মেল প্রস্টিটিউট একজন পুরুষ বেশ্যার গল্প
মেল প্রস্টিটিউট একজন পুরুষ বেশ্যার গল্প
পর্ব ২
রাজা অঙ্কুর
(লেখকের কথাঃ গত বছর ‘অন্য পুরুষের গল্প’ পেজে আমার একটা ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়েছিলো ‘কল বয়’। সেই গল্প অনেকের ভালো লেগেছিলো আবার অনেকে আমাকে ব্যাক্তিগত আক্রমণ করেছিলেন। এই গল্পটা অনেকদিন মাথায় এসেছিলো আর লিখলাম। গল্পটা আমি উৎসর্গ করলাম পেজের সব পাঠক এবং সামজীদ, রহস্য, দিহান, নিশো, মেঘ, পরাগ ও রক্তিমকে।)
আমার লেখা একটা খোলা চিঠি... হৃদয়হীন এই পাষাণ সমাজের কাছে
আমি সমকামী... আমি গর্বিত সমকামী... আপনাদের সবাইকে নমস্কার... আমাকে আপনারা কেউ কি চেনেন... আমি সমকামী, হ্যাঁ সেটা কিন্তু কোন গুপ্ত বাসনা, বৈশিষ্ট্য, কিংবা কোন ভুল-ত্রুটি-বিকৃতি কিছুই না... এটা একটা সত্তা, হয়তবা অপ্রকাশিত পরিচয়... না পরিচয় অবশ্য হয়েছিল, প্রকাশও পেয়েছিলো...
এই পরিচয়ের মুক্তি চাই... না না না স্বীকৃতি চাই না... ৩৭৭ আইনের বেড়াজালে আটকে পড়তে চাই না... আমি একজন সমকামী বলে বাঁধাগতে চলা এই সমাজের আবর্তের বাইরে ছিটকে যাওয়া একটা নিমিত্ত মাত্র...
সমকামীতার ধারনা কি খুবই জটিল?
এটা কি ভয়ংকর অভিজ্ঞতা?
পলাশের রঙে রঙিন পড়ন্ত বিকেলের সুর্য লাল হতে শুরু করলেই তার আভায় সেজে ওঠে প্রকৃতি... সেই একই প্রকৃতির লীলা আজ আমাদের দেহে-মনে... এটা সত্তা, একটা বিশ্বাস, একটা ভরসা, একসাথে হাত ধরে চলার অঙ্গীকার...
আমার প্রাণসখা তুমি, আমার আগামী
একটা সকাল তোমার দেবে কি আমাকে
ধার চাই, করব শোধ
আমার একটা দুপুর
চাইলে দেবো সময় মতন।
তোমার একটা বিকেল দেবে কি আমাকে
চলতে চাই তার সাথে নিজের করে।
সেই কলঙ্কিত অধ্যায়ঃ
“এই এবার সেমেস্টারে কি হলো তোর?”
“জানি না কৌশিক। আমি হারিয়ে গিয়েছি ভাই।”
“আমাকে বল না কি হয়েছে?”
“আমি প্রেমে পড়েছি।”
আমি এক নিষিদ্ধ ঠিকানা
আমি আমার সমপ্রেমী বন্ধু এক অজানা অন্ধ গলি।
দুইজনেই সমপ্রেমী, সম তাই প্রেমী,
আমি তো তাকেই পেতে চাই
রঙিন প্রজাপতি হয়ে উড়তে চাই শরীরের ভাঁজে ভাঁজে...
“আমি তোকে ছাড়া বাঁচব না কৌশিক। আমি ভালোবাসি, খুব ভালোবাসি তোকে...”
কৌশিকের সুঠাম পেশীবহুল শরীরে নিজেকে ডুবিয়ে ঠোঁটের অতল সাগরে পাড়ি দেয় প্লাবন। কৌশিক লহমার জন্য হলেও ভুলে যায় সবকিছু। দুইজন পাড়ি দেয় উদ্দাম সাগরে কিন্তু একসময়ে থিতিয়ে আসে ঢেউ। প্লাবনকে ধাক্কা মেরে চলে যায় কৌশিক আর প্লাবন ব্যাগ নিয়ে বাড়ি ফেরত আসে।
“কি হলো বাবান আজ ইউনিভার্সিটি নেই?”
“শরীরটা ভালো নেই মা।”
“ঠিক আছে তুই ঘরে গিয়ে বিশ্রাম নে।”
কোনরকমে নিজের রুমে গিয়ে দরজা ভেজিয়ে জামা খুলে আয়নার সামনে দাঁড়ায় প্লাবন। আজ কোন আতঙ্ক নেই, আছে ভালোবাসা পাবার আকুতি, আজ নেই কোন কষ্ট কোন পাপবোধ। নিজের হাত-আঙুল দিয়ে সারা শরীরে হাত বুলিয়ে কৌশিকের স্পর্শ বোঝবার চেষ্টা করে। কৌশিকের সিক্ত পুরুষালী শরীর, ঠোঁট। চোখ বন্ধ করে প্লাবন। বাথরুমে উলঙ্গভাবে শাওয়ারের নিচে কল্পনার আঁকিবুঁকি কাটে প্লাবন। নিজের নিতম্ব, বুক, গলা, কাঁধ, ঠোঁটে কৌশিকের অনুভূতি পাবার চেষ্টা করে কিন্তু আজ সেখানে কোন কষ্ট কোন ব্যাথা নেই আছে শুধুই নিষ্পাপ প্রেম, ভালোবাসা।
ডাইনিং রুমে আসতেই বেলের আওয়াজ। মা তিথিদেবী দরজা খুলে দেখে বাইরে কৌশিকের বাবা-মা সঙ্গে পুলিশ।
“আপনি মিঃ মিত্র কিন্তু পুলিশ কেন?”
“আপনার ছেলে একটা লম্পট, একটা অসভ্য।”
“কি বলছেন আপনি?”
“আপনার ছেলে অপরাধি।”
“ইন্সপেক্টার!!!”
“ভারতবর্ষের আইন অনুসারে সমকামিতা অপরাধ। আপনার ছেলে ওর ইউনিভার্সিটির বন্ধু কৌশিককে তার ভালোমানুষির সুযোগ নিয়ে সমকামে লিপ্ত করে। এই ছেলে এদিকে এসো।”
সমপ্রেমী পুরুষের কলমঃ
“আসুন সব সমপ্রেমী নারী-পুরুষ একসাথে মরি...”
কথাটা শুনেই মেঘবালিকা চাঁদকে ছুঁতেই ওই উঁচু হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা তালগাছের ওপর থেকে ডানা ঝাপটানোর শব্দ... কোন এক বাসা থেকে ময়না-টিয়া কিংবা কোকিল ছানার কান্নার আওয়াজ...
“এমা! মালাই ষাট!!! তোরা মরবি কেন?”
পুর্নিমার মায়াবী রাতে জোড়া শালিকের ঠোঁট জোড়ায় জ্যোৎস্না মাখা... হিমের পরশ কামনার উচ্চ শিরা জাগিয়ে তোলে... মাথা নিচু করে নদীর জল পায়ের পাতা ভিজিয়ে দেয়...
বাঁশবন থেকে আওয়াজ ওঠে...
“ভালোবাসি ভালোবাসি... এই সুরে কাছে দূরে...”
কথাটা শুনে তাল-খেজুর-শিউলি-জবা সবাই কেঁদে উঠল...
“শোন কথা, যাস না কোথাও... আয়, তোরা ফিরে আয়...”
অশ্বত্বের বুড়ো ডাল ধরে দুটো দড়ির গাছা... দুই জোড়া আলতামাখা পা... পোড়া গন্ধে চঞ্চল-উতলা হয় দখিনা বাতাস...
“আ মরণ... আপদ বিদায় হলো...”
হাতের না শুকোনো মেহেন্দিতে মুখ লুকিয়ে কাঁদছে পোড়ামুখো চাঁদ...
একটা মুক্তি কিংবা নতুন অধ্যায়ঃ
মাস দুই-তিনের জেলের নারকীয় জীবন পুলিশ কোমরে দড়ি দিয়ে পাড়ার সবার সামনে নিয়ে গিয়েছিলো। গারদের মধ্যে চলেছিলো অকথ্য অত্যাচার। বারবার চিৎকার করে বলেছে ‘আমি নির্দোষ’ ‘আমি কোন অপরাধ করিনি’।
“আপনি কে? মানে আপনাকে ঠিক চিনতে পারলাম না?”
“আগে বেল বন্ড পেপারে সাইন করো সব বলছি।”
পেপার সাইন করে জেলের বাইরে এসে একটা কফি শপে বসে প্লাবন সঙ্গে বিশ্ব
“আমার নাম বিশ্ব। আমি খবর দেখে এসেছে।”
“কিন্তু কেন?”
“দুই মাসের চেষ্টায় তোমাকে আজ ছাড়াতে পারলাম। আমি চাইনা কোন নিরপরাধীর শাস্তি হোক।”
“আমি কি করে বিশ্বাস করলেন আমি কোন দোষ করিনি?”
“প্লাবন। ভারতের আদালতে ২০০৮ সালে ৩৭৭ ধারা তুলে দিলেও পরে একটা কেসের কারণে সুপ্রিম কোর্ট সেটা বাতিল করেনি। আজ সমাজের চোখে সমকাম অপরাধ হলেও বিশ্বের অনেক দেশ এটা মেনে নিয়েছে। আমি নিজেও একজন সমকামী।”
“কিন্তু যার জন্য আজ আমার এই অবস্থা?”
“কৌশিককে তার বাবা কলকাতার বাইরে কোন অজ্ঞাত জায়গাতে পড়বার জন্য পাঠিয়ে দিয়েছেন।”
“মানে!!!”
“অর্থাৎ তুমি অপরাধী নও প্লাবন। কৌশিকের বাবা কোথাও কোন বিষয় ধামাচাপা দিলেন এবং সেইভাবে আদালতে কেস ফাইট করলেন না।”
“আমি এখন কোথায় যাবো?”
“চলো আমার সাথে।”
“কোথায়?”
“তোমার নিজের বাড়ি।”
বিশ্ব সাথে পাড়ায় আসতেই অনেকেই তাদের দেখে ফিসফিস করতে থাকে। বাড়ির গেটে ঢুকতে গেলে অনেকেই ঘিরে ধরে।
“এই ছেলে এখানে কি চাই?”
“নিজের বাড়িতে আসা কি দোষের?”
“একটা লম্পট, চরিত্রহীনকে এই পাড়ায় থাকতে দেবো না আমরা।”
“কিন্তু কাকু আমি ভালবেসেছিলাম। ভালোবাসা কোন অপরাধ নয়। ভালোবাসা জাত-পাত, ধর্ম, বয়স এমনকি লিঙ্গের বিচারে হয় না কারণ ভালোবাসা নিষ্পাপ, অমলিন, নিষ্কলঙ্ক। আমি নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছিলাম বলে অপরাধি? তাহলে সে আমার শরীরের ভালোবাসার তাপ শুষে নিয়েও কেন মুক্ত?”
“এই বোকাচোদা এতো বাতেলা শুনব না। আইন যা খুশী করুক। আমরা তোকে এই পাড়াতে থাকতে দেবো না। ভালোয় ভালোয় কেটে না পড়লে গণধোলাই দিতে হবে।”
“হ্যাঁ দাদা ও চলে যাবে।”
পাড়ার তথাকথিত দাদারা চলে গেলে প্লাবন ধপ করে মাটিতে বসে পড়ে।
“আমার কি অপরাধ বলে দেবে বাবা। ছোটবেলায় আমার সাথে হওয়া অপরাধের কোন বিচার হলো না কিন্তু আজ এক যাত্রায় পৃথক ফল কেন?”
“বাবান পরিস্থিতি তুই নিজের চোখেই দেখলি। বাঁচতে চাইলে পালিয়ে যা। এই তোর কাছে এই টাকাগুলো রাখ। আমার ক্ষমতা বা সাধ্য নেই এই সমাজের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর। দেখ কোনভাবে তোর হয়ত সমকাম...”
প্লাবন বাবার কোন কথা না শুনে দৌড়ায়। পকেটে সামান্য কয়েকটা টাকা। চোখের সামনে দিয়ে সন্ধ্যের কলকাতার বাস, ট্যাক্সি, বাইক চলে যাচ্ছে। আচমকা একটা বাসে উঠে পড়ে প্লাবন। অনেকটা আসার পর একটা নেশার ঘোরে বাস থেকে নেমে দেখে সেটা রাতের কলকাতার রাণী পার্ক স্ট্রিট। হাঁটতে হাঁটতে একটা গে পাবের সামনে এসে দাঁড়ায় প্লাবন। পকেটে এখন অনেক টাকা।
“হাই।”
“হ্যাঁ বলুন।”
“হাই সেক্সি আমার নাম প্রিন্স। তোমার?”
“প্লাবন।”
“নাইস নেম। আজ নাইটে ফ্রি আছো?”
“হ্যাঁ মানে...”
“দাঁড়াও আমি আমার গাড়িটাকে কল করছি।”
“কোথায় যাবো?”
“আমার ফার্ম হাউজ। আমরা সারা রাত মস্তি করব। শুধু আমরা দুইজন।”
“না মানে না না... আমি কোথাও যাবো না।”
হাত ধরে দামী একটা গাড়িতে তোলে সেই ইয়াং ছেলেটা।
“আরে ফ্রি আছো তো। চলো আমার ফার্ম হাউজে। শুধুই মদ আর শরীরের মস্তি। তোমার যা রেট তার ডাবল পাবে।”
“কি... কিন্তু...”
“কাম অন সেক্সি বয়। জীবনটা এনজয় করো।”
“আমি আসলে...”
“তুমি একদম টাটকা মাল দেখেই বুঝেছি। আমিও খুদার্ত। আজ অনেকদিন বাদে হবে...”
গাড়ি সেকেন্ড হুগলী ব্রিজ পেড়িয়ে পাড়ি দেয় অজানা উদ্দেশ্যে। প্লাবনকে জড়িয়ে ধরে প্রিন্স। প্রিন্সের হাত প্লাবনের সারা শরীর, নিতম্ব এমনকি পুরুষ যৌনাঙ্গ নিয়ে খেলা করতে থাকে। প্লাবন জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকে।
আজ থেকে আমি ‘পুরুষ বেশ্যা’
আমি আজ ‘জিগোলো’
হ্যাঁ হ্যাঁ আমিই ‘কল বয়’।
সমপ্রেমী পুরুষের কলমঃ
আপনার কি জানেন যে পাবলো নেরুদা কেন লিখেছিলেন ‘কামস উইথ থাউজেন্ড ম্যানস, ব্রিংস দেম ইনটু ইয়োর বডি’
কালো মাকড়সার জালে ঢাকা একটা নারী শরীরে ধোঁয়া ওঠা গরল, বহ্নির তরল ধারা, হাত-পা ও সারা শরীরে আঠালো আদর লেগে...
হে মহান প্রকৃতি
এই মায়াঘেরা কুয়াশা কোনদিন যদি নাই কাটে
আমার কাঙ্ক্ষিত ভালোবাসা কখনও ফিরে নাও আসে
পার্থিব সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব চিরাচরিত সত্য হয়
ভুলের মাসুল কি তাহলে দিন গোনায়...
শাওয়ারের জলে এই নষ্ট, সমাজের চোখে অপবিত্র শরীরের সব পাপ, সব বেদনা, সব না বলতে পারা কথা ধুয়ে যাচ্ছে একটু একটু করে। বিছানায় প্রিন্সের কামের চিহ্ন নিতম্ব, বুক, কাঁধ, ঘাড়ে। ফার্ম হাউজে ঢুকে মাস খানেকের ছেলের শরীর ভোগ না করা প্রিন্স ঝাঁপিয়ে পড়ে প্লাবনের ওপর। প্রথমদিকে পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে একটু সময় নেয় প্লাবন। আস্তে আস্তে ধাতস্থ হয়ে বিছানায় মেলে ধরে সে নিজেকে। কম বয়সী প্লাবন ডুব দেয় প্রিন্সের শরীরে, বিছানায় মাতিয়ে তোলে মাঝ বয়সী পুরুষকে। একটাই আক্ষেপ ‘আমি নষ্ট পুরুষ সত্তা’।
“এই সেক্সি বেবি তোমার বয়স কতো?”
“২১ বছর।”
“একদম টাটকা শরীর। সেইভাবে হাত পড়েনি। এই লাইনে নতুন?”
“না মানে আসলে হ্যাঁ...”
“ওহ। কোন পার্লার?”
“আসলে স্যার।”
“আরে বাবা কোন পার্লার বা এজেন্সি তোমার?”
“আমি আসলে...”
“এই তুমি কে বলো তো? ওই হারামি আগারওয়াল আমাকে ফাঁসাতে তোমাকে পাঠায় কি তো? একদম সত্যি করে বলবি খানকির ছেলে।”
“আমি আজ জেল থেকে ছাড়া পেয়েছি। আমাকে বিশ্বাস করুন।”
“জেল!!!”
প্লাবন শুরু থেকে বলে সবকথা।
“মানে তুমি পেডোফিলিয়ার শিকার?”
“বড় হয়ে সেটাই জেনেছি স্যার।”
“কি যেন নাম তাদের?”
“নিবিরকাকু, পলাশদা আর তমঘ্ন স্যার।”
“আর লাস্ট ছেলেটা মানে তোমার বন্ধু?”
“কৌশিক। কিন্তু আমাকে কেন কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিলো?”
“এটা তোমার দুর্ভাগ্য। আমাকেও একদিন কাঠগড়াতে দাঁড়াতে হয়েছিলো। আমার অপরাধ আমি নাকি বাইসেক্সুয়াল। আমার বউ আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে।”
“কিন্তু এরকম কেন হয়?”
“আমার জানা নেই। কিন্তু তুমি এখন কি করবে?”
“জানি না কি আমার কপালে আছে।”
“একটা কথা বলব প্লাবন?”
“বলুন।”
“আজকের সমাজে তোমার মতন কমবয়সী পুরুষ শরীরের হেডি ডিমান্ড। দুইহাতে কামাবে।”
“শরীর বেচব।”
“শুনতে খারাপ লাগলেও মাথা উচু করে বাঁচবে।”
“আমি রাজি।”
“তোমাকে আমি জিশানের সাথে আলাপ করিয়ে দিচ্ছি। আর এই নাও ৩০০০ টাকা। যাও ফ্রেশ হয়ে নাও আমি জিশানকে কল করছি।”
বাথরুমে গিয়ে শাওয়ারের তলায় দাঁড়িয়ে নিজের মনেই হাসে প্লাবন। ১২ বছর বয়সে পেডোফিলিয়াতে আক্রান্ত আজ শরীর বিক্রি করে কামাই করেছে।
পাঠকরা আমরা ফেরত আসছি এই বিজ্ঞাপন বিরতির পরে...
দেখলে হবে খরচা আছে, ‘অতসী শাড়ি’
‘রিনা জুয়েলারি’। এককথায় বাজি মাত আর পারি না
অনুষ্ঠানের নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান ‘তাঁত-সিল্ক-বেনারসি এম্পোরিয়াম’এক ধাক্কায় বর হালকা
‘হাটা জুতো’ ধ্যাত ছেঁড়েই না
‘হজমের সাথি’ বালাতরাস ভুজিয়া’
‘স্কাই টেল’ মোবাইলে পয়সা লাগলেও টের পাবেন না
“মাধুরী বিন্দি... সিঁদুর পড়তে হয় না
আরে ও দাদা একটু সমঝে... ভিড়ের মাঝে বগল তোলা কিংবা গতকালের খাওয়ার গ্যাস ছাড়া... সবাইকে নিয়েই পথচলা... চলুন না এই পথ চলার মাঝে একটু দাঁত ক্যালাই... মানে হাসি... বাদ দিন আবার পরের পর্বে আসুন এই ‘অন্য পুরুষের গল্প’ পেজে
(ক্রমশ)

