৭৭
৭৭
৭৭
সামাজিক গল্প
কলমে - কৃষ্ণ ব্যানার্জী
19947 সালের 15 ই অগাস্ট সাংবিধানিক মতে আমরা ফিরিঙ্গিদের হাতথেকে মুক্তি পাই । দেশবাসী ভেবেছিলেন আবার হয়তো একটু শান্তিতে বাস করতে পারবেন । নতুনকোরে সবকিছু গঠন হলো । দেশকে ভালো ভাবে গঠন মূলক পাথে এগিয়ে নিয়ে যেতে ছোটো ছোটো রাজ্যে ভাগ করাহলো দেশটাকে । দেশের মুল দায়িত্বে রইলেন প্রধান মন্ত্রী। রাতারাতি লেখা হলো একটি সাংবিধান । সাধারণ মানুষ আনন্দে উন্মাদ অনেক যুদ্ধের পর একটা স্বাধীনতা পাওয়া গিয়েছে । এই স্বাধীনতা টুকু পেতে দেশের কত প্রাণ চলেগিয়েছে , কত আন্দলনকারী রক্ত দিলেও হারিয়ে গিয়েছে ইতিহাসের অন্ধকার পাতায়। অবশ্ব এতো প্রাণের হিসাব রাখাটাও সম্ভব নয়। আসল বিষয়টা হয়তো অন্য রকম ছিলো । যেটা আজকের দিনেও পারলাখিত হয় । যেমন একটি পরিবারে যদি দশ জোন লোক থাকেন তাহলে তাদের দায়িত্ব আসে পড়ে বাড়ির প্রধানের উপর । ঠিক প্রধান মন্ত্রী হলেইতো হবেনা , দেশের প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব থাকে ঐ একটা মানুষের উপর । রাজ্য হিসাবে ভাগ করে দেওয়ার ফলে কিছুটা সুবিধা হলেও দায়িত্ব এড়িয়ে যাবার উপায় নেই । কিন্তু এড়িয়ে যাওয়ার বিকল্প কিছুই নেই । তাই স্বাধীনতা আন্দলনে প্রাণ হারানো পিছন শ্রেণীর বিপ্লবীদের নাম মুছে দেওয়া হলো অনেক সহজেই । কারণ মানুষতো শুধু সামনের শরীর লকগুলোকেই চিনতেন । এটা বলবার দরকার খুব একটা না থাকলেও বলবার একটা দরকার আছে বলেই বললাম । একটু ভাবলেই বুঝতে পারবেন 77 বছর আগের থেকেই একই ঘটনা ঘাটে চলেছে । আজও সংগঠনের নামে একশত প্রাণ গেলে জানো সম্মুকে আসে মাত্র দশ জনার নাম । বাকি নব্বুই পেপারের কোনো অংশেই থাকেনা , থাকেনা দলের নাথিতে । যখন বাবা - মা সন্তানকে এভাবে ছেড়ে দেয় তখন সেই সন্তানকে বলাহয় লেবারিস , তেমন ভাবেই দেশের এই মানুষ গুলো হয়ে জায় লেবারিস ।
যাইহোক দুইশতো বছর পড়ে স্বাধীনতা দেশকে গোছাতে কিছুটা সময় লাগবে , আর সেইজন্য সকলকে একটু সমস্বার মুখমুখী হতেই হবে । দেশের মানুষ তাতেই রাজি হয়ে গেলো, একবেলা খাবো কিন্তু দেশের মাতো দেশ গ্যারেনেব আমরা , একদিন আমাদের দেশ হবে সকল দেশের সেরা। আই স্বপ্ন নিয়ে সময় কাটতে লাগলো দশ - বিশ , সত্তর আজ আমরা সতত্তরে । তবে সমস্বা হলো অন্ন জায়গাতে । সাধারণ মানুষ প্রতিটা স্বাধীনতা দিবসে একটা নতুন চিন্তা নিয়ে দেশের জন্মদিন পালনকরতে ছুটে জান পাড়ার মোড়ে অথবা ক্লাবের মাঠে । কন্ঠ ছেড়ে জাতীয় সংগীত গেয়ে পার্থনা করে আমাদের দেশ আর দেশবাসী সকালেই জেনো খুব ভালোথাকে কিন্তু পরেরদিনটাই আবার ধূসর । মাস্টার করা ছেলেটা তার সুধিকার পেতে খোলা আকাশের নিচে বসে আন্দলন করেচলেছে সেই আগের মতোই , প্রাপ্য অধিকারের জন্য । কিন্তু কে শুনবে কার কথা । তবুও আমাদের হৃদয়ের অন্তপুরে সারাক্ষন একটাই সুর বাজে সারে জাহাসে আচ্ছা হিন্দুস্থান হামারা কিন্তু এই গানটা আমাদের অন্তরে সুপ্ত অবস্থাতেই রয়ে জায় । প্রথম থেকেই আমরা বিশ্বাস করে কিছু অসৎ মানুষের হাতে বার বার তুলে দিচ্ছি জার ফলে হয়তো আমরা দুইশত বছর আগে আমরা যে অবস্থাতে ছিলাম আজ তারথেকেও খারাপ অবস্থাতে রয়েছি । এখন আর সময় নেই আনন্দ করবার , এখন আমাদের আবার আন্দলনের পথে চলতে হবে আর তার জন্য আমাদের খুঁজে বারকরতে হবে নেতাজীর মাতো একজন নেতা । কারণ আমাদের দেশের মানুষ যে শ্বপ্ন নিয়ে দিনের পর দিন প্রাণ দিয়েছে দিনের পার দিন রক্ত ঝাড়িয়েছেন কিছু সুবিধাবাদী মানুষের কাছে ওনাদের বলিদান বিকিয়ে দেবার কোনো মানেই হয়না । আর কত বছর লাগতে পারে একটা দেশকে গঠন করতে ? এই 77 বছরের মধ্যে 33 কোটি 130 কোটিতে পৌছাল কিভাবে ? আজও কানো আমাদের দেশের 40% মানুষ গরিব কোনো রকমে দুবেলা দুমুঠো খেয়ে দিনকাটাবে । কানো এখনো 40% মানুষ একবালা খেয়ে আর একবালা জল খেয়ে দিন কাটাবেন । কানো মাত্র 20 % মানুষের কাছে সীমাবদ্ধ থাকবে দেশের সকল সম্পদ ? কে বা করা দেবে আর উত্তর ? কেউ দেবেনা । কারণ এদের কাছে তোমার আমার কোনো গুরুত্ব নেই । না একটা গুরুত্ব আছে বটে ভোট এই সময় টুকুর জন্য ওদের আমাদের দরকার । ওদের কর্ম ক্রিয়াতে কি ঠিক করাহচ্ছে তার অধিকার আমাদের আছে অথচ আমরা জানতেই পারিনা কোনো কিছুই । অথচ এই সব চলছে আপনার আমার নামে । কি হাতভাগা আমরা শুধু দিনের পর পর আমরা প্রতারিত হয়ে চলেছি একটা ক্ষীণ আলোর সন্ধানে একদিন নতুন সুর্য উঠবে আমার দেশের আমরা সকলে একটা অজানা আনন্দে এক সম্পূর্ন ভরত দেখবো , যেখানে আমার প্রতিটি ভাইবোন , আমার দেশের মায়েরা হাসিমুখে দিনকাটাবে । রাতে শুয়ে তাদের ভাবতে হবেনা তেপান্তরের পারে আমার ছেলেটা কেমন আছে । আমি সেদিন অনন্দ করে বলবো ভরত আমার জগৎ সবার শ্রেষ্ঠ আসন লবে।
সমাপ্ত
