মৃত্যুর পরে
মৃত্যুর পরে
চার বন্ধুতে মিলে রওনা হয় দিনু কাকার বাড়ির পথে। কিছুটা যেতেই তাদের কানে আর অনেকগুলো শব্দ ভেসে আসতে থাকে। অনেক গুলো আর্তনাদ, সকলেই বলছে ডাক্তার বাবু বাঁচান আমাদের। রহিত বলে সুদীপ বিষয়টা কেমন হলো গ্রামের লোকেরা কিভাবে জানতে পারলো আমাদের মাঝে একজন ডাক্তার রয়েছে? এছাড়া বাইরের গ্রামের লোকেরা বলেছিল এই গ্রামে একটাও মানুষ নেই তাহলে কি আমরা ভূতের চিকিৎসা করছি। সুদীপ বলে ঠিক বলেছিস তুই আমরা ভূতের চিকিৎসাই করছি। হঠাৎ গ্রামের প্রতি ঘরেই প্রাই আলো জ্বলে উঠলো তানিয়া কি হলো বিষয়টা গভীর অন্ধকারের মধ্যে হঠাৎ আলোকিত হয়ে উঠলো এই গ্রাম। আর্তনাদ আরো গভীর হয়ে উঠতে থাকলো অচিন্ত বললো কিরে কি করবি সুদীপ।সুদীপ বলে করবারতো একটাই জিনিস আছে আমরা যে কাজে এসেছিলাম সেই কাজটা করতে হবে রহিত বলে একমিনিট আমি একটু ফুটেজটা চেক করে দেখি আমার ক্যামেরা অন ছিলো। তানিয়া বলে ওকে দেখ কিছু পাওয়া যাচ্ছে কিনা। রহিত ফুটেজ অন করে সারাটা ফুটেজে ঘন অন্ধকার নিজেদের পর্যন্ত দেখা যাচ্ছেনা সেখানে। অচিন্ত একটু হতবাক হয়েই বলে অবশেষে ভূতের চিকিৎসা বেশ অভিঞ্জতা হলো বটে তবে একটা জায়গাতে খটকা রয়েই যাচ্ছে আমরাতো আলোতেই ছিলাম ওখানে একে অপরকে দেখতে পাচ্ছিলাম তাহলে এত ঘন অন্ধকার ক্যামেরায় এলো কি করে? সুদীপ বলে আমি ওটানিয়ে ভাবছিনা আমি ভাবছি ওরা আমাদের ঠিক কি বলতে চাইছে যদি ওরা আমাদের ক্ষতি করতে চাইতো তাহলে এতখনে আমরা হয়তো এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতামনা। তানিয়া বলে তারমানে ওরা আমাদের কিছু বলতে চাইছে কিন্তু কি? সুদীপ ওটাই জানতে হবে চল। রহিত বলে দেখ স্বাধীনতার আগেথেকে এই গ্রামটা পরিত্যক্ত আর গভীরে যাওয়াটা কি ঠিক হবে সব আত্মারা সমান নয়, এরা নেহাত বাচ্চা আত্মা ছিলো তাই আমাদের কিছু করেনি। অচিন্ত বলে কি বুদ্ধি আমাদের রহিত কুমারের বাচ্চা আত্মাতো তাই কিছু করেনি, আত্মা আবার বাচ্চা বুড়ো হয় বুঝি তোর ভয় করলে তুই এখানেই থাক আমরা ঘুরে আসছি। রহিত আমি একা থাকবো এখানে না ভাই চল মরলে এক সাথেই মরবো। তানিয়া সুদীপ একটু এগিয়ে গিয়েছিল দুরথেকে তানিয়া বলল ওরা ভিতুদের মেরে নিজেদের ছোট করেনা আমাদের মারলেও তোকে ওরা ছেড়ে দেবে। রহিত বলে সব সময় আমাকে নিয়ে মজা করা আমার কিন্তু ভালো লাগে না। সুদীপ বলে হয়েছে হয়েছে এবার পা চালা।

