সময়ের মূল্য
সময়ের মূল্য
একবার একটি গ্রামে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি ছিল। তিনি বড় প্রজন্মের হিসেবে সম্পূর্ণ ব্যাপারটিতেই স্বতন্ত্র ছিলেন এবং তাঁর মনে ছিল যে সময় মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তার মতে সময় না পেলে ব্যক্তি কোন সম্পদও পেলেন না।
একদিন তিনি একটি তালাবে বসে বসে তার স্নান করছিলেন। সেই সময় একজন বাচ্চা উপস্থিত ছিল স্নানঘরে। সেই বাচ্চাটি বৃদ্ধ ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে আরাম করে।
ব্যক্তি: কেমন আছো, বাচ্চা? তুমি কী করছো?
বাচ্চা: আমি খেলছি, দাদু। আপনি কি করছেন?
ব্যক্তি: আমি এখানে সময় পাচ্ছি। তুমি বুঝতে পারছো কি?
বাচ্চা: সময়? তাহলে আপনি কি আপনার সময়কে আরো কিছুর মধ্যে বিনিময় করতে পারেন?
ব্যক্তি: হ্যাঁ, নিশ্চই পারি। তোমার জিনিস কী পাওয়া যায় যা তুমি চাও?
বাচ্চা: আমি পানির খেলা-ধাঁধা চাই। আপনি আমার সাথে খেলতে চান?
ব্যক্তি: অবশ্যই! আমি তো আপনার সঙ্গে খেলতেই চাই। কিন্তু তুমি এখন খেলা খেলছো। আমি তোমার সময়কে ধরতে পারি?
বাচ্চা: না, আপনি কী বলছেন, দাদু? আপনি আমার সময়কে ধরতে পারেন না। সময় চলে যাচ্ছে।
ব্যক্তি: হ্যাঁ, তুমি সঠিক। সময় চলে যায় এবং আমার জীবন ও বেশি অপেক্ষা করতে পারে না। আমি চাই তুমি যত খেলতে চাও, তবে সময় ব্যবহার ভালোভাবে জানতে পারো। সময় একটি দুর্মূল্য সম্পদ, তাই সেটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা উচিত।
বাচ্চা: হ্যাঁ, দাদু, আমি আপনার কথাটি বুঝতে পারছি। আমি ভালোভাবে সময় ব্যবহার করব। ধন্যবাদ আপনাকে এই শিক্ষার জন্য।
এই ভাবে বৃদ্ধ ব্যক্তি এবং বাচ্চা এক অপরকে সময়ের মূল্য সম্পর্কে শিক্ষা দিতে থাকলেও বাচ্চাটি তার নিজের সময় নিয়ে সাবলা করতে শিখে। এই গল্প সময়ের মূল্য বোঝানোর পাশাপাশি সঠিক সময় ব্যবহার ও সূচনা করার জন্য একটি অবদান হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ সময় একটি দুর্মূল্য সম্পদ, যেটি পুনরুপ পাওয়া যায় না।
