STORYMIRROR

Riya Singh

Drama Romance Fantasy

3  

Riya Singh

Drama Romance Fantasy

ভালোবাসা এখনো বাকি আছে।

ভালোবাসা এখনো বাকি আছে।

8 mins
0

তুমি! কি করে পারলে ? খুব ভালো আছো বলো ! খুবববব ভালো, আআআআআ মি তাহলে কেন ভালো থাকতে পারছি না। ( এরিক)
আহহ ছাড়ো আমাকে? ( ওম)
নাহহহ সব শেষ করে দেবোওওও আমি সববব... (এরিক)
চলে যাও এখানে থেকে। ( ওম)
কেন ছেড়ে গেলে? পালিয়ে গিয়েছিলে ভুলের শাস্তি দিতে, অন্তত চোখের সামনে থাকতে! (এরিক)

    "উফফ মাথাটা ফেটে যাচ্ছে যেন! এটা স্বপ্ন ছিল! মাথাটা এতো দপদপ করছে আমার , সত্যি যদি কখনো এরিক আমার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকে কি করব আমি? পালিয়ে যাব আবার? ধুস! কি যে ভাবছি। " কথাগুলো ভাবতে ভাবতে পাশের বেবিকটে ঘুমিয়ে থাকা পুতুল টাকে দেখে ওমের বুকটা কেমন টনটন করে উঠলো। ছ সাত মাস আগেও ছেলে টা বুকের দুধ খেত। কিন্তু ওম প্রায় জোর করেই ছাড়িয়েছে এইত সামনের মাসে ছেলেটা বছর দুয়েক হবে। প্রথম খুব কষ্ট হয়েছিল সারাটা দিন কোনরকমে সরিয়ে রাখলেও রাতে দুধ খাওয়ার ঝোঁক খুব কাঁদত। এখন আর কাঁদে না যদি ওম ফীড করায় তবেই একটু খায় , ও হয়তো বোঝে ওর মা সবার থেকে একটু আলাদা বৈকি!



____________কিছু বছর আগে________________
"এরিক " 
এই নামটা শুনলেই ওমের পালিয়ে যেতে ইচ্ছে করে, শুধু নিজেকে কিভাবে লুকিয়ে রাখবে ভেবে পায় না ঠিক! অকারণে হাত পা কাঁপতে থাকে মুখ দিয়ে শব্দ বের হতেই চায় না! রাগী রাগী মুখ করে ঘুরে বেড়ায় , দেখলেই কেমন যেন বদমেজাজি গম্ভীর মনে হয়। এই বুঝি ভারী গলায় একটা হাঁক ছাড়ল। একবার কথা বলেই দেখবে না হয় তাতে যা হয় হোক, বাবা ভাল্লুক তো না যে এসে খ্যাক করে কামড়ে দেবে।
মাঝে মাঝে এত বিচ্ছিরি পরিস্থিতি তৈরি হয় যে বাধ্য হয়ে মন না চাইলেও সেই কাজটাই করতে হয়। কিন্তু তাতে নিজের দিকটা কোনভাবেই নষ্ট হচ্ছে না।
কিন্তু দূর্ভাগ্য পিছু ছাড়ে না কোন না কোন ভাবে সে ঠিক সামনে এসে দাঁড়ায়। এইবার একেবারে সাক্ষাৎ হাজির হয়েছে, 
এক গ্রুপে এক ক্লাসে প্রজেক্ট, অ্যাসাইনমেন্টের জন্য কতবার যে এরিকের মুখোমুখি হতে হয়েছে শুধুমাত্র ভালো মার্কসের জন্য।
কিন্তু এবার যে  কপালে শনি নাচছে এই ব্যাপারে ওম একেবারেই নিশ্চিত, নাহলে এরিকের মত ছেলে ওর সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে!
কলেজের শেষ একটা বছর আর নয় এবার নিজে থেকে দূরত্ব তৈরি করে কোনরকমে পাশ কাটিয়ে চলে আসতে হবেই ওম কে।
দরকার পড়লে একটা সিক অ্যাপ্লিকেশন পাঠিয়ে কলেজ আসাই বন্ধ করে দেবে তাও ভালো ।

কদিন আগের ঘটনা ভাবলেই পেট কেমন গুড়গুড় করে ওমের !

"ওম এই দেখ প্রজেক্ট আর অ্যাসাইনমেন্টের রেজাল্ট বেরিয়েছে, তুই তো ফাটিয়ে দিয়েছিস রে!"
নীলের কথায় ওম উত্তর দিতে গিয়ে থেমে যায় কারণ ওদের সামনে এই মুহূর্তে ক্লাসের সবচেয়ে গম্ভীর ছেলে এসে দাঁড়িয়ে আছে! এরিক!
যতদিন  এরিক ওদের গ্রুপমেট হয়নি তার আগে অবধি ওদের জীবন ভালো চলছিল।
কলেজের রর্যাগিং  টা বন্ধ হয়েছে ,যেটা এতদিন পর বন্ধ করা হয়েছে ঠিক ই কিন্তু ওকে নিয়ে মেয়েদের মাতামাতি অসম্ভব রকম বেড়েছে! একটা ছেলে কে নিয়ে এতো আদিখ্যেতা করা যায় সেসব আগে কখনো ওমের চোখে পড়েনি।
তবু ওম এসব পাত্তা দিতো না কিন্তু নিজের ছোটবেলার বন্ধু নীল অবধি গুণগান শুরু করেছিল সত্যি অবাক করেছে সেটা। আসলে একটু ইন্ট্রোভার্ট হবার জন্য সবাইকে এড়িয়ে চললেও নীল এর সঙ্গে বন্ধুত্ব টা আছে, কিন্তু এই মুহূর্তে সামনের মানুষটাকে এড়িয়ে যাবে কিভাবে!

"কিছু যদি মনে না করো , আমার সঙ্গে তোমার ম্যাথবুকটা শেয়ার করতে পারবে? ব্যাগ চেক করে দেখলাম বইটা আনা হয়নি"
   এরিকের এতো মিষ্টি কথা শুনে নীল হালকা করে ওমের কানে কানে বলল,
" বাবাহ কি প্রেম!"
"চুপ করবি তুই," (ওম)
"ক্লাসে যাওয়া যাক, স্যার চলে আসবেন কিন্তু " ওম কে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ওর হাত ধরে ক্লাসে ঢুকেই ওর পাশের সিটে বসে পড়লো এরিক।
যদিও আজ ক্লাসে সেক্স এডুকেশন রিলেটেড টপিক পড়ানোর কথা ছিল, যা যেকোন স্টুডেন্ট এরজন্য ই জরুরি। ক্লাস চলাকালীন কোন কথা না বলে স্যার ওদের একটা করে হ্যান্ড প্রিন্ট শেয়ার করলেন, ওনার কথা শুনে ওই শীটের পিছনে টপিক গুলো নোট ডাউন করতে হবে। 
" আজকের ক্লাসটা কেমন লাগলো?"
পিছনে থেকে এরিকের গলা শুনে ওম বলল,
ভালোই...
" এই ক্লাসগুলো ঠিকঠাক করে করো, ওমেগা বেটা আলফার জন্য খুব দরকারি।"
"পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য যতটা দরকার ততটা করলেই হবে।"
" ওকে থ্যাঙ্কস, তুমি বসো আমি আসছি।"

_____ 
" হেই স্ট্যান্ড আপ!" 
"হুঁ! আমি?"
"অফকোর্স ইয়ু! এখানে আর কারোর সীটের সামনে দাঁড়িয়ে কিছু বলেছি নাকি?"
"কিন্তু কেন? "
"বস ডাকছে ।"
"কে বস?"
আওয়াজ নিচে, চুপচাপ চলো।
"আরেহ এভাবে..."
"হেই কিউটি! "
"ঠেলছ কেন?"
"আরেহ ধীরে ধীরে, লেগে যাবে তো ! কি যে করিস না তোরা?"
"হাই শালাবাবু!"
"কে আপনি?"
"চিনে যাবে ওয়েট করো। "
"টাকা নিয়ে কি করব আমি?"
"অফকোর্স তোমার বোনের ডিটেইলস বলবে!
মানে?"
"এটা তোমার বোনের ছবি? কি ফিগার উফফ! কি যেন নাম ।"
"অলিভিয়া।"
"রাইট!"
"একে একবার জাস্ট আমার কাছে আনলে তোমার লাইফটা পুরো সেট আহহ!"
"জানোয়ার একটা! আমার বোনের ব্যাপারে বাজে কথা বললে মুখ ভেঙে দেব।"
আচ্ছা তাহলে একটা ডিল হোক।
শালা!
আহহ বলছি কি যদি বোন কে না পাই, তোমাকে তো দারুন দেখতে তাহলে একটা রাত আমার সঙ্গে...
"বস! আমরাও আছি।"
"সবুর করো , আমি আগে টেস্ট করি।"
"গায়ে হাত দিবি না জানোয়ার!"
আহ কি তেজ মাইরি! তা...
"কি হচ্ছে এখানে? "
এরিক!
___________________


আ..মি প্রেগন্যান্ট এরিক ! 

উফফ আবার সেই একই স্বপ্ন, আহহহহ! মাথাটা ধরে উঠে বসলো পড়লো এরিক। গত তিন চার বছর এই মুহূর্তটা ওকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।‌বর্তমানে মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করে মেডিকা নার্সিংহোমে ইন্টার্নি হিসেবে নিযুক্ত হয়ে এখন ও এখানের পার্মানেন্ট চাইল্ড স্পেশালিস্ট।রোজ রাতে এইভাবে ঘুম ভেঙ্গে যায় তারপর আর ঘুম আসে না ঠিক করে ওর। দিনদিনই খিটখিটে মেজাজের হয়ে যাচ্ছে , আজকাল অল্পতেই মাথা গরম করে ফেলে। বিছানায় চাদরটা সরিয়ে বুঝলো যা ভেবেছিল তাই ওর নাইট ফল হয়ে গেছে। 
এই এক সমস্যা, আলফা হওয়ার দরুন নিয়মিত কিছু ওষুধ খেতেই হয়। মাঝে একমাস হলো ওর ওষুধ গুলো কে এতো অসহ্য লাগছে তাই নেয়নি। শরীরের হরমোন গুলো ভিতর থেকে ওর শারীরিক উত্তেজনা জাগিয়ে তুলছে।আজ আর ঘুম হবে না তাই শাওয়ার ছেড়ে দিলো ওয়াশরুমে গিয়ে।
_______________

তুই আবার মেডিসিন ডোজটা কন্টিনিউ করছিস না কেন?
মেরির কথায় কোনরকম সাড়া শব্দ করলো না এরিক।কি বলবে আর সত্যি তো ওর দোষ নয়তো কালকের ওর সমস্যা হতো না।তার উপর পার্টনার কে মার্ক করলে আরো অনেক কিছু সমস্যা হতে পারে।সেটাই স্বাভাবিক ব্যাপার।

"তুই তো জানিস আমার পক্ষে সম্ভব নয় দেখলেই ছুড়ে ফেলে দিতে ইচ্ছে করে। তাই আর কি..."

মেরি ওর চেকাপ টা করে বললো,
"দেখ তোর মেডিসিন না নিলে প্রচুর অসুবিধা হবে হয়তো হচ্ছে । কিন্তু তুই একজন ডক্টর তোর শরীরের অবস্থা তুই নিজে আরো ভালোভাবে বুঝবি।ডক্টর হয়ে গাফিলতি করিস না। মেডিসিন গুলো পাল্টে দিচ্ছি একটু হাই ডোজের তাহলে কম খেলেও অসুবিধা হবে না কিন্তু একদিন ছাড়া খাস তাহলে তো সব ঠিকঠাক থাকবে।

    মেরি দেখলো এরিক চুপ করেই আছে, নিজের সিট ছেড়ে উঠে এরিকের পাশে বসে ওর কাঁধে হাত রেখে বললো,
"ওকে আমরা খুঁজে পাবোই রিক। টেন্সড হোস না, আর সেইদিন কি হয়েছিল আমাকে বলিস নি ঠিক করে শুধু বললি ও প্রেগন্যান্ট ব্যস। এই শহরে তো নতুন কিছু হসপিটাল বাকি আছে তো আমার জানাশোনা যেগুলো সব রেকর্ড চেক করাচ্ছি। ওকে পেয়ে যাবো। যদি আমি ভাবছি যেটা সেটাই হয় তাহলে ওকে ফেরানো মুশকিল হবে।"

  "আমি জানি না ফিরবে কিনা কিন্তু আমার দোষগুলো তো আর..."
এরিক কে শান্ত করতে মেরি বললো,
"অভিমান বুঝিস? ভালোবাসা আছে মানে সেখানে অভিমান থাকবেই। সেইজন্য নিজের মতো করে কোথাও আছে। আসলে তোর দোষ ওকে অ্যাবোর্শন করতে বলে ছিলিস।"

"আমি কি করবো বলতো? ওইসময় কিছু মাথায় আসেনি আর । আমাদের তো ইন্টিমেট হওয়াটা স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে গেছিল, প্রটেকশন ছাড়া কয়েকবার করলেও বলেছিলাম পিল নিতে। (এরিক)

"সবকিছু তোদের সম্মতিতে হয়েছে , তাই দায়িত্ব তোদের দুইজনকে নিতে হবে।আর অ্যাবোর্শন কেন বাচ্চা টা তোদের ই। একজন ডক্টর হয়ে এসব বলতে ইচ্ছে করছে তোর?"

________ 

"দাদাভাই এতো দেরি? দেখ না রিয়ম কাঁদছে। তোকে দেখতে পায়নি তো।"( ওলি)
   "আরেকটু অপেক্ষা করুক, আমি ফ্রেশ হয়ে আসি। তারপর ওকে নিচ্ছি। "
ওম ওলির কথা শুনে বেবিকট থেকে রিয়মকে নিয়ে কোলে তুলে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করছে। এমনিই খুব ভালো বাচ্চা বেশি দুষ্টু  নয়। কিন্তু বেশিক্ষণ পাপা কে না দেখতে পেলে ছেলের মুখ ফুলে যায়।তখন সামলে রাখতে হিমশিম খায় ওলি।
উউউউউ করতে করতে ওম কে দেখে রিয়ম অলির কোলের মধ্যে নড়াচড়া করা শুরু করে দেয়। যখন আবার ওমের কোলে এলো তখন এতো শান্ত হয়ে বসে যেন কিছুই হয়নি এমন হাবভাব।যত বড় হচ্ছে রিয়মের মুখে অন্য কারোর আদল ফুটে উঠছে।রেগে গেলে যেভাবে মুখটা করে কয়েকবছর আগেও একজন করতো। কে জানে কোথায় আছে ? পাপার মুখ নিজের দিকে ঘোরাতে কুটুস করে কামড়ানোর চেষ্টা আর কি! যদিও বয়েস মাস পেরিয়ে গেছে কবেই বছরে পা রেখে দিয়েছে ,এর সাথে পাল্লা দিয়ে রিয়মের হাবভাব গুলো যেন ঠিক ওর বাবার মতোই।
  রক্ত কথা বলে এটা শুনেছিল আজ দেখছে, আজকাল বড্ড বেশি করে তার কথা মনে পড়ে।তখন ছেলেটাকে আরো জাপটে ধরে ওম,যদি কেড়ে নেয় ওর থেকে। ও বাঁচবে কার মুখ দেখে? এতো সময় পড়ে ছেলেটার জন্য ই তো সবটা ওর।
খাওয়ার পরে মুখটা মুছিয়ে দুটো বালিশ দিয়ে সামনের জায়গাতে বসিয়ে ওম বাচ্চাদের মতো করে বললো,
"মাই বেবি খাওয়া হয়ে গেছে, এবার পাপা খেয়ে নিক তারপর আমরা খেলা করবো ,ওহ বাচ্চা টা আমার !"
ওইটুকু পুঁচকে কি বুঝলো জানা নেই হাতটা দিয়ে পাপার হাতটা খামচে ধরে  ফোকলা গালের হাসি দিলো।
"দাভাই!  একটা কথা বলি রিয়মের মা কে রে? আমাকে এখনো বলিস নি কিন্তু! ইভেন কটা বছর আগে কি হলো জানি না। তুই এখানে চলে এলি আমাকে হোস্টেলে থেকে এখানে শিফট করতে হলো। জানি আমি আছি ওর অসুবিধা হয়না কিন্তু বাচ্চাটার মা বাবা দুটোই দরকার।
   ওলির কথা শুনে ওম নিজের রাগটা  আড়াল করে বললো,
"ওর মা আর বাবা দুটোই আমি ওলি, দ্বিতীয়বার এটা বলবি না।এই লাস্টবার ওয়ার্ন করছি।"

আর কথা হলো না ওদের মধ্যে ,ওম চুপচাপ রিয়ম কে নিয়ে বারান্দায় গান করে করে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো। এটা করেই যত কাজ থাক রাতে বাড়ি ফিরে ছেলেকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে না পারলে ওমের বুকটা কেমন হাঁসফাঁস করে।গানের সাথে সাথে যখন রিয়ম ঘুমিয়ে পড়লো আরেকটু ধরে ওর মাথার ছোট চুল গুলো এলোমেলো করে ফিসফিসিয়ে বললো,
"তুই আমার ছেলে,তোকে আমি এই নয়মাস পেটে ধরেছি আমিই তোর মা আর বাবা। জানি কেউ বিশ্বাস করবে না করলেও আমার যায় আসেনা। তোর মা একজন ছেলে আবার ওমেগা,জানিস না তোকে বাঁচিয়ে রাখতে কত কি ছেড়ে দিতে হয়েছে আমাকে। ওমেগাদের সবাই দূর্বল ভাবে রে এদের ভালোবাসা যায় না শুধু মাত্র ব্যবহার করে ফায়দা ওঠাতে হয়। কিন্তু তুই আমার ছেলে,কেউ জানবে না তোর সিক্রেট। আমার কাছে তুই আছিস তোর জন্য পরিশ্রম করলেও আমার কিছু মনে হয় না"।
      চোখ বন্ধ করলে ওমের গাল বেয়ে একফোটা জল পড়লো, চোখটা মুছে ছেলে কে বিছানায় শুইয়ে মাথায় গায়ে পিঠে হাত বুলিয়ে দিলো। যদি জেগে ওঠে আর ঘুমোবে না ওকেও ঘুমোতে দেবেনা।
______
তুই আবার মাথাগরম করেছিস? বোস ওয়ান টাইম ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দি। (মেরী)
আমি একদম আজেবাজে কথা সহ্য করতে পারি না।(এরিক )
রাগের জন্যই তুই কিন্তু তোর প্রিয় মানুষটাকে হারিয়ে ফেলেছিস , রাগটা কন্ট্রোলে রাখ। শোন যেটা বলার ছিল আমি কটা রেকর্ড চেক করছিলাম। আমার কাছে কয়েকটা অনেক বেটা ওমেগা পেশেন্ট এসেছিল । তার মধ্যে পাঁচটা না ছয়টা ওমেগার ডিটেলস দেখে একজন কে মনে হলো তোর দেওয়া ইনফরমেশন এর সাথে মিল আছে। (মেরি )

"আমি এক্ষুনি যাবো, ঠিকানা তো দে আমি নিজেই পৌঁছে যাবো। কাউকে যেতে হবে না।"

এরিক তাড়াহুড়ো করছে দেখে মেরি ওকে থামিয়ে বসিয়ে জল টা দিয়ে বললো,
"জলটা খা, শান্ত হয়ে বস আমরা এখনো কনফার্ম করিনি কিন্তু। কত দিনের প্রেগন্যান্ট কত বয়স এগুলো জানা হয়নি আমাদের।"
"তো জেনে নেই নয়তো আমাকে দে, প্রতিটা রাত আমার কিভাবে কাটছে জানিস না তুই।ঘুম আসে না বুকটা খা খা করে। আর জানিস তো আলফার মেট তাকে রিজেক্ট না করলেও দূরত্ব মেনটেন করলে কিরকম ফীল হয়! জানি না দেখা হলে রিজেক্ট করবে কি না। তবুও মুখোমুখি হতে ই হবে রে।"
(চলবে)



Rate this content
Log in

Similar bengali story from Drama