রক্তে আঁকা রাস্তার প্রেমের একটা গল্প
রক্তে আঁকা রাস্তার প্রেমের একটা গল্প
রক্তে আঁকা রাস্তার প্রেমের একটা গল্প
✍ লেখক
প্রফেসর ডাক্তার প্রনব কুমার ভট্টাচার্য। এম. ডি (কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়,): এফ আই সি পি (প্যাথলজি)
ভূতপূর্ব অধ্যক্ষ, কৃষ্ণনগর ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স ,পালপাড়া মোড় , কৃষ্ণনগর, নদীয়া জেলা , পশ্চিম বঙ্গ ।
পূর্বতন অধ্যক্ষ জে. এম. এন মেডিক্যাল কলেজে চাকদহ। নদীয়া জেলা। পশ্চিম বঙ্গ
পূর্বতন প্রফেসর এবং প্রধান প্যাথলজি বিভাগ পশ্চিম বঙ্গ সরকারের মেডিক্যাল এডুকেশন সার্ভিস ক্যাডারের
কবিতার রচনা তারিখ-:.২৬.০২.২০২৫ ভোর ১টা ১২
এডিট করা -: ২৭.০২.২০২৫
কপিরাইট-: সম্পূর্ণ ভাবেই প্রফেসর ডাঃ প্রণব কুমার ভট্টাচার্যের
রেসিডেন্স এর ঠিকানা-:
মহামায়া এপার্টমেন্ট। মহামায়াতজীবন ও মৃত্যুর মাঝেলা ১৫৪ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু রোড,পোস্ট অফিস -গড়িয়া কোলকাতা ৮৪,
E mail profpkb@yahoo.co.in
একটা রাস্তার কোনে দাঁড়িয়ে বৃদ্ধ আমি,
মানুষের কাহিনী শোনে আমার কান,
কখনো বা আনন্দ, কখনো হয়ত বেদনার,
উনসত্তর বয়সের ছাউনিতে ধরায় সময়ের প্রাণ।
দূরের কোনো অচেনা ছোট শহরের রাস্তায় হাঁটছে সে,স্ব
স্বপ্নে পড়ে, গান গেয়ে যায় সে,
অন্ধকারেও তার আশার আলো জ্বালায়,
রাতের শহরটা, আমাকে আজকাল প্রেমের বাণী শোনায়।
কোনো পাহাড় আর নদীর তীরে, তোমার প্রীতি খোঁজে সে,
যেখানে ঘন নীলের গভীরে থাকে হীরে সোনা,
ছলনাময়ী ঝরনাটা, হেসে ওঠে গোপনে,
সাধি-সাধনা, হৃদয় দেয় অকস্মাৎ খোঁজা।
হেমন্তের শেষ প্রান্ত, মনে পরে পশ্চাতে,
যেদিন প্রথম দেখেছিলাম তোমাকে,
নিস্তব্ধ সন্ধ্যা, হুকুমে বসানো,
আঁকাবাঁকা রাস্তার মাঝে তুমি ছিলে দিসেহারা।
সুরের নাদে, কাঁপে আজকাল পৃথিবীর কল্পনা,
আর চাঁদের আলো গালিচা হয়ে বিছিয়ে,
কল্পনায় বোনা সব প্রেমের গল্প শোনায় ,
চোখে চোখ রেখে, একদিন নাকি ভালোবাসার শপথ নিবেই সে।
তাতেই নাকি আসবে বিপ্লব
বিপ্লবের ডাকে আমার রক্তাক্ত প্রেম
কিন্তু এই রাস্তায় শুধু প্রেমের ছোঁয়াই নয়,
রক্ত ঝরে, জেগে ওঠে আমার বিদ্রোহী ভাষা,
তাদের শেকলগুলো ভাঙতে দাও, যারা এখনো বন্দী,
গর্জে ওঠুক বিপ্লবের রক্ত-রাঙা আশা।
বুকের রক্তে আঁকি নতুন নতুন সকাল, শুভ কৃষ্ণময় সকাল
চোখে এখনো আমার আগুন, হাতে ছিলো একসময় লাল নিশান,
ধুলো জমা রাজপথ জেগে উঠবেই কাল নয় পরশু,
গেয়ে উঠবেই তুমিও বিপ্লবের মহাগান” ইনক্লাব আর রবসন
শাসকের শাসন, নিপীড়িতের কান্না,
আজকের প্রেমিক , তৈরি হবে কালকের সৈনিক,
স্বপ্ন বুনে, হাত ধরে বিপ্লবের,
রচনা করবে নতুন ঐতিহাসিক।
তাই শুধু চাঁদটাই জানে, প্রেমের সমাধান,
কোথায় যে শেষ, কোথায় যে শুরু আবার,
কমিউনিজমেই হবে এই জীবনের পরিণতি,
রক্তে আঁকা পথে, বিপ্লবের অঙ্গীকার।
হয়তো বা আমি বিদায় নিলে।
প্ল্যাগীয়ারিজম সার্চ -: জিরো প্লাগিয়ারিজম
কবিতাটির দর্শন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এতে প্রেম, বিপ্লব, এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার অদ্ভূত এক মিশ্রণ রয়েছে। প্রথমাংশে ব্যক্তিগত কারো প্রেমের অনুভূতি ও স্মৃতিচারণা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে প্রিয়জনের সাথে প্রথম সাক্ষাৎ এবং সম্পর্কের গভীরতা বর্ণিত হয়েছে। পরবর্তী অংশে, কবি সমাজের অবিচার, শাসকের শোষণ, এবং নিপীড়িত মানুষের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেছেন। এখানে তার প্রেমের ধারণাটি ব্যক্তিগত সীমা ছাড়িয়ে সমাজের প্রতি ভালোবাসা ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় রূপান্তরিত হয়েছে। শেষে, কবি কমিউনিজমের মাধ্যমে সমাজের পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছেন, যেখানে রক্তে আঁকা পথ বিপ্লবের অঙ্গীকার বহন করে।
সার্বিকভাবে, কবিতাটি ব্যক্তিগত প্রেম থেকে সামাজিক বিপ্লব পর্যন্ত একটি যাত্রা চিত্রিত করেছে, যা মানবতার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

