Sanghamitra Roychowdhury

Inspirational


4  

Sanghamitra Roychowdhury

Inspirational


একটা গান লিখো আমার জন্য

একটা গান লিখো আমার জন্য

7 mins 712 7 mins 712

নবমিতা নিজেকে নিয়ে খুব অবসেসড, ডাক্তার দেখাতে এসেছিলাম ওকে নিয়ে। নবমিতা আমার ননদ। শুনে ডাক্তারবাবু বললেন, "এই অবসেশন অনেকেরই থাকে। কিন্তু অবসেশন থাকা মানেই ডিজঅর্ডার নয়। সমস্যা তখনই বলবো যদি এই অবসেশনের কারণে কারও স্বাভাবিক দৈনন্দিন জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হয়ে যায়।"


নবমিতার মুখেই শুনি নবমিতার কথা, "আমার বয়স বাইশ বছর। নিজের শরীরের খুব যত্ন নিই। ফলে চুল, ত্বক বা শরীরের অন্য যেকোনো অংশে কিছু হলেই আমি ভীষণ অশান্তিতে ভুগি। সামান্য একটা ব্রণ হলেও তাই নিয়েই আমি সারাদিন ধরে ভাবতেই থাকি। অন্য কাজে মনোনিবেশ করতে চাইলেও পারি না, মাথায় যন্ত্রণা করতে শুরু করে। ভীষণ স্ট্রেসড হয়ে পড়ি, কেঁদে ফেলি, রেগে যাই, ভাঙচুর করে দিতে ইচ্ছে করে। কীভাবে পরিস্থিতি সামলাবো, নিজেকে সামলাবো বুঝতেই পারি না। আমার মনে হয় সবকিছু আমার হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে, আর আমার কিচ্ছু হবার নেই, আমি শেষ!" নবমিতা খুব উত্তেজিতভাবে থামলো, অল্প অল্প হাঁফাচ্ছে ও, ওর চোখের তারা দু'টো বিষণ্ণ ও চঞ্চল।




আমি পাশে বসে শুনছি কেবলমাত্র, ডাক্তারবাবু খুব সহনশীলতার সঙ্গে ধীরেধীরে বলতে শুরু করলেন, "একুশ বছরে যে সুন্দর, একত্রিশে সে তো সৌন্দর্য্য হারাতেই পারে। একচল্লিশে কুশ্রী কদাকার হয়ে যেতেই পারে। চেহারার আয়ু আর কতদিনের? এই যে সৌন্দর্য্য মানুষের, তাতো ক্ষণস্থায়ী! কিন্তু গুণ? সেতো সারাজীবনই থাকে, তাই না? তাই তো এমন কোনো কাজে তুমি নিজেকে যুক্ত করো, যেখানে তুমি তোমার মনের সৌন্দর্য্যকে ঢেলে দিতে পারো।" ডাক্তারবাবু একদৃষ্টে তাকিয়ে তাকিয়ে আছেন নবমিতার চোখের দিকে, ঠোঁটে ঝুলছে কৌতুকময় এক আলতো হাসি।




নবমিতার চঞ্চল চোখের তারা দু'টো ধীরেধীরে স্থির। ওকে দেখে আমার মনে হোলো, ও কেমন যেন দৃষ্টি নিয়ে সামনের দিকে চেয়ে, ঠিক সম্মোহিতের মতো। ডাক্তারবাবু আবার শুরু করলেন, "কী কী করো, সারাদিনে?" থেমেথেমে নবমিতা বলে গেলো, "এখন পরীক্ষা শেষ, পড়াশোনার চাপ নেই। এই একটু চুল, স্কিন এসবের যত্ন নিই। ডায়েটিঙের খাবার দাবার নিজের জন্য গুছিয়ে রাখি। এক্সারসাইজ করি.... আর.... আর..... ব্যাস্ এইই, মাঝেমধ্যে একটু টিভি দেখি। দুপুরে ঘুমোই। তারপর....." কথা, কাজের ফিরিস্তির কথা খুঁজতে থাকে নবমিতা। ডাক্তারবাবু মৃদু হাসিমাখা মুখে বললেন, "এতো গেলো তোমার রোজকার রুটিন বাঁধা কাজের কথা। তোমার খুব ভালো লাগার কাজ, যা করলে তোমার মনটা নেচে ওঠে, মনটা দু'কলি গান গেয়ে ওঠে, কি আলটপকা একলাই হেসে ওঠে, তেমন কী কী কাজ করো তুমি, শুনি?"




নবমিতা অসহায় দৃষ্টি মেলে চেয়ে থাকে সামনের দিকে। প্রাণপণ খুঁজে চলেছে তেমন কাজের হদিশ। "ও তারে ধরি ধরি মনে করি, ধরতে গেলেম, আর পেলেম না....." নবমিতা যেন গতজন্ম থেকে বলে উঠলো, "আগে গান গাইতাম, কলেজে ঢোকার পরে আর সময় হোতো না। তারপর একসময় বাদই হয়ে গেলো গানটা! অতো সময় কোথায়? পড়াশোনার পর নিজেকে মেনটেইন করার পর আর বাড়তি সময় কোথায় গানচর্চার? তাছাড়া আমি তো আর শিল্পী হবো না!" "তুমি তো শিল্পীই, যে গান গায়, সুরে তালে যে গাইতে পারে সেই তো শিল্পী! কেউ তো শিল্পী হবো বলে শিল্পী হয় না, ভালোবেসে ভালো করে গানটা গাইতে পারলেই হোলো!" ডাক্তারবাবুর মুখে সেই মিটমিটে হাসিটা লেগেই আছে। আর যথারীতি নবমিতাও সেই ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়েই আছে। এতোক্ষণে আমি আবার ফুট কাটার সুযোগ পেলাম, "ডাক্তারবাবু, ওর একটা ব্যাণ্ডও ছিলো, গান লিখতো, সুর করতো, তারপর গাইতো। থালা বাটি বাজিয়ে। বলতে বলতেই আমি হেসে ফেললাম আর নবমিতা গম্ভীর হোলো। পদ্ম পাপড়ির মতো বড়ো বড়ো চোখ দুটোর কোলে টলমল করছে জল। এই রে, খুব কোমল জায়গায় অজান্তেই ঘা দিয়ে ফেলেছি। সামলে নিলেন ডাক্তারবাবু, "নবমিতা আবার গাইবে, এখন তো পড়ার চাপ নেই, তাই না?"




ফেরার পথে গাড়ীতে বসেই নবমিতা বলে ফেললো, "তুমি তো বলেই খালাস, ভুলে গেছো বুঝি সব?" ওর গাল বেয়ে জল গড়াচ্ছে। আমি ওর মাথায় হাতটা রেখে বললাম আস্তে আস্তে, "না রে, কিচ্ছু ভুলি নি। ঐজন্যই তো চাই তুই আবার গানে ফিরে আয়। তুই জাতশিল্পী। সব কথা মনে রাখতে নেই। নিজের গুণের কদর নিজে না করলে, আর পাঁচজনের ভারী দায় পড়েছে, আর কী!" নবমিতা চোখদুটো বুজে গাড়ীর ব্যাকসিটে হেলান দিলো।



*******



বছর দশেক পরের কথা। একটি সংস্থা ভারী নাম করেছে। তারা গান নিয়ে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা মূলক কাজ করেছে। তাদের সংস্থাটির কাজের বিষয় হোলো "বিভিন্ন রোগ অর্থাৎ রোগ নিরাময়ে গানের ভূমিকা।" এই সংস্থার কাজ তো একেবারে মিরাকল ঘটাচ্ছে! কিন্তু কি করে সম্ভব হলো এই প্রচেষ্টা? বিশিষ্ট চিকিৎসকদের পাশাপাশি বিশিষ্ট সঙ্গীত বিশারদদের ব্যাখ্যায়, "দরবারি কানাড়ায় আছে প্রশান্তি যেমন, ঠিক তেমনই আবার রয়েছে প্রচ্ছন্ন আবেগকে উস্কে দেবার মতো আঙ্গিকের উপাদান‌‌‌।" আর চিকিৎসকদের ব্যাখ্যা, "দরবারি কানাড়ার মতো রাগ শরীরের মধ্যে এন্ডোরফিনের মতো ব্যথানিবারক হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, এবং ঐ সাথেসাথেই কমিয়ে দেয় কর্টিজোলের মতো হরমোনের উৎপাদন। ফলে রোগীদের শরীরে অ্যানালজেসিকের অর্থাৎ ব্যথানাশক ওষুধের প্রয়োজনীয়তা অনেক কমে যায়।"




এইরকমই সঙ্গীতের আরো অসংখ্য রাগ রাগিনীর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে মানুষের শরীরে। এইসব রাগ রাগিনী প্রয়োগ করে, মানে রোগীকে শুনিয়ে রোগে প্রশমন ঘটানো যায়, এমনকি নিরাময় করে তোলাও যায় নিয়মিত সঙ্গীতের ব্যবহারে। নবমিতা সান্ন্যাল ম্যাডাম, বয়স বছর বত্রিশ তেত্রিশ, ঝকঝকে স্মার্ট বুদ্ধিদীপ্ত চেহারা, মিউজিক থেরাপিস্ট। মানুষের রোগ নিরাময়ে সঙ্গীতের ব্যবহার করে এপর্যন্ত যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক ফল পেয়েছেন। এবারে এই বিষয় নিয়েই একটি ওয়ার্কশপের আয়োজন হয়েছে শহরের কৌলীন্যময় শিক্ষাসদনের অডিটোরিয়ামে।




বলাই বাহুল্য, আমি আমন্ত্রিত ছিলাম, আমন্ত্রিত ছিলেন আমার স্বামীও। আর উপস্থিত ছিলেন সেই ডাক্তারবাবুও, যিনি টানা প্রায় ছ'মাস ধরে নবমিতার কাউন্সেলিং করেছিলেন। নবমিতা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলো, মানসিকভাবে। নবমিতার গায়ের রঙ শ্যামলা ছিলো, নবমিতার বড্ড ব্রণ হোতো, নবমিতার চুলে রুক্ষভাব ছিলো, বিয়ের বাজারে নবমিতা এইসব কমতিগুলো নিয়ে টিকতে পারবে? এইসব কমতিগুলো খানিকটা ভরাট করতে যা যা করা উচিৎ, নবমিতা তাই করুক। ঐ হাঁহাঁ করে চেঁচিয়ে পাড়া মাথায় করে গান করে কোনো লাভ নেই। ফালতু বেকার কাজকর্ম ছেড়ে নিজেকে একটু তৈরী করুক নবমিতা। এই ছিলো নবমিতার মা, বাবা, ঠাকুমা, দুই দাদা, দিদি, জামাইবাবু ছাড়াও আত্মীয়-স্বজন মহলে যে যেখানে আছে, সবাইয়ের মতামত, নবমিতার রূপচর্চার ব্যাপারে। এব্যাপারে কেউ দ্বিমত ছিলো না। নবমিতা প্রথম প্রথম মাথা নীচু করে শুনতো। তারপর আস্তে আস্তে নবমিতার রূপচর্চা শুরু হোলো, তারও পরে শুরু হোলো ওর অবসেশন। আমি নবমিতার বৌদি, ননদের সাথে বেশী সখ্য দেখানোর ঢের বিপদ আছে। কিন্তু যখন আমি দেখলাম নবমিতার জন্য একটা করে সম্বন্ধ আসে, আর নানান ছুতোয় ভেঙে যায়, আর তত জোরালো হয়ে বিদ্ধ হয় নবমিতার তথাকথিত আপনজন এবং শুভানুধ্যায়ীদের শানানো তীক্ষ্ম বাক্যবাণ, আমি তখন নবমিতার প্রাণান্তকর পরিস্থিতি দেখে আর থাকতে না পেরে, আমার বাপের বাড়ীতে বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছি বলে, নবমিতাকে প্রথমবার কাউন্সেলিঙের জন্য ডাক্তারবাবুর কাছে নিয়ে যাই।




তারপর নবমিতার চিকিৎসা হিসেবে কাউন্সেলিং শুরু হয়, নিয়মিত। প্রথম প্রথম মাসে দু'টো করে সেশন, মানে প্রত্যেক দু'সপ্তাহে একবার। নবমিতার পরিবর্তন বেশ চোখে পড়ার মতো ছিলো। সঙ্গে সঙ্গে বাড়ীর লোকেদের বিরক্তিও চোখে পড়ার মতোই ছিলো। তবে এবার আমি ছিলাম সর্বক্ষণ নবমিতার সঙ্গে, তবে অবশ্যই অলক্ষ্যে। যদিও নবমিতাদের বাড়ীতে, মানে আমার শ্বশুরবাড়ীতে আমার তেমন কোনো পদমর্যাদা ছিলো না, যা হারাবে। তবু বাঁকা কথার সোজা তীর এড়াতেই আমি খুব সন্তর্পনে এই লুকোচুরি খেলাটা খেলেছি, এবং শেষপর্যন্ত জিতেও গেছি। সে যাইবা হোক, নবমিতাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবার জন্য কতো যে নিত্যনতুন আইডিয়া বের করতাম, তা ভাবলেও এখন হাসি পায়। তবে পরের দিকে কিন্তু আমাকে আর কোনো আইডিয়া উদ্ভাবন করতে হোতো না, নবমিতা নিজেই দারুণ জবরদস্ত সব আইডিয়া বের করে ফেলতো। যৌথ পরিবারের নেহাতই অকেজো পুত্রবধূ আমি, আমার বেশ একটা গালভরা উপাধি ছিলো, 'অকম্মার ঢেঁকি'। তা সে নিজের শাশুড়ি, তুতো শাশুড়ি, পাড়াতুতো শাশুড়ি, ননদকুল (নবমিতা বাদে), জায়েদের দল, এমনকি বাড়ীর পুরোনো কাজের লোকেরাও দিব্যি অক্লেশে আমার নামের সাথে 'অকম্মার ঢেঁকি' জুড়েই কথা বলতো। অবশ্যই আড়ালে, কিন্তু আমার কানে এসে পৌঁছায় এমন স্বরে। সে যাক গে, তাতে আমার কিছু ক্ষতি বৃদ্ধি হয় নি, তবে আমার ঐ লুকোচুরি সিদ্ধান্ত নবমিতার জন্য বড়ো লাভজনক হয়েছে। নবমিতার গোটা দশেক কাউন্সেলিঙের পরে একদিন সকালে নবমিতা বলেছিলো, ওর বন্ধুর আইবুড়ো ভাতের নেমন্তন্ন, সারাদিনের জন্য। সেইদিনই বিকেলে কলেজ থেকে ফেরার সময় দেখলাম, নবমিতাকে। ডাক্তারবাবুর হাতের মুঠিতে শক্ত করে ধরা রয়েছে নবমিতার হাতখানা। দু'জনে সাউথ সিটি মল থেকে বেরোচ্ছে। মশগুল দুজনে। আমাকে দেখতে পায় নি, গাড়ীর কাঁচ তোলা ছিলো।




সেইদিনই বাড়ীতে এসে নবমিতার বড়দা, মানে আমার বরকে বললাম, নবমিতার জন্য খুব ভালো বিয়ের সম্বন্ধ আছে। তাদের একমাত্র দাবী, নবমিতা যেন সবকিছুর পাশাপাশি দস্তুরমতো গানের চর্চাও করে। এইপ্রথম আমার বর এতো মনোযোগ দিয়ে আমার কথা শুনলো। বাড়ীর বড়ো ছেলে, নিজের চাকরির পাশে এতো বড়ো সংসারের বড়ো ছেলের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে, সামান্য কলেজের দিদিমণি বৌয়ের কথা শোনার ফুরসৎ ঠিক সে করে উঠতে পারে নি এতোকাল। আজ সুযোগ পেয়ে সেই প্রথম থেকে সব কথা তাকে খুলে ভেঙেই বলে দিলাম। তার চোখ দু'খানা পাক্কা নবীন ময়রার রসগোল্লার আকার নিয়েছে। আর মুখের হাঁয়ে নির্ঘাত আস্ত একখানা সবচেয়ে বড়ো মাপের ভীম নাগের জলভরা সন্দেশ ঢুকে যাবে। আর প্রথম তার গোল্লা পাকানো চোখে বৌয়ের জন্য খানিকটা সমীহ, খানিকটা ভরসা-আস্থা এবং খানিকটা প্রেমেরও মিশেল দেখতে পেলাম। নিজের মনে নিজেকে বললাম, "বেড়ে ব্যাপার, একঢিলে দুইপাখী।" তারপর আর কী? নবমিতার বড়দা আর আমি, দু'জনে পুরো ক্রেডিট ও দায়িত্ব আধাআধি ভাগ করে নবমিতার আর নবমিতার ডাক্তারবাবুর চারহাত মিলিয়ে দিলাম। বলাবাহুল্য, খবরটি এখনো এই প্রায় বছর দশেক ধরে চার দু'গুণে আট'কানেই সীমাবদ্ধ আছে। আর বাড়ীর সবাই নবমিতার ভাগ্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, জামাই নিয়ে পরিবারের বিরাট গর্ব। আর আমি খুব সুখী, আমার সঠিক সময়ের সঠিক সিদ্ধান্তের ফলে আজ নবমিতার মুখের চওড়া হাসিতে। নবমিতার নিজস্ব পরিচিতি তৈরীতে। নবমিতার সাফল্যে। আর এই অনাবিল প্রাপ্তিসুখে আমি এমনকি আমার বরকেও ভাগ দিতে নারাজ, যদিও একান্ত নিভৃতে। 




নবমিতার জীবনের ব্যাখ্যা যে যেমনই করুক, সত্যিই সঙ্গীতকেই নবমিতার জীবনের উদ্দেশ্য করে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন ডাক্তারবাবু। সঙ্গে অবশ্যই তাঁর প্রেমও বাড়তি জোর দিয়েছিলো নবমিতাকে। আর নবমিতাও বুঝেছিলো শারীরিক সৌন্দর্য্য কখনো কাউকে মাপার মাপকাঠি নয়। একজন মানুষের কর্মময় জীবন আর তার ভেতরকার গুণ ও মনুষ্যত্বই তার সবচেয়ে বড়ো সৌন্দর্য্য। নবমিতার দুই চোখ থেকে এখন আত্মবিশ্বাস ঝরে পড়ে। আর ডাক্তারবাবু যিনি একজন ডিপ্রেশনের রোগীকে আবার সঞ্জীবনী সুধা দিয়ে জীবনের মূল স্রোতে ফিরিয়ে এনেছেন, তাঁর পোলিও আক্রান্ত বাঁহাতে ধরা ওয়াকিং স্টিক পোলিও আক্রান্ত বাঁ পায়ের সাপোর্টের সাথেই আরো মজবুত সাপোর্ট তাঁর স্ত্রী নবমিতার। ডাক্তার অংশুমান সান্ন্যাল আর নবমিতা সান্ন্যাল ম্যাডাম এখন অজস্র মানুষের সাপোর্ট হয়ে কাজ করছেন তাঁদের সংস্থা "একটা গান লিখো আমার জন্য"- এর চূড়ান্ত সাফল্য নিয়ে। আমরাও তাদের সেই সুখযাপনের ভাগীদার হয়ে পরমসুখী।


Rate this content
Log in

More bengali story from Sanghamitra Roychowdhury

Similar bengali story from Inspirational