Ajoy Kumar Basu

Abstract


3  

Ajoy Kumar Basu

Abstract


যেদিন ইস্কুল গেলাম

যেদিন ইস্কুল গেলাম

7 mins 1.0K 7 mins 1.0K

আজ সকালটা ঝলমলে। একটু একটু ঠান্ডা, বারান্দায় রোদ্দুরে পা ছড়িয়ে বসে আছি। সামনের রাস্তা দিয়ে এক দল বাচ্ছা যাচ্ছে হৈ হৈ করতে করতে। নানা স্কুলের নানা ইউনিফর্ম। একটা অদ্ভুত আনন্দ মনটাকে ভরে দিলো, জীর্ণ শরীরটাকে ছেড়ে মনটা চললো অনেক আগের দিনে। আমিও একদিন এমনি করে ইস্কুলে যেতাম। কি গালভরা নাম ছিল আমার প্রথম ইস্কুলের। কাশী ভোলানাথ বিশ্বেশ্বর হিন্দু একাডেমি।

মনে পড়লো প্রথম দিনের কথা। অজান্তে কখন হাসতে শুরু করেছি। কাজের মেয়েটা বারান্দা ঝাঁট দিতে দিতে বললো, 'কি হলো দাদু, এত হাসি কেন? দিদিমার কথা মনে পড়ছে?' আমি বেশ অপ্রস্তুত। একটু পরেই আবার একলা বসে মনের নৌকোটাকে ভাসিয়ে দিলাম। ক্লাস থেকে পদ্মানদী দেখতে পেতাম, কত চওড়া, ওপারটা একেবারে আবছা।

হিসেবী মন বিচার দিলো, স্কুলে দ্বিতীয় দিন ছিল সেটা। প্রথম দিন পরীক্ষা দিলে, মনে পড়ে? একেবারে ঠিক কথা। বাড়ীতেই থাকতাম- বড় তিন দাদা সকাল হলেই স্কুলে যেত, আমি তাকিয়ে ভাবতাম আমিও একদিন ওদের সঙ্গে স্কুল যাবো। আমার মতো নিঃস্কুল ছাত্র পেয়ে সবাই মাস্টারী করতো। বাংলা আর ইংরিজি ওরাই শিখিয়ে ছিল - বেশ কড়া মাস্টার, ভুল করলেই কানমলা। কানমলা থেকে বাঁচার উপায় একটাই ছিল - তাড়াতাড়ি শিখে ফেলা। হাতে সারাদিন, কোনো অসুবিধে হতো না।

কিন্তু আমার প্রধান প্রাইভেট টিউটর ছিল হরদা, হররঞ্জন সরকার, বাড়ী বরিশাল - আমাদের বাড়ীতে থাকতো, ছোট ছোট কাজে মাকে সাহায্য করতো। একটা চাকরি করতো বাবার অফিসে।

হরদা direct action এ বিশ্বাস করতো। আমার পুকুরে নেমে চান করার শখ। একদিন কোমরে একটা গামছা বেঁধে বললো, ’চল তোকে সাঁতার শেখাই’। আনন্দে চললাম পুকুরে। হরদা সাঁতারের Basic Instruction দিলো, 'বুঝলি, জলকে ভয় পেলে সাঁতার শেখা যায় না, আমার গামছাটাকে শক্ত করে ধরে থাক। দেখ কি মজা।'

সত্যি কি মজা! কিছুক্ণ জলে ঘোরা হলো। ঘাটের থেকে একটু দূরে- আবিষ্কার করলাম যে আমি গামছা ধরে আছি minus হরদা- সে তো আমার হাতে গামছা ধরিয়ে সাঁতরে ঘটে গিয়ে বসলো। আমাকে চেঁচিয়ে অভয় দিলো, 'চলে আয় ঘাটে'. প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে, জল খেতে খেতে, হাত -পা ছুঁড়ে ঘাটে পৌঁছলাম। সাঁতার শিখতে কোনো অসুবিধে হয় নি।

একদিন পেয়ারা গাছে উঠেছি। হাজির হরদা। একটা তাচ্ছিল্যের ভাব চোখে -মুখে। 'পেয়ারা গাছে চড়া কোনো চড়া নাকি, সবাই পারে। চড়তে হলে নারকোল গাছে চড়তে হবে; বরিশালে কত নারকোল আর সুপুরির গাছ তুই ভাবতেও পারবি না।'

সম্মানে ঘা দিয়ে কথা; চেষ্টা করলাম বাগানের নারকোল গাছটাতে চড়তে। এক্কেবারে ফেল। হরদা শেখালো,' গাছটাকে বাঁদরের মতো দু হাত আর দু পা দিয়ে জাপটে ধর'। ধরলাম, আর হরদা একটা দড়ি দিয়ে পা দুটোকে বাঁধলো আলগা ভাবে।' এবার হাতে ভর দিয়ে ওপরে ওঠ আর শোন, হড়কে নীচে আসলেই পাদুটো নিজের দিকে টান।' গুরু বাক্য অবহেলা করলাম না। প্রথম দুবার পড়লাম, গেঞ্জিটা একটু ছিড়লো, সঙ্গে অল্প বুকের চামড়া। গুরু আমার স্থির, কোনো ভাব নেই মুখে। 'আবার ওঠ।' উঠলাম, পড়বার আগেই পা দুটোকে নিজের দিকে টানলাম,আর পড়লাম না। দুদিন, মাত্র দুদিনে আমি নারকোল লেভেলে হাজির। ওপর থেকে নিচে তাকিয়ে দেখি আমার তিন অত্যাচারী দাদা; মুখগুলো রসোগোল্লা খাবার জন্যে হাঁ কোরে।

সেই হরদা বোঝালো,'অঙ্কে সবাই ভয় পায় কেন জানিস? অঙ্কটাকে কেউ গান ভাবেনা বলে। গানের মতো অঙ্ক করলে তবেই তো অঙ্কের মজা।' সেই সন্ধে থেকে শুরু হলো আমার অঙ্ক সংগীতের আসর। সুর করে নামতা। দু তিন সপ্তাহের মধ্যেই নটা গান মুখস্থ। আমার গানে বাড়ী জর্জড়িত, সুরে গাইছি, সাতেককে সাত, সাত দুগুনে চোদ্দ। সুর -ছন্দে ভুল হলে হরদার বকুনি,'হচ্ছেটা কী? গান হচ্ছে,নাকি পোদ্দ বলছিস?' এক মাস, শুধু একটি মাস, এক থেকে কুড়ির নামতা ঝাড়া মুখস্থ।

 তারপর যোগ, বিয়োগ, গুণ - কোনো ব্যাপারই নয়।

হরদার উৎপীড়ণ বাবাকেও মুগ্ধ করলো। বাবা রায় দিলেন,'আর দেরী নয়, ধর গো তোরা, ছেলেটাকে ধর গো.' মাকে বললেন পরদিন স্কুলে পাঠাবার জন্যে তৈরী করতে। পরদিন বাবার অফিসের মনোরঞ্জন কাকু আমাকে স্কুলে নিয়ে গেলেন, সোজা হেড মাস্টার মশাইয়ের ঘরে। আমার head to toe নিরীক্ষণ করে দয়ালু কণ্ঠে নাম, কি পড়েছি জিজ্ঞেস করলেন; একজন মাস্টার মশাইকে ডেকে কি সব বললেন, মনে হলো ছাল ছাড়াতে। যাই হোক,পাশের ঘরে গেলাম। প্রথমে বাংলা পরীক্ষা। প্রথম ভাগ থেকে একটা পাতা দেখিয়ে পড়তে বললেন -গোপাল একটি সুবোধ বালক ---;আমার কোনো অসুবিধে হলো না। তখন আসলো দ্বিতীয় ভাগ। সেটাও সহজে পড়ে ফেললাম। তারপর ইংরেজি, ছবিতে বড়ো বড়ো করে লেখা। পাশ করে গেলাম। শেষে অঙ্ক। যোগ আর বিয়োগ করবার পর গুণ। একটা কাগজে পাঁচটা নম্বর, তার নীচে তিনটে; গুণ করতে বললেন। হরদা এই অব্দি শিখিয়েছে। করলাম নিচের ডান দিকের সংখ্যা দিয়ে ওপরের পাঁচটাকে গুণ; পরের লাইনে একটা ঢোঁড়া তারপর গুণ; তারপর আরো একটা ঢোঁড়া দিয়ে গুণ। আমি থামলাম। মাস্টার মশাই একটু অবাক হলেন আমাকে থামতে দেখে। আমি বললাম এর পর কি করতে হবে আজ রাত্তিরে হরদা শেখাবে। কাকু আমাকে ছেড়ে মাস্টার মশাইকে নিয়ে গেলেন হেড মাস্টার মশাইয়ের ঘরে। বেড়োলেন, মুখটা হাসি হাসি, কোনো কথা না বলে বাড়ীতে পৌঁছে দিলেন।

বাবা অফিস থেকে একটু আগেই ফিরলেন। চা খেতে খেতে ডাকলেন; মুখটা দেখে মনে হলো একটু খুশি। কিন্তু স্বভাবসিদ্ধ গম্ভীর গলায় বললেন,'কাল থেকে স্কুলে যাবে, ক্লাস থ্রীতে।' অনেক পরে বুঝেছিলাম আমার triple promotion সবাইকে চমকে দিয়েছিলো। এই হলো আমার স্কুলে ঢোকার আদিপর্ব।

পরদিন আমরা চার ভাই রেডি। আমার সম্মানে বাবা গাড়িতে করে যাবার অনুমতি দিয়েছেন। স্কুলের গেটে তিন দাদা নেমেই ভেতরে ঢুকে পড়লো। এক জুনিয়ারের সঙ্গে একসঙ্গে চলতে সিনিয়রদের প্রেস্টিজে লেগেছিলো বোধ হয়। আমার কিছু মনে হয়নি।

গেট দিয়ে ঢুকে দেখি সবাই জড়ো হচ্ছে একটা গাড়িবারান্দার সামনে। আমিও গুটি গুটি সেই দিকে চললাম। আমার মুখ দেখে একজন বুঝলো আমি আনকোড়া নতুন। পাস দিয়ে যেতে যেতে জানালো এটা Prayer এর ক্লাস। Prayer কথাটা শুনিনি আগে, বুঝলামও না। তবু গেলাম সবাই যাচ্ছে দেখে। বারান্দায় দাঁড়ানো হেডমাস্টারমশাই, পাশে যিনি আমার পরীক্ষা নিয়েছিলেন সেই মাস্টারমশাই। আরও অনেকে, নিশ্চই তাঁরাও মাস্টারমশাই। সব ছাত্ররা লাইন করে দাঁড়ানো। আমিও একটা লাইনে দাঁড়িয়ে পড়লাম। এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখি, সবাই জোড় হাতে চোখ বন্ধ অবস্থায় দন্ডায়মান; বুঝলাম এটাই নিয়ম, আমিও তাই করলাম।

শুরু হলো পুজোর মন্ত্র, সবাই একসঙ্গে মন্ত্র বলছে। মনটা খুশিতে ভরে গেল, পুজো শেষে প্রসাদ খাইয়ে পড়া শুরু, ভেবেও আমার স্কুল নিয়ে একটা গর্ব অনুভব করলাম। 'তমেব মাতা চ গুরু তমেব,’ আরও কত মন্ত্র। সমবেত মন্ত্রপাঠ শেষে প্রসাদ দিলো না। সবাই ক্লসের দিকে দৌড়োলো। আমি জানিনা কোথায় যাবো। সেজদা করুণা করে আমার ক্লাসে পৌঁছে দিলো।

একটা ডেস্কের এক কোনায় বসলাম। আসলেন শান্ত মানুষ, সবাই উঠে দাঁড়ালো, আমিও। তারপর সবাইকার নাম ডাকলেন, আমার নাম সবশেষে। অন্যদের মতো আমিও Present Sir বললাম। সবাই বাংলা বই খুলে বসলো। মাস্টারমশাই বুজেছেন আমি নতুন। বললেন ভালো করে পড়াশুনা করতে; অন্যদের বল্লেন আমাকে যেন সবাই একটু শিখিয়ে পড়িয়ে নেয়। আনন্দের মধ্যে কাটালাম প্রথম ক্লাস। তিনি বেরোতেই সবাই ব্যস্ত,আমাকে সামনের ডানদিকের ডেস্কের তৃতীয় স্থান দেওয়া হলো। একজন মাস্টারমশাইয়ের জায়গায় দাঁড়িয়ে, হাতে এক টুকরো কাগজ। তাতে কিছু লিখলো, সবাইকে বকা ঝকা করলো, কিন্তু তাতে কারুর কিছু হলো বলে মনে হলো ন

আসলেন ইংরিজির মাস্টারমশাই। মুখখানা ভারিক্কি; বোঝা যাচ্ছিলো সবাই ভয় করে। হাতে বই আর একটা ছড়ি। প্রথমেই যে কাগজে লিখছিলো তার চিরকুটটা নিয়ে দেখলেন। তারপর শোনালেন তিনটে নাম-আমি প্রথমে। জানিনা কি করবো, দ্বিতীয় নাম আমার পাশেই, আমার হাতটা টেনে ফিসফিস করে বললো 'চলে আয় আমার সন্গে'. গেলাম একেবারে ক্লাসের বাইরে, দরজার সামনে বারান্দায়। আমার পথপ্রদর্শক বললো,'আমার মতো চেয়ার হয়ে বোস'- আমি তাকে ফলো করলাম, জানলাম না কেন। আমরা তিনজনে  হাটু মুড়ে চেয়ার হয়ে থাকলাম। মাস্টারমশাই আমার ডেস্কের দিক থেকে শুরু করলেন। প্রথম দুজনকে বই থেকে পড়তে বললেন। তারপর আমার ডাক। ভয়ে ভয়ে সামনে দাঁড়ালাম। বিরক্ত কণ্ঠে বললেন,'প্রথম দিনেই বাঁদরামি,পড়ো পাঁচ আর ছয়ের লাইন'. নিজের বইটা আমার হাতে দিলেন। আমি একটু কাঁপতে কাঁপতে সুন্দর করে পড়লাম। আমার পড়াতে একটু অবাক হলেন, তাও গম্ভীর স্বরে বললেন,'হাত পাতো'; পাতলাম দুটো হাত। বাঁ হাতে মারলেন দু ঘা বেতের বারি। তারপর জায়গায় বসতে বললেন। আমার পাশের জনেরও পুনরাবৃত্তি; পাশে বসতে বসতে জানালো, 'চিন্তা করিস না; হাতের চামড়া একটু শক্ত হয়ে গেলে আর লাগবে না'।

মাস্টারমশাই খুব সুন্দর করে পড়ালেন। নতুন একটা ইংরিজি শব্দ, কি ভাবে উচ্চারণ করতে হয় প্রত্যেককে এক এক করে প্রাক্টিস করালেন। পরদিনের হোম ওয়ার্ক বুঝিয়ে দিলেন। এরপরের ক্লাস সংস্কৃত। একটা চাপা উত্তেজনা। আসলেন পন্ডিত মশাই। গায়ে চাদর,হাতে বেত নেই, একটা বড়ো টিকি আর তীখ্ন কণ্ঠস্বর। সোজা আমাদের ডেস্কে। 'বল দেখি নদীর শব্দরূপ।' সে তো নদী, নাদদৌ, নদ্দ বলেই থেমে গেল। তার চুলটাকে মুঠোয় ধরে পিঠে দম দম দম তিনটে কিল। বুঝলাম বেতের দরকার নেই কেন। আমার পাশের ছেলে পাঁচটা লাইন বলে ক্ষান্ত,তার পিঠে এক কিল। এবার আমার পালা। শব্দরূপ কথাটা দাদাদের মুখে শুনেছি বটে, বস্তুটিকে চোখে দেখিনি। ভাবছি আমার Quota তে কটা কিল। কিন্তু না, আমার মুক্তিদাতা হাজির। যে ছেলেটি আমার নাম লিখে আমাকে চেয়ার বানানোর পরিকল্পনা করেছিল সেই Man-Eater আমার Man Savior হয়ে আমার আর কিলের মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়ালো। 'পণ্ডিত মশাই, এ ছেলেটি আজকেই প্রথম স্কুলে এসেছে। ও তো জানেনা কী মুখস্থ করতে হবে। তাই আজ ওকে ছেড়ে দিন।' পন্ডিত মশাই আমাকে মুক্তি দিলেন আর পরের দিন নর শব্দের শব্দরূপ মুখস্থ করে আসতে বললেন।

এরপর আধ ঘন্টা টিফিন। প্রায় সবাই গোয়াল ছাড়া গরুর মতো দৌড়ে পালালো। আমার পাশের ছেলে আর মনিটর বোঝালো। বাংলার মাস্টারমশাই বলে গেলেন নতুন ছেলেকে সব শিখিয়ে দিতে, তাইতো চেয়ার হওয়া, বেত খাওয়াটা First Lesson .আমি মুগ্ধ এমন বন্ধু কজনের ভাগ্যে জোটে ?

টিফিনের পরে সবটাই আনন্দ। অঙ্ক হলো, ইতিহাসের গল্প শুনলাম, ড্রয়িং করলাম। ঢং ঢং করে ছুটির ঘন্টা। আমাকে দাদাদের জন্যে থাকতে হবে আরও এক ঘন্টা। স্কুলের পেছনে নারকোল গাছ,অনেক নারকোল। আছে অনেক আমের গাছ,কিন্তু আম নেই -ছাত্ররা সাফ করে দিয়েছে। নারকোল আছে বেঁচে। অত উঁচুতে উঠবে কে !

আমার কজন সহপাঠী টিটকিরি দিলো, কিরে নারকোল পারবি নাকি ? আমার গলা শান্ত,'একটা মোটা দড়ি পেলে দেখতে পারতাম।'

নিজেদের মধ্যে কি কথা হলো জানিনা। দেখি জনা দশেক বন্ধু ইজেরের দড়ি খুলে গিঁট পাকিয়ে একটা মোটা দড়ি বানালো,'যদি নারকোল না খাওয়াস তো এই দড়ি বেঁধে তোকে ক্ষুদিরাম বানাবো।'

আমি গাছে উঠলাম গুরু হরদার নাম নিয়ে। বেছে দুটো হলদে রঙের নারকোল পেড়ে নীচে ফেললাম। মনিটর নীচ থেকে বললো,'আর নয় ,সবাই জেনে ফেলবে।'

 কি করে যেন খবরটা পৌঁছলো ওপর তলায়। কজন মাস্টারমশাই আর উঁচু ক্লাসের ছাত্র এলো,দেখলো নির্বাক হয়ে। আমার বন্ধুরাও এক্কেবারে চুপ,দড়িছাড়া নিজের নিজের ইজের হাতে ধরে।নামলাম গাছ থেকে।

 কোথা থেকে সেফটিপিন জোগাড় হলো। এ ওর ইজেরের দড়ি পড়ালো। সবাই স্বাভাবিক হলো।

 এক মুহূর্তে সবাইকার চোখে জিরো থেকে হিরো হলাম, ইস্কুলের প্রথম দিনেই।


Rate this content
Log in