ইতিহাসের পাতা
ইতিহাসের পাতা
রবিনবাবু আজ প্রায় বছর পাঁচ একজন আমাদের পাড়ায় এসেছেন,ওনার সাথে ওনার এক ছেলে স্ত্রী আর বয়স্ক বাবা এসেছেন। আর পাঁচটা প্রতিবেশীর মতোই তার ব্যাবহার ও ছিল শালীনতায় পরিপূর্ণ এবং প্রশংসনীয়। ভদ্রলোকের বাড়ির প্রতিটি মানুষের সঙ্গে আমাদের বাড়ির মানুষের ভালো বই খারাপ সম্পর্ক ছিলনা।এর ওর প্রয়োজনে প্রাই দেখা এবং কথা হতো।সকালে উঠার সময় ওনার ছেলের জোরে জোরে সশব্দে পড়া শেখার আওয়াজ শুনতে পেতাম ,রবীনবাবু নিয়মিত বিকেলে তাকে প্রাইভেট টিউশন র নিয়ে যেত,বা কোনো সময় তার স্ত্রী।ছেলেটিও আর্পাচজনের মতোই ছিল,পড়ত ,মার সঠে অবসর সময় খুনসুটি করতো,টিভি চ্যানেল এ কমেডি শো দেখতে,মা খেতে দাকদিলে খেতে যেত,সবই সাধারণ ভাবীই চলছে ।কিন্তু এ সব কিছুর মধ্যে ও কোথাও যেনো কেউ একটা অবহেলার,অনাদরের গ্লানি নিয়ে নিজের জীবন কাটাচ্ছে সে বরই একলা ,কেউ তার সঙ্গে প্রয়োজন ছাড়া কোথাও বলে না ,প্রাপ্য সম্মান ও দেয়না।একটা বাড়তি বোঝার মত তার সাথে আচরণ করা হচ্ছিলো।সে যেনো এ সব কিছু কে মানিয়ে নিয়েছে,কথা বলার লোক এখন বোধ হয় তার লাগে না,সে নিজেই নিজের র মনের স্যাথে কথা বলে,মনের হিসেব এর খাথায় নানা রকম ভুল অঙ্ক করার ব্যাখ্যার সন্ধানে মনের সাথে ক্রমশই লড়াই করতে থাকেন। বাড়ির তিনটে প্রাণী ই তাদের নিজেদের একটা আলাদা বৃত্তে অবন্ধ করে রেখেছে ,এবং সে বৃত্তে যে হারিয়ে যাওয়া অতীতে বিন্দু মাত্র কোনো জায়গা নেই সেটা তঃ ,আজ তাদের বর্তমান কে পরিলক্ষিত করার মধ্য দিয়ে ই বোঝা যায়। ভবিষ্যত পথানুগামিদের এটাও মনেরাখা দরকার যে ভবিষ্যত ও একদিন অতীতের খাতায় নাম লেখাবে।
