বয়েস
বয়েস
যাচ্ছিলাম চড়াই পথে উঠতে উঠতে
চক্রাকার পথে চন্দ্রদ্যুতি খুঁজে চলা নীরব চকোর
একপাশে খাদ, অন্যপাশে পাথর আর
খাঁজে খাঁজে সবুজ খামখেয়াল
আমি উঠে চলেছি আরো শীতলতায়
কুয়াশার টানেলে মোড়া সন্ধ্যার ঘনত্ব পেরিয়ে।
বেশ কিছু পরে আবার খোলা আকাশ_
ঠান্ডা স্পর্শ করছে হাড়;
সারা আকাশ থেকে শিমুল তুলোর মতো বরফ পড়ছে।
আমার সামনের সবুজ সাদা হচ্ছে,
সাদা হচ্ছে আমার গাড়ি..
সামনের আয়নায় মুখ দেখলাম
দেখলাম চুলেও পড়েছে তুষার
কখন পড়লো খেয়াল করিনি
তবে যেন হাত পা নাড়তে একটু বেশি অসুবিধা হচ্ছে
যেমনটা আগে হতো না
বাড়িতে ফোন করার ইচ্ছা.. মানুষ দেখার ইচ্ছা ঘূর্ণির মতো ভিতরে মাথা তুলছে
আর কতো শুভ্রতা পেরোলে চাঁদের আলো দেখতে পাবো?
চাঁদের হাট থেকে কাছের মানুষদের জন্য নিয়ে যেতে পারবো
স্মৃতির আখ্যানমঞ্জুরি?
সেসব আখ্যান তাদের কাছে আধুনিক কবিতার মতোই দুর্বোধ্য হবে না তো!
