STORYMIRROR

Sanchaita Roy Chowdhury

Romance Inspirational Others

4  

Sanchaita Roy Chowdhury

Romance Inspirational Others

অন্যরকম ভালোবাসা

অন্যরকম ভালোবাসা

7 mins
43

অন্যরকম ভালোবাসা 

পর্ব-২৬


একদিন সন্ধ্যাবেলায় অদৃত আর্যর ঘরে গিয়ে বলল,'আর্য তোমার জন্য একটা সুখবর আছে।'

আর্য বলল,'কি হয়েছে?'

অদৃত বলল,'তুমি তোমার আঁকা ছবি গুলো বিক্রি করতে চাও?'

আর্য বলল,' হ্যাঁ। কিন্তু আমার আঁকা ছবি কে নেবে?'

অদৃত বলল,'আমার একটা বন্ধু আর্ট গ্যালারি খুলেছে। ভাবছিলাম ওখানে তোমাকে কালকে একবার নিয়ে যাবো। একবার কথা বলে দেখো।'

আর্য বলল,'ঠিক আছে।'











পরদিন সকালে অদৃত বলল ,'মা আজকে আমরা বাইরে খেয়ে নেবো। '

শ্রেয়সী বলল,'কেন রে?'

অদৃত বলল,'আসলে আর্য আসার পর তো ও সেইভাবে এই শহরটা ঘুরে দেখেনি। আর এমনিতে একটা দরকারও ছিল। আমার বন্ধু ত্রিদিব আছে না, ও একটা আর্ট গ্যালারি খুলেছে ওখানে ওর কিছু পেইন্টিং লাগবে। তাই ভাবছিলাম আর্যকে নিয়ে গিয়ে একবার কথা বলে আসি। যদি ওর কিছু পেইন্টিং বিক্রি করতে পারে তবে ওর কিছুটা হলেও হাত খরচ আসবে।'

শ্রেয়সী বলল,'এ তো খুব ভালো কথা। তুই নিয়ে যাস ওকে।'

ইতিমধ্যে ইন্দ্রনীল সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামতে নামতে বলল,'আরে অদৃতও এখানে আছিস যে। শোননা পত্রলেখারা পরের সপ্তাহে আসছে। '

অদৃত বলল,'ও তাই। ওর দিদা এখন কেমন আছেন?'

শ্রেয়সী বলল,'একিরে তুই খবর নিস নি?'

অদৃত বলল,'হ্যাঁ নিয়েছিলাম। ও ফোন করার পরের বার আমিও দু'বার ফোন করেছিলাম ওতো ফোনটা ধরলো না, হয়তো ব্যস্ত ছিল, তারপর আমিও আমার নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম তাই আর ফোন করে ওঠা হয়নি।'

ইন্দ্রনীল বলল,'তাই বলে তুই আর খবর নিবি না?'

অদৃত বলল,'বাবা নানান কাজে থাকি। একবার তো খবর নিয়েছি আর তাছাড়া তোমাদের সাথে তো সবসময় কথা হয়। তোমরা খবর নেওয়া যা আমি খবর নেওয়াও তো তাই। মা আমি ওপরে গেলাম,দেরী হয়ে যাচ্ছে।'

ইন্দ্রনীল বলল,'কি হল এরকম করল কেন?'

শ্রেয়সী বলল,'আমার মনে হয় ফোন ধরেনি বলে অভিমান হয়েছে।'

ইন্দ্রনীল বলল,'হ্যাঁ । তাই হবে হয়তো।'













অদৃত আর আর্য আর্ট গ্যালারির উদ্দেশ্যে রওনা হল। সেখানে পৌঁছতেই অদৃতের বন্ধু ত্রিদিব বলল,'অদৃত আয়। কতদিন পর তোর সাথে দেখা হল। আজকাল যদিও ফোনে , টিভিতে তোর দেখা পাওয়া যায়, কিন্তু তোর সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করা অসম্ভব হয়ে উঠেছে।এখন তো তুই সেলিব্রিটি হয়ে গিয়েছিস রীতিমতোন।'

অদৃত বলল,'একদমই না। আমি এখনও তোদের বন্ধু অদৃতই রয়েছি।'

অদৃত বলল,'আলাপ করিয়ে দিই আর্য ও ত্রিদিব সামন্ত, আমার স্কুলের বন্ধু। পেশায় একজন চিত্রশিল্পী। খুব ভালো আঁকতে পারে।'

আর্য বলল,'নমস্কার!'

অদৃত বলল,'ত্রিদিব ও হল আর্য সেন। ওর কথাই আমি তোকে বলেছিলাম। ও খুব ভালো আঁকতে পারে।'

ত্রিদিব বলল,'ভাই হয়? দেখে মনে হচ্ছে আমাদের থেকে ছোট।'

অদৃত বলল,'না , আমার একজন খুব কাছের বন্ধু হয়।'

ত্রিদিব বলল,'তুমি তোমার আঁকা ছবি এনেছো আর্য?'

আর্য বলল,'হ্যাঁ এনেছি। এই যে।'

ত্রিদিব ছবিগুলো দেখে বলল,'বাহ্! তোমার আঁকার হাত তো ভারী সুন্দর। '

অদৃত বলল,'তোকে আমি বলেই ছিলাম তুই ওর আঁকা ছবি দেখলে চোখ ফেরাতে পারবি না।'

ত্রিদিব বলল,'আর্য তুমি এই তিনটে পেইন্টিং এখানে রেখে যাও। যদি বিক্রি হয় আমি তোমাকে জানিয়ে দেবো। আর হ্যাঁ তোমার ফোন নাম্বারটা আমাকে দিয়ে যেও। '

ত্রিদিবের কথা মতোন আর্য তার ফোন নাম্বার ত্রিদিবকে দিলো।








আর্য এবং অদৃত আর্ট গ্যালারিতে থাকা ছবিগুলো ঘুরে দেখলো।

ত্রিদিব বলল,'কেমন লাগছে তোদের আমার এই স্টুডিওটা?'

অদৃত বলল,'বেশ সুন্দর।'

ত্রিদিব বলল,'আর আর্য তোমার কেমন লাগছে?'

আর্য বলল,'আমার খুব ভালো লাগছে।'

অদৃত বলল,'আর্য এবার কিন্তু আমাদের বেরাতে হবে। ত্রিদিব আসছি রে। আর আঁকাগুলো বিক্রি হলে একবার জানাস।'

ত্রিদিব বলল,'অবশ্যই জানাবো।'








গাড়িতে উঠে অদৃত বলল,'আর্য সিনেমা দেখতে যাবে?'

আর্য বলল,'সিনেমা?

হ্যাঁ যাবো।কিন্তু তুমি তো সিনেমা দেখতে খুব একটা ভালোবাসো না।'

অদৃত মুচকি হেসে বলল,'এখন ভালো লাগে।'

অদৃত আর্যকে দিল্লির একটা মাল্টিপ্লেক্সে নিয়ে গেল। 

অদৃত বলল,'আর্য তুমি ঠিক করো কোন সিনেমা আমরা দেখবো?'

আর্য বলল,'আমি?'

অদৃত বলল,'হ্যাঁ , তুমি।'

আর্য এবং অদৃত সিনেমা হলে পাশাপাশি বসলো। আর্যর পাশে একটি সুন্দরী বসেছিল। অনেকক্ষণ ধরেই সে আর্যকে নানান কৌশলে দেখছিলো। অবশেষে সিনেমার হাফ টাইমে মেয়েটি আর্যকে জিজ্ঞাসা করল,'এক্সকিউজ মি আপনার নাম কি?'

আর্য হাসিমুখে বলল,'আর্য সেন।'

মেয়েটি এবার আর্যর সাথে কথা বলে আরো ভাব জমানোর চেষ্টা করল। এই পুরো বিষয়টা অদৃত ভালো মতোন খেয়াল করল। 

সিনেমা হল থেকে বেরানোর সময় মেয়েটি বলল,' আপনি সিঙ্গেল?'

আর্য এই প্রশ্ন শুনে একটু অবাক হল। অদৃত আর্যর হাতে হাত দিয়ে বলল,'না। সম্পর্কে আছে।'

মেয়েটি একবার অদৃতের দিকে তাকিয়ে সামান্য বিরক্তি প্রকাশ করল। 

অদৃত আর্যর দিকে তাকালে সে বলল,'হ্যাঁ, আমি সম্পর্কে আছি।'









গাড়িতে উঠে অদৃত আর্যর সাথে একটা কথাও বলল না। বাড়ি ফিরে অদৃতের মা তাকে জিজ্ঞাসা করল,'কি রে ছবিগুলো নিয়েছে?'

অদৃত কথার কোনো উত্তর না দিয়েই ওপরে নিজের ঘরে চলে গেল। 

শ্রেয়সী বলল,'কি... হয়েছে আর্য? ও এরকম রেগে আছে কেন? কিছু হয়েছে?'

আর্য বলল,'না , সেরকম কিছুতো হয়নি। আমি দেখছি।'

শ্রেয়সী বলল,'আচ্ছা একবার দ্যাখোতো আর্য।'

আর্য ওপরে অদৃতের ঘরে গিয়ে দেখলো অদৃত মুখভার করে বসে রয়েছে। আর্য অদৃতের পাশে বসে জিজ্ঞাসা করল,'কি হয়েছে তোমার মুখটা এরকম গম্ভীর করে রেখেছো কেন?' 

অদৃত এই কথার কোনো উত্তর করল না। আর্য পুনরায় জিজ্ঞাসা করল,'কি হয়েছে বলো? এতো রেগে আছো কেন?'

অদৃত রেগে গিয়ে বলল,'সিনেমা হলে তুমি বুঝতে পারছিলে না যে ওই মেয়েটি তোমার সাথে ফ্লার্ট করছে?'

আর্য এই কথাটি শুনে মুচকি হাসলো। অদৃতের তা দেখে আরো রাগ হতে লাগলো। 

অদৃত এবার গম্ভীর গলায় বলে উঠল,'হাসছো কেন? এতে হাসার কি হল?'

আর্য বলল,'না এমনি।'

অদৃত বলল,'তুমি তখন বললে না কেন তুমি সম্পর্কে আছো?'

আর্য বলল,'আমি কেন একজন অচেনা,অজানা মানুষের সামনে আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে যাবো? আর যদি আমি সেটা স্বীকারও করতাম, যদি আমি বলতাম আমার সাথে তোমার সম্পর্ক আছে তাহলে কি সেটা তোমার জন্য ভালো হত?'

অদৃত বলল,'আমি যেভাবে বলেছি সেভাবেও তো বলা যেতে পারতো। নাকি তুমি পুরো বিষয়টাকে খুব এনজয় করছিলে?'

আর্য মজা করে বলল,'এরকম ছোটখাটো বিষয় এনজয় করাই যেতে পারে। আমি.....'

কথাটা শেষ হওয়ার আগেই অদৃত আচমকা আর্যর গালে হাত দিয়ে ধরে তার নিজের কাছে টেনে এনে আর্যর ঠোঁটের ওপর ঠোঁট রেখে কামড় বসালো।

আর্য স্বল্প হেসে বলল,'তোমার কি কোনোভাবে হিংসা হচ্ছে?'

অদৃত বলল,'না, আমি কেন হিংসা করতে যাবো। এরমধ্যে আমার হিংসার কি আছে?'

আর্য এবার অদৃতের আরো একটু কাছে গিয়ে চোখবুজে অদৃতের ঠোঁটের ওপর ঠোঁট রাখলো। অদৃত তাকে নিজের দুই হাতে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। তারপর সে কখনো আর্যর ঘাড়ে, কখনো গলায় ঠোঁট রেখে তাকে আদরে ভরিয়ে তুলল।








রাত্রিবেলা অদৃত যখন আর্যকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে, আর্য তখন অদৃতের বাঁ হাতের বাহুতে শুয়ে বলল,'জানো অদৃত এই সমস্তকিছু আমার কাছে কেমন স্বপ্নের মতোন লাগছে। মনে হচ্ছে যেন আমি কোনো স্বপ্ন দেখছি।'

অদৃত হেসে বলল,'পাগল!এগুলো সব সত্যি। তুমিও সত্যি, আমিও সত্যি আর আমাদের কাটানো এই সময়গুলোও সত্যি। '

আর্য বলল,'আর যদি এটা স্বপ্নও হয় না তবে আমি চাই এই স্বপ্নটা যেন কখনো শেষ না হয়।'

অদৃত বলল,'শেষ হবে না কখনো আমাদের সম্পর্ক। আমি কখনো শেষ হতে দেবো না। তুমি যদি কখনো কাউকে ভালোবেসে চলেও যাও না আর্য আমি কখনো তোমাকে যেতে দেবো না, ঠিক এইভাবে আমি তোমাকে চেপে ধরে থাকবো।' 

আর্য বলল,'সত্যি বলছি আমার ভাগ্যে এতো আনন্দ, সুখ সহ্য হবে তো? আমি তোমাকে, আঙ্কেল-আন্টিকে হারাতে চাই না।'

অদৃত বলল,'এইসব কিছু তোমার আর্য। আমি তোমার, আমার ভালোবাসা তোমার, আমার মা-বাবা ও তোমার মা-বাবা।এই বাড়িটাও তোমার। তুমি বেকার চিন্তা করছো এইসব নিয়ে।

এখন বাদ দাও তো এইসব কথা।'





অদৃত খানিকক্ষণ চুপ করে থাকার পর বলল,'আচ্ছা, তোমার ফার্স্ট কিস কে ছিল?'

আর্য বলল,'তুমি।'

অদৃত একটু অবাক হয়ে বলল,'আমি?'

আর্য বলল,'হ্যাঁ, তুমি।'

অদৃত বলল,' এর আগে একজনকেও করোনি?'

আর্য বলল,' না।'

অদৃত বলল,'আচ্ছা।'

আর্য বলল ,'তোমার ফার্স্ট কিস কে ছিল? দেবারতি?'

অদৃত একটু সংকোচ করে বলল,'হ্যাঁ।'

আর্য একটু অভিমান নিয়ে বলল,'কোথায় করেছিলে?'

অদৃত বলল,'আমি জানি তোমার শুনতে খারাপ লাগছে।ছেড়ে দাও।'

আর্য বলল,'না আমার খারাপ লাগছে না। তুমি বলো?'

অদৃত বলল,'টিউশান থেকে ফেরার পথে একটা বন্ধুর বাড়িতে ট্রুথ এন্ড ডেয়ার গেমের সময়।'

আর্য বলল,'ওহ্। একবারই করেছিলে আর কখনো করোনি?'

অদৃত বলল,'হুম্... আরো এক-দু'বার হয়েছিল।আমি জানি তোমার খারাপ লাগছে। '

আর্য বলল,'না খারাপ লাগছে না সত্যি।'

অদৃত বলল,'খারাপ লাগছে না? তাহলে মুখটা এমন ফ্যাকাশে লাগছে কেন? আর্য তুমি আমাকে দেবারতির থেকেও অনেক বেশি ভালোবাসা দিয়েছো।আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। আর সত্যি বলতে দেবারতি যদি সত্যি আমাকে ভালোবাসতো তাহলে ও আমার জন্য অপেক্ষা করতো, ও তা করেনি। আর আমি আমাদের এই সময়টা কোনো তৃতীয় ব্যক্তিকে টেনে এনে নষ্ট করতে চাইনা।'

আর্য ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানালো। অদৃত আবার আর্যর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে আদর করল।










তিন-চারদিন পর অদৃত আর্যর ঘরে গিয়ে বলল,'কি করছো আর্য?'

আর্য বলল,'এই একটু ফোনে গেম খেলছিলাম।'

অদৃত বলল,'আর্য, আমাদের একবার ত্রিদিবের আর্ট গ্যালারিতে যেতে হবে।'

আর্য বলল,'কেন?'

অদৃত বলল,'ত্রিদিব যেই ছবিগুলো নিয়েছিল তোমার থেকে ওই তিনটে ছবিই বিক্রি হয়েছে কিন্তু একটু কম দামে।'

আর্য খুশি হয়ে বলল,'সত্যি! আমার আঁকা ছবি বিক্রি হয়েছে?'

অদৃত বলল,'হ্যাঁ। এখন চলো আর দেরী করা যাবে না।'








ত্রিদিবের স্টুডিওতে পৌঁছাতেই ত্রিদিব বলল,'আর্য তোমার আঁকা সব ছবি বিক্রি হয়ে গেছে কিন্তু কম টাকায় বিক্রি হয়েছে। তোমাকে এবার আরো ভালো এবং অনেক বেশি ছবি আঁকতে হবে।'

আর্য বলল,'কম টাকায় হলেও কেউ তো আমার আঁকাকে ভালোবেসে কিনেছে, এটাই আমার কাছে অনেক। আমার তো এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না আমার আঁকা ছবি কেউ কিনেছে।'

ত্রিদিব বলল,'এই নাও আর্য তোমার রোজগার করা সাড়ে চারশো টাকা।'

আর্য আনন্দ সহকারে টাকাটা নিয়ে ত্রিদিবকে বলল,'ধন্যবাদ স্যার।'

ত্রিদিব বলল,'এই আমাকে ওইসব স্যার ট্যার কিছু ডাকতে হবে না। তুমি আমাকে দাদা ডেকো কেমন ।'

আর্য বলল,'ঠিক আছে।'

ত্রিদিব বলল,'আর্য তুমি ইচ্ছা করলে এখানে এসেও আঁকতে পারো।'

আর্য বলল,'ঠিক আছে।'

এই বলে অদৃত এবং আর্য আর্ট গ্যালারি থেকে বেরিয়ে গেল।








গাড়িতে উঠে আর্য বলল,'অদৃত তুমি না থাকলে আজকের এই দিনটা হয়তো আমার জীবনে আসতোই না। তোমার জন্যই আমি এইসমস্ত কিছু করতে পারলাম।'

অদৃত বলল,'না আর্য আমার জন্য নয়। তোমার কাছে এই সুযোগ আজ না হোক কাল আসতোই, আমিতো শুধু চেষ্টা করেছি। দেখো আর্য একদিন তোমারও নিজের আর্ট গ্যালারি হবে। '

আর্য বলল,'জানি না অতদূর যেতে পারবো কি না; তবে তুমি না থাকলে হয়তো আমি আমার স্বপ্নের পথে হাঁটতে পারতাম না। হয়তো আমার এই আঁকতে পারার স্বপ্নটাকে সত্যি করতে পারতাম না; হয়তো আমার সমস্ত আঁকা ছবিগুলো খাতায় আর ক্যানভাসে থাকতো, তাদের সঠিক ঠিকানা খুঁজে পেত না।'

অদৃত আর্যর হাত ধরে বলল,'এখন থেকে তোমার যা দরকার হবে আমাকে বলবে। তোমার যা ইচ্ছা হবে আমাকে বলবে আমি তা পূরণ করার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। চিন্তা কোরোনা আমি তোমার পাশে সবসময় আছি। তোমাকে তোমার বাবার কাছে নিজেকে প্রমাণ করতেই হবে , নিজের পায়ে দাঁড়াতেই হবে আর্য।'










To be continued..................


Rate this content
Log in

Similar bengali story from Romance