নারীর অহংকার
নারীর অহংকার
নারী তুই যে বড়ই অহংকারী
কিবা আছে তোর নিজস্ব?
কিসের এত অহংকার?
রূপের? যেটা একদিন ঝরে পড়ে যাবে।
যৌবনের? যেটা একদিন শেষ হয়ে যাবে।
তবে কিসের এত অহংকার?
না আছে তোর নিজস্ব কোন ঘর,
না আছে তোর নিজস্ব কোন পরিচয়।
অন্যের বাড়ির মূলধন তুই,
অন্যের বাড়ির আশ্রিতা তুই,
তাহলে কিসের এত অহংকার?
অহংকার আছে, অহংকার আছে
কে পারে বল এক বাড়ি ছেড়ে অন্যের বাড়ি যেতে?
কে পারে বল অন্যের পরিবারকে নিজের করতে?
কে পারে বল হাজার কষ্ট লুকিয়ে মুখে হাসি দিতে?
কে পারে বল অন্যের মুখে হাসি ফোটাতে?
উত্তর কি দিতে পারবে?
কে পারে বল নতুন প্রাণের জন্ম দিতে?
কে পারে বল বৃদ্ধ বয়সে সঙ্গে থাকতে?
কে পারে বল সংসার সোনার করতে?
কে পারে বল শত অভাবে আগলে রাখতে?
উত্তর কি আছে?
হ্যাঁ আমি নারী, আমি বড়ই অহংকারী।
নিজের বলতে কিছুই নাই,
সারা জীবন অন্যের তরে বাঁচি।
নিজ সুখ আহ্লাদ বিসর্জন দিয়ে অন্যের ইচ্ছা পূরণ করি,
তবুও আমি অহংকারী।
মাতৃ সৃজনে কষ্ট পাই তবুও নাকি নাটক করি,
আমি অলস, আমি বোকা, আমার কোন কাজ নেই,
তবু আমাকে ছাড়া কোন সংসার নেই।
হায়রে হায় নারী তুই সত্যিই অহংকারী।
