আয়না
আয়না
পিনাকি বাবু, গার্ডদের বললেন,
" বন্দুকের গুলিতে আত্মাদের কখনো মেরে ফেলা যায় না! কারণ ওরা আগের থেকেই মৃত।" কোন উপায় না পেয়ে রাতুল হঠাৎ পিনাকী বাবুর জামার পকেটে হাত দিল। আর একটা লাইটার পেয়ে গেল। লাইটারটা জ্বালাতেই দুর্গাবতীর আত্মা ভয় পেয়ে গেল।
রাতুল সাহস করে দুর্গাবতীর দিকে এগোতেই দুর্গাবতীর আত্মা ভয়ে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল। দুর্গাবতীর আত্মা অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে চারিদিকে আলো জ্বলে উঠল। পিনাকী বাবু যেন নিজের প্রাণ ফিরে পেলেন। তিনি রাতুলকে জড়িয়ে ধরলেন।
রাতুলকে জড়িয়ে ধরতেই রাতুল চিৎকার করে উঠলো " মামা ! আমায় ছাড়ো। আমার তো ব্যথা লাগছে।"
পিনাকি বাবু রাতুলকে ছেড়ে দিয়ে বললেন, " মামু! তোর কোথায় লাগছে?"
রাতুল : " মামা, আমার ঘাড়ে ব্যাথা লাগছে।"
পিনাকি বাবু : "কেন তোর ঘাড়ে কি হয়েছে?"
রাতুল : " মামা ! আসলে আমার ঘাড়ে একটা বড় ফোড়া হয়েছে।"
রাতুলের কথা শুনে সকলে হেসে উঠলো। আর রাতুল একটু লজ্জা পেল। যাই হোক পিনাকি বাবুসহ সকলে রাতুলকে তার বুদ্ধির জন্য বাহবা দিল। সকলে বলল," রাতুল যদি এই বুদ্ধিটা বের না করতো তাহলে আমরা এতক্ষণে ঈশ্বরের প্রিয় হয়ে যেতাম।"
রাতুল: " ধন্যবাদ।"
পিনাকি বাবু সকলকে মজা করে জিজ্ঞাসা করলেন , " পরের প্রাসাদে যাওয়ার ইচ্ছে কি কারো আছে?"
সকলে না বলেও একজন শুধু হ্যাঁ বলল। আর সে হলো রাতুল। রাতুলের এই আত্মবিশ্বাস দেখে সকলে অবাক হয়ে গেল।
রোহিণী আর রিমি: " সে কি রে? এরকম একটা ভয়ংকর ঘটনার পরও এ আবার কি করে এ কথা বলছিস তুই ?"

