অধরা এক মাধুরী
অধরা এক মাধুরী
আমি অধরা মাধুরী
তোমার ভাঙ্গা স্বপ্নগুলো
নিজের মনেই জুরি।
আমি যে বাউন্ডুলে এক ঘুড়ির মত,
ঘূর্ণিয় মান বাতাসে খুঁজি কোন ফেরিওয়ালার বাদ্যি।
শপথ করেছিলাম,
শূন্য থেকে শুরু আবার শুন্য তে শেষ
শূন্যতার দেশে আহ্বান হবে তোমার,
চাঁদের আলোয় গড়া সেই স্বপ্ন আমার,
পৃথিবী একদিন অন্ধকারে ভাসলেও
আমার মাধুরীর রং হবে প্রস্ফুটিত।
অনন্ত ভালবাসার পিপাসায় বেঁচে আছি,
তবুও নারকেল গাছের ডালে,
একটু ওঠা, একটু পড়া।
বাঁশির সুরে আমার আত্মার সঙ্গী,
অনুরণন হয়ে পায়ে-চলনে।
কখনো শুদ্ধ, কখনো বা অশুদ্ধ—
আমি দ্বিধা-সঙ্কোচের পর্দায়,
আমি একটি ঘুড়ি, আসলে তুমিই যে আমি।
ভাঙ্গা স্বপ্ন গুলো আমার,
মনের মরুভূমিতে বেঁচে থাকে,
রঙিন কালি দিয়ে লেখা।
আমি এক অধরা মাধুরী,
তোমার ভাঙ্গা স্বপ্নের প্রতিবিম্ব,
বাউন্ডুলে ঘুড়ির ওপর আকাশে ভাসাক।
দীর্ঘশ্বাসে মিশে যাক আমার গান,
মায়াবী সুতোয় ঝুলে রই,
কখনো হারিয়ে ফেলে, কখনো বা পাওয়া।
কবিতার ব্যাখ্যা:**
এই কবিতায় আমি ব্যক্তিগত অনুভূতি ও প্রতীকের মাধ্যমে একটি গভীর ভাবনার প্রকাশ ঘটিয়েছি। "অধরা মাধুরী" শব্দটি দিয়ে আমি এসেছি একটি গভীর উদাসীনতার দিকে এবং ভাঙ্গা স্বপ্নের চিন্তার সাথে পরিচিত হয়েছিলাম। ঘুড়ির মাধ্যমে আমি স্বাধীনতা ও অনিশ্চয়তার অনুভূতিকে একত্রিত করেছি, যেখানে জানালা দিয়ে বহির্বিশ্বের দিকে আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এভাবে কবিতাটি আজকের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন পূরণের সংগ্রামের একটি প্রতীকি চিত্র উপস্থাপন করে, যেখানে হতাশাও মিশে যায় আশা ও উদ্দীপনায়
।
