Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published
Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published

Sayandipa সায়নদীপা

Classics


2  

Sayandipa সায়নদীপা

Classics


স্বপ্ন যখন সত্যি

স্বপ্ন যখন সত্যি

7 mins 739 7 mins 739

[This story is my small tribute to StoryMirror]


লাঞ্চ ব্রেকে টিফিন বক্সটা খুলে সবে পরোটাটায় কামড় বসিয়েছিল তাতাই, আচমকা শিঞ্জিনি আর আরশাদ এসে বসল পাশে। 

---- কি খাচ্ছিস রে? 

জিজ্ঞেস করল শিঞ্জিনি।

---- পরোটা আর আলুর দম।

---- সাব্বাশ, একটু টেস্ট করব রে?

---- কর।

এই বলে আরশাদের দিকে টিফিন কৌটোটা বাড়িয়ে দিল তাতাই।

এক টুকরো আলু মুখে তুলেই আরশাদ তৃপ্তিতে চোখ বন্ধ করল। তারপর আলুটা উদরস্থ হতে চোখ খুলে বলল,

---- ইউ আর সো লাকি। রোজ রোজ বাড়ির টিফিন খেতে পাস। আমাদের মত মেসের মাসি আর ক্যান্টিনের কাঁসি ঠকঠকাতে হয়না।

আরশাদের উপমা শুনে ফিক করে হেসে ফেলল তাতাই। শিঞ্জিনি পরোটা চিবোতে চিবোতে বলল,

---- সে তুই যতই হাস, আরশাদ কিন্তু ঠিক কথাই বলেছে। বাড়ির থেকে দূরে থাকার যে জ্বালা…

কথাটা বলতে বলতেই শিঞ্জিনির যেন অন্য কিছু মনে পড়ে গেল। তাই আগের কথাটা অসম্পূর্ণ রেখেই সে বলে উঠল,

---- বাই দ্য ওয়ে আগুনপাখি বলে পেজটা তোর?

পরোটাটা মুখে তুলতে গিয়েও থমকে গেল তাতাই। এই কিছুদিন হল সে নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে শুরু করেছে। অনেক পত্রিকায় আছে যারা ছদ্মনাম ঠিক পছন্দ করে না। আসল নামও জানতে চায় সঙ্গে। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখা চুরি তো আছেই। সব মিলিয়ে একপ্রকার বাধ্য হয়েই তাতাই এখন আগুনপাখির সঙ্গে নিজের আসল নামটাও প্রকাশ করছে। অবশ্য আগে লোক হাসার যে ভয়টা পেত সে, সেটা এখন আর নেই সেভাবে। তবুও এখনও মাঝে মাঝে তাতাই নিজের এই নামপ্রকাশের ব্যাপারটা ভুলে যায়। এখনও ঠিক তাই হল। ব্যাপারটা বুঝতে কয়েক সেকেন্ড সময় লাগলো ওর। তারপর মাথা নেড়ে শুধু বলল, 

---- হুঁ।


---- দ্যাটস গ্রেট ইয়ার। আমি তোর পেজ অনেকদিন থেকে ফলো করি। এমনকি তুই যে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে লিখিস ওগুলোতেও তোর লেখা পড়ি।


---- সত্যি?


---- হ্যাঁ রে বিশ্বাস নাহয় আমার ফোনটা দেখ।

এই বলে নিজের ফোনটা বাড়িয়ে দিল শিঞ্জিনি। তাতাই হেসে বলল,

---- আরেহ… থ্যাংক ইউ সো মাচ রে।


---- তা এর পরের প্ল্যান কি?

আরেকটা আলু মুখে তুলতে তুলতে জিজ্ঞেস করল আরশাদ। ভ্রু কুঁচকালো তাতাই,

---- পরের প্ল্যান মানে?


---- মানে এভাবে আর কতদিন লিখবি? আরও বড় কিছু ভাব।


---- বড় কিছু বলতে…! পেজের পাশাপাশি এখন তো বিভিন্ন ম্যাগাজিন আর অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে লিখছি।


---- সেটা ঠিক আছে কিন্তু লিটিল ম্যাগ কটা লোক পড়ে?


---- অনেকেই পড়ে। আমি নিজে পড়ি।


---- আরে… দেখ একটা ব্যাপার ভেবে দেখ, লিটিল ম্যাগ এর একটা বাউন্ডারি আছে। আই মিন সেটা একটা রিজিওনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আমি বলছি এর বাইরে কিছু।


---- যেমন?


---- বই টই পাবলিশ করার কথা কিছু ভাবছিস? সেটা এনথোলজিই হোক বা সিঙ্গেল বুক। 


---- ধুরর আমার লেখা কে ছাপবে বইতে আর পড়বেই বা কে!


---- নিজেকে এরকম ইনফিরিওর ভাবছিস কেন?


---- আমি বেশি কিছু ভাবতে চাইনা নিজেকে নিয়ে। যা পেয়েছি এই ঢের।


---- বুঝলি আমাদের এক প্রফেসার বলতেন কোনো লেখক যদি সেলফ স্যাটিসফায়েড হয়ে যান তাহলে তার উন্নতি ওখানেই বন্ধ। কথাটা নোট করিস।


---- ওকে।


    আরশাদ আর শিঞ্জিনি উঠে যেতেই টিফিন কৌটোটা লাগায় তাতাই। সে মুখে যাই বলুক, আরশাদ ওর বহুদিন আগের একটা স্বপ্ন যেন ঘুরে উস্কে দিয়ে গেল। তাতাইও কি চায়নি ওর লেখা দুই মলাটে বন্দি হোক! চেয়েছে খুব চেয়েছে। হয়তো আজও চায়, কিন্তু সেই চাওয়া সেই স্বপ্নতে তালা দিয়ে রাখতে হয়েছে। 


   সময়টা আজ থেকে ধরা যাক বছর দুয়েক আগের। তখনও আগুনপাখিকে নতুনই বলা চলে। তবে বিভিন্ন দিক থেকে অনেক মানুষ আগুনপাখিতে গল্প পড়ছেন। ইনবক্সে মেসেজও আসছে টুকটাক। এরকমই এক দিন হঠাৎ একটি মেসেজ ঢোকে আগুনপাখির ইনবক্সে, "আমি আপনার দুই ফর্মার বই করতে চাই।"

এক ফর্মা, দুই ফর্মা ব্যাপারটা তখন তাতাইয়ের জানা ছিল না, কিন্তু "বই" শব্দটা শুনেই সে আনন্দে লাফিয়ে উঠেছিল। তার যেন প্রথমে বিশ্বাস হয়নি কেউ তার বই করতে চাইছে। বাবা মাকে আনন্দে কথাটা বলতেই বাবা গম্ভীর মুখে জানতে চেয়েছিলেন,

---- টার্মস এন্ড কন্ডিশন্স কি?


----- টার্মস এন্ড কন্ডিশন্স!


---- হুমম। যে কোনো কাজ করতে গেলে এগুলো তো থাকবেই।


ঢোঁক গিলেছিল তাতাই। এসব কিছুই তো জিজ্ঞেস করা হয়নি। সঙ্গে সঙ্গে লোকটাকে মেসেজ করতে লোকটা লিখেছিল,

---- সেরকম কিছুই না। শুধু আপনাকে আমাদের একাউন্টে ১৯৯৯ টাকা জমা করতে হবে। আপনি বিনিময়ে তিরিশ কপি সৌজন্য সংখ্যা পাবেন, আমরা অনুষ্ঠান করে বই প্রকাশ করব এবং আপনাকে সম্বর্ধনা দেব।

এই বলে লোকটা তার ব্যাঙ্ক একাউন্ট ডিটেইলসও পাঠিয়ে দিয়েছিল।

মেসেজটা দেখেই ফোনটা বন্ধ করেছিল তাতাই। টাকা! টাকার বিনিময়ে বই ছাপাতে হবে! প্রস্তাবটা ফিরিয়ে দিয়েছিল তাতাই। প্রথমত, সে এখনও একজন ছাত্রী, তাই সে কি করে অতো টাকা দেবে! বাবাকে টাকা চাওয়া যায়না এই জন্য। আর দ্বিতীয়ত, এই টাকার বিনিময়ে বই ছাপানোর ব্যাপারটাও যেন কেমন কেমন ঠেকেছিল। ওর মনে হয়েছিল এমন করে বই বের করলে তো ওর ট্যালেন্ট নয়, টাকাই হবে ওর বইয়ের মাপকাঠি!!

এরপর আস্তে আস্তে এই বই প্রকাশ, লেনদেন এইসব জগতের বিভিন্ন জিনিসের পরিচয় পেতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পরিচিত লেখকরা নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করতেন আর সেসব পড়ত তাতাই। কিছু কিছু পত্রিকাও তো লেখা প্রকাশের বিনিময়ে জোর করে অর্থ আদায় করতে চায় লেখকদের ওপর। ঘেন্না লাগে তাতাইয়ের। সাহিত্যের পরিচিত জগতটা কেমন যেন ধূসর হয়ে ব্যবসার ক্ষেত্র বলে মনে হয়। একবার তো এক পত্রিকা ওকে লেখা দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। লেখা দেওয়ার পর তারা বলে একাউন্টে ৫০০ টাকা পাঠিয়ে দিতে। চমকে যায় তাতাই। কারণ জিজ্ঞেস করলে বলে,

"সাহিত্যকে ভালোবেসে এসব করা।"

তাতাইয়ের অবাক লাগে, সাহিত্যকে ভালোবেসে টাকা আদায় করতে হয়!!

মাঝে মাঝে রাগ ওঠে ভীষণ। একজন লেখক কত পড়াশুনো করে, কষ্ট করে একটা লেখা লেখেন। সেই লেখা পত্রিকায় প্রকাশের বিনিময়ে লেখক কি পান? একটা নূন্যতম সৌজন্য সংখ্যাও অনেকে দিতে চান না, পারিশ্রমিকের কথা তো বাদই দেওয়া যাক। উল্টে আবার লেখকদের কাছ থেকেই টাকা দাবি করা হয়।

আর ওই যে কথাটা, "সাহিত্যকে ভালোবেসে…" ---- এই শব্দটা ওই রকম সম্পাদকরা বললে হাসি পায় তাতাইয়ের,বিরক্তিও লাগে। ভালোবাসা তো অনুভূতির জিনিস, টাকা দিয়ে লেখা ছাপিয়ে সেটা কেন প্রকাশ করতে হবে!!

  আজ অবধি বিভিন্ন রকম লেখার অফার এসেছে তাতাইয়ের কাছে, একেকজনের টাকার চাহিদা একেক রকম। এই তো পরশুরই কথা। একজন বললেন,

"তোমার লেখা আমাদের বইতে ছাপতে চাই। সৌজন্য সংখ্যা পাবে দশটি। একদম বিনামূল্যে।"

মেসেজটা দেখে তাতাই স্বভাবতই আগ্রহী হয়েছিল, জানতে চেয়েছিল শর্তাদি। আর তখনই লোকটা পেড়েছিল আসল কথা,

"আমাদের একটাই শর্ত, এই যে বিনামূল্যে তোমাকে একটা প্ল্যাটফর্ম দিচ্ছি তার বিনিময়ে এক বছরের জন্য আমাদের প্রকাশনীর সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে। সাবস্ক্রিপশন চার্জ মাত্র ৭০০০ টাকা।"

টাকার অঙ্কটা দেখে মাথা ঘুরিয়ে গিয়েছিল তাতাইয়ের। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় জেতা পুরস্কার মূল্য আর যেসব পত্রিকা সত্যিই লেখকদের সম্মান দেয় সেখান থেকে পাওয়া সাম্মানিক বাবদ এতদিনে হয়তো তাতাইয়ের একাউন্টে সাকুল্যে সাত সাড়ে সাত হাজার টাকাই জমেছে। এক খানা গল্প ছাপানোর বিনিময়ে একাউন্ট ফাঁকা…!!!! অসম্ভব। সঙ্গে সঙ্গে লোকটাকে না বলেছিল তাতাই।


   একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল তাতাই। হ্যাঁ, ওর স্বপ্ন আছে বইয়ের মধ্যে নিজের লেখা দেখার। কিন্তু সেই সাথে এটাও ও পণ করেছে যে কোনোদিনও নিজের সৃষ্টিকে বেচবে না। আর তাতে কোনোদিনও যদি স্বপ্নটা সত্যি নাও হয়, তাও সই। নিজের কাছে নিজের সম্মানটা সবার আগে। আনমনে ডাটা কানেকশনটা অন করতেই একটা মেল ঢুকলো পিং করে। স্টোরি মিরর থেকে এসেছে মেইলটা। এই প্ল্যাটফর্মে তাতাই লেখালেখি করছে প্রায় দেড় বছর, এখানে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে জয়ী হয়ে পুরস্কারও পেয়েছে অনেক। স্টোরি মিরর মেলের মাধ্যমে ওদের প্লাটফর্মের বিভিন্ন ইভেন্টের ব্যাপারে জানিয়ে দিয়ে থাকে লেখকদের। মেইলটা খুলল তাতাই। দেখলো স্টোরি মিরর শীঘ্রই একটি রোম্যান্টিক গল্পের এনথোলজি বের করতে চলেছে যেখানে থাকবে কিছু নির্বাচিত লেখকদের লেখা। এবং লেখা নির্বাচন হবে একটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। মেইলটা বন্ধ করে আবার একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল তাতাই। আর দশ দিন বাদেই সেমিস্টার শুরু। পড়া এখনও অনেক বাকি। স্টোরি মিররও এমন সময় প্রতিযোগিতাটা শুরু করবে যখন তাতাইয়ের পরীক্ষা চলবে। আসলে তাতাইয়ের ভাগ্যেই নেই দুই মলাটে বন্দি হওয়ার সুযোগ। 


    

    পরীক্ষা চলছে জোর কদমে। এখন আর সোশ্যাল মিডিয়া খোলা হয়না বেশ কয়েকদিন। সবচেয়ে টাফ পেপারটা আছে সবার শেষ দিন। তার আগে তিন দিন ছুটি। পড়তে পড়তে হাঁফ ধরে গেছে তাতাইয়ের। মনটা একটু ঠিক করে নেবে বলে নেটটা অন করল সে। মেইল ঢুকলো কয়েকটা, বিগত কয়েক দিনের মেইল। তবে আজকেও একটা মেইল এসেছে। স্টোরি মিরর জানিয়েছে আজকেই সেই প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের শেষ দিন। তাতাইয়ের বুকের ভেতরটা কেমন চিনচিন করে উঠল। প্রেমের গল্প তো সে বিশেষ লেখে না, প্লটও ভাবা নেই। এই মুহূর্তে মন আনচান করলেও কিচ্ছু করার নেই। আবার ফোনটা বন্ধ করে সরিয়ে রাখতে যাচ্ছিল তাতাই। তখনই মা ঢুকলেন ঘরে। মায়ের হাতে একটা গ্রিসো-রোমান মাইথলোজির বই। বইটা তাতাই গত বইমেলায় কিনেছিল। মা কদিন আগেই নিয়ে গিয়েছিলেন পড়তে। পড়া হয়ে গেছে বোধহয়। মায়ের হাত থেকে বইটা নিয়ে মলাটের দিকে তাকাল তাতাই---- কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে একটা এবস্ট্রাক্ট পেন্টিং। গ্রীস দেশের উপকথা তাতাইকে বরাবর টানে। কিছু গল্প কিছু চরিত্র আছে যাদের পরিনতিটা তাতাই ঠিক যেন মেনে নিতে পারে না, মাঝে মাঝে কল্পনায় ভাবে এদের গল্পটা কিন্তু অন্য রকম হলেও মন্দ হত না। বইটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতেই তাতাইয়ের মাথায় হঠাৎ যেন বিদ্যুৎ তরঙ্গ খেলে গেল। গ্রিক মাইথলোজির দুটো চরিত্র আছে যারা তাতাইয়ের ভীষণ প্রিয়, কিন্তু ওদের গল্পটা ঠিক যেন পছন্দ হয়না তাতাইয়ের। আচ্ছা ওদের গল্পটাই যদি নতুন করে লেখা যেত…???


    রাত ১১:৪০। আর মাত্র কুড়ি মিনিট সময়। শেষ হল গল্পটা। রুদ্ধশ্বাসে লিখেছে তাতাই, বা বলা ভালো ভেতর থেকে অন্য কোনো শক্তি যেন ওকে লিখিয়ে নিয়েছে গল্পটা। আর সময় নেই, নেট ভালো চলছে না। বার কয়েক চেষ্টার পর অবশেষে সাবমিট হল গল্পটা। পাঠাবার পর মনে ধুরর বৃথা আশা, কত ভালো ভালো প্রেমের গল্প জমা পড়বে নিশ্চয়। সেখানে আমি তো প্রেমের গল্প লিখিই না। গল্পটা জমা দিয়েও মনটা খারাপ হয়ে গেল তাতাইয়ের। সামনে পরীক্ষা সেদিকেই মনটা দেওয়া ভালো।



   গোয়ার সৈকতে বসেছিল তাতাই। সন্ধ্যে নামতেই একটু শীত শীত করছে। পুজোর ছুটিতে তাতাইরা বেড়াতে এসেছে গোয়া। মা,বাবা, মাসিমণি, মেসো নিজেদের মধ্যে গল্পে মত্ত। কোলভা বিচের পূর্ণিমার উত্তাল সমুদ্র দেখতে দেখতে নিজের মধ্যেই হারিয়ে গিয়েছিল তাতাই। ফোনটা বেজে উঠতেই সম্বিৎ ফিরল। এক পরিচিত লেখিকা দিদির ফোন,

---- হ্যাঁ দিদি বলুন।


---- কংগ্রাচুলেশনস।


---- কিসের জন্য?


---- মেল পাওনি তুমি?


---- কিসের মেল?


---- নিজেই চেক করে দেখো।


ফোনটা কেটে নেটটা অন করতেই ঢুকলো মেইলটা। স্টোরি মিররের মেইল----

"Congratulations for being the winner of…"

উত্তেজনায় কেঁপে উঠল তাতাইয়ের সারা শরীর। ঠিক যেন বিশ্বাস হতে চাইল না নিজের চোখকেই, কম্পিটিশনের লিঙ্কে গিয়ে দেখলো ভালো করে। ওই তো… ওই তো নির্বাচিত লেখার মধ্যে জ্বলজ্বল করছে তার গল্পের নামটাও। 

পাশ থেকে হঠাৎ মায়ের লক্ষ্য পড়তেই বলে উঠলেন,

---- কিরে কি হলো তোর?

কাঁপা কাঁপা গলায় তাতাই জবাব দিল,

---- স্বপ্ন হঠাৎ সত্যি হলে বোধহয় এমনটাই হয়।


Rate this content
Log in

More bengali story from Sayandipa সায়নদীপা

Similar bengali story from Classics