Participate in the 3rd Season of STORYMIRROR SCHOOLS WRITING COMPETITION - the BIGGEST Writing Competition in India for School Students & Teachers and win a 2N/3D holiday trip from Club Mahindra
Participate in the 3rd Season of STORYMIRROR SCHOOLS WRITING COMPETITION - the BIGGEST Writing Competition in India for School Students & Teachers and win a 2N/3D holiday trip from Club Mahindra

Sharmistha Mukherjee

Drama Romance Tragedy


3.4  

Sharmistha Mukherjee

Drama Romance Tragedy


রাধার মতো কলঙ্ক যে চাই (৩ )

রাধার মতো কলঙ্ক যে চাই (৩ )

2 mins 181 2 mins 181


খানিকটা ঐশী ও আবীর স্যারের অজান্তেই দুজন দুজনের সাথে মানসিকভাবে জরিয়ে পড়ে । এমনকি যেই দিন দুজনের দেখা বা কথা না হোতো দুজনেই যেন ছটফট করতো । এই বন্ধুত্বের সম্পর্ক কবে যে আস্তে আস্তে ভালোবাসায় পরিণত হয়েছে সেটা আজও দুজনেরই অজানা । প্রায় মাস দুয়েক পর হঠাৎই কোনো এক দূর্বল মূহুর্তে তারা এতো বেশি কাছাকাছি চলে আসে যার জন্য ঐশী হয়তো নিজেকে দোষী মনে করে । কিন্তু এতে ঐশীর দোষ কোথায় ? দীর্ঘদিন অগ্নির অবহেলার শিকার হতে হতে যে শরীর - হৃদয় - মন ভালোবাসার অভাবে শুকিয়ে মরুভূমি হয়ে গিয়েছিল সেই মরুভূমিতে আবীর স্যারের ভালোবাসার অকস্মাৎ প্রবল বৃষ্টিপাত কি সত্যিই অন্যায় ? দীর্ঘ দুই বছর ধরে ঐশীর শারীরিক চাহিদা যে প্রতিনিয়ত দম বন্ধ হয়ে মরছিল সেই চাহিদার হঠাৎ বেঁচে ওঠা কি সত্যিই পাপ ? যদিও ঐশী জানতো আবীর স্যার বিবাহিত তবুও দুজনের যে তীব্র মানসিক বন্ধন তিলে তিলে গড়ে উঠেছে তা কি সত্যিই ঘৃণ্য ? আজ ও দীর্ঘ তিন বছর ধরে যে ভালোবাসার সম্পর্ক ঐশী ও আবীর প্রাণ ভরে বয়ে নিয়ে চলেছে তাকে কি সত্যিই নোংরামি বলা চলে ? 


আজ অবিশ্বাসের সম্পর্ক , বছরের পর বছর ভালোবাসার খুন করে অত্যাচারের দগদগে ঘা সৃষ্টিকারী অগ্নিকে নিজের জীবন থেকে মুছে ফেলেছে ঐশী । ঐশী ও অগ্নির বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে ইতিমধ্যেই । যদিও ঐশী এক সন্তানের মা হওয়া সত্ত্বেও , সে সন্তানকে গর্ভে ধারণ করে প্রসবকালীন যন্ত্রনা সহ্য করে জন্ম দিয়েও মাতৃত্বের অধিকার থেকে সে আজ বিচ্ছিন্ন । অগ্নি বিবাহ বিচ্ছেদ করে অত্যাচারের হাত থেকে তাকে মুক্তি দিয়েছে ঠিকই কিন্তু সে মুক্তির একমাত্র শর্ত ছিল মাতৃত্বের অধিকার থেকে নিজেকে বঞ্চিত করা । 


সন্তানের জন্য আজও সে হাহাকার করে মরে, আজও তার মাতৃত্ব গুমরে কেঁদে মরে । আবীরের ভালোবাসা সাথে না থাকলে হয়তো বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাও ঐশীর থাকতো না । শুধু তার সন্তান একদিন ঠিক তার কাছে ফিরে আসবে এই ক্ষীণ আশা এবং আবীরের সর্বদা ছায়ার মতো পাশে থাকাই ঐশীর বেঁচে থাকার অন্যতম রসদ । ঐশীকে আজ অনেকেই কলঙ্কিনী ভাবে , নোংরা - চরিত্রহীন এসব আখ্যাও পেয়েছে সে । কেউ কেউ বলে, " স্বামী খারাপ হলেও সব মেনে নিয়ে সেখানেই পড়ে থাকা উচিত ছিল " তো আবার কেউ বলে, " ও ডিভোর্সি , তাহলে নিশ্চয়ই ওর কিছু খারাপ ছিল । তাই স্বামী ছেড়ে দিয়েছে । "


আচ্ছা ঐশী কি সত্যিই কলঙ্কিত ? সত্যিই কি সে কলঙ্কিনী ? নিজের মতো করে নিজের জীবনটাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা কি সত্যিই কলুষিত ? নিজের মতো করে স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাওয়া যদি সত্যিই কলঙ্ক হয় তবে দীর্ঘ বারো বছর মুখ বুজে অত্যাচারের সামনে সহ্যের দেবী হওয়ার থেকে কলঙ্কিনী হওয়া শত শত গুনে ভালো । 


( ঐশীর ইতিহাস সবার কেমন লাগলো জানালে উপকৃত হবো । তার সাথে আপনাদের কি মতামত ঐশী কি সত্যিই কলঙ্কিনী ? ) 


Rate this content
Log in

More bengali story from Sharmistha Mukherjee

Similar bengali story from Drama