বিজয়ালক্ষ্মী নারী
বিজয়ালক্ষ্মী নারী
হে বিজয়ালক্ষ্মী নারী তুমি জাগ্রত হও,
দেখিয়ে দাও যে তুমি কারো পদনত নও,
তুমি একাই পরিপূর্ণ, একাই পরিপুষ্ট,
তুমিই করো এই জগতকে তুষ্ট।
তুমি নও দুর্বল, নও ভীরু,
তুমিই পরমাশক্তি, তোমা হতেই বিশ্বব্রহ্মান্ডের শুরু,
তুমিই দেবী কালী হয়ে অসুরকে দাও শিক্ষা,
তুমিই পদ্মাবতী হয়ে করো নিজ-আত্মসম্মান রক্ষা।
তুমিই রাধারাণী হয়ে সমর্পণের শিখর,
তুমিই জগৎজননী হয়ে রয়েছো সর্ব-পরাৎপর,
তুমিই দেবী লক্ষ্মী হয়ে দাও ধনধান্য,
তুমিই মাতা অন্নপূর্ণা, দাও চাল-অন্ন।
তুমিই দশভুজা হয়ে ধারণ করো অস্ত্র-তরবারি,
তুমিই আবার শক্তিরূপিনী একেই হও সারি সারি,
তুমিই রণচন্ডী হয়ে দাও রণ-হুংকার,
সেই শক্তির সামনে কি থাকে মুর্খ পুরুষের তুচ্ছ অহংকার।
দেখিয়ে দাও তুমি সেই শক্তি তাদেরকে,
যারা করে প্রতিনিয়ত অত্যাচার তোমাদেরকে,
জাগো তুমি, জাগো নারী,
তুমিই যে জগতকারী।
যেই নরে মনে করে তুমি কাঠের খেলনা,
দেখিয়ে দাও তুমি তারে তুমিও নও ফেলনা!
তুমিও পারো পুরুষের সাথে সমান তালে কাজ করে যেতে,
আবার তুমিই পারো সংসারে সবার মুখে অন্ন তুলে দিতে।
তুমিই সৌভাগ্য-প্রদায়িনী হয়ে করে যাও নিজ কর্ম,
তুমিই গৃহলক্ষ্মী হয়ে পালন করো নিজ ধর্ম,
তুমিই করো ধ্বংস তুচ্ছ নরের অহং কারি কারি,
সেই তুমিই জগৎ-পালনকারিনী শক্তি, বিজয়ালক্ষ্মী নারী।
