Participate in the 3rd Season of STORYMIRROR SCHOOLS WRITING COMPETITION - the BIGGEST Writing Competition in India for School Students & Teachers and win a 2N/3D holiday trip from Club Mahindra
Participate in the 3rd Season of STORYMIRROR SCHOOLS WRITING COMPETITION - the BIGGEST Writing Competition in India for School Students & Teachers and win a 2N/3D holiday trip from Club Mahindra

Sudeshna Mondal

Drama Romance Classics


3  

Sudeshna Mondal

Drama Romance Classics


খেলাঘর

খেলাঘর

7 mins 199 7 mins 199

(১)


আজ শ্রীতমার মনটা খারাপ। আজকের দিনটাও যে ওর জীবনে কখনো আসবে ও সেটা ভাবে নি। বলা ভালো ভাবতে চায়নি। কিন্তু আমরা ভাবি এক আর আমাদের সাথে হয় আর এক। তাই হয়তো আজকে ওকে পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে। ওর ছোটপিসিই নিয়ে এসেছে এই সম্বন্ধটা। ওর বিয়ে করার কোনো ইচ্ছেই ছিল না। ওর মা-বাবা অনেক বুঝিয়ে রাজি করিয়েছে যাতে ও একবার অন্তত ছেলের বাড়ির লোকের সামনে বসে। তাই সকাল থেকেই মা-জেঠিমারা ওর সাজগোজ নিয়ে পড়েছে। ও একটা বিষয় কিছুতেই বুঝতে পারে না যখন সত্যি সত্যিই আপনজনদের খুব দরকার হয় তখন কেন কেউ পাশে থাকে না। আর আজ সবাই কেমন নিজে থেকেই হাজির হয়েছে। এই মেজ জেঠিমা, যখন বাবার ওষুধের জন্য টাকা চেয়েছিলাম তখন নির্দিধায় বলেছিল এখন নাকি জেঠু মাইনে পায়নি তাই ওদের খারাপ অবস্থা। সরকারি কোম্পানির ওত উঁচু পদে চাকরি করেও জেঠু মাইনে পায়নি এই কথাটা কেমন যেন অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়েছিল শ্রীতমার। আর আজ সেই জেঠিমাই ওর জন্য কতকিছু নিয়ে এসেছে। এখন ওর খুব জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করছে জেঠু মাইনে পেয়েছে কিনা। মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে চুপ করে গেল। এতকিছুর পরেও মা-বাবা সবকিছু ভুলে গিয়ে আবার সবাইকে আপন করে নেয় কি করে ও আজও বুঝতে পারে না। 

-শ্রী, তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নে। ওরা আর একটু পরেই এসে পড়বে।

-হ‍্যাঁ, বাপি।

শ্রীতমা মনে মনে ভাবতে থাকে এরা কেমন লোক কে জানে। কোনোদিন শুনিনি ছেলের বাড়ির লোক মেয়ে দেখতে সারাদিন লাগিয়ে দেবে পুরো সকাল থেকে সন্ধ‍্যে। ছোটপিসি যেমন এখানে এলে বাড়ি যেতেই চায়না পাত্রপক্ষও দেখেছে ঠিক সেরকমই। 

-কাকাই, ওনারা এসে গেছেন।

ওদের আসার খবরটা পেতে বাড়ির সবাই ওর ঘর থেকে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর ওর ডাক এল। ও চায়ের ট্রে হাতে নিয়ে বসার ঘরে গেল। সবাইকে একে একে চা দিয়ে প্রণাম করল। সবাই বলল ওদের দুজনকে আলাদা করে কথা বলে নিতে। সেই মতো ও আদিত‍্যকে নিয়ে নিজের ঘরে এল।


(২)


-নমস্কার, আমি আদিত্য বসু। এম.টেক করে আমাদের পারিবারিক ব‍্যবসা সামলাচ্ছি। আমাদের পরিবারে আমরা তিনজন। তুমি এলে চারজন হবে।

-হুম, জানি। পিসি বলেছে। আমি শ্রীতমা সেন। আমি মাইক্রোবায়োলজিতে মাস্টার্স করে একটা কলেজে পড়ায়।

-আর কিছু করেননা?

-মানে?

-আপনি তো লেখালেখি করেন। সেটার ব‍্যাপারে কিছু বললেন না তো?

-আপনি কি করে জানলেন?

-আমি গল্প পড়তে ভীষণ ভালোবাসি। যখনই অবসর পাই গল্প পড়ি। আর আপনি তো নিজের নামেই গল্প লেখেন তাই না জানার তো কোনো কথাই নেই। আপনার প্রোফাইলে সবকিছুই তো লেখা আছে। আর আমি আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে আছি কিন্তু কখনও সাহস করে কথা বলা হয়নি।

-আপনি তো অনেক কিছুই জানেন দেখছি।

-সবটা আর কোথায় জানলাম। জানার জন‍্যেই তো এখানে আসা।

-মানে?

-ওসব কিছু না। একটা কথা জিজ্ঞেস করব?

-এখনও কিছু জিজ্ঞেস করার আছে?

-আপনি মনে হয় বিরক্ত হচ্ছেন। তাহলে থাক।

-এতক্ষণ তো অনুমতি না নিয়েই অনেক কিছু বললেন। এখন আবার অনুমতি চাইছেন কেন?

-এতদিন ধরে আপনাকে ফলো করছি সেটা জানার পরও কিছু বললেন না। এবার যদি এই প্রশ্নটা অনুমতি না নিয়ে করি তাহলে আপনি রেগে গিয়ে মারধোর করলে মান-সম্মান আর থাকবে না। তাই আর কি।

-বলুন কি জিজ্ঞেস করবেন?

-আপনার নিজের জীবনে কখনও কোনো নীলাদ্রি আসেনি?

এরকম একটা প্রশ্ন শুনে ও ভীষণ অবাক হয়ে গেছে। ও কোনো উত্তর না দেওয়ায় 

আদিত্য বলল- আসলে আপনার লেখা "নীলুপমা" গল্পটা আমি পড়েছি। তাই...

-না, কোনো নীলাদ্রি কেন কেউ আসেনি। বলতে পারেন আমি কাউকে আসতে দিইনি।

-কেন জানতে পারি?

-আপনি জেনে কি করবেন?

-দেখুন আমাদের বিয়ে হবে কিনা আমি জানি না। কিন্তু আমরা ভালো বন্ধু তো হতে পারি। সেই বন্ধুত্ব থেকেই জানতে চাইছি। আপনি বললে আপনার মনটাও হালকা হবে।

শ্রীতমা কিছুক্ষণ মনে মনে ভাবতে থাকে এর আগে তো কেউ কখনও ওর মনের কথা ভাবে নি। সবাই তো শুধু বাইরেটা দেখতে চায়। এই প্রথম কেউ মনের কথা জানতে চাইছে।

ওর কোনো উত্তর না পেয়ে আদিত্য চলে যাওয়ার জন্য উঠতে গেলে শ্রীতমা বলে- কোনদিন সেই ভাবে নিজের জন্য ভাবিনি। প‍রিবারের সব দায়িত্ব কর্তব্য পালন করতে গিয়ে কখন যে নিজের ত্রিশটা বসন্ত পার হয়ে গেল বুঝতেই পারিনি। সময়ের জিনিস সময় না করলে সেটা পরে করার আর ইচ্ছে হয় না। আমারও সেরকমই। আপনার কথা বলুন।

-আমি সোজা কথা সোজা ভাবে বলতে ভালোবাসি। তাই বলছি, ভালোবেসেছি, ভালোবেসে কষ্টও পেয়েছি। একটা সময় মনে হতো সব মিথ্যে। এসব ভালোবাসা বলে কিছু হয় না। নিজেকে কাজের মধ্যে সারাক্ষণ ব‍্যস্ত রাখতাম আর সুযোগ পেলে গল্প পড়তাম। একদিন আপনার লেখা গল্পগুলো পড়লাম। তারপর থেকে অপেক্ষা করতাম কখন আপনার লেখা পোস্ট হবে। আপনার লেখার মধ্যে নিজেকে খুঁজে পেতাম। এই করতে করতে একদিন আপনার প্রোফাইল দেখলাম। বাড়িতে সবটা জানালাম। আর আজ এইখানে আপনার বাড়িতে, আপনার ঘরে, আপনার সামনে বসে আছি। তবে এতকিছু করতে গিয়ে দুবছর পেরিয়ে গেল। আমার কপাল ভালো যে আপনার এখনো বিয়ে হয়নি। নাহলে আমাকে আবার দেবদাস হয়ে যেতে হতো। আচ্ছা, এবার একটু বাইরে যাই। সবার সাথে কথা বলি।

-হুম, আপনি যান। আমি আসছি।

শ্রীতমা এতক্ষণে বুঝল সম্বন্ধটা ওর পিসি নিয়ে আসেনি। কিন্তু ও কী করবে কিছুই বুঝতে পারছে না।


(৩)


-কীরে দাদা, বৌদির সাথে কথা হলো? কী বলল?

আদিত্য ওর ছোট বোন রুমির কথার উত্তর না দিয়ে বলল-তুই খাচ্ছিস মন দিয়ে খা।

-এই নাও বাবা, জলখাবারটা খাও।

-হ‍্যাঁ, দিন।


সবার জলখাবার খাওয়া হয়ে গেলে আদিত্যর বাবা-মা, শ্রীতমার বাবা,জেঠু, কাকুরা নিজেদের মতো গল্প করতে লাগল। আদিত্যর অফিসে কিছু কাজ থাকায় ও চলে গেল। এতকিছুর মধ‍্যেও শ্রীতমা কিছুতেই ওর মনকে বোঝাতে পারছে না ওর এই বিয়েটা করা উচিত কি না।

এমন সময় ওর মা আর পিসি এসে ওকে 

বলল-জানিস শ্রী, ওনাদের তোকে খুব পছন্দ হয়েছে। সবথেকে বেশী পছন্দ হয়েছে আমাদের এই যৌথ পরিবারকে। ওনারা শুধু তোর উত্তরের অপেক্ষাতেই আছেন। তুই "হ‍্যাঁ" বললেই ওনারা বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক করবেন।


(৪)


দুপুরে...


-আরে মশাই, এতো আপনারা এলাহি আয়োজন করেছেন দেখছি। এতো কে খাবে?

-এই সামান্য আয়োজনটুকু না করলে হয় বলুন। সবাই মিলে একসাথে গল্প করতে করতে খাবো। আমরাও তো আছি নাকি।

সবাই একে একে খাওয়া শুরু করল। সবার পাতে খাওয়ার পরিবেশন করছে শ্রীতমা আর ওর দিদিরা। মা-কাকিমারা ওদের নির্দেশ দিচ্ছে। বাড়ির সবার খাওয়া শেষ। এবার আদিত্যর বাবা শ্রীকে জিজ্ঞেস করলেন- কীরে মা, যাবি তো আমাদের বাড়ি? তোকে আমরা ছেলের বউ হিসেবে নয় আমাদের মেয়ে হিসেবে নিয়ে যেতে চাই।

শ্রীতমা কোনো উত্তর না দেওয়ায়

আদিত্য বলল- আপনি কিছুদিন সময় নিন। ভালো করে ভেবে দেখুন। আমার কোনো তাড়া নেই। আপনি "হ‍্যাঁ" বললেই আমরা এগোব। ওরা সবাই চলে গেল। রাত্রিবেলা শ্রীতমা নিজের বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগল- ওর কপালে এতটা সম্মান, ভালোবাসা ছিল? নাকি ও কোনো স্বপ্ন দেখছে যেটা ঘুম ভাঙলেই শেষ হয়ে যাবে। একটা মানুষ দূর থেকেই এতদিন ওকে এতটা ভালো বেসে গেল। এমন সময় ওর ফোনটা বেজে উঠল। অচেনা নম্বর থাকায় প্রথমে ধরল না। আবার বেজে উঠায় ধরে বলল-হ‍্যালো।

-নমস্কার, আমি আদিত্য বলছি।

-ও বলুন।

-আপনি যদি ব‍্যস্ত থাকেন তাহলে রেখে দিচ্ছি।

-না কি বলবেন বলুন।

-আমি আপনার উত্তরটা জানার জন্য ফোন করলাম। "না" হলে বলে দিন আমি আমার বাবা-মাকে বলে দেব।

-আমার একটু সময় চাই।

-বেশ তো। আমার কোনো অসুবিধা নেই। শুধু একটা কথা বলব?

-উফ্, আপনি এই বারে বারে অনুমতি চান এটাই আমার ভালো লাগে না। কি বলবেন সরাসরি বললেই তো পারেন।

-আপনাকে খুব ভালোবাসি।

কথাটা শোনার পর শ্রীতমার মুখ থেকে কোনো কথাই বেরল না। ও চুপচাপ ফোনটা কানে লাগিয়ে বসে থাকল। 

আদিত্য আবার বলল- আপনার জীবনের নায়ক যদি আমাকে না করতে চান আপনার গল্পের নায়ক কিন্তু অবশ্যই করবেন। তাহলে অন্তত যতবার গল্পটা পড়বেন ততবার আমার নামটা আপনার মুখে উচ্চারিত হবে। আমি তাতেই খুশি থাকব।

ফোনটা রেখে দেওয়ার পরও আদিত্যর বলা কথাগুলোই ওর মনে হতে থাকল।


(৫)


সেদিনের পর একসপ্তাহ কেটে গেছে। ওর সাথে আর আদিত‍্যর কথা হয়নি। আদিত‍্যও কোনো ফোন করে নি। এই কটাদিন শ্রীতমাও মন দিয়ে কোনো কাজ করতে পারেনি। সারাক্ষণ শুধু সেই কথাগুলোই মনে পড়ছে। 


-কীরে শ্রী, এমন চুপচাপ বসে আছিস কেন? কিছু হয়েছে নাকি। কদিন ধরেই দেখছি কেমন অন‍্যমনস্ক থাকিস।

-না দীপাদি, কিছু হয়নি। তুমি হঠাৎ ছুটি নিয়েছিলে কেন? তুমি তো ছুটি নাও না তাই জিজ্ঞেস করছি।

-ওই আমার কর্তাটির একটু শরীর খারাপ হয়েছিল তাই একদিন ছুটি নিয়েছিলাম। আজ একটু ভালো আছে। ও ঠিক থাকলে আমার আর কোনো চিন্তা থাকে না। ও সব একা হাতে সামলে নেয়।

-খুব ভালোবাসে তোমাকে তাই না?

-সে আর বলতে। একেবারে চোখে হারায়। সত্যি ভাগ্য করে এরকম বর পেয়েছি। ও সাপোর্ট না করলে বিয়ের পরেও চাকরি করা আমার হতো না।

-তুমি খুব লাকি।

-লাকি কিনা জানি না। তবে ওর মতো ভালোবাসার মানুষ পেয়ে আমি ধন‍্য। আসলে কি বল তো, জীবনে সব পাবি। কিন্তু ভালোবাসার মতো মানুষ খুব কম পাবি। তাই যখন পাবি তাকে অবহেলা করবি না। যত্ন করে আগলে রাখবি।

-হুম।

-আজ আসি রে।

-হ‍্যাঁ, আমিও এবার যাব।


(৬)


বাড়িতে ঢুকতে ঢুকতে অনেকের গলার আওয়াজ শুনে ওর বুঝতে বাকি থাকল না যে কারা এসেছে। বাড়িতে ঢুকে সবার সাথে কথা বলে ও ফ্রেশ হওয়ার জন্য ঘরে গেল। কিছুক্ষণ পরে ওর মা এসে বলল- টুকি, আদিত্য অনেকক্ষণ এসেছে। তুই একবার ওর সাথে কথা বল। আমি ওকে কিছুক্ষণ পরে তোর ঘরে পাঠাচ্ছি।

-মা, আমি কি হঠাৎ করে তোমাদের কাছে খুব বোঝা হয়ে গেছি?

-এ আবার কিরকম কথা টুকি। তুই বোঝা হতে যাবি কেন?

-তাহলে এরকম তাড়াহুড়ো করছ কেন আমার বিয়ে নিয়ে?

-তাড়াহুড়ো কোথায় করছি? আসলে কি বল তো আমাদেরও তো বয়স হচ্ছে। এই আছি এই নেই। তাই যাওয়ার আগে তোকে আমরা সুখী দেখতে চাই। ছেলেটাও ভালো, পরিবারও ভালো, আর তোকে খুব ভালোও বাসে। এই তো আর কি চাই। শুধু তোর উত্তরের অপেক্ষায় আছি।

-হুম, বুঝলাম।

-আমি আসছি। তুই একবার কথা বল। আমি ওকে তোর ঘরে পাঠাচ্ছি।


কিছুক্ষণ পর...


-আসতে পারি?

-হ‍্যাঁ, আসুন।

-কেমন আছেন?

-ভালো। আপনি কেমন আছেন?

-ভালো আর কোথায় থাকতে পারছি। সারাক্ষণ একটা চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

-কীসের চিন্তা?

-এই আপনি "হ‍্যাঁ" বলবেন নাকি "না"।

-ভালোই হল আজকে আপনি এসেছেন। নাহলে আমিই আপনাকে ফোন করতাম আমার সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য।

-কি সিদ্ধান্ত নিলেন?

-আগে চা মিষ্টি খান। তারপর বলছি।

-আপনি না বলা পযর্ন্ত আমার গলা দিয়ে এমনিই কিছু নামবে না। তার থেকে আপনি বলেই দিন।

-অনেক ভেবে দেখলাম আপনাকে আমার গল্পের নায়ক বানাতে পারব না।

-মানে?

-আপনার সাথে আমি আমাদের স্বপ্নের খেলাঘর বাঁধতে চাই। যেখানে আমরা একসাথে থাকব।

কথাগুলো বলে শ্রীতমা ওখান থেকে চলে যেতে গেলে আদিত্য ওর হাত ধরে ওকে নিজের কাছে টেনে নেয়। ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বলে- অবশেষে তোমার জীবনের নায়ক হওয়ার সুযোগটা এসেই গেল। শ্রীতমা লজ্জায় লাল হয়ে আদিত‍্যর বুকে মুখ লুকায়। বাইরে তখন অঝোর বৃষ্টিধারা সুরতন্ত্রীতে বাজিয়ে চলেছে তার মধুর সুরঝঙ্কার। গুনগুন করে শ্রীতমা ধরে ওর ভীষণ প্রিয় একটি রবীন্দ্রসঙ্গীতের কলি। ওর সাথে গলা মিলিয়ে আজ বহুদিন পর আদিত‍্যও গেয়ে ওঠে,


" ধরণীর গগনের মিলনের ছন্দে


বাদলবাতাস মাতে মালতীর গন্ধে॥


উৎসবসভা-মাঝে  শ্রাবণের বীণা বাজে,


শিহরে শ্যামল মাটি প্রাণের আনন্দে॥ "



Rate this content
Log in

More bengali story from Sudeshna Mondal

Similar bengali story from Drama