Saswati Roy

Classics Inspirational


4.5  

Saswati Roy

Classics Inspirational


সেরা শিক্ষক

সেরা শিক্ষক

7 mins 238 7 mins 238

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে খুব যত্ন করে শাড়ির কুচিগুলো পরপর সাজাচ্ছিল পরমা। তাঁতের শাড়ি তার খুব প্রিয় হলেও কুঁচকে যাবার ভয়ে সাধারণত সিল্কই ব্যবহার করে সে। কিন্তু আজকের ব্যাপারটা আলাদা। আজকের দিনটাকে অন্য সব দিনের থেকে আলাদা করে রাখতে চায় পরমা।

শাড়ি পরা হয়ে যেতে মুখে হালকা প্রসাধন করল সে। চুয়াল্লিশেও পৌঁছেও বয়েস তার মুখে ছাপ ফেলতে পারেনি। এখনও বেশ সুন্দরী সে। অনেকটা তার মায়েরই মত।


পায়ের শব্দ পেয়ে পিছন ফিরল পরমা। সার্থক ঘুম ভেঙে উঠে এসেছে। সকাল সকাল বৌকে তৈরী হতে দেখে একটু অবাকই হয়েছে সার্থক।

- এত সকালে সেজেগুজে কোথায় চললে?

- স্কুলে। আঁচলে সেফটিপিন লাগাতে লাগাতে উত্তর দেয় পরমা।

- সে তো তুমি সাড়ে ন'টায় যাও। এখন সাতটা বাজে সবে।

সার্থকের কথায় হাসি পেয়ে গেল পরমার। বিয়ের এত বছর পরেও এই হারাই হারাই ভাবটা গেল না সার্থকের। পরমা ভালো শাড়ি পরলেই,শুরু হয়ে যায় প্রশ্নবাণ। কোথায় যাচ্ছ,কেন যাচ্ছ,গাড়ি নিয়ে যাও,সাবধানে ফিরো। পরমার কোনো কাজেই বাধা দেয় না সার্থক কিন্তু সব সময় এই দুশ্চিন্তা করাটাও পরমার ভালো লাগে না। সে কি বাচ্চা মেয়ে যে হারিয়ে যাবে। তবু এই মূহুর্তে সার্থকের ওপর রাগ হল না পরমার। এই কথাগুলোর জন্যই তো ঘরে ফিরতে ইচ্ছে করে। চিরুনি দিয়ে সিঁথিতে সিঁদুর ছুঁইয়ে বলল

- আজ টিচার্স ডে। মনে নেই তোমার?

-ওহ, তাই বলে এত সকালে? স্কুল ঝাড়পোছের দায়িত্বটাও নিয়ে ফেলেছ নাকি?

- ধ্যাত। প্রতি বছর ছাত্রীরা আমাদের জন্য সারপ্রাইজ প্ল্যান করে। আজ আমি ওদের জন্য একটা সারপ্রাইজ রেখেছি। সেটার জন্যই একটু আগে আগে যাবো।

- আচ্ছা আমি গনেশকে ফোন করছি। গাড়ী না নিয়ে কোত্থাও যাবে না। কোভিডের মধ্যে নো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট।

- উফ্ফ, তুমি এত ব্যস্ত হওয়ো না তো। আমি কালই গনেশকে বলে রেখেছিলাম। ও চলে আসবে সময় মত।

- অঅ, সবাই জানে। শুধু আমিই বাদ?

- ওমনি ঠোঁট ফোলানো শুরু হলো। কত বয়েস হল খেয়াল আছে? নভেম্বরে আমাদের ছেলেই অ্যাডাল্ট হয়ে যাবে।

- ফুঃ বয়েস। এজ ইজ জাস্ট আ নাম্বার ডার্লিং। তোমার চোখ থাকলে এখনও সেই হানিমুনের সার্থক সিনহাকে দেখতে পেতে।

সার্থকের মুখভঙ্গি দেখে খিলখিল করে হেসে উঠল পরমা।

-আচ্ছা, বাবা আচ্ছা। তুমি ছাব্বিশ আর আমি চব্বিশ। এবার খুশি?

- ইয়েস ম্যাডাম। যাই দেখি গনেশ ব্যাটা এলো কিনা।

- অ্যাই শোনো, ফ্লাস্কে চা করে রেখেছি। আর ক্যাসারোলে চিকেন স্যান্ডউইচ রাখা আছে। বাবিন উঠলে ওকে বলে দিও। নাহলে না খেয়েই ক্লাসে বসে যাবে।

- ওককে ম্যাম...আওর কুছ?

- হ্যাঁ। আমায় কেমন দেখাচ্ছে বললে না তো?

দু আঙ্গুলের মুদ্রায় তারিফ ফুটিয়ে, গণেশের খোঁজে বেরিয়ে গেল সার্থক।


গাড়িতে বসে শাড়িটা আবার একটু গুছিয়ে নিল পরমা। এই শাড়িটা তার বড্ড প্রিয়। শাড়িটা নিজে হাতে করে কিনেছিল মা। আজকাল তো মা আর একা বেরোতেই পারে না। এই শাড়িটা পরলেই মনে হয় মা যেন সঙ্গে সঙ্গে চলেছে।

- এসি কি বাড়িয়ে দেব বৌদি? গনেশ সামান্য পাশ ফিরে জিজ্ঞাসা করল।

গতকাল সারারাত বৃষ্টি হয়েছিল। পরমার একটু শীত শীত করছিল। বলল

- না না থাক। তোমার মনে আছে তো আগে কোথায় যাবো?

- হ্যাঁ বৌদি, নাকতলা তো।

- হুম।



মোবাইলটা খুলে একটা সেল্ফি নিল পরমা। তারপর হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিল ছবিটা। সাথে লিখল

- তোমায় কেমন লাগছে সেটাও দেখি একটু।

মিনিট দুয়েক পরেই টুং করে মেসেজ ঢুকল পরমার ফোনে। ছবির উত্তরে ছবি এসে গেছে।

-বাহ বেশ দেখাচ্ছে। আমি প্রায় পৌঁছে গেছি।লিখল পরমা।

ফোনে আঙুল চালাতে চালাতেই নাকতলা এসে গেছে।

গাড়ি থেকে নামতে হল না। তিনি পরমার অপেক্ষাতেই ছিলেন। গাড়িতে বসতেই, গনেশ স্কুলের পথে চলল।

প্রতিবারের টিচার্স ডে আর এবারের মধ্যে একটা তফাত আছে। এবার হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষিকাই এসেছেন স্কুলে আর সাথে অফিস স্টাফ কয়েকজন। মাস্ক ঢাকা মুখে হাসি চেনার একমাত্র উপায় চোখের ভাঁজ। পরমাকে দেখে সকলেই মাস্কের ভিতর থেকে হাসি উপহার দিল।

- হ্যাপি টিচার্স ডে ম্যাম।

পরমা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে হেডমিস্ট্রেসের ঘরে ঢুকলেন। সঙ্গে যিনি এসেছিলেন তিনি হয়তো একটু অস্বস্তি পাচ্ছিলেন। পরমা হাসি মুখে বলল

- এটা আমার ঘর। এখানে আমার জায়গা হয়েছে শুধু তোমার জন্য। অতএব আরাম করে বোসো।

পরমা ডাকার আগেই নীরেন এসে গেছে ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপ নিয়ে।

টেবিলে ট্রে রেখে, দুজনকে নমস্কার জানিয়ে নীরেন বিদায় নিল। চায়ে চুমুক দিতে দিতেই নিজের বক্তব্যটা গুছিয়ে নিল পরমা। অনলাইনে এরকম অনুষ্ঠান বেশ কষ্টসাধ্য। তবু পরমা আর স্কুলের বাকি শিক্ষিকার মিলে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে আজকের অনুষ্ঠানটিকে সাফল্যমণ্ডিত করার। শুধুমাত্র ক্লাস নাইন আর টেনের মেয়েদের জন্যই এই বিশেষ অনুষ্ঠান। বাকি ক্লাসের মেয়েদের অনুষ্ঠান গতকালই হয়ে গেছে।

চায়ে শেষ চুমুকটা দিতে দিতে ঘড়ি দেখল পরমা। প্রায় নটা বাজে। জুমে লগ ইন করল পরমা। অ্যাসিস্টেন্ট হেডমিস্ট্রেস মৈত্রী ম্যাম অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন। শুরুতেই ছাত্রীরা ব্যস্ত হয়ে পড়ল প্রিয় শিক্ষিকাদের জন্য কে কি তৈরী করেছে তা দেখাতে।






পরমা সবাইকে থামিয়ে বললেন

- প্রতি বছর তোমরা আমাদের সারপ্রাইজ দাও এবার আমরা তোমাদের জন্য একটা সারপ্রাইজ অ্যাক্টিভিটী রেখেছি। তবে তার আগে আমি তোমাদের একটা গল্প শোনাব।


সবাই চুপ করে বসলে পরমা তার বক্তব্য শুরু করলেন।

"গল্পটি রঞ্জা নামের একটি মেয়েকে নিয়ে। অনেক বড় ঘরের মেয়ে ছিল রঞ্জা। বাবার ব্যবসা হঠাৎ ডুবে যাওয়ায় দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছিল তারা। এক এক করে রঞ্জা আর তার বোনের পড়াশুনা বন্ধ হয়ে গেল। রঞ্জার দাদা তখন সবে গ্রাজুয়েট হয়েছে। চাকরি চেষ্টায় হন্যে হয়ে ঘুরছে। আঘাতের পর আঘাত সহ্য করতে না পেরে তার বাবা ক্রমে ক্রমে অসুস্থ হয়ে পড়ছিল। তারপর এলো সেই কালো রাত। চিকিৎসা করার সুযোগটুকুও না দিয়ে বাবা চলে গেল। রঞ্জাদের গোটা পরিবার তখন অথৈ জলে। রঞ্জার দাদার এক বন্ধু সৌমিক তাদের অবস্থার কথা জানতে পেরে রঞ্জা আর তার বোনকে প্রাইভেটে পড়াতে শুরু করল।

বাবা মারা যাবার বছর খানেক পর রঞ্জার দাদার চাকরি হলো। বেতন খুব সামান্য। সৌমিকও তখন একটা প্রাইভেট ফার্মে সুপারভাইজার হিসাবে জয়েন করেছে। একের পর এক সরকারি চাকরির জন্য দরখাস্ত করছে।

বেশ কিছুদিন চেষ্টার পর হঠাৎই একদিন বাড়ি ফিরে জীবনের শ্রেষ্ঠ সুখবরটা পেল সৌমিক। তার চাকরির চিঠি এসেছে। রাজ্য সরকারের অধীনে চাকরি হয়েছে তার। এক ধাক্কায় যেন সমস্ত বন্ধ দরজা খুলে গেল। দু বাড়ির সকলের মত নিয়েই রঞ্জা আর সৌমিকের বিয়ে হল। কিন্তু সমস্যা শুরু হলো রঞ্জা বৌ হয়ে সৌমিকের বাড়িতে আসার পর থেকেই। শাশুড়ি মা খুশি মনে রঞ্জাকে মেনে নিলেও সৌমিকের দুই দাদা,বৌদি উঠতে বসতে রঞ্জাকে খোঁটা দিতে লাগল। রঞ্জার শিক্ষা, তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা সব কিছু নিয়েই তারা যখন তখন রঞ্জাকে অপদস্থ করতে শুরু করল। রঞ্জার সহ্য শক্তি ছিল অপরিসীম। নীরবে চোখের জল ফেললেও, কক্ষনো সৌমিকের কাছে অভিযোগ জানাতো না।

ছোট ছেলের বৌয়ের এহেন অপমান অমলারও সহ্য হত না। কিন্তু বাধ্য হয়ে চুপ করে থাকত অমলা। প্রধানত বড় দুই ছেলের আয়েই তখন সংসার চলছে। তবু একদিন অমলা সৌমিককে বললেন একটা ঘর ভাড়া নিয়ে এখান থেকে চলে যেতে। সৌমিকের চাকরি তখন বছর দুয়েকও হয়নি। বেতন সামান্যই। নতুন সংসার পাতার সাহস হচ্ছিল না তার। তাছাড়া নিজের বাড়ি ছেড়ে,মা কে ছেড়ে চলে যাবারও কোনো ইচ্ছেই তার ছিল না। রঞ্জাকে বলতে সেও শাশুড়ি মাকে ছেড়ে যেতে রাজি হলো না। এভাবেই কেটে যাচ্ছিল তাদের দিন। তবে সংসারের চাপে নতুন করে আর পড়াশুনা শুরু করতে পারল না রঞ্জা।


বছর খানেক পরে রঞ্জার কোল আলো করে তার মেয়ে এলো। মেয়েকে পেয়ে রঞ্জা যেন হাতে চাঁদ পেল। প্রথমবার মেয়েকে কোলে নিয়ে রঞ্জা মনে মনে বলে উঠেছিল, আমার জীবনের সব অপূর্ণতা তোকে দিয়ে পূর্ণ করব। পরক্ষণেই বুক কেঁপে উঠেছিল তার। নাহ, এইটুকু মেয়ের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করবে না সে। ওকে নিজের মত করে ডানা মেলতে দেবে। রঞ্জা আর সৌমিকের ভালোবাসায় বড় হচ্ছিল পুপু। মায়ের বড্ড কোল ঘেঁষা ছিল সে। মা তার সাথে হাসত,গাইত,খেলত তবু মায়ের চোখে অদ্ভুত এক বিষণ্ণতা দেখতে পেত সে। অনেক সময় তার চোখে পড়ত, মা লুকিয়ে কাঁদছে। তার মনে হত, বাবা আর মায়ের কি তবে ঝগড়া হয়েছে? কিন্তু ভুল ভেঙে যেত, যখনই বাবাকে দেখত মায়ের সাথে ভালোবেসে কথা বলতে। একদিন দুপুরে হঠাৎ ঘুম ভেঙে পুপু দেখল মা তার বই খাতা ঘাঁটছে। চুপ করে ঘুমের ভান করে পড়েছিল সে আর দেখছিল, মা প্রাণ ভরে গন্ধ নিচ্ছে তার নতুন বই খাতার। খুব অবাক হয়েছিল সে। মা কে কিচ্ছু জিজ্ঞাসা না করে রাতে বাবা ফিরলে, বাবাকে লুকিয়ে জিজ্ঞাসা করেছিল সে। বাবা কোনো কথাই লুকায়নি তার কাছ থেকে। কিভাবে মায়ের পড়াশুনা বন্ধ হয়ে গেল, কেনই বা বিয়ের পর সে নতুন করে পড়াশুনা শুরু করতে পারেনি সব জানল পুপু। অবাক লাগছিল তার, কোনো ডিগ্রি ছাড়াই মা তাকে এত সুন্দর করে পড়ায় কি করে? কিন্তু ক্লাস সেভেনে পড়া মেয়ের পক্ষে কিই বা করার ছিল।

বছর দুয়েক পর পুপু যখন ক্লাস নাইনে উঠল, মায়ের জোরাজুরিতে তার জন্য প্রাইভেট টিউটর রাখা হল। টিউটরের কাছে পুপু জানতে পারল কিভাবে প্রাইভেটে পরীক্ষা দেওয়া যায়। পুপু আর তার বাবা কোনক্রমে মা কে রাজি করালো পরীক্ষায় বসার জন্য। কিন্তু আরো একটা সমস্যা হল, পরীক্ষায় পাশ করতে হলে তাকেও তো টিউশন নিতে হবে। তাতে তো মা কে রাজি করানো অসম্ভব হয়ে পড়ল। তখন এগিয়ে এলেন সেই গৃহশিক্ষক। তিনি পুপুর সাথে তার মাকেও বি.এ পরীক্ষার জন্য পড়াতে শুরু করলেন। এভাবে কেটে গেল দু বছর। ততদিনে পুপু মাধ্যমিক পাশ করে ইলেভেনে পড়ছে। মায়ের বি.এ পরীক্ষা সামনে। বাবা, মেয়ে এবং ওই গৃহশিক্ষক সবার সাহায্যে গ্রাজুয়েট হল রঞ্জা। সেদিনের পর মায়ের চোখে আর সেই বিষণ্ণতা দেখেনি পুপু। মায়ের সেই চেষ্টা মেয়ের মনেও জোর বাড়িয়ে তুলেছিল। যার ফলে সেই মেয়ে আজ একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। যারা একসময় তার মা কে কথায় কথায় অপদস্থ করতো তারা এখন মুখ লুকিয়ে বেড়ায়।

আজ আমি তোমাদের সাথে সেই মেয়েটি আর তার মায়ের পরিচয় করিয়ে দেব। পরমা নিজের চেয়ার থেকে উঠে রঞ্জা অর্থাৎ রঞ্জাবতীকে নিয়ে এসে বসালেন নিজের চেয়ারে। ইষৎ জড়সড় হয়ে বসে আছেন রঞ্জাবতী। ক্যামেরার দিকে তাকাচ্ছেন না লজ্জায়। পরমা একগোছা লাল গোলাপ ওনার হাতে ধরিয়ে বলল

- ইনি হলেন সেই রঞ্জা। আর আমিই পুপু, ওনার মেয়ে। আমার জীবনের প্রথম শিক্ষিকা আমার মা। আমার চলার পথের দিশারি আমার মা।

সবার হাততালির মাঝে পরমা আবার বলল

- আজ তোমাদের জন্যও যে অ্যাক্টিভিটী আছে, তা হল তোমরা প্রত্যেকে নিজেদের মা কে নিয়ে এসো ক্যামেরার সামনে। আর যে উপহার আমাদের জন্য তৈরী করেছ সেগুলো তাদের হাতে তুলে দাও। মায়ের থেকে বড় শিক্ষক পৃথিবীতে আর কেউ হতে পারেন না।

ত্যাগ,বিশ্বাস,ভরসা প্রতিটি শব্দের অর্থ আমরা মায়ের কাছ থেকেই শিখি। মা শুধু বইয়ের পাতা থেকেই শিক্ষা দেন না। তিনি আমাদের আজীবন সঠিক পথে চলার শিক্ষাও দেন। আমার মা না থাকলে আমি আজ এতদূর আসতেই পারতাম না।

আমার মায়ের জন্য আমি গর্বিত।




রঞ্জার বলিরেখা ভরা দু গালে জলের ধারা নামছে। আদর করে মায়ের চোখ মুছিয়ে দেয় পরমা। মায়ের গালে গাল ঠেকিয়ে বলে

- হ্যাপি টিচার্স ডে মা।


Rate this content
Log in

More bengali story from Saswati Roy

Similar bengali story from Classics