Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published
Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published

SUBHAM MONDAL

Romance Horror


5.0  

SUBHAM MONDAL

Romance Horror


হ্যালো, প্রিয়!!

হ্যালো, প্রিয়!!

8 mins 1.1K 8 mins 1.1K

টেলিফোনের রিংটা বেজেই চলেছে..... বেশ কয়েক বার বাজলো। দিয়া ছুটতে ছুটতে এসে হাজির....

'হ্যালো, হ্যালো,,,, কে?' 

ওপাশ থেকে কোনো আওয়াজ শোনা গেলো না।

'ও..... 

হ্যালো, প্রিয়!! আমি জানতাম তুই ফোন করবিই । বারো টা বাজলেই যে তোর ফোন আসে তা কি আর না জানা বল! কী রে কেমন আছিস বল? 

বউ কে মানে হবু বউ কে তো সারাদিন মনেই পড়ে না। তাও যে ফোনটা করলি এটাই আমার বড় পাওনা। 

ওই.... আজ তো মঙ্গলবার, কখন খেলি সকালে? আমিও আজ নিরামিষ খেয়েছি। হুম, মণি ভালো আছে। আমি কি মণিকে খারাপ রাখতে পারি বল? আমার মাসিশাশুড়ি বলে কথা! 

নারে এখন কথা হবে না ওনার সাথে, উনি একটু তাতাইদের বাড়ি গেছেন। কাল সকালেই চলে আসবে। আরে না রে বাবা!! আমার একা থাকতে কোনো অসুবিধে নেই। তুই ঠিক করে আছিস তো?" 


শর্মিলাদি এই জন্যই আজ টেলিফোন অফিসে গেছে। এতো রাতে একমাত্র ওনার অনুরোধেই অফিসের কর্মচারীরা কল রেকর্ড করতে রাজি হয়েছেন। কিন্তু তারা শুধুমাত্র দিয়ার কন্ঠই শুনতে পাচ্ছেন, ওপাশ থেকে প্রিয় নামক ব্যাক্তিটি কোনো রকম কোনো বক্তব্য রাখেন না। 


'হুম যেই শুনলেন মণি নেই সেই আপনার দুষ্টুমি শুরু হয়ে গেলো বলুন! 

দেখ একদম দুষ্টুমি করবি না বলে দিলাম। একটু কি সিরিয়াস হবে তুমি প্রিয়? 

ওই কবে আসবি বল তো? জানিস প্রিয়, তোকে ছাড়া একটুও ভালো লাগে না। আজ সাতটা মাস হয়ে গেলো তোকে দেখিনি। তোকে তো আবার ভিডিও কল ও করা যাবে না এমন জায়গায় থাকিস! নেটওয়ার্কটাও ফালতু ঠিক তোর মত। 

প্রিয়, তোর স্পর্শটা বড্ড মিস করি, সেই তোর আদুরে গলার কথাগুলো জড়ো করে রেখে দিয়েছি আমার মণিকোঠায়। এখন তো আর তেমন করে কথাই হয়না। প্রিয়, তোর গন্ধটা আগের মতোই আছে? 

আরে হাসছে দেখো ছেলেটা!!!! আমি কী এখানে জোকস বলছি যে তুই হাসবি? আমার ইমোশনটা বোঝ একটু ।

তুই না আর মানুষ হলি না। সত্যি এই গরুটাকে মানুষ করে তোলা আমার সাধ্যের নয়।

হাসতে থাক আর কি!! দেখ না তোর সব দাঁত পড়ে যাবে দেখ। 

আমাকে রাগীয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করছিস নেকামো করতে যে, 'রাগ করেছ সোনু'।

তুই আয় একবার, সত্যি তোকে খুব মারব দেখ। হুম জানি বরের গায়ে হাত তুলতে নেই তবু মারব... যা.. কী করে নিবি দেখব। মণিও বাঁচাতে পারবেনা তোকে। '-বেশ অভিমান এর সুরে কথা গুলো বলছিল দিয়া। 

মনে মনে বুঝলো দিয়া, সে একটু মন খারাপ করলে আবেগের বশে ছেলেটাকে যে বড্ড কষ্ট দিয়ে ফেলে। প্রিয়রও তো কষ্ট হয় ওকে ছাড়া, কিন্তু প্রিয় কোনো দিন মুখ ফুটে বলে না, কারণ প্রিয় ভেঙে পড়লে দিয়া যে আরোই মন খারাপ করবে। 


'দেখুন শর্মিলা দি আপনি আমাদের খুব কাছের লোক বলেই এই কল রেকর্ডটা করা হচ্ছে, তাও আবার রাত বারোটার সময়। আমরা ভেবেছিলাম আপনার খুব জরুরী কোনো কেসের ব্যাপার কিন্তু এমন পাগলের প্রলাপ শুনতে হবে ভাবতে পারিনি'--কথাগুলো বেশ বিরক্ত হয়ে বললো সুবীর বাবু। 

'ইনি যেই হোন ইনি একটা পাগল। মাথা খারাপ। দেখছেন তো ওপাশ থেকে কেউ কথা বলেছেন না অথচ উনি গপ্পো করছেন '-এই বলে হেসে ফেললেন রাজীব। সুবীর বাবু ও সহমত পোষণ করলেন। কিন্তু শর্মিলাদি বেশ গম্ভীর! মেয়েটা কি সত্যিই পাগল হয়ে গেলো! কিন্তু যে নাম্বার থেকে কলটা এসেছে সেটার খোঁজ করতেই হবে। দিয়া যদি পাগলামি করেও ফোনটা তো আসছে নিজের থেকেই , ফোনটা কে করছে!! প্রিয় তো _____________।


প্রায় ছয় মাস ধরে এরকম ফোন আসছে তাদের ল্যান্ড ফোনে। বেশ কয়েকবার যখন শর্মিলাদি নিজে ফোনটা ধরেছেন কারো কথা তো শুনতেই পাননি। শুধুমাত্র দিয়াই ওই অজানা কন্ঠের সাথে কথা বলে আর এ গলা কেউ শুনতে পায়না। চোখের কোণে জল এলো তার। 

একটু গম্ভীর হয়ে বললেন, 'আপনারা আপনাদের কাজটা করুন কে পাগল না সুস্থ সেটা আমি বুঝব'। 

(দিয়ার ফোনে আরো ফিরে আসা হল) 

'হুম হুম জানি তুই বলবি রাগলে নাকি আমায় সুন্দর লাগে। কিন্তু তুই কি দেখতে পাচ্ছিস আমায়? প্রিয়... ওই, আমি আর সত্যি পারছিনা বল না কবে আসবি? (একটু থেমে- প্রিয়র উত্তর শুনে) 

হুম ধৈর্য তো রেখেছি, আর কতো বল? 

ও আচ্ছা শোন না, বলছি তোর নন্দনপুরের ঘরে যাবো ভাবছি, কদিন ঘুরে আসি কি বলিস? কিন্তু জিজ্ঞেস করা হয়নি যে চাবিটা কোথায় রেখেছিস বাড়ির ? সেই যে আমেরিকার জন্য বের হলি আর তো বাড়িমুখো হয়নি এ ছেলে, মণি ও জানে না কোথায় রাখিস তুই জিনিসপত্র।

(একটু থেমে, প্রিয়র জবাব শুনে) 

ও..... ওখানে আছে। আচ্ছা বুঝলাম। 

(আবার কিছুটা থেমে) 

হুম আমি যাবো মণির সাথেই যাবো রে... এতো যে কেনো চিন্তা করিস তুই!!!!!! আমি কি সেই ছোট্ট দিয়া আছি এখনো???

হুম ... নন্দনপুরে গেলে আর সে রা টা কথা হবে না আমাদের। তবু তোর স্মৃতিগুলো যে সব ওখানেই আছে। এক রাতের বেশি থাকবো না কথা দিচ্ছি। আমি তো জানি একটা রাত কথা না হলে তোর কি হয়... খেপুটা। 

প্রিয়, তোকে না আমি বড্ড ভালোবাসি রে।(একটু লাজুক মুখে) 

আমায় ছেড়ে তোকে কোথাও যেতে দেবো না। মরে গেলেও না। বেঁধে রাখবো আমার কাছে। আর শোন ও দেশের সাদা মেয়েগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকবি না কিন্তু। আমি জানি পুচু (হাসতে হাসতে)। আমার পুচুটা শুধুই আমার। ওই... তোর অষ্টমীর দিন সেই বাইক জার্নিটা মনে আছে প্রিয়, আর ওই গানটা, আমাদের প্রিয় গানটা......আর ওই লাইনটা... 

'কুছ পাকার খোনা হে

কুছ খোকে পানা হে

জীবন কা মতলব তো

আনা অর জানা হে।

জিন্দেগী অর কুছ ভি নেহি

তেরি মেরি কাহানী হে।' 

তোর গলায় (চোখের কোণে জল জমে গেলো) 

(2 মি থামার পর) 

হুম রে বাবা তোর RoyaL Enfield-টার তো নিজের থেকেও বেশি পরোয়া করি। ওটা তো তোর প্রথম বউ আর আমি দ্বিতীয়।' 


ঘড়ি তে একটা বাজার ঘন্টা পড়লো।


'ওই.... একটা বেজে গেল, রাখতে হবে এরপর বল? ঘুম পাচ্ছে তোর? যা শুয়ে পড়। অনেক কথা বাকি রয়ে গেলো। কাল আবার কল করবি তো প্রিয়? আমি অপেক্ষায় থাকবো। আবার সেই রাত বারোটাতে কথা হবে কাল তাই তো?...... 

(এক নিশ্বাসে প্রিয় অনেক কিছু বলে গেলো) 

হুম গো আমি ঠিক করে খাওয়া দাওয়া করব। না সোনা একদম মন খারাপ নেই আমার। আমি তো জানি আমরা যতোটাই আলোকবর্ষ দূরে থাকি, আমাদের মন দুটি আছে খুব কাছাকাছি। বরং তুমি কিন্তু আমার আড়ালে চোখের জল ফেলবে না। কাঁদলে আমার দিব্যি মনে থাকে যেনো। 

তুমি ভালো করে থেকো ।নিজের খেয়াল রেখো ।ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করো। ঠান্ডা লাগাস না যেনো। আর ঠান্ডা জল খাবি না... বুঝলে????? 

গুড নাইট বাবু। রাখলাম।......"


' ম্যাডাম ফোন রেখে দিয়েছে।' রাজীব বলল। 

' আচ্ছা, তুমি কল রেকর্ড এর কপিটা কাল রেডি করে রেখো আর যে নাম্বার থেকে কলটা এসেছিলো সেটা খোঁজ নিয়ে দেখো, পুরো ডিটেইল আমার চাই আর সে জন্য তোমরা উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাবে। ' শর্মিলাদি কথাটা বলেই রওনা দিলেন। 

গাড়িতে যেতে যেতে দিয়ার কথা গুলোই শুধু মনে পড়ছে শর্মিলাদির । একটা প্রাণবন্ত চঞ্চল মেয়ে দিয়া, বেশ বড়লোক বাড়ির মেয়ে,প্রেমে পড়েছিল সাধারণ ঘরের একটা ছেলের, প্রিয়। প্রিয়র মা মারা যাবার পর তো মাসির কাছেই থাকতো ছেলেটা। নিজের চেস্টা আর প্রতিভা কে কাজে লাগিয়ে চাকরি পেয়েছিল একটা কোম্পানিতে। প্রতিভা বলেই সে বেশ উন্নতি করেছিল। কিন্তু দিয়ার পরিবার মেনে নিতে পারলনা প্রিয়কে। দিয়ার সৎ মা এই এক খুঁত পেয়ে খুব অত্যাচার করত দিয়াকে। দিয়ার বাবাকে ভুল বুঝিয়ে দিয়াকে খুব কষ্ট দিত। প্রিয় একদিন হঠাৎ করেই দিয়াকে নিয়ে আসে মণির বাড়িতে। বেশ ভালো লাগে দিয়ার এ বাড়িটা। মণি যেনো তার মৃত মায়ের মতো কাছে টেনে নিয়েছিলেন। ব্যাস....... আর দিয়াকে বাড়িতে নেওয়া হয়নি। সৎ মা ওর বাবাকে ভুল বুঝিয়ে বার করে দেয় বাড়ি থেকে। তখন থেকেই দিয়া মণির বাড়িতে আছে। 


প্রিয়র কাজে উন্নতি এতোটাই হল যে বিলেতে যাওয়ার সুযোগ পেলো ছেলেটা। দিয়া বা মণি কেউ রাজি হয়নি কিন্তু পারিবারিক আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় কিছুটা জোর করেই প্রিয় যেতে চেয়েছিল। তখনও ওদের বিয়ে হয়নি। কিন্তু........ 

25th august...... বিমান দুর্ঘটনাটা ছিল যে বড্ড ভয়ংকর! সেই রাতেই শেষ হয়ে গেছিল একশ পনেরোটা প্রাণ। প্রিয় সহ প্রায় এগারো জনের দেহ খুঁজেই পাওয়া যায়নি। 

এসব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে ড্রাইভার-এর আওয়াজে শর্মিলার সম্বিত ফিরল। বাড়ি পৌঁছে গেছে। টাকা মিটিয়ে সে বাড়িতে ঢুকলো। দিয়া তখন গভীর নিদ্রায় অচেতন। রাতটা বিনিদ্রই কাটলো শর্মিলার। দিয়ার কাউন্সিলরের প্রয়োজন। মেয়েটার যে আর কেউ নেই দেখার। 


সকালে দিয়ার ডাকে ঘুম ভাঙল মণির। 

-'মণি, ও মণি কখন এলে গো?' 

-'সকালেই এসেছি রে মা।' 

-'ও মণি, শোনো, কাল নন্দনপুর যাবো তুমি আর আমি বুঝলে।' 

-(এটা জানতো শর্মিলাদি) কিন্তু দিয়া, চাবি কোথায় আছে বাড়ির জানিস সেটা? 

-হুম, তোমাকে তো বলা হয়নি! কাল তোমার ছেলে ফোন করেছিল.... ওই তো বললো কোথায় রেখেছে চাবিটা। 

-দিয়া আবার কেনো পাগলামি করছিস। 

-কী পাগলামি করলাম মণি? 

-(শর্মিলা দি আর থাকতে না পেরে বলেই দিলেন বেশ জোর করে) দিয়া..... তুই কেনো পাগলামি করছিস? প্রিয় যে নেই মা। প্রিয় মৃত। প্রিয় মরে গেছে আজ সাত মাস আগে। তুই কেনো মানছিস না? 

-মণি, কী বলছো এইসব? প্রিয়র কিচ্ছু হয়নি। ও তো আমেরিকা তে আছে। ও ভালো আছে। তুমি এ সব বলো না প্লিজ। ও কদিনের জন্য কাজে গেছে, চলে আসবে তাড়াতাড়ি। 

-আমার ছেলের মতো প্রিয়। আমিও তো চাই ও ফিরে আসুক। কিন্তু ও যে মৃত, তার প্রমাণ তো তুই পেয়েছিস। 

-আমি মানি না ওসব। ও বেঁচে আছে। আর ছয় মাস ধরে রোজ ওর সাথে কথা হয় আমার তোমাকে তো বলেইছি। 

-এ সব তোর মনের ভুল। তুই পাগল হয়ে গেছিস। (নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে শর্মিলাদি) 

-তোমার ছেলে যে আমায় কথা দিয়েছিল মণি। 

ও আমায় ছেড়ে কোথাও যাবে না। ও কোথাও যেতে পারে না মণি বিশ্বাস করো। 

আচ্ছা দাঁড়াও তোমায় নন্দনপুরের চাবিটা দেখাই। তাহলে তো বিশ্বাস হবে তোমার যে ওর সাথে কথা হয় আমার। 

দিয়া ওর ঘরে ঢুকে গেলো। 

কিছুক্ষণ পর চাবিটা এনে হতে দিলো শর্মিলাদির। 

-দেখো মণি, তোমার ছেলে চাবি টা একুয়ারিয়াম এর পিছনে রেখেছিল। কতটা দুষ্টু দেখেছ? 


-কই দেখি!!! তুই কী করে খুঁজে পেলি মনা? 

-বললাম তো মণি, তোমার ছেলে কাল ফোনে বলেছে। 

আমি ব্যাগ গোছাই। তুমি ও রেডি হয়ে নাও। 

(অথচ কিছু দিন আগেও যখন দিয়া খুঁজেছিল খুঁজে পাওয়া যায়নি ছবিটা) 

একটা কল এলো শর্মিলাদির ফোনে 

'ম্যাডাম, কালের কল রেকর্ডটা কিছুতেই পাওয়া যাচ্ছেনা। আর আমাদের কম্পিউটারে যে কপিটা আছে সেটা খুললেই একটা গানের রেকর্ডি্ং শোনাচ্ছে।' 

-'কী গান??' 

-'এক পেয়ার কা নগমা হে'! এবং গানের প্রথমেই একজন ব্যক্তি বলেছেন - 'শুভ জন্মদিন দিয়া, এটা তোর জন্য - 

'আর ফোন নম্বরটা ম্যাডাম কোনো একটা বুথ এর কিন্তু সেটার অস্তিত্ব নেই। বুথটার যে জায়গায় লোকেশন দেখাচ্ছে সেটা শ্মশান। সেখানে কোনো বুথ নেই।' 


শর্মিলাদি আর কিছু বুঝতে পারছেন না। কিন্তু আজ এতো সব ঝামেলাতে তো তিনি ভুলেই গিয়েছিলেন যে আজ 16th মার্চ। দিয়ার জন্মদিন। তার মনে পড়ল প্রিয় বিদেশ যাবার আগে এই গানটা রেকর্ড করছিল। প্রিয়র নিজের গলায় গাওয়া গান দিয়া খুব পছন্দ করে। ওই গানটা তো প্রিয় আর দিয়ার খুব ভালোলাগার, ভালোবাসার গান। দিয়াকে আজকের দিনে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য। কিন্তু সেটা তো কমপ্লিট করে যেতে পারেনি প্রিয়। আর তাছাড়া রেকর্ডিংটা ওখানে কীভাবে গেলো!! কমপ্লিট কে করল গানটা? 

তাহলে কী প্রিয়ই ফোন করছে দিয়া কে?!!! 

প্রিয় জীবিত? নাকি প্রিয় শুধুমাত্র দিয়ার কাছেই জীবিত আর পৃথিবীর সবার কাছে মৃত? 


Rate this content
Log in

More bengali story from SUBHAM MONDAL

Similar bengali story from Romance