উমা যাচ্ছে যে আজ চলে
উমা যাচ্ছে যে আজ চলে
উমা যাচ্ছে যে আজ চলে
স্মরজিৎ দত্ত
নীলকন্ঠ এবার তোমার
বার্তা দেবার পালা।
বার্তা দাও ভোলা মহেশ্বরকে
ফিরছেন যে ঘরে মা উমা।
বছরভর অপেক্ষা পর
ওরে পেয়েছিলেম তোকে।
দেখতে দেখতে চারটি দিন
কোথায় গেল চলে।
মণ্ডপেতে বিদায় ঢাক
বাজবে 'ক্ষণ পরে।
পাড়ার যত বউ এর দল
মন্ডপেতে ভিড় করে।
সূর্য যখন দিনের শেষে
যাবে অস্তাচলে।
তখনই মা টুপ করে-
ওই নদীতে যাবে চলে।
অস্তাচলের ঐ লাল সূর্য
যবে মিসবে নদীর জলে
তখনই মা ভাসাবো তোকে
মোর ওই গাঙ্গের জলে।
বিষাদ ভরা হৃদয় জুড়ে
ভারাক্রান্ত মনে।
চোখের জলে জোড় হাতেতে
যাত্রা হোক শুভ,
বলবো তোকে শেষে।
একটা বছর অপেক্ষা আবার
দিনটি গোনার শুরু।
আবার কবে আসবে সেদিন
আশ্বিনের মাতৃপক্ষ হবে শুরু।
বিদায় কালে দিস না গো মা
মোদের একটু আশীর্বাদ।
এ পৃথিবীর মানব কুলে
হিংসা ভুলে, দ্বেষ ভুলে
ভালোবাসুক একে অপরকে।
নীলকন্ঠ তুই যা রে উড়ে
ভোলা মহেশ্বর এর কাছে।
ফিরছে যে মা তার কাছেতে
সেই দুগ্গা দুগ্গা বলে।
এনামে তে যাত্রা শুভ
তাইতো বলি ওরে।
ঘরের মেয়ে যাচ্ছে শ্বশুরবাড়ি
তাই দুগ্গাই সহায় হবে।
কাল প্রভাতে সূর্যী যখন
উঠবে পুবাকাশে।
বলব তখন মোর সবাইকে
বিজয়ার শুভেচ্ছা নিয় সবে।
