অভিমান
অভিমান
অভিমান
মোঃ সবুর মিয়া
আমি নির্বাসন হয়ে যাবো কোনো অচেনা শহরে,
তব নিজেকে দেবো না দেখাতে,
আঁখি মেলে তোমা সম্মুখপানে।
সেই দিন খুঁজিয়া বেহুঁশ হইয়া
আঁখি জলে নিদ্রা হারাবে৷
বুঝিবে মোর অগোচরের অপূর্ণতা।
তোমা জন্যে মোর পাঁজরে যাহা অভিলাষ ছিলো,
সবি যতনে রেখেছি তবে আর নাহি প্রকাশ করিলুম৷
তোমা মনের অগ্রাহ্য প্রত্যাশা কিবা করিব কোমল!
তাই ত হয়েছি নব তমিস্র রাজ্যের অচেনা পথিক।
এত ব্যথা অঙ্গে, কিবা রহিব সঙ্গে!
বুঝিবে হে প্রিয় বুঝিবে,
যবে মোর বিদায়ী বার্তা শুনিবে।
তবে কি লোচন জল কেহ মুছিবে!
শত অনুরাগ যতনে রেখেছি,
তাই অদ্য পাগল সেজেছি৷
হে প্রিয় ! জানো তুমি মোর নব পরিচয়?
লোকে বলে এ এক অগোছালো পাগল!
তোমা মনের চটাচটি এতই শানিত,
যাহা মোর পাঁজর খণ্ডবিখণ্ড করিলো৷
এই ক্ষতস্থান জোড়া নাহি লাগিবে!
তোমা পাঁজরে পুষ্পের কোমলতা নাহি আসিবে৷
এক ছুটকা কহিলো মোরে,
অহে বৎস এত ব্যাকুল কেনো?
প্রতুত্তরে কহিলুম -
মোর পাঁজরে বেধেছে যন্ত্রণার অচল।
স্তব্ধ মোর সকল আশা,
তুমি কি খুঁজিবে নব বাসা !
এই ম্লান চাহনি -
তোমা নয়নে কি নাহি পড়ে?
তাই ত বটে, অন্তরে পাশান স্পিতিধর।
কোমল ছোঁয়া কিবা আসিবে তবে !
এই মাতোয়ারা প্রেমির খোঁজ নেবেই বা কেনো?
যা কহিলুম সবি যে তেতো।
স্বাদ পাবি কি তবে !
নিষ্ঠুর হৃদয়ের বসতি কি দেবে ফেরত!
মোর আহাজারি বুঝবে কি তবে !
বৃথা প্রত্যাশা, নিশীথে একাকী সদা কাঁদি।
তোমা মন এর খেপা, কিবা করি বলো সাদী।
তাই হয়েছি নির্যনবাসী চির বিদায়ী সেজে৷
সত্যি একদা তোমা আঁখি
মোর অগোচরে অশ্রু ঝরাবে।
হয়তো সেদিন আমি নাহি থাকিব এই ধরায়।
সেদিন চিৎকার করে বলিবে তুমি,
সর্বদা অপেক্ষায় রহিব
এই বোকা প্রেমির জন্যে৷
সমস্ত সুখ কিনে তোমাকে দিলাম উৎসর্গ।
এবার আমি চলি তোমা ছবি বক্ষে নিয়ে
না ফেরার দেশে।
তব যদি তোমা মনের চটাচটি কমে !
__________সমাপ্ত __________
তারিখ: ১০ আগস্ট ২০২৬ খ্রিঃ৷
(গ্রাম: রাহেলা, উপজেলা: বাজিতপুর, জেলা: কিশোরগঞ্জ)
