অবকাশ -৩৮
অবকাশ -৩৮
চোখে বিবশ রজনী
নদীর মোহনায় ছুঁটে পথ হারায় কত পথিক
তার সংখ্যা বেহিসেবী।
মোমবাতি প্রদীপ নিজে জ্বলে অপরকে আলোয় ভরায়
যেমন ভাবে সূর্য আলোয় ভরায় পৃথিবীকে - তেমনি।
একঝাঁক পাখি ওড়ে আকাশের পথে
সবে মাত্র ডানা হারানো পাখিটিও তাঁদেরকে দেখে উড়তে স্বাদ জাগে
এইতো কয়েকদিন আগে সেও উড়ে বেড়াতো স্বাধীন হয়ে
আজ নিঃস্ব - নগণ্য - হীন
শুধুমাত্র সময়ের ব্যবধানে করুণ পরিণতি পাখিটির।
কীটপতঙ্গদের উৎপাতে নষ্ট হয় হেক্টর হেক্টর সোনার ফসল
ওষুধে তাঁদের ব্যতিব্যস্ত হয় না
এতটাই তীব্র এইসব হিন্নপেন্নী কীট।
চিত্রের ছবি পুড়ে যায় বির্বণ রঙের তেজে
প্রহেলিকা জাগে মানুষের অন্তরে আর হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে শহর।
সচেতন পাখি জানে ডানা হারানোর যন্ত্রণা
শূন্যের ভিতর সৌহার্দ্যতা মাটিতে মিশে নষ্ট হয়
হৃদপিন্ডের চোখে উপলব্ধি জাগে
আর বিবশ রজনীর প্রহরে নক্ষত্র মরে যায়
দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের সাথে মিশে।।
