুলো লাগে সেই দোকানে মজ দুরি করা বন্ধ করা হয়। ছোট ছোট বাচ্চাদের যারা খেতে পারে না ঠিক করে যারা পড়তে পায়ে না তাদেরকে যেন পড়ানো হয়, পুষ্টিকর খাবার পায়, যাতে তারা লেখাপড়া শিখে কিছু নিজেদের জন্য কিছু করতে পারে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। তাদেরও ভালোভাবে বাঁচার,সমান অধিকার আছে যেমন আমাদের সবার আছে। এখনোও কিছু গ্রামে আছে যে তারা মেয়েদেরকে খুব ছোট বয়সে বিয়ে দিয়ে দেয় তাদেরকে এই বলা হয় যে তোরা মেয়ে জাতি তোদের জন্ম হয়েছে শুধু ঘরকন্না আর বাচ্চা করা।


তাদেরকে সেখানে শেখানো হয় না যে তোরা ও মানুষ তোদেরও আর পাঁচজন মানুষের মতন সমান অধিকার আছে।তোরাও পড়াশোনা করতে পারিস।পড়াশোনা করে বড় ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার কিংবা কোন অফিসে চাকরি করে এই সমাজে নিজেদের এক সম্মানিত জায়গায় প্রতিষ্ঠিত কর। আমাদের পৌরাণিক যুগে যখন ব্রিটিশ এখানে রাজত্ব করছিল তখন ও মেয়েদের অবস্থা যা ছিল তার থেকে হয়তো একটু ভালো হয়েছে।এখন কিছু সংখ্যক লোক আছে যারা মেয়েদের পাশে দাঁড়াচ্ছে মেয়েদের হয়ে কথা বলছে কিন্তু তার পাশে এমন সংখ্যক কিছু মানুষও রয়ে গেছে যারা এখনোও মেয়েদেরকে মানুষ বলে গণ্য করে না তাদেরকে আমি বলছি যে মেয়েরাও মানুষ আপনাদের মত মানুষ তাদেরও বাঁচার অধিকার আছে তাদের এই বাঁচার অধিকার থেকে বঞ্চিত করবেন না, তাদেরকেও পড়তে দিন যাতে তারা পড়াশোনা করে আপনাদেরই নাম উজ্জ্বল করবে।


আমার তবে তো প্রকৃত দেশ স্বাধীন হবে।এইসব অমানবিক কাজ দেখে তবুও আমরা এইসব কে এড়িয়ে চলতে ভালোবাসি আর নিজেদেরকে স্বাধীন ভারত বাসি বলে ভাবি।আমরা কখনোও ভাবি না যে আমাদের দেশের স্বাধীনতার জন্য যারা কম বয়সে নিজেদের প্রাণ কে উপেক্ষা করে ফাঁসির দড়িতে গলা দিয়েছে তাদের স্মরণ করে আমরা আমাদের এই স্বাধীন ভারতবর্ষকে আরো স্বচ্ছ এবং পবিত্র করে তুলি। তাদের এই বলিদানকে বৃথা করে না দিয়ে আরো ভালোভাবে আরো বিশাল করে সবাইকে নিজের প্রাপ্য সম্মান আর অধিকারটুকু দেওয়া হয় যাতে তারা বলতে পারে আমরা স্বাধীন ভারতের স্বাধীন ভারতবাসী।তাদের মনে কোনো ক্ষোভ-যন্ত্রণা কান্না যেন না থাকে তারা খুশিতে জীবন কাটায় তাদের কোন কষ্ট বা দুঃখ যেন না থাকে সবাই প্রাণ খুলে কাজ করতে পারে, বাচঁতে পারে এই স্বাধীন ভারতবর্ষের খোলা আকাশের নীচে।যারা যেই কাজটা করতে ইচ্ছুক তারা যেন সেই কাজটা করতে পারে।নববধূদের পণ্যের জন্য আর জ্বলে না মরতে হয় তার জন্যে একটি আইন করা উচিত ।


যে মাটিতে রানী লক্ষ্মীবাঈ এর মত প্রতাপী মহিলা জন্মগ্রহণ করেছিলেন সেই মাটিতে সাধারণ নারীত্বের অপমান বা যে কোনো নারীর চরম অপমান যেন না হয় আমাদের নিজেদের সেইদিকে দেখা উচিত আর বিরোধিতা করা উচিত।আমাদের প্রত্যেকে প্রত্যেকের পাশে দাঁড়ানো উচিত তাদের সাহায্য করা উচিত।আজকের এই করোনা যুদ্ধে যেমন আমরা সবার পাশে আছি সবাইকে সাহায্য করছি সব সব সময় সবাইকে সুস্থ রাখার ভালো রাখার কথা ভাবছি যাতে আর কাউকে করোনার হাতে মৃত্যু বরণ না করতে হয়,আমরা এখন যেমন একসাথে চলছি,তেমনি আমরা একসাথে যেন থাকতে পারি যাতে আমাদের মধ্যে আর অন্য কোন তৃতীয় ব্যক্তি না ঢুকতে পারে আর আমাদের মধ্যে হিংসা বিভেদ সৃষ্টি করে যেমন 200 বছর আগে ব্রিটিশরা করেছিল একসঙ্গে থাকলে কখনোই বাইরের আশা কোন বিপদ আমাদেরকে কিছু করতে পারবে না কিন্তু আলাদা হয়ে থাকলে বাইরের যে কোনো বিপদ আমাদেরকে তছনছ করে দিতে পারবে, তাই আমাদের সবসময় মাথায় রাখা উচিত আমরা একসঙ্গে থাকব,সুস্থ থাকব যাতে আবার করে আমাদের পরাধীনতা গ্রহণ না করতে হয়।আমাদের এটাই মূল মন্ত্র হওয়া উচিত স্বাধীনতার 73 তম দিবস থেকে। এই মূলমন্ত্রকে মেনে চললে আমরা খুব তাড়াতাড়ি#freeindians বলে নিজেদেরকে বলতে পারব।আমি বলছিনা যে আমরা এখন স্বাধীন নই অবশ্যই আমরা স্বাধীন কিন্তু ওইসব পৌরাণিক কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে এসে নতুন প্রজন্মের সাথে নিজেকে নিয়ে নতুন ভাবনায় নিজেকে গঠন করে একটা নতুন জন্ম নেওয়া একটা সুন্দর ভারতবর্ষকে গরতে সাহায্য করবে।সুন্দর ভারতবর্ষের অপেক্ষায় তো আমরা এতদিন ধরে করে আসছি আমরা সবাই চাই আমাদের ভারতবর্ষকে সুন্দর স্বচ্ছ এবং গঠিত দেখি।


Rate this content
Log in

More bengali story from Kumar Archita

Similar bengali story from Abstract