Participate in the 3rd Season of STORYMIRROR SCHOOLS WRITING COMPETITION - the BIGGEST Writing Competition in India for School Students & Teachers and win a 2N/3D holiday trip from Club Mahindra
Participate in the 3rd Season of STORYMIRROR SCHOOLS WRITING COMPETITION - the BIGGEST Writing Competition in India for School Students & Teachers and win a 2N/3D holiday trip from Club Mahindra

গুলাল আবু বকর

Abstract Comedy Children


3  

গুলাল আবু বকর

Abstract Comedy Children


হাসি পেলে হাসুন, কিম্বা...১/১

হাসি পেলে হাসুন, কিম্বা...১/১

3 mins 189 3 mins 189

বিঃদ্রঃ— দুঃখিত, এখানে দুটো লেখা same হয়ে গেছে। মানে একই লেখা দু`বার ছেপে দিয়েছে। অবশ্য এই লেখাতে শেষদিকে অতিরিক্ত একটি গল্প add করে দিয়েছি। 

             •• জ্ঞাান ••  

জ্ঞানের বহর নিয়ে নিচের রসিকতা না বলে পারছি না।

শিক্ষক : বলতো, I love you কোথায় আবিষ্কার হল?

ছাত্র : চীনে স্যার। ওটা খাঁটি চীনের আবিষ্কার।

শিক্ষক : সেকি? বুঝলি কীভাবে তুই?

ছাত্র : কারণ, কথাটার কোনো গ্যারান্টি (guarantee) নাই।... টিকলে সারাজীবন টিকবে না টিকলে ২ দিনও টিকবে না স্যার!

🎯  একজন পরীক্ষার্থী মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিতে বসেছে। GK বিষয়ে উত্তরগুলো তার ঠিকঠিক হচ্ছিলো না। অন্য বিষয়গুলোতে সে ভালোই করেছে। ইন্টারভিউ যারা নিচ্ছিলেন তাদের একজন তাকে আর একটি সুযোগ দেবেন ঠিক করলেন। বললেন, “আপনি আমাদের সাথে কোনো একটি মজা করুন, যাতে আপনার বুদ্ধিমত্তা আমরা বুঝতে পারি।”

পরীক্ষার্থী এবার রুম ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে গেলো। গিয়ে দরজায় ঠকঠক আওয়াজ করে ঠুকলো।

পরীক্ষক বললেন, “কে ওখানে?”

ওপার থেকে শোনা গেলো, “আমি ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি।”

“ঠিক আছে, এখন আপনি আপনার নামটা বলুন।”

আওয়াজ এলো, “স্যার আপনি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আমাকে সেই GK থেকে প্রশ্ন করছেন।”


“তাহলে এক কাজ করুন, আপনার পরিচয় বদলে ফেলুন।”

“বদলে ফেললাম, আমি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।”

“আচ্ছা, নামটা তাহলে বলুন।”

“আজ্ঞে আমি ভাবলাম, বিদেশি হলে আপনি ছাড় দেবেন তাই বললাম।”

“ঠিক আছে, ঠিক আছে। ওটা আমিও জানিনা। কাল থেকে আপনি join করুন।”

জ্ঞানের বহর আমাদের কমে যাচ্ছে, সন্দেহ নেই।


এখন প্রিন্ট মিডিয়া বা সোস্যাল মিডিয়া এমন সব জিনিস তরুণ প্রজন্মকে গেলাচ্ছে যা এককথায় ন্যাক্কারজনক হালকা স্ফূর্তির অথবা হিংসা-বিবাদপূর্ণ। উদাহরণ দেওয়া লাগবে না। খোলা চোখে, খোলা মনে ঠিকই দর্শনলাভ ঘটবে।

বাড়ির পরিবেশ, একটি বাচ্চার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। একটি বাচ্চাকে তার শিক্ষক জিগ্যেস করলেন, “তুই কি আজ হোমওয়ার্ক করে এনেছিস? রোজ রোজ তো একটা না একটা বাহানা তোর লেগে থাকে!”

বাচ্চাটি বলছে, “আজকেও আনতে পারলুম না স্যার, আজকে হয়েছে কি—একজনের সাথে খুব ঝগড়া করলুম।”

স্যার বললেন, “ওরে গাধা, ঝগড়ার সাথে হোমওয়ার্কের সম্বন্ধ কোথায়?”

ছেলেটি বললো, “সম্বন্ধ না থাকলে কি আর বলি স্যার! ওটাই কাল্ হয়েছে। সে আপনার নামে যা-তা বলতে শুরু করলো। যা খুশি তাই বললো। আমি চুপচাপ শুনলুম। তারপর ঐ হোমওয়ার্কের খাতা দিয়ে আচ্ছা করে তাকে পেটাতে লাগলুম। তাতে হোমওয়ার্কের খাতার একেবারে দফারফা হয়ে গেলো। খাতাটা আর খুঁজে পেলুম না।”

তার একথায় শিক্ষক কতখানি প্রীত হয়েছিলেন, সেটা খোঁজ করা হয়নি। সুতরাং সে ইতিহাস এখন জানার কোনো সুযোগ নেই।


এই সাথে সাথে আর একটি চালাক ছেলে বা চতুর ছেলের গল্প বলে আপাতত শেষ করবো।

চালাক ছেলেটি বন্ধুকে শোনাচ্ছে, “আমার একটা ট্রেনিং নেওয়া বেড়াল আছে। বেড়ালটা খুব বুদ্ধিমান। তাকে আমি রোজ গান করে শোনানোর ট্রেনিং দিচ্ছি।”

সঙ্গে থাকা ছেলেটির বন্ধু বললো, “বাঃ, দারুন তো! তা ঐ যে দেখছি ঐ বিড়ালটা বুঝি!”

চালাক ছেলেটি বললো, “হ্যাঁ, হ্যাঁ...ঐ বিড়ালটা।”

তার বন্ধু বিড়ালটির কাছে গেলো এবং বিড়ালকে শুনিয়ে বললো, “এ্যাই বিড়াল, কই একটা গান করে শোনা দেখি...”

বিড়ালটি প্রথমে ড্যাবড্যাব করে তার দিকে তাকালো তারপর একটা পা মেঝে থেকে তুলে উঁচু করে মিউ মিউ বলে দু’বার ডেকে উঠলো। এবার মিটমিট করে একবার তার দিকে, একবার চালাক বন্ধুর দিকে দেখতে থাকলো।

অতিথি বন্ধু বললো, “কইরে, তোর বিড়াল গান গাইছে কই, ও তো শুধু মিউ মিউ করছে।“

চালাক বন্ধুটি বললো, “আমি কি একবারও বলেছি, যে ও তোকে গান গেয়ে শোনাবে! আমি সবেমাত্র বললাম, ওকে আমি গানের ট্রেনিং দিচ্ছি, না শিখলে আমি কি করবো!”

একে বলে টনটনে জ্ঞান নিয়ে অন্যকে কিছু বোঝানো।


তত্ত্বজ্ঞান আর ব্যবহারিক জ্ঞান নিয়ে দুই পণ্ডিতের মধ্যে কথাবার্তা চলছে।

কথাবার্তার মধ্যে ঐ দু’জন জ্ঞানী মানুষ একটি নৌকায় চড়ে নদী পারাপার করছেন। তাদের একজন হলেন বহুভাষা জ্ঞানী। তাকে অন্য আরেকজন জ্ঞানী ব্যক্তি জিগ্যেস করলেন, “আপনি কি সাঁতার জানেন?”

ভাষা জ্ঞানী বললেন, “না, আমি সাঁতার জানিনা, কিন্তু জানার দরকারই বা কি!”

অন্য জ্ঞানী ব্যক্তি তখন জানালেন, “বিশেষ ক্ষেত্রে তো দরকার আছে। হঠাৎ নদীতে পড়ে গেলে আপনি কি করবেন?”

ভাষা জ্ঞানী তার কাছে অকপটে ব্যক্ত করলেন, “আমি দশটা ভাষা জানি, বুঝেছেন। যদি পড়ে যাই তাহলে দশটা ভাষায় সাহায্যের জন্য আবেদন করবো। এই দশটি ভাষার একটিতে কথা বলার মতো কেউ ওখানে থাকবেনা কি!”

“হয়তো থাকবে কিন্তু আপনি ভরসা করছেন আপনার শেখা ভাষার ওপর, সাঁতারের ওপর নয়।” অন্য জ্ঞানী ব্যক্তি বললেন।

জ্ঞানের চর্চা তো অনেক হলো। জ্ঞানের ঝাঁপি এবার বন্ধ করছি।

                © ঝাঁপ বন্ধ 

  # এরপর পড়বেন— পর্ব ২




Rate this content
Log in

More bengali story from গুলাল আবু বকর

Similar bengali story from Abstract