ঈশ্বর, আর আমি যে সইতে পারছি না।”
ঈশ্বর, আর আমি যে সইতে পারছি না।”
ঈশ্বর, আর আমি যে সইতে পারছি না।”
মানুষের কন্ঠ থেকে বেরোনো বাক্যরা- আজ মিথ্যে আর অগভীর ছায়া ছাড়া আর কী!
চারপাশে জাগছে মানব জীবন ।
পৃথিবীটা এখন গেছে ভরে অসত্যে....ধর্ষণে
তোমার ভিতমৃত ক্লান্ত এই আমি বইয়ে দেব
আমার ভিতরের সবটুকু শক্তি দিয়ে
যদিও ব্রহ্মান্ড এর সৃষ্টিকারী ঈর্ষণীয় এক ঈশ্বর
বহু আগে থেকেই
গভীর দৃষ্টিতে পরখ করে চলেছেন গরীব গুর্ব মানুষের বুকের ভেতরে অভ্যন্তরীণ আগুন
এবং
চিরদিনই কিন্তু পৃথিবীর দরিদ্র গরীব গুড়বো মানব সকল অপমানিত আর নিষ্পেষিত
অজানা কোন সুদূরের এক ঈশ্বরের বুকের জ্যোর্তিময় সাংঘর্ষিক শব্দে সর্বদাই আহত;
ওদের জন্য নাকি বৈকুণ্ঠের দ্বার উন্মুক্ত রেখেছেন ঈশ্বর
যেহেতু, আত্মার মধুর আলোকের প্রতি তীব্র গতিতে নির্গত হয় আবেগ;
এসবই হতে পারে তোমার মুক্ত পৃথিবী
যা তোমাকে বারে বারে সিংহাসনচ্যুত করবে তোমার বিলাস ভবন থেকে, তোমাকেও টেনে নামাবে মাটির ধূলায়
নাচগান সব করে দেবে ভণ্ডুল তোমার রানীর পরিচয়...
জীবন বিকাশমান হলেও- জীবন এর যোনিপথ তুমি কর্ষিত কর!
তৈরি কর বিপ্লবের সৈনিক তোমারই বীর্যে।
রাস্তার ওপারে আমার হয়তো এক অচেনা বা হঠাৎ চেনা এক মধ্যে তিরিশ প্রেমিকা দাড়িয়ে দেখে আমাকে
দূর থেকেই সে আমাকে দেখে
পেটের ক্ষিধে এর সাথে মিশে থাকে তার শরীর আর যোনির লুকিয়ে রাখা ক্ষিদে
নতুন নতুন বিপ্লবের সৈনিক এর জন্ম দেবে সেই।
শুনছো নতুন পৃথিবী কান পেতে শোনো
হে ঈশ্বর, আর আমি যে সইতে পারছি না।
একজন বেমানান , নিষ্কর্মা, কামচোর মানুষ আমি,
অর্ধ শতাব্দীর বেশী পুরোনো একটি রিফুজিদের বাড়ি ... অচেনা বা হঠাৎ করে চেনা সেই নারীর বমির শব্দ
প্রতি বছর ,আর স্ফীত হয় তলপেট
আর সেটা আগামী বিপ্লবের স্বার্থে।
কী ক্ষতি মুছে যাচ্ছে কমিউন
মানুষ ফেরাবেই তাদের মুখ একদিন না একদিন।
চিনিয়ে দিও তখন অবস্বাসী বিভীষণ আর ঘাতকদের ।
যেহেতু প্রেরণার রয়েছে ডানা
অন্ধজনকে আমি শক্ত করে টেনে নামাবই নিচে এটাই হলো আমার প্রেম।
তুমি তোমার গর্ভে বিপ্লব কে ধারণ কর।
আমার বীর্যের দাম এখন অনেক।
কী হবে প্রেম দিয়ে? আমার তলপেটে যখন ক্ষিদে এর আগুন ?
সমস্ত পৃথিবী থেকে কমিউনিজম যখন বিলুপ্ত হতে চলে?
রাজা রানী তো এখন নির্বাচিত হয় ধর্মের ভেদাভেদ ,মিথ্যের প্রতিশ্রুতি আর টাকার খেলায়।
আমার জন্য তাই প্রেম মানায় না স্বল্প দিনের চেনা অর্ধচেতন হে নারী।
তুমি আগামী বিপ্লব কে ধারণ কর না হয় আমার
