STORYMIRROR

Md Manik Mia

Romance Others

3  

Md Manik Mia

Romance Others

প্রথম দেখা কলেজ

প্রথম দেখা কলেজ

2 mins
165

স্বপ্ন নিয়ে মানুষ সামনে দিকে এগিয়ে যায়।,ধাপে,ধাপে জিবনের পরিবর্তন হয়।বর্ষাকালে শ্রাবনে যেমন পানির সুন্দর্য দেখায়,বসন্তে যেমন কোকিলের কন্ঠ মধুর শোনায়,তেমনি একজন যুবক যৌবনে তার ভালবাসা ভাল লাগে।

 চৌখশ বাবা হারা এক সন্তান। মায়ের আদরের ছেলে। চৌখশ মাযের নাম চুমকি পারিবারিক অবস্হা তেমন ভাল নেই।ছৌখশের মা একটি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলে চাকুরি করেন।স্কুলের মাইনা দিয়ে চৌখশের লেখাপড়া খরচ চালিয়ে যায়।চৌখশ দেখতে ফুটফুটে সুন্দর। দেহের গঠন লম্বা মুখমন্ডল গোলাকার চোখ দুইটি মায়াবি।চৌখশ খুব টেলেন্ট। পড়া লেখা যেমন ভালো,তেমনি গানে, আবৃতিতে ভাল।চৌখশের স্বপ্ন সে একজন বিখ্যাত গানের শিল্পি হবে।প্রাথমিক ও হাইস্কুলে গান কবিতা প্রতিযোগিতা অংশ গ্রহন করে অনেক পুরস্কার লাভ করে।

ssc পরিষ্কায গোল্ডেন জিপিযে 5 পেয়ে পাস করে। টাকার অভাবে শহরে কলেজেভর্তি হতে পারেনা তার নিজ জেলায় কলেজে ভর্তি হয়।কলেজের প্রথম দিন তার মন ভাল নেই।কারন চৌখশের স্বপ্ন ছিল সে নাম করা কলেজে ভর্তি হবে।সেই আশা পুরন হলনা।জিনসের প্যান্ট গাযে সাদা শার্ট পরে কলেজে উপস্হিত হয। প্রতিটা ছাত্র/ছাত্রী কলেজের প্রথম দিন রোমান্স।মনের গভীরে লুকিয়ে থাকে আশা -ভালবাসা ও যৌবনের অফুরন্ত আকাঙ্খা। মনের অনুভুতি চোখের ফলক খোঁজে নিথে চায় জিবন সাথী।কলেজ গেইটে সামনে অনেকগুলো কলেজ ছাত্রছাত্রী আড্ডা দিচ্ছিল। এরি মধ্যে চৌখশ কলেজের প্রবেশ করা পথে তাসিবা নামের একটি মেয়ের চোখের দৃর্ষি পরলো।অপরুপ ফলকে চেয়ে,চেযয়ে চৌখশকে দেখতে লাগলো। কি সুন্দর লাবলি বয় যৌবক যেন ফিল্মের নায়ক শারুখ খানের চেযে অপুর্ব।ছেলেরা এত সুন্দর মায়াবি হতেপারে আমি কখনো দেখিনাই।চৌখশ হঠাৎ তাকিয়ে দেখলে মেয়েটি তার দিকে তাকিয়ে আছে। চৌখশ তেমন কর্নপাত না করে কলেজে ভেতরে প্রবেশ করলো।তাসিবা হলোবড়লোকের মেয়ে।তার বাবা আসিফ শিল্পপতি।ধন সম্পদের পাহাড়। কোন কিছুর অবাব নেই।ঢাকা শহরে কয়েকটি মিল ফ্যাক্টরি,কযেকটি কয়েকটি কম্পানী মালিক।কলেজের প্রথম ক্লাস বাংলা প্রফেসার জনাব খালেকুজ্জামান তিনি ক্লাসে গিয়ে শুভেচছা ক্লাস নেওয়ার সময় বল্লেন, আমিপ্রথমশুভেচছা ক্লাসে নবিন ছাত্রছাত্রীদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচছাজানায়।কিন্তুু আমি একটি প্রশ্ন করবো প্রশ্নটা হলো সবচেযে ভাল লাগা কোনটি? কে উত্তর দিতে পারবে।ছাত্রছাত্রীরা কেউ উত্তর দিতে পারে নাই।সবশেষে চৌখশ দাড়িয়ে বললো স্বার সবচেয়ে ভাল লাগা হলো প্রথম দেখার রোমান্স, যেমন রুমিও জুলি।এইদিকে তাসিবা বার,বার সকলের আড়ালে চৌখশের দিকে তাকিযে মনের রাজ্যের ভাল লাগার কল্পনায ব্যস্ত।প্রফেসার চৌখশের উত্তরে বলে আমি তোমার উত্তরে র বিপরিদ কারন প্রথম দেখার দৃর্ষ্টিতে ভাল লাগাথেকে ভালবাসা,প্রেমের পাওয়া সফলতা।আমার ক্ষেত্রে প্রেমের বিরহ।প্রেমের বিচছেদের পর একাকি জিবন সবচেয়ে ভাল লাগা।প্রফেসার তাসিবাকে ডেকে বলে এই ফুলগুলো একটা করে সবাইকে দাও। তাসিবা সবাইকে একটা করে ফুল দিতে লাগলো চৌখশের কাছে গিয়ে দুইটা ফুল দিলো।ফুল দেওয়া শেষে তাসিবা নিজ জাগায় বসলো।প্রফেসার সবাইকে বললো সবাই ফুল পেয়েছো জি স্বার তাসিবাকে জিঙ্ঘাস করলো তুমার ফুল নেই।কারন আমি একটা,একটা করেফুল গননা করে এনেছি।তখন আসিব বললো, স্বার আমার কাছে দুইটা ফুল আছে। ও আমাকে দুইটা ফুল দিয়েছে।প্রফেসার বললো তা হলে তুমি তোমার রুমিওকে পেয়ে গেলে।


Rate this content
Log in

Similar bengali story from Romance