ইচ্ছা শক্তি দ্বারা নিজের পরিবর্তন
ইচ্ছা শক্তি দ্বারা নিজের পরিবর্তন
একটি ছেলে ছিলো মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করে সে ছেলেটি বেশ ট্যালেন্টেড ছিলো কথার মধ্যে যুক্তি দিয়ে কথা বলতো বাবা কর্ম করে সংসার চালাতো তাই তাকেও কিছু দুর পড়াশোনা করে কর্মের রাস্তা খুঁজে নিতে হয় ছেলেটি বেশ পরিশ্রম করে অল্পবয়সেই উপার্জন করতে শিখে গেছিল এইভাবেই চলে যাচ্ছিলো তার জীবন কিন্তু হঠাৎ করেই সে কিছু বন্ধু বান্ধব এর পাল্লায় পড়ে হিরোইনের নেশা নেওয়া শুরু করে আর সেটা অনেক দামী নেশা তাই তার উপার্জন করা টাকায় তার নেশার খরচ চলতো না তখন সে ধীরে ধীরে বন্ধু বান্ধব পরিবার আত্মীয় স্বজন সবাইয়ের কাছ থেকে ধুত্তুবাজি মিথ্যা কথা বলে টাকা পয়সা ধার নিয়ে নেশা চালাতে থাকে কিন্তু সেই টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় সে নেশা না পাওয়ার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে যেতে লাগলো তখন সে তার ওই নেশাখোর বন্ধুদের সাথে ছোটখাটো চুরিতে যুক্ত হয়ে যায় কিন্তু যতই দিন যায় তার নেশার পরিমাণ আর টাকার চাহিদা বাড়তে থাকে পরিবারে সবাই যখন জানলো তখন তাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেও কেউ সেই নেশা থেকে তাকে দূরে সরাতে পারে না সে তখন অন্য এক জগতে হারিয়ে যায় যেখানে মনে হয় যে সে নিঃশ্বাস ছাড়া বাঁচতে পারবে কিন্তু হিরোইন ছাড়া বাঁচতে পারবে না যতোই দিন যায় ততই সে খারাপের দিকে এগিয়ে যায় এই ভাবে চলতে চলতে সে এক কুখ্যাত চোর এ পরিণত হয় এইভাবেই চলতে চলতে তার নাম থানাতে রেজিস্টার হয়ে যায় আর এইকারনে তাকে ঘর থেকে পরিবারের সবাই বার করে দিল তবুও সে চুরি আর নেশা কোনোটাই ছাড়লো না এই ভাবে চলতে চলতে একদিন সে নিরালায় বসে জীবন নিয়ে অনেক কিছুই ভাবতে লাগলো আমি কেমন ছিলাম এখন কেনো এমন সে তখন বুঝতে পারে যে সে একটা পাষণ্ড হয়ে গেছে তবে তাকে বাঁচতে হলে এই কুকর্ম আর নেশা দুটোই ছাড়তে হবে কিন্তু কি ভাবে তা সম্ভব যারা একবার এই হিরোইনের নেশা করে জিবনে তারা কোনদিনও এই নেশা ছাড়তে পারে না তবে সে ভাবলো মনোবল থাকলে সব সম্ভব তাই সে নেশা ছাড়ার জন্য কিছু ওষুধপত্র কিনে সেবন করা শুরু করে দেয় আর নেশার মাত্রাটা ধীরে ধীরে কমাতে কমাতে সে নেশা একেবারে ছেড়ে দিতে সক্ষম হয় আর আজ সে নিজেকে এমন ভাবেই পরিবর্তন করে নিয়েছে যে সে বর্তমানে একজন মোটিভেশন ফেসবুক পেজের মালিক আর সে বর্তমানে আরো এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় আছে
এখানে আমরা একটাই বিষয় বুঝলাম যে ইচ্ছা শক্তি থাকলে সত্যিই নিজেকে পরিবর্তন করা যাবে
