Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published
Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published

Sutanu Sinha

Drama Romance


3  

Sutanu Sinha

Drama Romance


রাজনীতি ও প্রেম চতুর্থ কিস্তি

রাজনীতি ও প্রেম চতুর্থ কিস্তি

9 mins 2.4K 9 mins 2.4K

রাতুল

মিশ্র অনুভূতি হচ্ছে রাতুল এর । মেয়েটিকে দেখা করার জন্য ডেকেছে যদিও সম্পূর্ণ অন্য কারণ এ । কিন্ত মনের মধ্যে চলা অবিরাম কৃষ্ণলীলা কে স্তব্ধ করার কোনো উপায় বের করা বোধহয় সম্ভব নয় ।রাতুল যতটা সম্ভব নিজেকে সংযত করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লো । মেয়েটির নাম টা সে জানলো আজ কের ই সুবীর এর কাছ থেকে, সুনেত্রা , ভারী মিষ্টি নাম টা । ৫টা বাজার একটু আগেই পৌঁছে গেলো রাতুল , চারপাশ টা ভালো করে দেখে নিলো সে , চেনা জানা কেউ না থাকা টা ভীষণ দরকার । একটা সুন্দর গাছের আড়ালএর জায়গা দেখতে পেলো রাতুল , এটাই সব থেকে সুন্দর জায়গা কথা বলার জন্য । সামনের দোকান থেকে একটি চিপস এর প্যাকেট আর একটা কোল্ড ড্রিঙ্কস কিনে নিলো রাতুল । বেশিক্ষন অপেক্ষা করতে হলো না তাকে , কিছুক্ষন এর মধ্যেই সুনেত্রা এসে গেলো । দু জন এ দু জন কে হাসির মাধ্যমে ধন্যবাদ জানালো দেখা করার জন্য । হয়তো মনের মধ্যে আরো কিছু চলছিল রাতুল এর, কিন্ত সে গুলো প্রকাশ করার মতো মানসিকতা রাতুল এর কখনোই নেই । প্রথম কথা শুরু করলো রাতুল , জিজ্ঞেস করলো ,

রাতুল : আপনি এখানে কতদিন কাজ করছেন ?

সুনেত্রা: ২-৩ মাস মতো ।

রাতুল: কারখানায় কখনো অস্বাভাবিক কিছু নজরে পড়েছে তোমার?

হঠাৎ তুমি বলে ফেলে লজ্জা পেয়ে গেলো রাতুল , সাথে সাথে বললো না মানে আপনার ?

সুনেত্রা (একটু হেঁসে): আমাকে তুমি বলতে পারেন ।

রাতুল: তাহলে তুমি ও আমাকে তুমি এ বলো । হাতে থাকা চিপস এর ছেঁড়া প্যাকেট টা বাড়িয়ে দিলো রাতুল , বললো খাও ।

রাতুল: দেখো সুনেত্রা , তোমাকে এভাবে ডেকে পাঠানোর কারণ তুমি ভালো করেই বুঝতে পারছো । আমি কারখানার ম্যানেজমেন্ট এর কিছু ভিতরের খবর জানতে চাই ।

সুনেত্রা :কিন্ত রাতুল দা , তুমি আমাকে কেন ডাকলে ? মনে মনে ভাবলো যদি কিছু অন্য রকম উত্তর পাওয়া যাই ।

রাতুল : কারণ তোমাকে দেখেই এক মাত্র মনে হয়েছে ,সেই পরিমান সাহস আছে । আর ক্ষমতা আছে সত্যি কথা বলার ।

সুনেত্রা (একটু হেঁসে ): দেখো এই ২ মাস এ কারখানার ভিতরে সে রকম কোনো অস্বাবিক নজর এ আসেনি । ভোম্বল দা আমাদের সবাই কে নিয়ে বেশ সুন্দর এ চালাতো । শেষ ৩-৪ দিনের ঘটনা ছাড়া অস্বাভিক কিছুই সে ভাবে নজর এ আসেনি ।

রাতুল : শেষ ৩-৪ দিন এর কি রকম অস্বাবিক ঘটনা কে উল্লেখ করতে চাইছো সুনেত্রা ।

সুনেত্রা : এই মালিক এর পরিবর্তন , শ্রমিক দের আন্দোলন , ইউনিয়ন লিডার বা তোমাদের মতো পার্টি নেতাদের ঘন ঘন যাতায়াত ।এসব আর কি ।

সুনেত্রা এখনো ও বুঝতে পারছে না , শেষ দিনের কথা টা বলবে কিনা ।

রাতুল : তোমাকে যদি কিছু প্রশ্ন সরাসরি করি , আশা করি কিছু মনে করবে না ।

সুনেত্রা : না রাতুল দা ।

রাতুল : আজ কের সকাল এ ঠিক কি হয়েছিল তোমার সুনেত্রা ? ওই ভাবে পালিয়ে যাবার মেয়ে তো তুমি নয় ।

সুনেত্রা (কিছুক্ষন চুপ করে থেকে ) : তোমাকে কে সব কথা বলবো রাতুল দা , কিন্ত তুমি আমাকে একটু সাহায্য করো ভালো কোনো উপায় বাতলে দিয়ো ,আমাকে দয়া করে পালিয়ে যেতে বলো না ।

রাতুল : ঠিক আছে, আমাকে পুরো ঘটনা বলো, যতটা সাহায্য করা সম্ভব আমি অবশ্যই করবো ।

সুনেত্রা তখন সকাল এর পুরো ঘটনা টা গুছিয়ে বললো ,যা শুনে গা গরম হয়ে উঠলো রাতুল এর । কিছু একটা করার ইচ্ছা এখুনি হলে ও নিজেকে ভীষণ ভাবে সংযত করলো সে । সুজয়দা বার বার বলতো রাজনীতিতে মাথা গরম মানে পাশার চালে হেরে যাওয়া ।মাথা ঠান্ডা রেখে বিরোধী পক্ষ কে ঘায়েল করাই হলো আসল রাজনীতি । সুনেত্রা র বলা শেষ হলে দু জন্যেই কিছুক্ষন চুপ করে থাকলো । এরকম পরিস্তিতিতে পড়লে যেকোনো মেয়ে চোখের জলে ভাসিয়ে দিতো, কিন্ত রাতুল অদ্ভুত ভাবে দেখলো সুনেত্রা র চোখে জল না রাগের আগুন বেরোচ্ছে । রাতুল বলে উঠলো ,

রাতুল : এর প্রতিশোধ নিতেই হবে সুনেত্রা । কি ভাবে সেটা আমি তোমাকে ধীরে ধীরে বলবো । তবে তুমি কাজে আবার যেতে শুরু করবে । সম্ভব হলে কাল কের থেকেই । আমি এখানকার লোকাল পুলিশ এর সাথে কথা বলছি , তারপর তোমাকে জানাবো কি হবে তোমার পরবর্তী প্রদক্ষেপ । তবে এই ব্যাপার টা নিয়ে কারোর সাথে বিশেষ কথা বলতে যেয়োনা । এমন কি ভোম্বল দা বলতে এলে ও উপেক্ষা করো । আর একটি কথা শুধু মাত্র তোমার সুরক্ষা আর জন্য নিজের কাছে ভারী কিছু জিনিস রেখো ।

সুনেত্রা অনেক ধন্যবাদ জানালো রাতুল কে । তোমার সাথে দেখা না হলে হয়তো সব কিছু ছেড়ে আমাকে চলে এ যেতে হতো । আবেগপ্রবন হয়ে সুনেত্রা হঠাৎ রাতুল এর হাত দুটো ধরে ফেলে , হয়তো দু জন এ একটু কাছাকাছি ও এসে গেছিলো , মনের মধ্যে থাকা সেই চেপে রাখা কৃষ্ণলীলা হঠাৎ এ জ্বলে উঠতে চাইছিলো রাতুল এর । ভীষণ ভাবে নিজেকে সংযত করলো সে । সুনেত্রা র চোখের দিকে না তাকিয়ে এ বলে উঠলো , তুমি আজ কের এস , আমাদের এক সাথে কেউ দেখে ফেললে মুশকিল হতে পারে । আমি দরকার মতো তোমাকে ফোন বা দেখা করে নেবো । ঠিক আছে, বলে চলে যাবার সময় একটু খুনসুটি করার ইচ্ছা হলো সুনেত্রার । বললো , কোল্ড ড্রিঙ্কস টা কি একা খাবার জন্য কিনেছিলে ? রাতুল এর হঠাৎ মনে পড়লো ,তাইতো অনেক ক্ষণ ধরে কোল্ডড্রিঙ্কস টা তার হাতেই আছে, সুনেত্রা কে দিতে এক দম ভুলে গেছে । রাতুল বলে উঠলো , না না এটা তোমার জন্য , এটা পুরোটাই নাও । সুনেত্রা হাঁসতে হাঁসতে বললো , দাও , বলে কোল্ড ড্রিঙ্কস থেকে ২ ঢোঁক মেরে বললো , নাও বাকিটা তোমার জন্য ছেড়ে গেলাম । বলে একটা মিষ্টি হাঁসি দিতে দিতে চলে গেলো সে ।

রাতুল এর মন টা উথাল পাথাল করলে ও, চুপ চাপ দাঁড়িয়ে রইলো সে । হাত নাড়িয়ে বিদায় জানানোর কথা ও তার মনেই এলো না । মনে অদ্ভুত ভাবে দাগ কেটে গেলো এই দেখা করার স্মৃতি , আর সুনেত্রা যাবার সময় ওই মিষ্টি হাসিটাকে । কিছুক্ষন পার্ক এ বসে কোল্ড ড্রিঙ্কস টা শেষ করলো রাতুল । তারপর হাঁটতে শুরু করলো । স্কুটার টা একটু দূরে রাখা ছিল , স্কুটার এ বসে স্টার্ট দিলে সে গাড়িটা ,একবার থানায় যেতে হবে তাকে । এখানকার পুলিশ অফিসার কে জানা খুব দরকার । যদি প্রয়োজন হয় সুজয়দার সাথে কথা বলবে সে এরকম এ ঠিক করলো । কারখানার শ্রমিক দের ন্যায় দেবার সাথে সুনেত্রা র অপমান এর প্রতিশোধ নেয়াও রাতুল এখন লক্ষ হয়ে দাঁড়ালো । তার এই সীমিত ক্ষমতার মধ্যে কি করে সব কিছু সম্ভব করবে সেটাই ভাবতে ভাবতে থানার দিকে এগিয়ে চললো সে ।

সুনেত্রা

মনের মধ্যে কিরকম যেন হচ্ছে সুনেত্রার । এই প্রথম কোনো ছেলের সাথে আলাদা করে দেখা করলো সে । মনের মধ্যে যেন অন্য রকম ঝড় চলতে লাগলো তার । রাতুল এর নম্বর টা ফোন থেকে বার করে মনে হলো এক বার ফোন করে বলি পৌঁছে গেছি ঘরে । কিন্ত নিজেকে সামলে নিলো সে , রাতুল এর মনে হয়তো এরকম কিছুই নেই তার জন্য । রাতুল এর ব্যবহার বা কথা বলার ধরণে কোনো কিছুই অন্য রকম খুঁজে পাইনি সে । কিন্ত যখন রাতুল হাত ধরেছিলো , একটু কি অন্য রকম অনুভতি হয়েছিল তার মধ্যে । কে জানে সুনেত্রা আর ভাবতে পারছে না । বরাবর ই ডাকাবুকো ধরণের মেয়ে ছিল সুনেত্রা , নতুন এই অফিস এ আসার সময় মা বাবা বার বার করে বলে দিয়েছিলো শান্ত হয়ে থাকতে । সেটাই এখানে আসার পর অনুসরণ করতো খুব ভালো করে । তাই সবার কাছে মিষ্টি মেয়ে হিসাবে পরিচিত সে । যদিও তার ডাকাবুকো স্বভাব এর জন্য আজ পর্যন্ত কোনো ছেলে তার কাছেই ঘেঁষতে পারেনি । আর হয়তোএই মিষ্টি স্বভাব টার জন্যই রাতুল এর মতো ছেলে তাকে ডেকে পাঠালো । হয়তো বলা যেতে পারে সুনেত্রা এ আত্মসমর্পন করলো এই ছেলেটির কাছে । মনের মধ্যে চলা একটা অদ্ভুত দোলাচলের হয়তো কিছুটা সমাপ্তি হলো । রাতুল যখন বলে দিয়েছে তখন সে কাল থেকে অফিস যাবে । সুনেত্রা সত্যি ই জানে না এই রাতুল এর ক্ষমতা কতটা , কিন্ত ওর কথা বলার ধরণ বা যুক্তি দিয়ে সাজানো সমালোচনা যেন মন কে ভীষণ একটা শক্তি এনে দেয় ।সেই বলে বলীয়ান হয়ে নিজের ডাকাবুকো স্বভাব এর উপর আবার ভরসা করতে শুরু করতে ইচ্ছা করলো । দেখিনা কি হয় ,রাতুল তো তার সাথে আছে । ঘরে ঢুকে সবে ফ্রেশ হতে যাবে , ফোন টা বেজে উঠলো সুনেত্রার, মনের মধ্যে ঝিলিক খেলে গেলো তার , রাতুল নাকি ? না, মা ফোন করেছে । ফোন টা কেটে দিয়ে ,নিজেই কল ব্যাক করলো সে । মা কে এসব কিছুই বলা যাবে না , সাধারণ কিছু কথা বলে রেখে দিলো ফোন টা । সুনেত্রা শুনেছিলো প্রত্যেক ছেলে মেয়ে দের নাকি একটা সময় আসে যখন সে বাধ্য হয় বাড়ির থেকে এমন কি মা এর থেকে ও কিছু কথা লুকোতে । অথচ আজ পর্যন্ত সুনেত্রা জীবন এর কোনো কোথায় মা কে লুকাই নি, এমন কি ভাবতে ও পারেনি । হয়তো সুনেত্রা এখন যে সময় এর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, এটাই সেই সময় ,চাইলে ও বাড়িতে সব কিছু বলা সম্ভব নয় ।ফোন টাকে চার্জ এ বসিয়ে বাথরুম এ গেলো সুনেত্রা । কেন জানিনা আজ তার অনেক ক্ষন ধরে স্নান করতে খুব ইচ্ছা করছে । হাতের মধ্যে ঝর্ণার মতো জলের ফোঁটা যখন এসে পড়ছে , নিজের হাতের দিকে চেয়ে , খুব লজ্জা লাগছিলো সুনেত্রার । এই হাত দিয়ে সে রাতুল এর হাত দুটো চেপে ধরেছিলো । রাতুল খারাপ কিছু ভাবেনি তো ? মনের মধ্যে চলা একটা কান্না ভেজা আনন্দে ভেসে গেলো সে । মনকে আটকে রাখার কোনো কৌশল কেই প্রশয় দিতে ইচ্ছা করছিলো না । হঠাৎ এ মনে হলো ঘরে ফোন টা বাজছে । জল টা বন্ধ করে ভালো করে শুনলো সুনেত্রা । ফোন বাজার আওয়াজ কানে এলো তার । তাড়াতাড়ি করে মুছে নিয়ে জামা কাপড় পড়ে বেরিয়ে এলো সে ।ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখলো ২ টি মিস কল । সবে দেখতে যাবে , আবার ফোন চলে এলো । রাতুল এর ফোন , ফোন টা রিসিভ করে হ্যালো বলার আগেই ওদিক থেকে রাতুল বলে উঠলো ফোন ধরেছিলে না কেন ? সুনেত্রা শান্ত হয়ে বললো বাথরুম এ ছিলাম , শুনতে পাইনি গো । কিরকম যেন মনে হলো রাতুল নিজেকে ভীষণ ভাবে সংযত করে নিলো । তারপর বললো , কিছু মনে করো না , আসলে তুমি সাবধানে পৌঁছেছ কিনা সেটা জানার জন্য করেছিলাম , ফোন ধরছিল না দেখে একটু চিন্তা হচ্ছিলো । সুনেত্রা একটু লজ্জা পেয়ে গেলো , বলে উঠলো আরে না না রাতুল দা , আমার ই ফোন করা উচিত ছিল , আমি ভালো করে পৌঁছেই গেছি গো । তুমি কি থানায়'গেছিলে ? রাতুল বললো , সেই ব্যাপার এ জানানোর জন্য ও ফোন করেছিলাম । লোকাল থানার যে ইন্সপেক্টর সে আমার স্কুল এর বন্ধু । ওর নাম অরিজিৎ । তোমাকে ওর নম্বর টা আমি ফোন এ পাঠিয়ে দিচ্ছি । সেভ করে রেখো । কোনো দরকার বা অসুবিধা পড়েছো বা পড়তে পারো মনে হলে আমার আগে অরিজিৎ কে ফোন করো । ও তোমাকে উপযুক্ত সুরক্ষা দেবে । ফোন করলে ওকে আমার নাম টা বলো , ও বুঝে নেবে । সুনেত্রা মন দিয়ে পুরোটা শুনে বললো, ধন্যবাদ রাতুল দা । রাতুল বলে চললো , আর সুবীর বলে আমার একটি ছেলে তোমাকে নজরে রাখবে , ভয় পেয়ো না । সুবীর কে তো তুমি চেনো ? আমার সাথে যে সব সময় থাকে । সুনেত্রা জানালো , চিনি সুবীর দা কে । আর তোমার সাথে আবার কবে দেখা হবে ? কথা বলেই খুব লজ্জা পেয়ে গেলো সুনেত্রা । মনে মনে ভাবলো মনের কথা টা বুঝে গেলো না তো রাতুল দা । রাতুল ওপাশ থেকে একটু হাসলো, বললো দেখা তো আমাদের হবেই , এখন কারখানায় আমার রোজ এ যাতায়াত থাকবে । চলো এখন রাখলাম । সুনেত্রা বললো , শুভ রাত্রি । ফোন টা কেটে গেলো ওদিক থেকে । আরো অনেক কথা বলতে ইচ্ছা করছিলো সুনেত্রার , কিন্ত রাতুল ছেলে টা একটু অন্য ধরণের । ও যে ফোন করে এতো কথা বলেছে সেটাতেই সুনেত্রার ধন্য হওয়া উচিত । বেশ খিদে লেগেছে সুনেত্রার । এবার স্বাভাবিক জীবন এ ফিরতে হবে তাকে । অরিজিৎ এর নম্বর টা সেভ করে নিয়ে ,রান্না করার দিকে এগিয়ে গেলো সে । মনের মধ্যে রয়ে গেলো অনেক আশা নিরাশার দোলাচল , যা কিভাবে মিটবে সে জানে না । তাই সময় এর হাতেই নিজেকে ছেড়ে দিলো সে ।


Rate this content
Log in

More bengali story from Sutanu Sinha

Similar bengali story from Drama