তুমি কি জানো ?
তুমি কি জানো ?
তুমি কি জানো ?
কলমে - দেবা মন্ডল
তোমার এক ফালি চাঁদের হাসি
সমগ্র মননে আলোর কিরণ ছড়ায় ;
হাজারো হাসির ডালি সাজিয়ে তোলো
আমার নিস্তেজ মননে -তুমি তা জানোনা!
তুমি যে প্রেয়সী - তুমি অনন্যা!
তোমার মধুর কোকিল কণ্ঠস্বর
নিরবে হৃদপিণ্ডে বাসা বাঁধে ;
শিরা উপশিরা ধমনী বয়ে
ছড়িয়ে পড়ে নিস্তেজ কষিকায় !
তুমি তা জানোনা ।
তুমি যে বসন্তা - তুমি অনন্যা!
তোমার ঐ নিষ্পাপ হরিণী নয়ন
আমার শুন্য সাগরে জোয়ার আনে ;
প্লাবিত হয় মম উষ্ণ মরুভূমি
সবুজে ভরে ওঠে মৃতপ্রায় মনভূমি !
তুমি তা জানোনা ।
তুমি প্রেয়সী - তুমি নারী !
তোমার ঐ সুরভীময় শ্বাস বায়ু
আমার বিষাক্ত শ্বাসে অমৃত ছড়ায় !
আজ ভীষণ ভয় হয়
তোমার শরীরে বিষের প্রভাব না পড়ে !
তুমি তা জানোনা।
তুমি যে মমতাময়ী - তুমি সৃষ্টি!
তোমার নিরবতা - প্লাবিত অশ্রু
আমার হৃদয়কে বিদীর্ণ করে দেয়।
ভয়ঙ্কর মৃত্যুর হাতছানি
উই পোকার মতো জীবনকে খোকলা করে দেয়!
তুমি তা জানোনা।
তুমি যে প্রকৃতি - তুমি নারী!
মস্তিষ্ক বার বার বলছে
তুমি ছাড়া আমি যে মূল্যহীন ;
শুন্য ঘরে আলোর কিরণ
নিরবে নিভৃতে যতনে জ্বালালে তুমি ।
তুমি কি জানো ?
তুমি তা জানোনা!
তুমি যে সৃষ্টি - তুমি প্রকৃতি!

