Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published
Participate in 31 Days : 31 Writing Prompts Season 3 contest and win a chance to get your ebook published

SUBHAM MONDAL

Fantasy


5.0  

SUBHAM MONDAL

Fantasy


সুন্দরবনে ভিনগ্রহী

সুন্দরবনে ভিনগ্রহী

9 mins 1.0K 9 mins 1.0K

কথা নেই , বার্তা নেই হঠাৎ আকাশটা কালো হয়ে উঠল । নবীনের মনে হল কিছু একটা ঘটতে চলেছে । “আকাশটা ভালো লাগছে না রে । ফিরতি হবে মনে হচ্ছে । ঝড় আসতি পারে । হানিফ,একটা হাঁক দে দিখিনি । সবাইরে জানান দে ।“


বলতে বলতেই ঝড় উঠল । শোঁ শোঁ শব্দে বাতাস ধেয়ে এল জঙ্গল ভেদ করে। নবীন ভেবেই পেল না অসময়ে প্রকৃতি হঠাৎ খেপে উঠল কেন। সুন্দরবনের মানুষ অনেক ঝড় দেখেছে । আয়লার কথা ভোলে নাই কেউ। কিন্তু আয়লাও তো এভাবে হঠাৎ আসে নাই ! এখন আর বেশি ভাবার সময় নাই বুঝল নবীন । নির্দেশ দিল নৌকায় ফেরার । সবাই ছুটতে লাগল । কিন্তু যাবে কোনদিকে ? রাস্তা দেখা যায় না । ঘন অন্ধকার নেমে এসেছে । কিছুই দেখা যাচ্ছে না । নিকষ কালো আঁধারে নিজের শরীরটাকেও দেখতে পাচ্ছে না নবীন । মনে হচ্ছে কেউ যেন ওকে আলকাতরার ড্রামে ফেলে দিয়েছিল । শরীরটা তাই কালো হয়ে গেছে । কিন্তু কি আশ্চর্য সে ঝড়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছে ! শ্বাস প্রশ্বাস চলছে । চোখ দুটোও খোলা । চিৎকার করে ডাকল সে, “বিকাশ ।“ ওর চিৎকার অন্ধকারে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এল ।


বিকাশের মায়ের মুখটা ভেসে উঠল চোখের সামনে । উদ্বিগ্ন একটা মুখ। আসার আগে ওর মায়েরে কথা দিয়ে এসেছে সে । বিকাশের কোন বিপদ হতি দেবে না । সে কথা রাখবে ক‍্যামনে ? সে নিজেই তো এখন বিপদে পড়েছে । 


সেবার বাঘের হামলায় প্রাণে বেঁচে গেলেও ডান পায়ের আঘাতটা ভালই ছিল । বেশ ভুগিয়েছে পাটা । কমজোরি হয়ে গেছে তখন থেকেই । ছুটতে গিয়ে পড়ে গেল সে । উঠে দাঁড়ানোর সময় লক্ষ্য করল একটা আলোর বৃত্ত নেমে আসছে আকাশ থেকে । খুব উজ্জ্বল নীল আলোর গোলোক একটা ।বন্‌ বন্‌ করে ঘুরছে সোঁদর বনের মাথায় । চোখ ধাঁধিয়ে গেল নবীনের । এর আগে এমন আলো সে কখনো দেখেনি ।


ভয় পেল নবীন । বুক কাঁপছে তার । পা দুটো মাটিতে আটকে গেছে মনে হল । ভেবে পেল না সে এখন কি করবে , কাকে ডাকবে । বনবিবিকে নাকি অন্য কাউকে ? আলোটা আরো জোরাল হয়ে ওর চোখ দুটো বন্ধ করে দিল । মনে হল কোন ভয়ের স্বপ্ন দেখছে সে । চোখ খোলার চেষ্টা করেও পারছে না কিছুতেই । রাতের বেলা কোন ভয়ের স্বপ্ন দেখলে তো এরকমই হয় । কিন্তু ওর পরিষ্কার মনে আছে সব । এখন রাত নয় দিন । আর সে এখন ঘুমাচ্ছেও না । সোঁদরবনে মধু নিতে এসে মৌমাছির পেছনে ধাওয়া করছিল সে ।


একটা শব্দ শুনে চোখ মেলল নবীন । সামনে একটা আলোর মানুষ দাঁড়িয়ে । মানুষটার মাথা একটা কাঁচের গোলোকের মতো কিছুর ভেতরে । ওকে কিছু বলছে । তারই আওয়াজ পেয়েছিল সে । ভাল করে দেখল মানুষটার পরনে নীল একটা পোশাক ওর শরীরের সঙ্গে লেপ্টে রয়েছে । সুন্দর দুটো চোখও আছে । চোখ থেকে একটা নীলাভ জ্যোতি বেরিয়ে আসছে । নাক,মুখ,কান সবই তো আছে । ভূতেরা এমন সুন্দর হয় কখনো ? ভূত তো ভয়ঙ্কর হয় শুনেছে । তবে কি দেবতা ? ভয়ে কাঁটা দিচ্ছে গায়ে । ভূত বা দেবতা যাই হোক এখন ভয় পেলে চলবে না । গড় করে সে । “তুমি যেই হও আমার রাস্তা ছাড় । ছ্যালেটা কোথায় গেল দেখতি হবে । ওর মায়েরে আমি কথা দিয়ে এইচি ওকে ফেরাই নিয়ে যাব ।“


আলোর মানুষটা মাথা দোলাতে লাগল যেন কিছু বোঝার চেষ্টা করছে সে । নবীন অধৈর্য হয়ে উঠছে ছেলের জন্যে । সঙ্গীদের জন্যেও চিন্তা হচ্ছে ।


-তুমি নবীন মউলি?গম্‌ গম্‌ করে উঠল ওর কন্ঠস্বর । নবীন ভূত দেখেনি কোনদিন । শুনেছে ভূতেরা নাঁকিস্বরে কথা বলে। তবে তো এটা ভূত না । কিছুটা সাহস পেল সে। মাথা নেড়ে বলল, “ হ্যাঁ, আমিই নবীন মউলি ।


- তুমি মধু চুরি কর!


তীব্র আপত্তি জানায় নবীন, “মোটেই না । আমি চুরি করি না । আমরা সোঁদরবনের রাজার খাস প্রজা । সোঁদরবনের রাজার নির্দেশে মৌমাছিরা আমাদের জন্যে গাছে গাছে মৌচাক বাঁধে । ফুলের মধু সংগ্রহ করি রাখে । আমরা মানুষের জন্যে চাক ভাঙি । সরকারের কাছে বিক্রি করি যা পয়সা পাই তাই দিয়ে চাল-ডাল কিনি ।“ বুক চিতিয়ে, নাকের পাটা ফুলিয়ে টান-টান হয়ে দাঁড়ায় সে ।


- তুমি জানো কোন গাছে মৌচাক আছে?


- সে খোঁজে তোমার দরকার কী? বেশ রাগত স্বরেই বলে সে । মৌচাকের খোঁজ করছে বাংলাদেশি দস্যু নয় তো ? বা ডাকাত কিংবা অন্য কিছু ? যেই হোক ওর নিশ্চয়ই কুমতলব আছে । বাদাবনে বিপদ পদে পদে সেটা জেনেই ওরা আসে । ভয় পেয়ে বাঁচা যায় 

না । বুকের কাঁপুনি সত্বেও গলায় জোর বাড়ায় সে, “তুমি কে ? কোথা থেকে আসচ তুমি ?“


- আমি কোথা থেকে আসছি বললে তুমি বুঝতে পারবে না । জানতে চাইছ যখন তখন বলছি তোমাকে । আমি এসেছি অ্যান্ড্রোমেডা গ্যালাক্সি 

থেকে । তোমাদের গ্যালাক্সি মানে মিল্কিওয়ে বা তোমরা যাকে বল ছায়াপথ সেটা থেকে আমাদের গ্যালাক্সি বাইশ লক্ষ আলোকবর্ষ দূরে। বুঝলে না তো ? তোমাদের পৃথিবীর মানষগুলো এমনিতেই বোকা ,তুমি তো আরো বেশি বোকা । তোমাদের ভাষায় আমরা অনেকদুরে থাকি । তোমরা রাতের আকাশে যে তারা দেখ তার চাইতেও অনেক দূরে । পৃথিবীর মানুষ কোনদিন আমাদের নাগাল পাবে না কিন্তু আমরা ইচ্ছে 

করলেই এখানে চলে আসতে পারি । আগে আমাদের গ্রহ থেকে অনেকেই পৃথিবীতে বেড়াতে আসত। অনেককিছু শিখিয়ে যেত মানুষকে । আমরা পৃথিবীটাকে খুব ভালবাসি । এখনকার জীবজন্তু , মানুষ, কীটপতঙ্গ ,পাহাড় –জঙ্গল , নদী- সাগর সবই আমাদের প্রিয়। তবু আমরা এখন আর এ গ্রহে আসতে চাই না কারণ এখানে এলে আমাদের খুব কষ্ট হয় । মানুষের অতিরিক্ত লোভের ফলে পৃথিবীটা দূষিত হয়ে গেছে ।


কি সব বলছে আলোর মানুষটা ! কিছুই বোধগম্য হচ্ছে না । গ্যালাক্সি, আলোকবর্ষ এসব কথা জীবনেও শোনে নাই সে । ছায়াপথ শব্দটা অবশ‍্যি শুনেছে। রাতের আকাশে তারা দেখতি গিয়ে দেখেছে অনেকবার । অমাবস্যার গভীর রাতে আকাশের দিকে তাকালি উত্তর- দক্ষিণ বরাবর একটা সাদা আলোর পথ দেখা যায় । ওটাই নাকি ছায়াপথ । অবশ্যি ছায়াপথ দেখতি গেলে আকাশ পরিষ্কার থাকতি হয় । মেঘলা আকাশে দু’একটা তারা দেখা গেলিও ছায়াপথ দেখা যায় না । আলোর মানুষটা ওর থেকেও দূরে থাকে বলছে । আকাশে তো ভগবানরা থাকে বলে জানে সে । আর মানুষ মরলে নাকি ভূত হয় নাহলে আকাশের তারা হয়ে থাকে কিছুদিন । তারপর পৃথিবীতে ফিরে আসে নতুন জন্ম নিয়ে । আলোর মানুষটা সব কিছু গুলিয়ে দিচ্ছে যেন ।


যাই হোক এখন ওকে একটা কিছু বলতে হয় তাই বলল,”তোমাদের আসতি কষ্ট হয় তবু এইচ কেন ?”


- আসতে কষ্ট হয় তবু এসেছি কেন জানো ? আসতে বাধ্য হয়েছি তাই এসেছি । আমাদের গ্রহে একটা অজানা রোগ দেখা দিয়েছে । ফুল আসার পরই সব ফুলগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে সেই অজানা রোগে । ফলও হচ্ছে না তাই । আগে আমাদের গ্রহের বাতাসই ফুলের পরাগ সংযোগ ঘটাত। আমাদের গবেষকরা বলেছেন মৌমাছিরা ফুলের পরাগ সংযোগ ঘটাতে পারে ।জানোই তো ফুল থেকে ফল হয়, আবার ফল থেকেই জন্মায় নতুন গাছ , নতুন ফুল । আমাদের গ্রহে মৌমাছি নেই তাই মৌমাছি নিতে এসেছি তোমাদের গ্রহে ।


নবীন এবার মোক্ষম জবাব দিল, “একটু আগে আমাকে চোর বলছিলে না তুমি ! এখন তো দেখচি তুমিই চুরির মতলবে এইচ এখানে।“


আলোর মানুষ এবার দুঃখী দুঃখী গলায় বলল, “না গো না, আমি চুরি করতে আসিনি । আমি বিনিময় করতে চাই। তুমি আমাকে মৌচাক সমেত মৌমাছি দেবে আমি তোমাকে শস্য দেব এক মুঠো । বল তুমি রাজী তো ?”


নবীন ভেংচি কাটে , “এক মুঠো শস্য ! ওতে কি হবে ? তাছাড়া আমাদের খাবারের অভাব তোমাকে কে বলল ?” বাইরের লোকের সামনে নিজের অভাব প্রকাশ করতে চায় না সে । গরীব বলে কি তার আত্মসম্মান নাই ? লোকটা অন্য গ্রহের না অন্য দেশের কে জানে ।


-তুমি যে এত বড় বড় কথা বলছ তোমার ঘরে খাবার আছে ? নেই । তোমাদের দেশে এখন খাদ্যের অভাব নেই কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই খাদ্য সংকট দেখা যাবে । তুমি কি জানো তোমাদের গ্রহে কত মানুষ বাস করে ? সাড়ে সাতশ কোটিরও বেশি । তার মধ্যে তোমাদের দেশে বাস করে একশ চৌত্রিশ কোটি ।


নবীন এসব কিছুই জানে না । সে জানে গরীব মানুষের খাবারের অভাব থাকে । পূর্বজন্মের পাপে মানুষ গরীব হয়ে জন্মায় এতদিন তো এই জেনে এসেছে। আলোর মানুষটা নতুন কথা শোনাচ্ছে যে ! বিশ্বাস করতি মন চায় না ওর কথা । কিন্তু একটু আগের ঝড়, আকাশের কালো হয়ে যাওয়া আলোর গোলোক, আলোর ঝলকানি সবই তো নতুন ওর কাছে । আরএই নীল পোশাক পরা কাঁচের বলের মধ্যে মাথা ঢেকে রাখা আলোর মানুষ যে এত কিছু বলছে ! এসব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ একটা প্রশ্ন উঁকি দিল মনে । আলোর মানুষটা যদি সত্যি সত্যিই অন্য গ্রহের হয় তবে ও বাংলায় কথা বলছে কীভাবে ? কথাটা মনে হতেই দেরি না করে জিজ্ঞেস করল সে , “তুমি যদি অন্য গ্রহ থেকেই এসে থাক তবে আমাদের ভাষা জানলে কী ভাবে ? তোমরাও কি আমাদের ভাষাতেই কথা বল ? “.

হাসল মানুষটা । “না, আমরা তোমাদের ভাষায় কথা বলি না । আমাদের ভাষা অন্য । কিন্তু খুব সহজেই আমরা অন্যদের ভাষা শিখে নিতে পারি । কীভাবে সেটা পারি তোমাকে বললেও তুমি বুঝবে না । আমরা অনেক কিছুই পারি যা তোমরা পার না । শুধু পারি না অন্য গ্রহ থেকে কোন কিছু নিজে থেকে নিতে । সেটা আমাদের কাছে বিরাট অপরাধ । আমরা তাই বিনিময় করি । এবার বল তুমি আমাদের সঙ্গে বিনিময় করতে রাজী কি না ? আমি তোমাকে যে এক মুঠো শস্য দেব তা বিকেল বেলায় ছড়িয়ে দেবে মাটিতে । তা থেকে একরাত্রির মধ্যে গাছ হয়ে ফসল ফলবে । তুমি সকালে উঠেই ফসল তুলে নিতে পারবে । তোমার অনেকদিন চলে যাবে তাতে । একমুঠো শস্য রেখে দিও পরের চাষের জন্যে । তোমরা যে ভাত খাও এটা তেমনই । কিন্তু স্বাদ ও পুষ্টিতে তোমাদের খাবারের থেকে অনেক গুণ‌ এগিয়ে । তবে লোভ করবে না । এ ব্যাপারে তোমাকে সাবধান করে দিচ্ছি ।“


দো-টানায় পড়ে গেল নবীন । মানুষটাকে বিশ্বাস করা কি ঠিক হবে ? আবার এও ভাবল একটা মৌচাকের বিনিময়ে সে মুক্তি পেতে পারে এর হাত থেকে । ছেলেটাকে খুঁজে পেতে হবে । ছেলের মায়েরে কথা দিয়েছে সে ।


- কী হল তোমার ? আমাদের গ্রহের ফুল,ফল , গাছ বাঁচাতে এটুকু সাহায্য করবে না তুমি ? ফুল, ফল ,গাছ ছাড়া কোন গ্রহ বাঁচতে পারে না । আমাদের গ্রহকে বাঁচাও তুমি । কাকুতি ঝরে পড়ল আলোর মানুষের গলায় । এযে আর্ত মানুষের হাহাকার ! নবীনের মনটা করুণায় গলে গেল এক টুকরো মাখনের মতো । সে বলল ,” কিন্তু এটুকু জায়গা ছাড়া চারদিকে তো অন্ধকার । আমি মৌচাক পাব কীভাবে ?”


মুহূর্তের মধ্যে অনেকটা দূরে সরে গেল অন্ধকার । একটা আলোর বৃত্ত ওদের ঘিরে রেখেছে এখন । অনেকটা জায়গা দেখা যাচ্ছে । সুন্দরী , গরান, ছাড়াও ঝোপঝাড় সহ অন্যান্য গাছও দেখতে পাচ্ছে সে । আলোর মানুষটাকে একটু যেন বিশ্বাস হচ্ছে তার ।


- কিন্তু আমি একা কী করি মৌচাক ভাঙব ? আমার কাছে হেতাল পাতার মশালও নাই । ওগুলান রয়েছে বিকাশ আর হানিফের কাছে । হেতাল পাতার মশাল জ্বালিয়ে মৌমাছি তাড়াতি হয় , না হলে মৌমাছিরা কামড়ে শেষ করি ফেলবে ।


- কোন উপায় কী নেই ? কাজটা তোমাকে একাই করতে হবে । আমি চাই না ব্যাপারটা জানাজনি হয়ে যাক । আমরা সঙ্গে করে একটা খাঁচা এনেছি । তুমি মৌচাক ভেঙে এনে সেই খাঁচায় ভরে দেবে । রাণী মৌমাছি সহ সব মৌমাছিকেই প্রয়োজন আমাদের ।


কিছুক্ষণ ভাবল নবীন । তারপর হাঁটতে লাগল সে । অবাক হয়ে দেখল ওর সামনে আলোটাও এগোচ্ছে । পেছেন ফিরে দেখল একটু দুরেই আবার অন্ধকার । চমৎকৃত হল সে । ভিনগ্রহীও ওর পেছনে পেছনে আসছে, তবে হেঁটে না । হাওয়ায় ভেসে ভেসে ।


ফিরে গিয়ে ছেলেটার বিয়ে দেবে । জীবনটার বিশ্বাস নাই । নাতি নাতনির মুখ দেখার খুব সাধ তার । নাতি বা নাতনি যাই হোক না কেন তারে ইস্কুলে ভর্তি করবে । একটু লেখাপড়া শেখার দরকার । ভিনগ্রহী যেসব কথাগুলো বলছিল সেগুলোর তো কিছুই বোঝে নাই । একটা মানুষ হয়ে আর একটা মানুষকে বিশ্বাস করেছে শুধু । মানুষ মানুষকে বিশ্বাস না করলে কাকে বিশ্বাস করবে আর ! অন্য গ্রহ থেকে যদি এসেও থাকে , সেও তো মানুষই ।


গাছে গাছে চোখ রেখে চলে নবীন। এখন একটা মৌচাক পেলেই হয় । গায়ে বেশি করে কাদা লেপে নিতি হবে । তাতেও হয়ত মৌমাছির কামড় থেকে রেহাই মিলবে না । এটুকু কষ্ট করবে সে । একটা মৌচাক পেলে যদি ওদের গ্রহটা বাঁচে , বাঁচুক না ।


Rate this content
Log in

More bengali story from SUBHAM MONDAL

Similar bengali story from Fantasy