নির্বাক নক্ষত্রের আত্মজীবনী
নির্বাক নক্ষত্রের আত্মজীবনী
নির্বাক নক্ষত্রের আত্মজীবনী
—অভিজিৎ হালদার
আমি জন্মাইনি কোনো শব্দে
জন্মেছিলাম এক সাদা আলোর বিস্ফোরণে—
যেখানে ঈশ্বরও ঘুমিয়ে পড়েছিল
নিজের অনন্ত বিষণ্নতায়।
আমার শিরায় রক্ত নয়
বয়ে চলে মৃত নক্ষত্রের ধুলো।
হৃদয়ে ঘড়ির কাঁটা নেই—
তবুও আমি প্রতিটি মুহূর্তে বিস্ফোরিত হই
নিজেকে হারিয়ে খুঁজি তোমার নাম।
তুমি বলেছিলে,
ভালোবাসা একমাত্র সত্য—
কিন্তু আমি দেখেছি
সেই ভালোবাসাও একদিন
নিজের ছায়াকেও চিনতে ভুল করে।
প্রতিটি প্রেমই এক স্বর্গের দরজা—
যার চাবি ছুঁয়ে যায়
একটি পঙ্গু হাত
একটি নীরব চোখ
একটি ভাষাহীন আত্মা।
আমি লিখি—
অন্ধকার দিয়ে আঁকা এক কবিতা
যার প্রতিটি শব্দ জ্বলে ওঠে
তোমার অনুপস্থিতিতে।
তুমি যদি কখনো একা দাঁড়াও
প্রাচীন কোনো শ্মশানে,
সেখানে মৃত ফুলগুলোও হয়তো
আমার কবিতার নাম বলবে—
“সে এসেছিল…!! শুধু হারানোর জন্য।”
আমি এক স্বপ্নের মরুভূমি—
যেখানে জল মানে তুমি,
আর তৃষ্ণা মানে আমি।
তবুও আমরা ছুঁই না কখনো,
কারণ আমাদের মাঝে রয়েছে
একটি মহাবিশ্বের শূন্যতা,
একটি নিঃশব্দ ঈশ্বর,
একটি পবিত্র ভুল।
আমি ছিলাম না, তবুও আমার অনুপস্থিতি দিয়েই সৃষ্টি হয়েছিল প্রেম।।
