Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published
Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published

Adhiraj Biswas

Horror Thriller


3  

Adhiraj Biswas

Horror Thriller


প্রতিশোধ

প্রতিশোধ

7 mins 298 7 mins 298


রাত তখন গভীর। সদ্য মা হওয়া শতরূপা এখন নার্সিংহোমের বেডে ঘুমাচ্ছে। শতরূপার স্বামী রাহুল, শতরূপার পায়ের কাছে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছে, আর তাদের মেয়ে ছোট্ট অহল্যা, সে দোলনায় ঘুমিয়ে। 

সবাই যখন গভীর ঘুমে মগ্ন, তখন শতরূপার ঘুম ভেঙে গেলো এক শব্দের কারনে। তড়িঘড়ি বিছানায় উঠে বসলো, এবং শব্দের উৎস খুঁজতে শুরু করলো সে। ততোক্ষনে শব্দটা বন্ধ হয়ে গেছে। হঠাৎ ওর অহল্যার কথা মনে পড়ে। দোলনার দিক তাকানোর সাথে সাথেই চমকে উঠলো শতরূপা। দোলনা সম্পূর্ণ ফাঁকা, দোলনায় অহল্যা নেই। শতরূপা রাহুলকে ডাকলো কিন্তু রাহুলের ঘুম ভাঙলো না। শতরূপা আর অপেক্ষা করতে না পেরে ডাক্তার, নার্স ও রাহুলকে জোরে জোরে চিৎকার করে ডাকতে থাকে। কিন্তু কি আশ্চর্য! কেউ ওর ডাক শুনতে পাচ্ছে না। সবাই এমন ভাবে ঘুমাচ্ছে যেন সহস্র বছরের ঘুম আজ এই এক রাতেই ঘুমাচ্ছে। কান্নায় ভেঙে পরে শতরূপা।

হঠাৎ শব্দটা আবার শুরু হলো, শতরূপা চমকে উঠলো। রুমটার ভিতরে ভালো করে তাকিয়ে দেখতেই, সে দেখলো এক কোনায় একটি ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে। ছায়াটা সেই কোনায় দাঁড়িয়ে কিছু একটা করছে, যদিও কি করছে সেটা শতরূপা স্পষ্ট দেখতে পারছে না। কিছুক্ষণ ছায়াটার দিকে তাকিয়ে রইল শতরূপা। তারপরেই সে বুঝতে পারল, ছায়ামূর্তিটা আসলে অহল্যাকে এক হাতে ধরে আছে, আর ওপর হাতে ধরে আছে একটা ছুরি। মাঝে মাঝে সেই ছুরিটা দেওয়ালে ঘষছে সেই ছায়ামূর্তিটা, আর সেই থেকেই ওই শব্দটা হচ্ছে। 

ওই দৃশ্য দেখে শতরূপা বেড থেকে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করলো, কিন্তু পারলো না। কেঁদে উঠল শতরূপা, কাঁদতে কাঁদতেই চিৎকার করে বলতে থাকলো ----

"কে তুমি? এগুলো কি করছো? আমার অহল্যার সাথে তুমি কি করছো? প্লীজ এমন করো না, প্লীজ.. প্লীজ.. প্লীজ…." 


রাহুলের ধাক্কাতে ঘুম ভাঙে শতরূপার। ঘেমে একাকার হয়ে গেছে সে। রাহুল জিজ্ঞেস করলো ---- 

"কি হয়েছে রূপা? ঘুমের ঘোরে চিৎকার করছিলে কেনো অমন? বাজে স্বপ্ন দেখছিলে বুঝি?"

শতরূপা সাথে সাথে দোলনার দিকে তাকায়, না সব ঠিক আছে। অহল্যা বেশ নিশ্চিন্তেই ঘুমাচ্ছে। শতরূপা পাশের টেবিলে থাকা জলের গ্লাস থেকে জল খেলো কিছুটা। রাহুল জলের গ্লাসটাতে আবার জল ভরে রাখতে রাখতে বললো --

"শুয়ে পড়ো, কিছুক্ষণের মধ্যেই সকাল হয়ে যাবে। আমিও ততোক্ষণে সোফাটায় একটু শুয়ে নিই।"

ওরা যখন সবাই আবার শুতে গেলো, তখন পাশের বারান্দার দেওয়াল ঘরিটায় ঢং ঢং করে চারটে বাজলো।


             **************


রাহুল ও শতরূপার বিয়ে হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর হল। এই দুইদিন আগেই তাদের একটি ফুটফুটে মেয়ে হয়েছে। ডাক্তার শতরূপাকে এখনও বাড়ি যাবার জন্য অনুমতি দেননি, তাই রাহুল ও রাতে থেকে যাচ্ছিলো শতরূপার সাথে নার্সিংহোমের কেবিনে। প্রথম থেকেই ওরা ঠিক করে রেখেছিলো যদি মেয়ে হয় তাহলে নাম দেবে অহল্যা, আর ছেলে হলে ইন্দ্র। রাতেই ডাক্তারের ছুটি দেওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু ডাক্তারের অন্যকাজ থাকায় আর ছুটি হয়নি। ডাক্তারবাবু অবশ্য ফোন করে জানিয়েছেন সকাল সকালই ছুটি দিয়ে দেবেন শতরূপাকে। 


সেদিন রাতে যখন লেবার পেইন উঠেছিলো শতরূপার, বাড়ির কাছাকাছি এই নার্সিংহোমেই নিয়ে এসছিলো রাহুল। শতরূপাকে যে ডক্টর দেখছিলেন তাকে যখন জানানো হয়েছিলো তখন তিনি একটু আপত্তি করেছিলেন এই নার্সিংহোমের নাম শুনে। আসলে নিতান্ত বিপদে না পড়লে শহরের বড়ো বড়ো নার্সিংহোম ছেড়ে কেউ এখানে ভর্তি হয়না। এই নার্সিংহোমটা একটু পুরানো, মেডিক্যাল সরঞ্জাম গুলোও একটু পুরানো। আগে মাঝে মাঝেই শোনা যেতো রুগী মারা যাচ্ছে এই নার্সিংহোম। তারপর থেকেই এই নার্সিংহোমে নিতান্ত বিপদে না পরলে কেউ ভর্তি হয়না। 


এই নার্সিংহোমের প্রতি এতদিন বিরূপ মনোভাব ছিলো রাহুল ও শতরূপার দুজনেরই। কিন্তু বিধাতা হয়তো অন্য কিছু ঠিক করে রেখেছিলেন, তাই শতরূপাকেই ভর্তি হতে হলো এই নার্সিংহোমে। নার্সিংহোমে ভর্তি না হলে জানতেই পারতো না এখানকার ডক্টর ও স্টাফদের ব্যবহারের কথা। সত্যি এনাদের ব্যবহার, রুগীদের প্রতি দায়িত্ব খুব প্রশংসনীয়। গোটা নার্সিংহোমে হাতে গোনা কযেকজন রুগী ভর্তি, কিন্তু তাও নার্সিংহোমের স্টাফরা সদা প্রস্তুত তাদের সেবায়। শতরূপার চিৎকার শুনেও একজন নার্স ছুটে এসছিলেন দেখার জন্য, কিন্তু রাহুল তাকে জানায় শতরূপা বাজে স্বপ্ন দেখে অমন চিৎকার করেছে, ভয়ের কিছু নেই। তাও নার্স যাওয়ার আগে বারবার বলে গেছে কোনো দরকার পড়লে তাদের যেনো ডাকা হয়।


            ***************


আসতে আসতে দিনের আলো ফুটতে শুরু করে দিয়েছে, সেই সাথে নার্সিংহোম আবারো ব্যস্ত হতে শুরু করেছে। আজ ডাক্তার শতরূপাকে বাড়ি যাবার জন্য অনুমতি দিয়ে দিয়েছেন। শতরূপা এবং রাহুল সবকিছু গুছিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে দিলো। 


বাড়িতে গিয়ে তারা একে একে ফ্রেশ হয়ে নিলো। এতদিন বাড়ির কাজের একটা লোক ছিল, কিন্তু সে জানে না আজ তাঁরা নার্সিংহোম থেকে ফিরবে, তাই রাহুল আজ দুপুরের জন্য বাইরে থেকে খাবারের অর্ডার করে দিলো। রাহুল ফ্রেশ হয়ে তাদের বাড়ির কাজের লোককে ফোন করলো, জানতে পারলো সে দেশের বাড়ি গেছে ফিরতে এক সপ্তাহ হবে। 

দুপুরে যখন ওরা একসাথে খেতে বসলো, তখন রাহুল ওদের কাজের লোকের কথা জানালো শতরূপাকে। শতরূপা শুনে বেশ চিন্তিত হয়ে পরলো। ছোটো অহল্যাকে সামলে গোটা বাড়ির কাজ করা সত্যি চাপের। রাহুল তাকে আশ্বাস দিয়ে বললো, --- 

" চিন্তা কোরোনা, নতুন একজনকে নিয়োগ করতে হবে, দেখি খেয়ে একটু অমিতের বাড়ি থেকে ঘুরে আসবো, ওর অনেক জানা শোনা আছে এই সব ব্যাপারে।"


রাহুল দুপুরের খাওয়া শেষে করেই কাজের লোকের খোঁজে অমিতদের বাড়ি চলে গেলো। এইদিকে শতরূপা বাচ্চাকে ঘুম পাড়িয়ে নিজেও ঘুমাতে গেলো। সবে ঘুমটা এসছে এমন সময় রাহুলের ফোন। ফোনটা ধরতেই, ওপর প্রান্ত থেকে রাহুলের গলার স্বর ভেসে আসলো, 

" একজন মহিলাকে পেয়েছি, ওনাকে বাড়ির ঠিকানা ও দিয়ে দিয়েছি, উনি চলে যাবেন সময় মতো। তুমি যেনো একা একা কিছু করতে যেয়ো না।"

"তুমি আসবে না এখন?" জিজ্ঞেস করলো শতরূপা।

"অফিস থেকে ফোন এসছিলো, বস ডাকছেন, একটু ঘুরে আসছি, তাড়াতাড়ি চলে আসবো " বলেই ফোন কেটে দিলো রাহুল।


সন্ধ্যা আটটা বাজলো। এখনো রাহুল ও বাড়ির কাজের লোকের কোনো দেখা নেই। রাহুলকে ফোন করেছে দুবার, কিন্তু সে ফোন ধরেনি, হয়তো ব্যাস্ত, আসলে এতদিন ছুটিতে ছিলো তাই হয়তো। শতরূপা তাই আর ফোন করে বিরক্ত করেনি রাহুলকে। 

অহল্যাকে কোলে নিয়ে ব্যালকনির চেয়ারে বসে ছিলো শতরূপা আর এইসবই ভাবছিলো। হঠাৎ দরজায় ঠক-ঠক করে আওয়াজ হলো। শতরূপা ভাবলো রাহুল এসছে হয়তো, কিন্তু পরক্ষনেই আবার ভাবলো রাহুল বেল না বাজিয়ে দরজায় টোকা দেবে কেনো? এগুলো ভাবতে ভাবতেই শতরূপা দরজা খুলে ফেললো। কিন্তু না, রাহুল আসেনি। একজন মহিলা দাঁড়িয়ে। মহিলাটির ঘোমটা দিয়ে মুখ ঢাকা। শতরূপা জিজ্ঞাসা করলো, ----

"কে আপনি? কাকে চান?" 

মহিলাটি উত্তর দিলো, ---

"রাহুল দাদাবাবু আমাকে পাঠিয়েছে, বাড়ির কাজ করতে হবে বলেছিলেন।"  

শতরূপা আর কথা না বাড়িয়েই মহিলাকে ভেতরে আসতে দিলো। মহিলাকে তাঁর থাকার ঘর দেখিয়ে দিলো শতরূপা। কিন্তু শতরূপার কেনো যেনো মনে হচ্ছে, ঠিক এইরকম ঘোমটা দিয়ে মুখ ঢাকা মহিলাকে সে এর আগে কোথাও একটা দেখেছে। কিন্তু কোথায় দেখেছে সেটা শতরূপার মনে আসলো না।


            ****************


রাতে ওরা দুজনে মিলে খাবার বানিয়ে নিলো। মাঝে একবার রাহুল ফোন করেছিলো, বলেছে ফিরতে রাত হবে, বস বাড়ি পৌঁছে দেবে। আর ওরা যেনো খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। 

রাত বেশি হওয়ার কারনে শতরূপা ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাহুলের দেরিতে বাড়ি আসার বিষয়টা নতুন নয় তাই শতরূপা বেশি ভাবল না সেটা নিয়ে। শতরূপা অহল্যাকে বুকে নিয়ে কখন যে ঘুমিয়ে গেছে, তা ও নিজেও বুঝতে পারেনি। হঠাৎ একটা অদ্ভুত শব্দে শতরূপার ঘুম ভেঙে যায়। মনে হচ্ছে শব্দটা ঘর থেকেই আসছে। বিছানার দিকে তাকাতেই ভয় পেয়ে গেল শতরূপা, অহল্যা নেই। কোথায় গেলো সে?। ঘরের চারিদিকে তখন একটা নীলচে আলো ছড়িয়ে আছে। বিছানা থেকে উঠে দেখতে গিয়ে থমকে গেলো শতরূপা। তাঁর নজর তখন বেডরুমের কোনায়। একটা ছায়ামূর্তি সেখানে দাঁড়িয়ে। ছায়াটা শতরূপার দিকে পেছন ফিরে কিছু একটা করছে, বোঝা যাচ্ছে না। 

শতরূপা চিৎকার করে ওঠে, ---

"কে? কে ওখানে?"

এবার ছায়ামূর্তিটা পেছন ফিরে তাকালো। শতরূপা এবার তাকে চিনতে পারলো। এটা সেই মহিলা, যিনি ওদের বাড়ি কাজের জন্য এসেছিলেন। মহিলাটি একহাত দিয়ে অহল্যাকে ধরে আছে আর ওপর হাতে ধরে আছে একটা ছুরি। ঘোমটাটা খুলে যেতেই শতরূপা দেখলো, মহিলাটির চোখ গুলো রক্তের মতো লাল, মাথার চুল অবিন্যস্ত, মুখে একটা পৈশাচিক হাসি, আর সারা গায়ে রক্ত লেগে। 


শতরূপা ততোক্ষণে বুঝে গেছে যে ওর সেই রাতের দুঃস্বপ্ন বাস্তব হতে চলছে।শতরূপা চিৎকার করে উঠলো, ---

"কেনো করছো তুমি এমন? তোমার কি ক্ষতি করেছি আমি? আমার মেয়েকে ছেড়ে দাও।"

মহিলা শতরূপার সামনে এসে বললো, ---

" তুই আমার অভিশাপের স্বীকার হতে চলেছিস। তুই জানিস না নার্সিংহোমের ওই রুমটা অভিশপ্ত। সেই বেডরুমেই আমাকে ও আমার বাচ্চাকে খুন করে নার্সিংহোমের ডাক্তাররা, আমার স্বামীর কথাতে। ডাক্তাররা রটিয়ে দিয়েছিলো অপারেশন টেবিলে মারা গেছি আমি, তাই কেউ সন্দেহ করেনি ওদের। আমার আত্মা সেই কারণেই নার্সিংহোমের বেডরুমেই আটকে আছে, আর আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যারা যারা এই কাজ করেছিলো তাদের সবার পরিবারকে আমি শেষ করে দেবো। এই কয়েক বছরে আমি একে একে আমার স্বামী, ও সেই ডাক্তার গুলোকে মেরেছি। এবার তোদের পালা।"

শতরূপা চিৎকার করে বলে,---

" তোমার সাথে অন্যায় হয়েছে ঠিকই, কিন্তু আমরা তো কিছু করিনি? প্লীজ ছেড়ে দাও, প্লীজ...।"

মহিলাটি একটু ক্রুর হাসি হেসে বললো, ---

" তোদের যে ছাড়া যাবেনা! কেনো জানিস? আমার স্বামীর ভাই হলো রাহুল। সেই দিন সে ও জড়িত ছিলো ওদের সাথে। এতদিন তোদের মারিনি একটাই কারণে, আমি চাইছিলাম তোদের সামনেই তোদের বাচ্চাটাকে মারবো। রাহুলকে একটু আগেই শেষ করে ফেলেছি, এবার তোর মেয়েকে আর তারপর তোকেও শেষ করে দেবো।" 

শতরূপা কাঁদতে কাঁদতেই বললো, ---

" কিন্তু আমার মেয়ে তো কিছু করেনি, তুমিও তো মা হয়েছিলে, ওর বদলে আমাকে মেরে ফেলো, ছেড়ে দাও ওকে।"

শতরূপার কথা শুনে হয়তো মহিলার একটু মায়া হলো। ছোট্ট অহল্যাকে একবার তুলে ধরলো চোখের সামনে, তারপর অহল্যাকে দোলনায় রেখে, ছুরি নিয়ে ছুটে গেলো শতরূপার দিকে। শতরূপা বিছানা থেকে ওঠার চেষ্টা করলো, কিন্তু পারলো না। একটা কিছু যেনো তাকে বেঁধে রেখেছে শক্ত করে বিছানার সাথে। চিৎকার করার চেষ্টা করলো শতরূপা কিন্তু পারলো না, ততোক্ষণে মহিলাটি সেই ধারালো ছুরিটা বসিয়ে দিয়েছে শতরূপার গলায়। গল গল করে রক্ত বেড়িয়ে এসে ভিজিয়ে দিলো বিছানার চাদর। রক্ত দেখে চিক চিক করে উঠলো মহিলার চোখ। মুখে একটা তৃপ্তির হাসি। এতদিনের প্রতিশোধ তার পূর্ণ হলো আজ।


পরেরদিন সকালে বাড়ির সামনের বাগান থেকে রাহুলের মৃতদেহ উদ্ধার করলো পাড়ার বাসিন্দারা। পুলিশ আসার পর, ঘরে প্রবেশ করতেই দেখা গেলো সারা ঘর রক্তে ভেসে গেছে, ঘর ময় নৃশংসতার দৃশ্য। ঘরের এক কোণে পড়ে আছে রক্তে মাখা শতরূপার লাশ, আর অপর কোনায় দোলনায় শুয়ে কাঁদছে ছোট্ট অহল্যা।


অনেক অনুসন্ধানের পরেও পুলিশ অপরাধীকে ধরতে পারলো না, তারপর একসময় তারা কেসটাই বন্ধ করে দিলো।


অপর দিকে পুলিশ ছোট্ট অহল্যাকে তুলে দেয় একটা পরিবারের হাতে। সেখানে আজ বড়ো হচ্ছে অহল্যা। কেউ জানে না, আজও সেই মহিলা প্রতি রাতেই আসে, দেখে যায় অহল্যাকে। মায়ায় পড়ে গেছিলো হয়তো সে। আসলে সেও তো একদিন মা হয়েছিলো, যদিও মা ডাক টা শোনা হয়নি তাঁর।


             


Rate this content
Log in

More bengali story from Adhiraj Biswas

Similar bengali story from Horror