সাদা মৌমাছি
সাদা মৌমাছি
সাদা মৌমাছি, তুমি যে কেনো ,কেবলই আমার ভিতরে গুনগুন কর- তুমি মধু পান করে মাতালধোঁওয়ার ধীর কুন্ডলীতে তুমি ঘুরে ঘুরে উড়ছ আমার চার ধারে ।
আমি এখন দিশেহারা, প্রতিধ্বনিশূন্য শব্দ, সাদা মৌমাছি
,সকলই হারিয়েছে যে- অথচ যার একসময় সকলই ছিল।
সর্বশেষ বাঁধন, আমার জৈব আকাঙ্খায় তুমি শুধু শুধু কেনো তোল ঝড়।
ঝড় তোল কেনো ,আমার সাদা মৌমাছি
আমার বিরানভূমিতে তুমিই যে সর্বশেষ গোলাপ।
আহ্, রিরংসাতেও তুমি কী নিশ্চুপ হয়ে থাক!
তোমার গভীর চোখ বন্ধ কর সাদা মৌমাছি। রাত্রি নামছে যে ।ফিরতে তো হবে আমাকে । রাত্রি ডাকছে যে আমায়।
ওহ্, তোমার শরীর এক সুগন্ধী ভাস্কর্য, নগ্ন হও কেনো তুমি আমার সামনে ? তোমার শরীরের ভাস্কর্য আমাকে মুগ্ধ করে। কী চাও তুমি সাদা মৌমাছি আমার কাছে ?
নিরুপায় আমি। বন্দুকের নল তাক করা আমার দিকে। আমার শরীরে ক্লেদাক্ত ঘাম আর মানুষের শুকিয়ে যাওয়া রক্ত ।
তোমার ও গভীর চোখে রাত্রি নামেছে এখন।
তুমি রিরাংসার সুখে ঘুমও।
ফুলের শীতল হাত আর গোলাপের কোল।
সাদা শামুকের মতন তোমার দুই স্তন যুগল।
তোমার নাভীর নিচের জঙ্গল মহলে ছায়ার প্রজাপতিরা ঘুমাতে এসেছে।
কেউ আমাকে আর ডাকে না সাদা মৌমাছি
আহ্,
তুমি কী নিশ্চুপ তবু!
এই নির্জনতায় তুমি নেই।
বৃষ্টি ঝরছে। সমুদ্রবাতাস শঙ্খচিলদের তাড়িয়ে দিচ্ছে
ভেজা রাস্তায় খালি পায়ে হাঁটছে জল।
গাছের পাতারাও বলছে ওদের শরীর খারাপ। রক্তের দাগ এখনও ওদের পাতায় পাতায়
সাদা মৌমাছি, যখন তুমি আমার ভিতরে গুনগুন কর
তুমি আবার সময়ে বাঁচ, তন্বি-নীরব।
আহ্ তুমি কী তবুও নিশ্চুপ!
একবারও ডাকবে না আমায়? তোমার নাভীতে আমি থুতু মাখাবো।

