মানুষের ভীড় থেকে
মানুষের ভীড় থেকে
মানুষের ভীড় থেকে
ওপাড় থেকে দুই পাগল বেরিয়ে একজনের পিছনে আরেকজন ছুটছে ভালবাসার জোরে মিলবে তার সাথে,বাঁধবে ঘর। রাস্তার দু'ধারে পড়ে আছে থরে থরে পাথর, তোলে না কোন পাগল, ছুড়ে না অন্যের দিকে। আরো কত কি রয়েছে পড়ে,এই যেমন অ্যাসিডের বোতল। তবুও তারা কেউ ছোঁড়ে না এটা ওটা অন্যকে লক্ষ্য করে।
পাগল হলেও শুধুই ভালোবাসা দিয়ে গড়া তাদের মন। হিংসার কোন প্রলেপ পড়ে নি মনে। হিংসার উপকরণ পড়ে থাকে অপাঙক্তেয় হয়ে ইতস্তত। হিংসার আমদানি করে নি তারা। ব্যবহার জানে না তারা আঘাত দেওয়ার দ্রব্যের।
ছুটতে ছুটতে একসময় তারা মিশে যায় মানুষের ভীড়ে। আর চেনা যায় না তারা কি পাগল,না বদ্ধ পাগল? বেলুনে হাওয়া ঢোকার মত হিংসা ঢুকতে থাকে তাদের মনে । ভালোবাসার জোর খাটানোর জন্য কেউ আর ছোটে না অন্যের পিছে। এখন অপরকে জয় করার তাদের একমাত্র অস্ত্র হিংসে।
মানুষের ভীড়ে মিশে তারা হয়েছে উন্নত। প্রচার তাই বলে।এখন রাস্তার ধারে পড়ে থাকে না ঢিল মারার পাথর,পড়ে থাকে না অ্যাসিডের বোতল। তাই বলে কি তারা আর ছোড়ে না পাথর, অ্যাসিডের বোতল?
না,না; সব কিছু সযত্নে রাখা থাকে থলের ভিতর। যখন সুবিধা বোঝে তখন প্রয়োগ করে একে অন্যের উপর। তাছাড়া তাদের আছে গুলি পিস্তল,বোমা পেট্রোল,আরো কত বিধ্বংসী অস্ত্র।
অবশেষে বীতশ্রদ্ধ জীবনে তারা অস্ত্রের ঝঙ্কারে,হিংসার ভারে নতজানু হয়ে অস্বীকার করে উন্নতি। মানুষের ভীড় থেকে চায় মুক্তি।

