অন-এয়ার
অন-এয়ার
অন্ধকার ফুঁড়ে দুজন বেরিয়ে এলো। সোমনাথ প্রথমে খুব একটা পাত্তা না দিলেও, পুরুষ কণ্ঠের ধমকের আওয়াজে থমকে যায়।
স্টুডিওর ঘড়িতে রাত এগারোটা বাজতেই আর.জে. শিরিনের গোলা শোনা গেলো। সে তখন ' স্ক্যারি স্ক্রীপ্ট ' শো-টা হোস্ট করছে। এক সপ্তাহ হলো সে এই চাকরিটা পেয়েছে। এই শো-তে রোজ দেশ বিদেশের আধি ভৌতিক গল্পঃ শোনানো হয়। আগে যে এই শো-টা হোস্ট করতো, সে হঠাৎই একদিন নিরুদ্দেশ হয়ে গেছে। তাকে শেষ দেখা গিয়েছিল কোনো ক্যাফেতে। তারপর সে ওয়াশরুমে যায়, কিন্তু সিসি ক্যামেরায় তাকে সেখান থেকে বেরিয়ে বিল মেটাতে দেখা যায়নি। তাছাড়া তাকে সেই ক্যাফে থেকেই বেরোতে দেখা যায়নি। ওয়াশরুমের জানলায় গ্রিল বসানো, ফলে গ্রিল খুলে পালানোর কোনো থিওরি এখানে খাটছে না। শেষবার সে ' দা মিডনাইট ক্যাফেটেরিয়া ' নামক গল্পটা অন-এয়ার করেছিল তারপর বিশ্বয়ভাবে সে নিজেই শহরের কোনো নাইট ক্যাফে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। নির্মাতারা শো-টা বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছিল কিন্তু শিরিনের গোলাটা ' স্ক্যারি স্ক্রিপ্টের ' জন্য পারফেক্ট ভেবে শো-টা কন্টিনিউ রেখেছে। পুলিশ যদিও তার নিরুদ্দেশ হওয়ার তদন্ত এখনো ছাড়েনি কিন্তু তদন্তের কোনো লিড তাদের হাতে এখনো আসেনি।
স্টার্ট দিতেই বাইকটা একটু গড়িয়েছে আর ঠিক তখনই অন্ধকার ফুঁড়ে দুজন বেরিয়ে এলো। সোমনাথ প্রথমে খুব একটা পাত্তা না দিলেও, পুরুষ্ট স্বরের ভারী আওয়াজ তাকে থামতে বাধ্য করে। বাইক থামিয়ে কুয়াশাবৃত ধূসর রজোনীতে দুটো আবছায়াকে চোখ ছোট করে দেখার চেষ্টা করে। অবয়ব দুটোর উর্দি আর মাথায় টুপি দেখে মনে হচ্ছে তারা পুলিশ। ইংরেজি ভাষায় তারা তাকে মোহামেডান মাঠের দিকে যেতে বলে। সোমনাথও বাইকটা সিঙ্গেল স্ট্যান্ড করে তাদের ফলো করে। হয়তো সে প্রশ্ন করতো, তাকে কেনো তারা নিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু প্রশ্নটা করেনা তাদের হাতে রাইফেল থাকার দরুন। সে তো কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে এখানে আসেনি, অতএব তার ভয়ের কোন কারণও নেই। রেড রোড ক্রস করার সময় হঠাৎ তার ইন্দ্রিয় গুলো সজাগ হয়ে উঠল। তারা তাকে জানান দিতে থাকলো, এমন নিঃসীম - কালো রাত, চরাচর বিস্মৃত অন্ধকারের মধ্যে অস্বাভাবিক ভাবে দুজন পুলিশ আঁধারের রাজপুত্রের মতো উদয় হলো, তাদের মুখও সে এখনো দেখতে পায়েনি। সুতরাং এদের সাথে যাওয়া কি ঠিক হবে?
আজ এই ভরা অমাবশ্যার কালো রাত্রে যদি তার সাথে অপ্রাকৃতিক ঘটনা ঘরে তাহলে এই নতুন শহরে শ্রী পুরো একা হয়ে যাবে। এই ভেবে উল্টো পায়ে ছুটে সে এক দৌড়ে বাইকের চাবিটা ঘুরিয়ে স্টার্ট দেয়। আজব ব্যাপার! বাইক স্টার্ট নিচ্ছে না কেনো? আজই তো সে পুরো ট্যাংক ভর্তি করলো। সাথে সাথে তারাও পিছন ফিরল। সোমনাথের আচরণে তাদের মধ্যে একজন ইংরেজিতে বলে উঠলো, "মার্চ আহেড"।গুরু গম্ভীর গর্জন তাকে মাথা তুলে সামনে তাকাতে বাধ্য করে। এমন সময় স্ট্রিট ল্যাম্পের আলোটাও দপদপ করে ওঠে। কুয়াশা একটু ফিকে হওয়ায়, কেঁপে ওঠা আলোয় সোমনাথ দেখতে পায় অন্ধকার ফুঁড়ে একশতকেরও বেশি সাদা পল্টন তারই দিকে এগোচ্ছে। গতিক সকলেরই সমান। এমন সময় বাইকটাও স্টার্ট নিয়ে নেয়। জোর ছুটিয়ে দেয় বাইকটা, আর তখনই গর্জন শুনতে পায়, "টারমিনেট দা রেবেল"। হুকুম জারি হতেই সাদা পল্টন ধাওয়া করে। বাইক ছোটে স্ট্রান্ড রোড দিয়ে, কিন্তু থামেনা কারণ হার হিম করা গোড়া সৈনিকের একত্র গুরু গম্ভীর আক্রমণাত্মক স্বর এখনো তার পিছনেই ছুটছে। এরপর বি. বি. ডি. বাগও ছাড়িয়ে গেলো। কি মনে করে সোমনাথ ডানদিকে টার্ন নিলো। তারপর একসময় সনসনে হাওয়া ছাড়া আর কোন আওয়াজ তার কানে আসেনা। বাইকের গতি কমিয়ে সে কফি হাউস, হেয়ার স্কুল, হিন্দু স্কুল, এ. এম. এম. কাঞ্জিলাল দেখে উপলব্ধি করে এখন সে কলেজ স্ট্রীটে, মৃত্যুপুরীর বিভীষিকার নাগালের অনেক দূরে। বাইক থামিয়ে সিটটা তুলে একটা বিসলারির বোতল বের করে ঢকঢক করে গলাটা ভিজিয়ে নেয়। বিস্ময়ে আর আতঙ্কে সে এতক্ষণ কিছু ভাবতে পারছিল না। অনেকটা জল খেয়ে সে জোরে জোরে নিশ্বাস নেয়। পাণ্ডুবর্ণ পল্টন, আচমকা আক্রমণ, স্পষ্ট ইংরেজিতে গুরু গম্ভীর গর্জনে নির্দেশ, টারমিনেট-রেবেল, এ হেনো শব্দ! এসব তো ইতিহাস বইয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। ছেলেবেলায় ইতিহাস বইতে সম্ভবত ' ১৮৫৭, শিপাই বিদ্রোহ ' অধ্যায় পড়েছিল সোমনাথ, কিন্তু সেই ঘটনায় তো আমাদের বির সৈনিকরা ভারতমাকে শৃঙ্খলমুক্ত করার জন্য রক্তযুদ্ধ করেছিল, তার সাথে বর্তমান স্বাধীন ভারতের আজকের অনুভূতির কি মিল? প্রশ্নটা যথাযত হলেও উত্তর আর মেলেনা।
কিছুক্ষণ সেইভাবেই কাটলো, তারপর মোবাইলটা বের করে সময় দেখলো, নজরটা এড়ালো না, ১৩টা মিস্ড কলস্। ঘুরিয়ে ফোন করলো। ওপাশ থেকে ' হেলো ' শোনার অপেক্ষা না করে সোমনাথ নিজেই বললো, "আমি পৌঁছে ফোন না করা ওপদি তুই বেরোবি না। ইন ফ্যাক্ট, সকাল না হওয়া ওবদি বেরোনোর চিন্তাই করিস না"। ওপাশের কন্ঠ বলে ওঠে "মানে?" সোমনাথ উত্তেজিত ভাবে বলে, "এখন মানে বোঝাতে পারবো না, যেটা বললাম সেটা শোন, একা বেরিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবি না, আমি নিতে যাবো না আজ"। ওদিকের কন্ঠ বলে, "তুই খুব হাঁপাচ্ছিস, তুই আগে নিঃশ্বাসটা নে তারপর বল। তাছাড়া তুই কেনো আসবি না, আমি একা বাড়ি যাবো কীকরে?" সোমনাথ রেগে উঠে বলে, "এত তর্ক করিস কেনো, আমার সিচুয়েশনটা একটু বোঝ না, প্লীজ। আমি এখনো বাড়ি ফিরতে পারিনি"। ওদিকের আওয়াজ জিগেশ করে, "তোর কি হয়েছে শ্যাম, তোর ভয়েসটা এরম লাগছে কেনো, তোর শরীর ঠিক আছে তো? কুরি মিনিটের রাস্তাও না আর তুই পঁয়তাল্লিশ মিনিটেও পৌঁছাসনি। তোর কি হয়েছে আমায় বল, আমার কিন্তু টেনশন হচ্ছে"। সোমনাথ গলার আওয়াজটা স্বাভাবিক করে বলে, "টেনশনের কিছু নেই আমি ঠিক আছি। অনেকক্ষণ জল খাইনি বলে গলাটা শুকিয়ে গেছে। তাছাড়া তুই শো-তে ফোকাস কর। বাই দা ওয়ে, আজ কি গল্পঃ শোনাচ্ছে আর. জে. শিরীন?" শিরীন বলে, "প্রবাসী লেখকের গল্পঃ, ' শ্যামি'স এনকাউন্টার-রিভল্ট ফ্রম দা পাস্টের ' বাংলা অনুবাদ ' সোমনাথের শাস্তি - অতিরিক্ত অতীতের সম্মুখীন '। কি কইন্সিডেন্স জানিস, গল্পের মুক্ষ চরিত্রের নাম তোর সাথে মিলে গেছে"।
এই পর্যন্ত কথা হতেই সোমনাথের মোবাইল আউট অফ চার্জ হয়ে যায়। বাইকের উপর বসে ভাবে, একটু আগেই কি হচ্ছিল তার সাথে। শ্রী তো বললো কোন এক প্রবাসীর গল্পঃ শোনাচ্ছে, মুখ্য চরিত্রের নামটা আবার তারই নামে। কি যেনো গল্পটার নাম? হ্যাঁ, মনে পড়েছে, শ্যামি'স এনকাউন্টার-রিভল্ট ফ্রম দা পাস্ট অর্থাৎ সোমনাথের শাস্তি - অতিরিক্ত অতীতের সম্মুখীন, কিন্তু মুখ্য চরিত্রের নামটাটাই তার নামে '। সোমনাথের মনে হচ্ছে তার কিছুক্ষণ আগের অভিজ্ঞতার সাথে যেন মিল আছে এই গল্পের।
শ্রীর আগে যে স্ক্যারী স্ক্রীপ্ট শো-টা হোস্ট করতো সে অস্বাভাবিকভাবে উধাও হয়ে গেছে কোনো ক্যাফে থেকে। উধাও হওয়ার আগে সে ক্যাফে নিয়েই কোনো গল্পঃ ওন-এয়ার করেছিল আর গল্পের চরিত্রের বর্ণনা অনুযায় তার নিরুদ্দেশের ঘটনাও নাকি একই রকম। যদিও সোমনাথ রেডিও শোনেনা। ঘটনাটা শ্রীর মুখে শুনেছে সে।
ফ্ল্যাটে ঢুকে সবার আগে সে ফোনটা চার্জে বসায়। ফাস্ট চার্জার খুব দ্রুত মোবাইলটাকে খাইয়ে দাইয়ে সুস্থ্য করে তোলে। যখন সুইচ অন করে, তখন সাড়ে বারোটা না হলেও তার কাছাকাছি। দুটো মিসড কল। ঘুরিয়ে কল করতেই শিরীন জিগেশ করে, "কিরে তুই ঠিক আছিস তো?" সোমনাথ বলে, "আর বলিস না, মোবাইল ডেড হয়ে গেছিল, এখন চার্জ-আপ করলাম"। শিরীন বলে, "ঠিক আছে, তুই কি আমায় নিতে আসবে না আজ?" সোমনাথ বলে, "না"। শিরীন বলে, "কেনো? এতো রাতে আমি একা ফিরব কীকরে?" সোমনাথ বলে, "তোর গল্পঃ কতদূর এগোলো?" শিরীন বলে, "তুই মজা করছিস আমার সাথে, তুই আসবি না কেনো? কি হয়েছে রে তোর?" সোমনাথ বিরক্তিভাবে বলে, "আনতে যাবো তোকে। এবার তো বল গল্পটা কতদূর এগোলো"। "নিজে শুনে নে" বলে শিরীন ফোনটা কেটে দেয়। সোমনাথ আর কি করে, ' অফিসের গেটের মুখে দাঁড়িয়ে আমায় কল করবি, আমি কাছেই থাকবো, রানিংয়ে তোকে নিয়ে বেরিয়ে যাবো ' লিখে একটা টেক্সট মেসেজ করে। সাথে সাথে রিপ্লাই আসে, ' এমন ভাব দেখাচ্ছিস যেনো তোর পিছনে পুলিশ পড়েছে '। সোমনাথ আবার কল করে। শিরীন ওপাশ থেকে ফোনাটা তুলে বলে, "তুই আর আজকের গল্পের সোমনাথ দুজনেই সেম টু সেম বিহেভ করছিস কেনো"। সোমনাথ উত্তেজিত হয়ে জিগেশ করে, "কেনো কেনো কি সেম বিহেভ?" শিরীন বলে, "কিছু না, শো-তে ফিরছি, ব্রেক শেষ"। সোমনাথ আর কি করে, কিছুক্ষণ ঘরের কাজ করে ব্লুটুথ ইয়ারফোনটা মোবাইলের সাথে কানেক্ট করে বেরিয়ে পরে গল্পটা শোনার জন্য। বাইক ছুটে চলে মধ্য কলকাতার শুনশান রাস্তা ধরে। তার মধ্যে সে শিরিনকে রেডি হয়ে অপেক্ষা করতে বলেছে। তালতলা, কলিং স্ট্রিট, ওয়েলিংটন, হগ স্ট্রিট, সব পেরিয়ে ভবানীপুর ক্লাবের সামনেই এসে ঘটলো বেগতিক। বাইকটা একটা ঝাকুনি দিয়ে বন্ধ হয়ে গেলো। ইঞ্জিন, ক্লাচ, কিক স্টার্ট সবগুলোর একসাথে কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। বাইক চালানোর সময় যতটা না ঠান্ডা লাগছিল, বাইক থামার পর যেন কনকনে ভাবটা বেড়ে গেলো। এবার একত্র স্বর শুনতে পেলো সে। বাইকটা সিঙ্গেল স্ট্যান্ড দিয়ে কাঁপা কাঁপা পায়ে একটু একটু করে এগোতে লাগলো আর মিশ্রিত কন্ঠ জোরালো হতে থাকলো। সেকেন্ড কতকের ব্যবধানে দেখা যায় রেড রোডের দিকে একটা আশ্চর্য ঘুর্নায়মান ধুলো ঝড় শুরু হয়েছে। ওই ঘুর্নায়মান ঝড়ের ভিতর থেকেই নারকীয় গর্জন শুনতে পায় সে। ভয়াল কর্কট গ্রাস করে তাকে। অন্ধকারের জবণিকায় ঘেরা জোস্নাহীন অন্ধ পৃথিবীতে আজ তাকে বড় অসহায় লাগছে। সাহসে স্পষ্ট দারিদ্র্যের ছাপ। হাঁটু দুটো আর্থ্রাইটিসে ভুগছে। পায়ের পাতা দুটো ঢুকে যাচ্ছে মাটিতে। সে ডুবে যাচ্ছে কোনো অজানা-অজ্ঞাত রহস্যে। যেখান থেকে সে আর কোনোদিন বেরোতে পারবে না। এর মধ্যেই শিরিনের ফোন আসে। "হেলো" বলতেই, শিরীন বলে, "কখন আসবি? ঠাণ্ডায় আর কতক্ষণ খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকবো?" সোমনাথের মুখ থেকে কথা বের হয়না। ঘুর্নায়মান ধুলো ঝড় যখন তার খুব কাছে, তখন চোখে পড়ল তাদের সকলের হাতে চিকচিক করছে ধারালো অস্ত্র, শরীরে মিলিটারি শুট, মাথায় আর্মি টুপি, মুখের রং ফ্যাকাশে সাদা।
হেয়ার স্ট্রিট থানার সাব ইন্সপেক্টরকে চিন্তিত ভাবে বসে থাকতে দেখে কনস্টেবল জিগেশ করে, তার বাবু কি সকালের আরজে ম্যাডামের কমপ্লেইনটা নিয়ে এখনো ভাবছে নাকি? কোনো উত্তর না দিয়ে সাব ইন্সপেক্টর বুলেটে স্টার্ট দিয়ে বেরিয়ে যায় ভিন্য একটা কেসের ইনভেস্টিগেশনে। কিন্তু তার মনের মধ্যে আরজে শিরিনের কমপ্লেইনটা ঘুরপাক খেতে থাকে। সপ্তাহ কিছু আগে অন্য একজন আরজের অন্তর্ধানের কেসের তদন্তের ভার তার ওপরওয়ালা তাকেই দিয়েছিল। তদন্তে সে জানতে পেরেছিল, সেই আরজে শেষবার যে গল্পঃ শুনিয়েছিল, সেই একই ভাবে সেও ক্যাফে থেকে নাকি অন্তর্ধান হয়েছিল। অর্থাৎ ক্যাফের সিসিটিভিতে তাকে ঢুকতে দেখা গেলেও বেরোতে দেখা যায়নি। আর সেই গল্পের মুখ্য চরিত্রের নাম তার নামেই ছিল। সকালে আরজে শিরিন নিজের স্বামীর নাম যা বললো, তার সাথে গতকাল রাত্রে তার শোনানো গল্পের মুখ্য চরিত্রেরও নাম এক। কিন্তু তাতে কি প্রমাণ হয়। গল্পের চরিত্রের সঙ্গে যা ঘটবে, সেটাই কি একই নামের বাস্তব চরিত্রের সাথেও ঘটবে, নাকি ঐ সিটে বসে যে গল্পঃ শোনাবে, তারই জীবনে বা তার কাছের কারোর একই অভিজ্ঞতা হবে? এসবের মানে টা কি? কি এই কমপ্লেইন গুলোর অর্থ? হেয়ার স্ট্রীট থানার সাব ইন্সপেক্টর এসবই ভাবতে থাকে কিন্তু কোনো উপসংহারে আসতে পারেনা।

