ধর্ষিতা বিপ্লব
ধর্ষিতা বিপ্লব
আমার সামনে কতই না ঘটনা ঘটছে দিন কয়েক,
রাজ্য জুড়ে, দেশের কোনায় কোনায়, বিদেশবিভুঁইয়ে
আমি তার জন্য এখনও গেরিলা নই।।
জ্বলন্ত মোমবাতি গলিয়ে আর
“আমরা করবো জয়” গান নিয়ে নীরবে হাটি ।
রাস্তা জুড়ে কেবলই মিছিল, মানব বন্ধন, আর রাতের অধিকার নিয়ে দখল নেওয়া।এ
কটা বিপ্লবের দোহাই দিয়ে।
" আমরা করবো জয় নিশ্চয়। নিগ্রো ভাই আমার রবসন "....
করেছি কি জয়? জন্মের পরেই যে তার মৃত্যু
তাইতো ভেঙে গেছে মিছিল। মানব বন্ধন
ফিরেও গেছি ঘরে বিল্পব টিপ্লব ভুলে।
আমিতো, নিও মধ্যবিত্ত আর উচ্চবিত্ত
কিম্বা নয়তো বা এক বুদ্ধিজীবী, কলমচি
সরকারের পা চাটি কিছুতো উচ্ছিষ্ট পাবো বুঝি
হা হা হা হা রবসন শুনে রাখো তুমি
আমাদের দিয়ে বিপ্লব আসেনি কোনোদিন
আর আসবেও না কখনও ....
বিপ্লব বিপ্লব খেলা করি আমরা
আমরা যে কেউ চে গুয়েভরা নই।
"এমন তো কতই ঘটে তাইনা? - কিম্বা এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা "
কান যে পচে গেলো আমার শুনে শুনে রবসন।"
তোমার কাঁধেই না হয় এবার একজন জোয়ান সমর্থ পুরুষকে চড়িয়ে নিয়ে তুমি আস,
তোমার খোলা চুলে শত সহস্র নাগরকে নিয়েই না হয় তুমি আস হে আমার নারী,
ঐযে দু দুটো ফর্সা নিটোল পায়ের মাঝের কৃষ্ণগহবর ওই যে তোমার দুধ সাদা বাতাবীর মাঝখানে সহস্র সহস্র পুরুষকে নিয়ে তুমি থমকে দাড়িয়ে আছো কেনো এখনও নারী,
সেই গান টা তো গাও তো দেখি
“চিৎকার কর দেখি মেয়ে, কত দূর গলা যায়” কিম্বা
"দেশটা তোমার বাপের নাকি যে করছ ছলা কলা"
নিমজ্জিত নারী ,পুরুষ মানুষে পরিপূর্ণ
কোনো নদীর মতোই না হয় তুমি আস ,
যে নদী গুলো সর্বদা বয়ে চলে বুনো সমুদ্রের পানে,
শাশ্বত ফেনিল সময়ের দিকে।
তুমি কেনো থমকে দাঁড়িয়ে আছো ।
সহস্র কোটি যোনিতে ও বিপ্লবী তৈরি হয় ।
তাদের সবাইকে নিয়েই তুমি আস হে ধর্ষিতা ।
আমি যেখানে তোমার জন্য অপেক্ষমাণ
ছোট্ট একটা বিপ্লবের জন্য; একটা অভ্যুত্থানের
আমরা সর্বদাই একাই থাকব,
আমরা সর্বদা তুমি আর আমিই থাকব,
একলা এই পৃথিবীতে
আমাদের নতুন
তর জীবন শুরু করব বলে তুমি বিপ্লবের মাঝে ।
