Sayandipa সায়নদীপা

Tragedy


3  

Sayandipa সায়নদীপা

Tragedy


দৃষ্টির ওপারে

দৃষ্টির ওপারে

7 mins 2.1K 7 mins 2.1K

ইউনিভার্সিটি থেকে ফিরছিলাম, প্রচন্ড গরমে আক্ষরিক অর্থেই অনবরত মাথার ঘাম পায়ে পড়ছিলো, সারা শরীর জুড়ে অস্বস্তি। এখন বাড়ি ফিরে স্নান করতে পারলে বাঁচি। পাড়ার মধ্যে ঢুকতেই নজরে পড়লো দুই পাড়াতুতো কাকিমা উত্তেজিত হয়ে কিছু আলোচনায় ব্যস্ত। আলোচনার মধ্যেই তাদের একজনের নজর পড়লো আমার দিকে, সৌজন্য বিনিময়ের হাসি টুকু ছুঁড়ে দিয়ে সেখান থেকে পালানোর তাল করছিলাম, কিন্তু হলো না। কাকিমা ডাকলেন, “তাতাই শুনে যা।” এগিয়ে গেলাম ওদের কাছে।

“শুনেছিস আজ সকালে সৌরভদের গেট খোলা পেয়ে যাযাবরদের একজন সটান ঢুকে পড়েছিলো ওদের ঘরে, ভাগ্গিস রিনির মা বাইরে থেকে দেখতে পায়। নয়তো…”

“সেকি! আমি তো ক্লাসে গিয়েছিলাম তাই এসব কিছুই জানিনা, আর যাযাবরই বা এলো কোথা থেকে?” অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম আমি।

“এমা! তুই জানিস না? তেঁতুল তলার মাঠে যে আজ প্রায় দিনতিনেক একটা যাযাবর দল তাঁবু ফেলেছে।”

“তাই নাকি! মাও মনে হয় জানেনা একথা।”

“তুই শিগগির বাড়ি গিয়ে তোর মাকে সাবধান কর।”

“হ্যাঁ তাই করি।

এখন আসছি কাকিমা।”

ওদের বিদায় জানিয়ে বাড়ির দিকে এগোলাম। মাথায় যাযাবর শব্দটা ঘুরপাক খেয়ে চলেছে। আজ বহুবছর পর আবার এই এলাকায় যাযাবরেরা ঘাঁটি গেঁড়েছে, জানি চলেও যাবে কিছুদিন পর, এই জন্যই তো ওরা যাযাবর।

গেট খুলে বাড়িতে ঢোকার ঠিক আগে মুহূর্তেই নজরে পড়লো কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে থাকা একটা নোনা ধরা একতলা বাড়ি, যার প্রাচীরের ভেতরটা পুরোই গেছে জঙ্গলের গ্রাসে। জানালা দরজাগুলো আর আলাদা করে বোঝার উপায় নেই এখন। বাড়িটাকে ঘিরে সুন্দর বাগান কোনোদিনও ছিলোনা ঠিকই কিন্তু এমন জঙ্গলও তো ছিলো না আগে! মুহূর্তের মধ্যে আমার চোখের সামনের সব দৃশ্যপট যেন হঠাৎ করে পাল্টে গেল; ডিলান থমাসের “Poem in October” এর মতো চোখের সামনে রাস্তাটা হয়ে উঠলো বর্তমান আর অতীতের সীমান্তরেখা। সামনের বাড়িটা ভিন্টেজ কমপ্লেক্সনে হয়ে উঠলো একটা ভেজা সিমেন্ট, ইঁট, বালিতে ভর্তি নগ্ন কাঠামো…

**************************************************

গ্রীষ্মকালের সন্ধ্যে, তার ওপর লোডশেডিং। সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনির পর অফিস থেকে ফিরে বাবা বাড়ির উঠোনে বসে প্রকৃতির শীতলতায় নিজের ক্লান্তি দূর করতে উদ্যত; এদিকে ঘরের ভেতরে মা দুধের গ্লাস হাতে তিন বছরের আমির পেছনে ছুটে চলেছেন, আমারও বায়না দুধ খাবো না কিছুতেই। প্রচন্ড গরম, তারওপর সারাদিনের ক্লান্তির কারণে আমার আর মায়ের এই অবাধ্য গোলোযোগ বাবাকে বিরক্ত করে তুললো; ভেতরে এসে কিছু না বলেই আমাকে সটান কোলে তুলে নিয়ে বাবা গেট খুলে বেরিয়ে এলেন রাস্তায়। আঙ্গুল তুলে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করালেন কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে থাকা নির্মিয়মান বাড়িটার দিকে, অবাক হয়ে দেখলাম প্রত্যেক সন্ধ্যায় অন্ধকারে পড়ে থাকা বাড়িটার পাল্লাবিহীন জানালার খোপগুলো থেকে এক হলুদাভ আলো বেরিয়ে আসছে বাইরে, আর সেই আলোতেই ঘরের ভেতর নড়াচড়া করতে দেখছি কিছু ছায়ামূর্তিকে। বাবা বললেন, “দেখছো ওদের? ওদের বলে যাযাবর, ওরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়ায় আর যেখানে যায় সেখানকার দুস্টু বাচ্চাগুলোকে ঝোলায় পুরে নিয়ে চলে যায়। আজ দুপুরেই ওরা এখানে এসেছে এখানকার সব দুস্টু বাচ্চাগুলোকে ধরে নিয়ে যেতে। তুমি তো দুধ খেতে চাইছো না, ওরা টের পেয়ে গেলে কি হবে বলোতো!” চোখ বড় বড় করে বাবার কথাগুলো শুনছিলাম এতক্ষণ, এবার ভয় পেয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম বাবাকে।

পরের দিন সকালে ঘুমঘুম চোখে বাবার কাছে ব্রাশ করিয়ে দেওয়ার আব্দার নিয়ে এসে দেখলাম বসার ঘরে বাবার সঙ্গে গল্পে মত্ত এক ভদ্রলোক; উচ্চতা ছয় ফুটের ওপর হবে, রোগা, শ্যাম বর্ণ, মাথার মাঝখানের টাকটাকে ঘিরে চারপাশে রয়েছে পাতলা কোঁকড়ানো চুল। কিন্তু ভদ্রলোকের চোখের দৃষ্টিটা কেমন যেন ঘোলাটে, কেমন যেন বিষাদ মাখানো সে দৃষ্টি। আগেই জানতাম ওই বাড়িটা বাবার এক কলিগের, নাম ঋষি হেমব্রম। আজ প্রথম চাক্ষুষ দেখলাম তাঁকে। বাবা কাল নাকি ফোন করে জ্যেঠুকে ওই যাযাবরদের খবরটা জানিয়েছেন আর তাই সক্কাল সক্কাল জ্যেঠু এসেছেন ওদের উৎখাত করতে।

এর প্রায় বছর খানেক পর বাড়ি তৈরি শেষ হতে জ্যেঠুরা সপরিবারে এসে ওঠেন নিজেদের বাড়িতে। জ্যেঠু ছিলেন অমায়িক মানুষ, শান্ত ধীর স্থির মানুষটাকে দেখলেই শ্রদ্ধা জাগে। বাবার মুখে শুনেছি কর্মক্ষেত্রেও সমান জনপ্রিয় তিনি। কিন্তু এই মানুষটারই ব্যক্তিগত জীবনটা যে কি পরিমাণ বিষময় তা আমরা টের পেলাম অল্পদিনেই। জ্যেঠুর চেহারা ও চরিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর জ্যেঠিমা কারুর সাথে মিশতেন না, বাড়ির কোনো কাজও করতেন না, সারাদিন একটা সোফায় বসে টিভি দেখতেন। জ্যেঠু বাজার করা থেকে রান্না করা, ছেলেমেয়ের খেয়াল রাখা সব একা হাতে সামলাতেন। এমনিতে জ্যেঠিমা কথাও বলতেন না জ্যেঠুর সাথে, শুধু ওনার মতের বিরুদ্ধে কিছু হলেই জ্যেঠুর ওপর বিভৎস চিৎকার শুরু করতেন, সেই আওয়াজে গোটা পাড়া যেন কাঁপত। ওনাদের ছেলে সুস্থ স্বাভাবিক হলেও মেয়েটি ছিলো জন্ম থেকেই অপ্রকৃতিস্থ। হুবহু জ্যেঠুর মতো দেখতে কুহুদিদি কথা বলতে পারতো না, শুধু মুখ দিয়ে অদ্ভুত আওয়াজ বের করতো। ক্ষেপে গেলে সে আওয়াজ জান্তব চিৎকারে পরিণত হতো বললেও বোধহয় অত্যুক্তি হয়না। তবে শত বিকৃত আওয়াজের ভিড়ে একটা শব্দ সে অবিকৃত উচ্চারণ করতে পারতো, “বাবা”; আর জ্যেঠুরও হৃদয়ের টুকরো ছিল তার ওই পাগলি মেয়ে; প্রত্যেকদিন অফিস যাওয়ার আগে মেয়েকে স্নান করিয়ে খাইয়ে যেতেন আর ফেরার সময় মেয়ের জন্য কিছু না কিছু খাবার কিনে বাড়ি ঢুকতেন। মেয়েটাও কি করে কে জানে ঠিক জ্যেঠুর ফেরার সময়টা টের পেয়ে যেত, হয়তো প্রকৃতি ওকে পার্থিব জ্ঞানলাভের জন্য অক্ষম বানিয়েছিল বলেই কিছু অন্য চেতনা সক্রিয় করে পাঠিয়েছিলেন ওর মধ্যে যাতে করে ঘড়ি দেখতে না জানা সত্ত্বেও ঠিক সময়ে বারান্দার গ্রিল ধরে অপেক্ষা করতো তার বাবার। কোনোদিনও জ্যেঠুর ফিরতে দেরি হলে উন্মাদের মতো চিৎকার করতো আর গ্রিলে জোরে জোরে মাথা ঠুকতো।

জ্যেঠিমাকে কোনোদিন মেয়েটার দিকে ঘুরেও তাকাতে দেখিনি, আর মেয়েটাও বাবা ছাড়া আর কারুর কথা শুনতোনা। বারান্দা আর ছাদ এই দুটো ছিলো ওর প্রিয় জায়গা। মাঝেমাঝে বাইরের দিকে পা ঝুলিয়ে ছাদের প্যারাপিটে বসে দোল খেত, আমরা ভয় পেতাম এই বুঝি পড়ে গেল কিন্তু ও ঠিক নেমে যেত খেলা শেষে। কখনো কখনো পাগলামো বেড়ে গেলে ছাদ থেকে জিনিসপত্র ছুঁড়ত রাস্তায়; আমরা গা বাঁচিয়ে চলতাম তখন। জ্যেঠিমার ব্যবহার আর কুহুদিদির জন্য ওদের পরিবারের সাথে কেউ মিশতোনা বিশেষ। পূর্ব পরিচিত হওয়ার জন্য আমাদের বাড়ি প্রায়ই আসতেন জ্যেঠু। আমি খুব পছন্দ করতাম ওনাকে, উনিও আমায় ভালোবাসতেন খুব কিন্তু মাঝেমাঝে জ্যেঠু কুহু দিদিকে নিয়ে এলে আমি বিরক্ত হতাম। আসলে ঠিক বিরক্ত নয়, ভয় পেতাম, ওর ওই অনবরত মাথা ঝাঁকানো, লালা ঝরা মুখ আর অদ্ভুত চিৎকার সেই ছোট্ট আমিটার মধ্যে এক ভয়ের জন্ম দিয়েছিল। ওকে দেখলেই সিঁটিয়ে যেতাম আমি, মনে হতো এই বুঝি আমাকে ধরে ও মেরে ফেলবে; অথচ কোনোদিনও ও আমাকে সামান্য আঘাতও করেনি বরং খেলতে চেয়ে হাত বাড়িয়ে আমায় ছোঁয়ার চেষ্টা করেছে। ছোটো ছিলাম তাই সেই খেলতে চাওয়ার অকুতিটাকেই আঘাত করার পূর্বাভাস ভেবে নিয়ে কোনোদিনই তার ডাকে সাড়া দিইনি, বরাবর ছুটে পালিয়ে গেছি দূরে।

মাঝেমাঝে কুহুদিদি বাড়ি থেকে পালিয়ে যেত, জ্যেঠু সারা শহর চষে খুঁজে আনতো ঠিক। এভাবেই অশান্তিতে জর্জরিত জীবনে পাগলী মেয়েটাকে আশ্রয় করেই বেঁচেছিলেন জ্যেঠু, মেয়েটাই ছিল তার জীবনের একমাত্র খুশির ঠিকানা। ওর জন্যই নিজের খেয়াল রাখতেন জ্যেঠু, বেঁচে থাকতে চাইতেন বেশি করে। কিন্তু মানুষ ভাবে এক আর হয় এক। আচ্ছা সুগার হলে কি কেউ মারা যায়? এমনিতে যায়না, কিন্তু জ্যেঠু গিয়েছিলেন; হঠাৎ একদিন সুগার ফল করে বাথরুমে পড়ে যান। মাথার ভেতরে হেমারেজ শুরু হয়, হসপিটাল নিয়ে যেতে যেতে সব শেষ। এই অসম্ভব ভালো মানুষটার এমন হঠাৎ করে চলে যাওয়া যেন মেনে নিতে পারছিলাম না কেউই, গোটা পাড়া ভেঙে পড়েছিল বাড়ির সামনে। ফুলে ঢাকা জ্যেঠুর নিথর দেহটার ওপর আছড়ে পড়ে জ্যেঠিমা সেদিন চেঁচিয়ে উঠেছিলেন, “ওগো কথা বলো না।” হয়তো সেই মুহূর্তে তার মনে পড়ে গিয়েছিল সারাজীবন মানুষটার জীবনটাকে কি পরিমান দুর্বিষহ করে তুলেছিলেন। সবসময় চিৎকার করতে থাকা কুহুদিদি কিন্তু সেদিন একটাও শব্দ উচ্চারণ করেনি মুখে, মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে ছিল শুধু। ভীষন কষ্ট হয়েছিল সেদিন, ভীষন। ভগবানকে প্রশ্ন করেছিলাম, “তুমি এতো নিষ্ঠুর?”

এর প্রায় মাসতিনেক পর কুহুদিদি হঠাৎ নিরুদ্দেশ হয়ে যায়, যেমন বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যেত তেমনই বেরিয়ে যায় কিন্তু জ্যেঠু তো আর নেই তাই খোঁজাখুঁজিতেও ঢিলেমি হয়। অবশেষে বেশ কয়েকদিন পর খবর পাওয়া যায় শহর ছাড়িয়ে বহুদূরে ক্ষিদে তেষ্টায় কাতর একটা জীর্ণ নারী শরীর নাকি ট্রাকের তলায় চাপা পড়েছে, সব শেষ। ওই শরীর নিয়ে নিঃশ্বাসের জন্য লড়াই করার ক্ষমতা ছিলো না তার, হয়তো বা ইচ্ছেও ছিলো না। আমি তো ওকে পছন্দ করতাম না, ভয় পেতাম, ঘৃণা করতাম… জ্যেঠু মারা যাওয়ার পর বিকেল হলেই ও আরও বেশি করে চিৎকার করতে শুরু করতো এবং সেটা চলতো প্রায় রাত এগারোটা অবধি; এতদিনে কিছুটা বড় হয়েছিলাম আমিও, পড়ার চাপও বেড়েছিল তাই ওর চিৎকার আমার মনসংযোগে বিঘ্ন ঘটাতো বলে অসহ্য লাগতে শুরু করেছিল মেয়েটা; কিন্তু কি আশ্চর্য এবার যখন খবর পেলাম সে আর নেই, প্রশান্তির বদলে বুকে দলা পাকিয়ে যেন একটা কান্না উঠে আসছিল বারবার। কেমন একটা অজানা কষ্টে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছিল আমার হৃদয়। সেদিন আবার ভগবানের সামনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেছিলাম, “কেন…! কেন…!” মা বলেছিলেন যারা ভালো মানুষ হয় তাদের নাকি ভগবান কষ্টের আগুনে পুড়িয়ে নিখাদ সোনা তৈরি করেন তারপর নিজের কাছে ডেকে নিয়ে ওদের স্বর্গের দেবদূত বানিয়ে দেন। সত্যি মিথ্যে বিচার করতে চাইনি তখন, মায়ের কথাটাকে বিশ্বাস করে শুধু মানসিক শান্তি খুঁজে নিয়েছিলাম।

*******************************************

“কিরে কি করছিস গেটের বাইরে?” মায়ের ডাকে সম্বিৎ ফিরলো, অতীতের রংটা হারিয়ে ওদের বাড়িটা আবার অন্ধকারে মিশতে শুরু করেছে। বিশ্বাসই হতে চায়না আজ এতোগুলো বছর কেটে গেছে ওদের হারিয়ে যাওয়ার, আমি নিজেও তো এই ক’বছরে বেড়েছি অনেকটা। আজ এতদিন পর শুধু একটা শব্দ শুনে আবার স্পষ্ট ভাবে মনে পড়ে গেল এতকিছু। আমরা তথাকথিত ভদ্র সমাজের মানুষরাও আসলে তো যাযাবরই। যারা জাতিগত ভাবে যাযাবর হয় তারা নিজের ইচ্ছেয় একস্থান থেকে অন্যস্থানে ঘুরে বেড়ায়, আর আমরা কোনো অমোঘ শক্তির নির্দেশে মানসিক ভাবে জীবনের এক প্রান্ত থেকে আরেকপ্রান্তে পৌঁছে যাই হঠাৎ করেই।

আকাশের দিকে তাকালাম, একটা একটা করে তারা স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। মুহূর্তের জন্য ভুলে যেতে ইচ্ছে করলো সব বিজ্ঞান, যুক্তিগ্রাহ্য পৃথিবীর নিয়ম... সেই ছোটবেলার মত চোখে কল্পনার চশমা চাপাতেই দেখতে পেলাম কুহুদিদি একটা উজ্জ্বল সাদা গাউন পরে জ্যেঠুর হাত ধরে আকাশের বুকে একটার পর একটা তারা সাজিয়ে চলেছে, কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ঈশ্বর একদৃষ্টিতে দেখছেন ওদের, মুখে তাঁর স্নিগ্ধ হাসি…

শেষ।

(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)


Rate this content
Log in