মনের আয়না
মনের আয়না
আজ মনের আয়নায় পড়লো নজর
দেখলাম নিজেকে,
আঁতকে উঠি সুন্দর মুখের পেছনের
অচেনা মন কে দেখে।
এত কদর্য, এত লোভ,
এত হিংসা, এত ক্রোধ!
নিজের কাছেই নিজেকে লাগলো অপরিচিত,
নিজের স্বরূপ দেখে হলাম বড়ই বিচলিত।
লজ্জায় হলো মাথা নত,চোখে এল জল,
নিজেকে করবো সংশোধন-করলাম শপথ।
মনের গ্লানি মুছে গেলাম বন্ধুদের মাঝে,
তাদের সুন্দর মনের খোঁজ পেতে।
একে একে দেখলাম সবার মন মনের আয়নায়,
বুঝলাম কেন কথায় বলে
“মুখ দেখে কি মানুষ চেনা যায়”!!!
কেউ হিংসুটে, কেউ লোভী,
কেউ বা লালসার প্রতিচ্ছবি।
ভালো মনেরও মানুষ আছে
খারাপ মনের লোকের মাঝে।
হাসি মুখের মনের মাঝেও
অনেক দুঃখ লুকিয়ে আছে।
সেই এক মন-কিন্তু কত তার রূপ!
ভিন্ন লোকের ভিন্ন স্বরূপ।
সময়ের সাথে তা পাল্টে যায়,
সবই নিজের মনের মতো চায়।
সবার মন পড়া বড় বেদনাদায়ক,
ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের পরিচায়ক।
সবার মন পড়ে হলো বড় বেদনা,
ছুঁড়ে ফেলে দিলাম মনের আয়না।
মন হৃদয়ের মাঝেই থাকুক,
সবাই নিজের মনের মতো বাঁচতে শিখুক।
মুখোশ ঢাকা মনের তরে
মনের আয়না আর দেখিস না রে।
কাঁচের আয়নায় মুখ দেখে নিস,
চোখ দিয়ে মানুষ চিনে নিস।
