অপাংক্তেয় জীবন
অপাংক্তেয় জীবন
একটু ও যদি সৌজন্যতা হতো, সবই যেন এখন বিলয়প্রাপ্ত, গহনের পথে নেই আর ভয়, এখন মেঘেদের কলরবে নদী নির্ঝরের স্পন্দিত আলোকে হৃদয় যেনো আঁধারেই মিশে রয়....
কতোই যে ভাঙন ,বিধ্বস্ত নদীর কল্লোল বেয়ে অপস্রিয়মাণ ক্লান্ত কান্নার প্রবলে সৃষ্টির বৃষ্টিতে কতোই বর্ষণাভাব।
জীবনের আর নেই ঠাঁই , ভিটেমাটি হারিয়ে গৃহহীন জীবনের এমনই দুর্ভোগ, বিশাল উজানের মরুময়ে সবই সর্বস্বান্ত সব যেন লুটিয়েই পড়ে থাকে।
জীবন ধৈর্যের ও কী বলিহারি, এই ঝড়,এই ঝঞ্ঝা, মৃত্যুমাধুরী প্লাবণের মাঝে ভয়ের দুরাশায় ভাবিয়ে দিয়েই গেলো।
এ বৃষ্টি যেনো অসাধ্যের গতিতে নীরবতার অবর্ণনীয় স্পষ্ট প্রকাশে চারিদিকে ছড়িয়ে দিয়ে গেলো।
দারিদ্য বিমোচন, নীতি প্রণয়ন আত্মমর্যাদার যুগান্তকারী পদক্ষেপে জীবনটা শুধুই ভাসমান ভেলার মতোই ভেসেই গেলো ....
এ জীবন, এক ফোঁটা অশ্রু নিঝুম রাত্রির সরল বাঁধন ছিড়ে শীতল আবরণে নির্জন মেঠোপথ ধরে ধূসর বর্ণটা ছড়িয়ে দিয়ে যায়।
দারিদ্র্য দুর্দশার অসাম্যের কালে আশাহত পীড়িত উৎপীড়িত অপাংক্তেয় জীবনের অদম্য ভীড়ে চিরটাকালই এভাবে ভীষণই অনড় ছিলাম।
পৃথিবীর নির্বাক অস্থিরতার মাঝে নীরবতায় শুধু শুধু অট্টহাসি হাসি হেসে মহান নির্বেদ হয়ে থাকি।
প্রতিটা মুহূর্তের অস্বস্তিতে ক্ষমার দৃষ্টিতে কতোই মোচড় খেয়ে যায়, একপলক চোখ ফিরিয়ে অদেখা শ্রেষ্ঠ দৃশ্যগুলি মিলিয়ে দিয়ে যায় অদ্ভুত একটু শান্তির বার্তা দিয়ে।
দুর্বল, অক্ষম অপরিপক্ক বুদ্ধিহীন অসংযত জীবনের সামাজিকতার সাথে মানসিকতার উভয়ে মস্তিকের উন্মেষে চিরটাকাল ই অন্ধকারে রয়ে গেলো।।
