STORYMIRROR

Md Manik Mia

Abstract Romance Others

3  

Md Manik Mia

Abstract Romance Others

ভালবাসা যেন না শেষ হয়।

ভালবাসা যেন না শেষ হয়।

5 mins
172

চার দিকে বাতাসের সুর সুর্যের আলো প্রসারিত ভালবাসা। যে ভালবাসা জয করে মানুষ মনের সুখ খঁজে নেয়। 

রাত্রি নামের মেয়েটি বয়স বিশ বছর। সে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরি করেন।চাকুরি করে সংসারে খরচ বহন করে। গ্রামের বাড়িতে পিতা মাথা থাকেন। রাত্রীর ছোট বেলায তার গ্রামের রবিন নামে একটি ছেলের সাথে লেখা পড়া করত। সেই ছেলেটিকে রাত্রি খুব ভাল বাসে।ছেলেটি রাত্রিকে নিয়ে কল্পনা,সাধনা করতো। লক্ষ্য তারা আকাশে একটি তারা যেমন আকাশকে আলোকিত করে, তেমনি রবিনের মনকে আলোকিত করে তুলে রাত্রি।চলার পথে পড়ার সাথে সবসময জরিয়ে রাখতো রাত্রি।রবিন একদিন রাত্রিকে বলে আমি তোমাকে এত ভালবাসি, মনে হয় সবসময় তুমি আমার হ্রদযের মাঝে সজ্জিত থাকো। রাত্রি বলে জানিনা এত ভাল বাসা কোথায় রাখি। তোমার অমল্লান অফুরন্ত,বিশাল ভালবাসা শেষ কোথায। স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে হাঠতে, হাঠতে এই কথাগুলি বলতে,বলতে রাত্রি ও রবিন নিজ বাড়িতে চলে যাই।

রবিনে বাবা হার্টের স্টোক করে মারা যায়।রবিনের বাবা মৃত্যরপর তার মা তাকে নিয়ে ঢাকা চলে যায়। রাত্রির সাথে দেখা হলোনা।  রবিন বাবার সুখে কাতর হয়ে মনে,মনে ভাবতে থাকে রাত্রির সাথে দেখা হলোনা জানিনা রাত্রি কেমনআছে। 

মাকে দুমোটো ভাত দেওয়ার জন্য আমার কিছু একটা করতে হবে।একটা বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরি নিল। রবিন রাত্রিকে পাওয়ার অপেক্ষায় আছে। 

দির্ঘ্য বিশ বছর পার হয়ে গেল রাত্রি রবিনে দেখা হয়নি।রাত্রি রবিনের কথা চিন্তা করে সে বিবাহ করেনি। রাত্রির মাকে পাড়ার প্রতিবেশি লোকজন বরে তোমার মেয়ে এত বড় হযেছে বিবাহ দেন না কেন?  

রাত্রি মা কোন কিছু বলতে পারে না।রাত্রির যে কোম্পানি চাকুরি করে তার কলিক শশি নামে একটি ছেলে প্রেম করার জন্য বিরক্ত করে। রাত্রি শশিকে বলে আমি একজনকে ভালবাসি তাই আমার এখানে প্রেমের পোষ্ট খালি নেই।তুমি আমাকে বিরক্ত করবনা।বাট আমার জিবনে ভারবাসা ও ভাল লাগা একজন।যার নি:স্বাশের প্রতিটি প্রহর আমাকে হাতচানি দিয়ে, আমাকে তার কাছে ডাকে।জানিনা সে কোথায় আছে যেখানে থাকুক না কেন আমার ভালবাসা তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে।শশি নামক ছেলেটি দুদর্শ্য ভয়ংকর।সে রাত্রিকে ব্ল্যাকমেইল করতে চেষ্টা করে। কিন্তু রাত্রি সে দিক থেকে সচেতন। 

রবিন কোম্পনিতে সুনামের সহিত তার সাহস ও মেধা ও সততা, বিস্বাস অর্জন করে কোম্পানি ম্যানেজারের সহান দখল করে।কোম্পানির মালিক জয় সাহেব তাকে পছন্দ করেন। রবিন কোম্পানিতে যোগদান করার পর কোম্পানি উন্নতি ও প্রসার লাভ করে।

কম্পানি মালিকের একটি সুন্দরি মেয়ে নাম ওহি।তার বাবার পাশাপাশি কোম্পানি দেখাশোনা করে।

ওহি মনে - মনে রবিনকে ভালবাসে। রবিনের একটি কল্পনা রাত্রি। 

কোম্পানির সকল কর্মচারি নিয়ে পিকনিকে ব্যবস্হা করে ওহি। রবিন পিকনিকে না যাওয়ার জন্য বলে, 

আমি অসুস্হতা জন্য যাওয়া সম্ভব হবেনা। ওহি তাকে পিকনিকে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করছে।রবিনের ধারনা পিকনিক স্পটে নিয়ে ওহি প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার জন্য পিকনিকে ব্যবস্হা করছে। ওহির অনুরোধ ও অর্ডারের কারনে রবিন পিকনিকে যাওয়া বাধ্য হযা । পিকনিকের স্পট কক্সবাজার। পরের দিন কক্সবাজারে পিকনিকে যাত্রা করেন।নাম করা হোটেরে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্হা করা হয। কক্সবাজারের সমুদ্রের তীরে ওহি রবিনকে তার কাছে আসতে বলে, রবিন কাছে আসতে বলে সমুদ্রের গর্জন শুনতে আমার ভয় লাগে। চলো আমরা বালুর পাড়ে গিযে একটু গল্প বলি। রবিন বলে সমুদ্রের টেউ বাতাসের গর্জন দেখতে সুন্দর ও ভাল লাগছে। ওহি বলে রবিন তুমি আমাকে এড়িয়ে চলো কেন? রবিন হেসে উত্তরে বলে ওহি আমি রাত্রি নামে একটি মেয়েকে ছোট থেকে ভালবাসি। ওহি শোনার পর মাথায় যেন পাহাড় ভেংগে পরছে। ওহি বলে রবিন তুমি আমার কোম্পানি ম্যানেজার। আমি ইচ্ছা করলে তোমার চাকুরি অব্যাহতি দিতে পারি।রবিন বলে সেটা আমি জানি।জানার পর ও আমি তোমাকে ভালবাসা সম্ভব নয়। এই কখা বলে রবিন ওহির কাছ থেকে দুরে চলে যায়। ওহি রাগে তার বাবাকে বলে, বাবা রবিনকে ম্যানেজারের পদ থেকে বরখাস্ত করে নতুন ম্যানেজার নিয়োগ দিতে হবে। ওহির বাবা বলে কেন? রবিন কি করেছে। ওহি বলে রবিন ফাকি বাজ ও দুর্নিতি বাজ তাকে কোম্পানিতে রাখা যাবেনা। এই কথা বলে ওহি চলে যায়। ওহির বাবা চিন্তা করতে, করতে রবিনকে ডেকে বলে রবিন আমি ওহির কাছ থেকে কি শুনছি।তোমার ব্যাপারে। রবিন বলেন, আপনি যা শুনেছেন তা সত্য নয়। ওহির ভালবাসার প্রবোস প্রত্যাখান করায়, আমার বিষয়ে ভূল ব্যাখ্যা দিয়েছে।ওহির বাবা রবিনকে বলে তুমি ওহিকে ভালবাসতে প্রবলেম কি? রবিন উত্তরে বলেন আমি একজনকে ভালবাসি।এই কথা বলে রবিন কোম্পানি ম্যানেজার পদ হতে অব্যহতি দিয়ে বাসায় চলে যায়। কারন যে কোন সময়ে রবিনকে অর্থ কেলেংকারি দুর্নিতি অভিযোগে ফাসাতে পারে। তাই অন্য কোন কম্পানিতে চাকুরি সন্ধান করে।রাত্রি যে কম্পানিতে চাকুরি করে, সেই কম্পানিতে একজন ম্যানেজার পদে লোক নিয়োগ করা হবে সার্কুলার জারি করে। 

সেখানে ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য উপস্হিত হন।কোম্পনির মালিকের ইন্টারভিউ নেওয়ার সময় রবিনে মেধা ও টেলেন্ট দেখে রবিনের চাকুরি নিশ্চিত করেন । পরের দিন চাকুরিতে যোগদান করার জন্য এপারমেন্ট লেটার দিযে দেন। রবিন পরের দিন কোম্পানিতে যোগদান করে,কোম্পানি মালিক সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।রাত্রি হলো নতুন ম্যানেজারের পিও। রাত্রিকে দেখে রবিন কেমন জানি আনমনা হয়ে যায়। এই চোখ,মুখ,কন্ঠ যেন পরিচিত মনে হয়।রাত্রি রবিনকে দেখে চিনতে পারে না।কারন ছোট বেলার কথা ও রবিনে চেহারা কন্ঠ স্বর পরিবর্তন। তাকে কিভাবে চিনা সম্ভব।তবে রবিন নামটা তার পরিচিত। রাত্রি বাসায় যাওয়ার পর কিছু ভাল লাগছেনা। বার, বার রবিনে কথা, অতিতের স্মৃতি গুলো মনে পরছে।রবিন যোগদানের পরের দিন রাত্রির সাথে পরিচয় হলো রবিনের।রবিন বলে রাত্রি নামটা আমার পছন্দের নাম। রাত্রির পরিচয় দেওয়ার জন্য রবিন বলে, সো রাত্রি পরিচয় গোপন করে তাকে হারানো ভয়ে। রাত্রি রবিনের পরিচয় জেনে তাকে চিনতে পারে। রাত্রি রবিনের কাছাকাছি থাকার পরও রবিনকে বুঝতে দেওয়া হয়নি।রবিনে সব দিক চা, নাস্তা অর্ডার গুরুত্ব সহকারে পালন করে।রবিন রাত্রি আচরন দেখে বুঝতে পারে রাত্রি তার ভালবাসার প্রিয়জন।রাত্রিকে য়ে ছেলেটি সবসময় ডিস্টাব করতো সেই ছেলেটি রাত্রির পরিচয় রবিনকে দিয়ে দেয়। শশি নামের ছেলেটি রবিনকে জানায়, স্বার রাত্রিকে আমি জিবনের চেয়েও ভালবাসি বাট মেয়েটি আমাকে পাত্তা দেয়নি। রবিন জানতে চায় কেন? স্বার রাত্রি রবিন নামে একটি ছেলেকে ভালবাসে। সেই ছেলের অপেক্ষায় আছে।রবিন এই সব কথা জানতে পেরে রাত্রিকে রবিনের রোমে কল করে।রাত্রি ম্যানেজারের রোমে গিয়ে বলে, স্বার আমাকে ডাকছেন।হা তুমি আমার কাছে তোমার পরিচয় গোপন করলে কেন তুমি রবিন নামে কোন ছেলেকে ভালবাতে। জি,স্বার। সে কোথায় আছে, জানিনা। তোমার সামনে যে ম্যানেজার বসে আছে সেই তোমার ছোটবেলার রবিন।রাত্রি আবেগের টানে রবিনকে জরিয়ে চোখে জল এসে যায়।বহু দিন ক্ষন।তারিখ,মাস, বছর অপেক্ষায় চাতক পাখির মত চেয়ে আছি যার জন্য সেই রবিন আমার দুই নয়নের কাছে। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তালার কাছে শুকরিয়া।

রবিন বলে তোমাকে শত,শত গ্রাম, শহর আমি তালাশ করেছি কোথায় ও তোমার দেখা পাইনি। রবিন বলে অনেক কষ্ট, সাধনায়, ধের্য ফল মিষ্টি হয।তাই তোমার আমার ভালবাসা যুগ যুগান্তরেঅনন্ত কাল শেষ হয়েও শেষ হবে না।


Rate this content
Log in

Similar bengali story from Abstract