Maitreyee Banerjee

Drama


5.0  

Maitreyee Banerjee

Drama


পাকা দেখা

পাকা দেখা

7 mins 3.3K 7 mins 3.3K

“কিরে মুখটা ওরকম কচুসেদ্ধর মতো করে একা একা বসে আছিস কেনো?” কলেজ ক্যান্টিনে একটা টেবিলে একা বসে থাকা শালিনীকে জিজ্ঞেস করে ঋক।

“ওরে ছাগল কচু সেদ্ধ খুব ভালো খেতে।আর আমি কচু সেদ্ধ হলে তুই কী?তুই নুন ছাড়া পেঁপের ঝোল।না না।তুই হলি গুবড়ে পোকার চাটনী।” -এর থেকে খারাপ কিছু আর কল্পনা করতে পারে না শালিনী।

“জানোয়াড় বলবি নাকি সব্জি বলবি আগে ঠিক করে নে। তুই বরং ছাগলই বল।ছাগলে কচু খেতে খুব ভালোবাসে।”

“মেরে না থোবড়াটা পুরো ছাঁচি কুমড়োর মত করে দেব।”

শালিনীর এই মজাদার নিষ্পাপ গালাগালগুলো খুব এনজয় করে ঋক। তাই সুযোগ পেলেই ওকে রাগিয়ে দেয়।”থোবড়া বিগড়ে গেলে কিন্তু তোকেই সবাই বলবে তোর বরকে কুমড়োর মত দেখতে।”

“বর কার বর? তুই বাতিল। আজ আমার শাশুড়ি দেখার কথা ছিলো।সেই থেকে সেজেগুজে যাবার জন্য বসে আছি।কতবার ফোন করলাম তোকে।আর তুই কিনা এতোক্ষণে....!!!সম্বন্ধ বাতিল।তুই রিজেক্টেড।”

ঋক ভাবে কদিন ধরে এই এক নতুন ভূত চেপেছে মেয়ের মাথায়।কী না শাশুড়ি দেখতে যাবে।চারিদিকে না কী দেখছে সব সম্পর্কগুলো তিক্ত হয়ে যাচ্ছে শাশুড়ি বৌ এর বনিবনা না হওয়ায়।তাই আগে থেকেই দেখে বাজিয়ে নেবে।পছন্দ না হলে নাকি নো মোর টক্ উইথ ঋক। মনে মনে হাসে ঋক। একবেলা কথা না হলে যার ঠোঁট ফোলে, সে নাকি..! কিন্তু এই পাগলামির ঠেলায় ঋকের জগৎ অন্ধকার।এমনিতে বন্ধু হিসেবে বাড়ী নিয়ে গেল এককথা আর শাশুড়ি দেখতে যাওয়া এক কথা। মাথায় তো গোবর শুকিয়ে ঘুঁটে হয়ে গেছে।অতি উৎসাহে কখন কি প্রশ্ন করে ফেলে।কে জানে যদি বলে বসে “একটু চুলটা খুলে দেখান তো হবু মা।কটা পাকা আছে আন্দাজ করে নিই।নইলে যদি বলেন বৌ এর জ্বালায় চুল পেকে গেছে।” কিংবা “একটু বৌমা বলে ডাকুন তো দেখি।রেকর্ড করে রিংটোন করে রাখি।বিয়ের পর মিলিয়ে দেখব।” নাহ আর ভাবতে পারছে না ঋক।

”কিরে রামগরুড় কি ভাবছিস হাঁ করে ?তোকে লাস্ট বারের মতো চান্স দিচ্ছি।এখনই ফাইনাল বল কবে যাব দেখতে।আর সেইদিন কথার খেলাপ হলে আমি তোকে সেই মুহূর্তেই ত্যাজ্য বয়ফ্রেন্ড করবো।”

“সামনের রবিবার দুপুরে।ওই দিন আস্তে পারলে আয় না হলে একেবারে বিয়ের পরই শাশুড়ি দেখবি।নিয়ে টিয়ে আসতে পারবো না।নিজে চলে আসলে আসবি।ঠিকানা তো জানিসই।” -ঋক জানে রবিবার শালিনীর পক্ষে বেড়োনো কোনওভাবেই সম্ভব নয়।সেদিন ওর বাবা থাকে বাড়ীতে।আর ঋকের ওপর যতই বীরত্ব ফলাক বাবার সামনে মেয়ে একেবারে কেঁচো।

“ওকে ডিল।আমি ডাইরেক্ট তোর বাড়ী পৌঁছে যাবো।ভালো মন্দ রান্না করে রাখতে বলিস।ইম্প্রেস্ড হই যেন।”

রবিবার সকাল এগারোটায় কলিংবেলের আওয়াজ পেয়ে শাশ্বতী দেবী ছেলের উদ্দেশ্যে “ঋক দেখ তো উঠে কে এলো।” অসময়ে কলিংবেলের আওয়াজে তো ঋকের প্রাণপাখী ফুড়ুৎ করার প্রচেষ্টায়।তাহলে কী শালিনী সত্যিই....!ব্যাপারটাকে বেশী ক্যাজুয়ালী নিয়ে ফেলেছে মনে হচ্ছে।এবার কী করবে।মাংসের কড়াই তে থার্মোমিটার ডুবিয়ে জ্বর বলে পড়ে যাবে? নাকি গরম মশালা নাকে ঢুকিয়ে হাঁচতে শুরু করবে??১০ টা হাঁচতে পারলেই শালিনী কেন এসেছিল ভুলে গিয়ে ঋককে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে।

এদিকে ঋকের উদ্ভিজ্জ প্রকৃতির ভাবগতিক দেখে শাশ্বতী দেবী নিজেই রান্না থামিয়ে খুন্তী হাতে নিয়েই দরজা খুলতে গেলেন।দরজা খুলে দেখেন নীল হলুদ চুড়িদার পরা একটা মিষ্টি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

“কাকে চাই মা?”

“আপনিই কি শাশুড়ি..”

“এ্যাঁ!!???”

“মানে আপনিই কি শাশ্বতী আন্টি?”

“ও তাই বলো।আমি তো প্রথমে শাশু..।।কানটা গেছে আর কী।ছাড়ো তুমি কি ঋকের বন্ধু?”

ততক্ষণে হৃদপিন্ডের দামামাধ্বনি কে বস্তা চাপা দিয়ে ঋকও মায়ের পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে।

“কি ছেলে রে তুই।আমায় নেমন্তন্ন করেছিস এদিকে মনে হচ্ছে শাশু...তী আন্টি কে কিছুই বলিসনি?”

“না মানে তুই ..মানে...”

“একীরে ঋক ..আমায় বলতে না হয় ভুলে গেছিস কিন্তু তাই বলে মেয়েটা আজ প্রথমবার এলো আর তুই দরজায় দাঁড় করিয়ে মানে মানে করে যাচ্ছিস..।দিন দিন অভদ্র হচ্ছো তুমি।এসো মা তুমি ঘরে এসো তো আগে।”

ঋক ভাবে বেচারী মা। জানে না তো দিন দুপুরে একটা আস্ত পেত্নীকে ঘরে ঢোকাচ্ছে।সুযোগ পেলেই ঘাড় মটকাবে।

শালিনী তখন গুছিয়ে বসে “তাহলে আন্টি কাজের কথা আগে সেরে নেওয়া যাক?”

“মানে? কাজ আমার সাথে?! ” অবাক হন শাশ্বতী দেবী।

“আরে মা ওর কবে থেকে তোমার সাথে আলাপ করার আর তোমার হাতের রান্না খাবার ইচ্ছা।এত শুনেছে তোমার কথা।তাই মজা করে বলছে...।ও মানে খুব মজাদার মেয়ে তো।” সামাল দেবার আপ্রাণ প্রচেষ্টা ঋকের।এদিকে বুকের ভেতর হৃদপিন্ডটাকে আর শান্ত রাখা যাচ্ছে না।এতই লাফাচ্ছে এবার লাফ মেরে বেড়িয়ে না পড়ে যায়।

শালিনী ভাবে ছেলেটা তো দেখছি কিছু বলে রাখেনি। বেচারা হবু শাশুড়ি মা। একটু প্রস্তুতি তো লাগে না কী।।পাকা দেখা বলে কথা। বেচারা ফার্স্টেই আউট হয়ে যাবে যে। খুব দু:খ হয় শালিনীর হবু শাশুড়ি মার জন্য।

প্রাথমিক আলাপ পরিচয়ের পর আস্তে আস্তে পয়েন্টে আসার ট্রাই করে শালিনী।

“আচ্ছা আন্টি এই যে তখন আপনি ঋক কে অভদ্র বলে বকলেন, তা ওরকম অন্য কেউ যদি ঋক কে বকে...মানে অবশ্যই কারণবশত ..এই ধরুন হুঁকোমুখো বা ল্যাজঝোলা...তাহলে কি আপনি ছেলের পক্ষ নিয়ে তাকে বকে দেবেন নাকি বকার কারণ টা বোঝার চেষ্টা করবেন...?” শালিনীর প্রশ্ন শুনে ঋকের বিষম লাগার জোগাড়।

এদিকে শাশ্বতী দেবীর মুখে স্মিত হাসি। ”এরকম মিষ্টি করেও বকা যায় বুঝি? এরকম হলে আমি তো অবশ্যই যে বকছে তার দলে যোগ দিয়ে হাঁড়িচাচা, সজারুকাঁটা বলে ঋককে আগে বকে নেবো তারপর কারণ জিজ্ঞেস করবো।”

ভীষণ অবাক হয়ে যায় উত্তর শুনে শালিনী।ভাবে উনি তো আসলে জানেনই না ওনার পাকা দেখা হচ্ছে, তাই মজা করে উত্তর দিলেন।যাক পরের প্রশ্ন করি।

“আন্টি আপনি দেরী করে ঘুম থেকে উঠতে পারবেন দরকার হলে?” পরের প্রশ্ন শালিনীর।

“এটা তো ঠিক বুঝলাম না মা। আমি দেরী করে উঠলে সব কাজ কর্মের কী হবে?সকালে কত কাজ থাকে রোজকার।আর দেরী করে উঠতে যাবই বা কেনো?”

“এই ধরুন আপনার ছেলে আর ছেলের বৌ...মানে একদিন তো আপনার ছেলের বিয়ে হবে তখন...ধরুন আমরা মানে ওরা ছুটির দিনে একটু বেলা অবধি ঘুমাচ্ছে।মানে খুব বেলা নয়।মিডিয়াম বেলা।তখন কি আপনি তাড়াতাড়ি উঠে গেছেন বলে আর কাজগুলো আপনার দিকে চেয়ে উঁকি মারছে বলে বৌ এর ওপর চেঁচাতে থাকবেন ? নাকি আবার আর একটু শুয়ে পড়ে ভাববেন একসাথেই উঠবো না হয়। হোক না দেরী একটু কাজের।না হলে শুধু ওরা পরে উঠলে বেচারা ছেলে মেয়েটা লজ্জা পাবে।ছুটির দিনে সকাল বেলা অস্বস্তিতে ভুগবে।”

প্রশ্ন শুনে হেসে ফেলেন শাশ্বতী দেবী।মুখে বলেন “বৌ দেরীতে উঠলে অস্বস্তি হবেই বা কেনো।নিজের মা র কাছে যদি সে দেরী করে উঠতে পারে, আমার ছেলে যদি দেরী করে উঠতে পারে তাহলে বৌ এর উঠতে দোষ কোথায়?আর সারা সপ্তাহ অফিস করে একদিন তো দেরীতে উঠতেই পারে।তবে রোজ রোজ আলসেমী করে দেরীতে ওঠা কারুরই উচিত নয়।সকাল সকাল উঠলে শরীর মন বেশী ভালো থাকে।” মনে মনে ভাবলেন আজ পর্যন্ত কেউ তাকে কখনো বেশীক্ষণ শুতে বলেনি, শরীর খারাপ হলেও একটু বেশীক্ষণ শোবার যো ছিলো না।আর এই ছোটো মেয়েটা কেমন অন্যভাবে যেন সবকিছু বিশ্লেষণ করলো।ভাবনার গোড়াটাকেই চেন্জ করে দিতে চাইছে।

ঋকের তো এদিকে রীতিমতো দাঁতকপাটি লাগার জোগাড়।বুঝে উঠতে পারছে না ওর কোনোদিন মৃগী রোগ ছিলো কিনা।

“আচ্ছা আন্টি আপনি তো ব্যাঙ্কে কাজ করেন।আপনার উপার্জিত রোজগার আপনি কোন খাতে কিভাবে ব্যবহার করবেন সেই চিন্তাটাও কি আপনাকেই করতে হতো বা হয় আন্টি? নাকি কখনো কেউ হেল্প করেছে?”

মাঘের সকালেও রীতিমতো ঘেমে উঠেছে ঋক।এতো পুরো মাতঙ্গিনী হাজরা।আজ দুপুরে খাওয়া আর জুটবে বলে মনে হচ্ছে না।ত্যাজ্য বয়ফ্রেন্ড হোক না হোক, ত্যাজ্য পুত্র তো আজ তার কপালে নাচছেই। ঢোক গিলে একটু কেশে যেই মুখটা খুলতে গেল ঋক, তখনই শাশ্বতী দেবী আবারও মুখে এক গাল হাসি এনে বললেন, “আমি মনে করি সংসার সামলে বাইরের কাজও যে সামলাচ্ছে, তার থেকে ভালো কেউ বুঝবে না, তার নিজের রোজগারের টাকা কোন খাতে সে খরচ করবে।” মনে মনে অবাক হলেন মিষ্টি মেয়েটির প্রশ্নের আড়ালে থাকা আসল বিচক্ষণ ভাবনার।বুঝতেই পারছেন মেয়েটি ঋকের কে।একটু দু:খ পেলেন ভেবে যে ছেলেটা নিজে থেকে বলে উঠতে পারলো না। যাই হোক এ মেয়ে যদি সত্যিই ঋকের গার্লফ্রেন্ড হয় তাহলে ছেলের পছন্দ আছে বলতে হবে।বরাবরই তিনি গুণের কদর করতে ভালোবাসেন।

“বিয়ের পর আপনি কি পড়াশুনা শুরু করতে চান নতুন করে?বা অন্য কোনো কিছু যা আগে করা হয়ে ওঠেনি সেরকম কিছু শুরু করতে চান?” কৌতূহলী প্রশ্ন শালিনীর।

ঋক ভাবে এই রে মনে হয় নেট দেখে শাশুড়ি বউ এর ডায়লগ্ ঝেড়েছিল পাগলীটা। তাড়াহুড়োতে গুলিয়ে নিজেই শাশুড়ির পার্ট বলে ফেলছে।

এবার বিস্ময় শাশ্বতী দেবীর চোখেও।”কি বলছো তুমি? কার বিয়ের পর? কে কি পড়বে?”

“মানে আন্টি ঋকের থেকে শুনেছি আঙ্কেল চলে যাবার পর একা হাতে সংসারের হাল ধরতে গিয়ে, শ্বশুর শাশুড়ির ছেলে সামলে , অন্যদিকে চাকরী করে আপনার আর মাস্টার্স করা হয়ে ওঠেনি। ঋকের কাছে শুনেছি আপনার উচ্চ শিক্ষার বরাবরই খুব ইচ্ছা ছিলো।আর আগে যে তানপুরাটা নিয়ে বসতেন, সেটাও কবেই বন্ধ হয়ে গেছে।তাই বলছিলাম ছেলের বিয়ের পর, বৌমা যদি পিএইচডি করে , মানে ধরুন এমন একটা বৌমা পেলেন যে পিএইচডি করতে চায়, তাকে সঙ্গ দিতে আপনিও মাস্টার্সটা আবার শুরু করলেন।দুজন দুজনকে উৎসাহ দিয়ে পড়লেন ওই আর কী।কিংবা সন্ধ্যেবেলার ওই কাঁদুনে গুলো টিভি তে না দেখে , আর প্রতিবেশী আন্টিদের পরচর্চা গ্রুপে যোগ না দিয়ে যদি একটু তানপুরা নিয়ে বসেন।সেটাই জানতে চাইছিলাম আর কিছু না।”

কেঁদে ফেললেন শাশ্বতী দেবী “তুই কি আগের জন্মে আমার মা ছিলিস্? মেয়ে হয়ে এজন্মে এসেছিস আমার অপূর্ণ শখ গুলো মেটাতে? আমার কি এত ভাগ্য হবে?”

এরকম রিএকশ্যান্ টা শালিনী ঠিক আশা করেনি।তাই আকস্মিক বিহ্বলতা কাটিয়ে উঠে শালিনী উঠে গিয়ে জড়িয়ে ধরে আন্টিকে “এমা কাঁদছো কেনো।এই তো তোমার পাকা দেখা হয়ে গেল। তুমি সিলেক্টেড।আর কষ্ট করে তোমাকে নতুন সম্বন্ধের জন্য বসতে হবে না।” শাশ্বতী দেবী ভাবেন মেয়েটা একটা মাটির দলা।ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কিছু বলতেই শেখেনি।যা মনে আসছে বলে দিচ্ছে।আর মনটা একদম খোলা বইএর মতো।এরকমই তো একটা মেয়ের ওনার কতোদিনের শখ।

“কিন্তু আমার কিছু একান্তে তোমার সাথে কথা আছে। আর যখন তুমি শাশুড়ি হিসেবে সিলেক্টেড হয়েই গেছো, তখন এবার বুঝে নাও আমিই তোমার বৌমা।আর একান্তে কথা বলাটা কিন্তু পাকা দেখার রুলস্ এই আছে। চলো তো দেখি।”

ঋকের ব্যাঙের মতো গোল গোল চোখকে পাত্তা না দিয়ে হবু শাশুড়ি - হবু বৌমা মিলে দোতলার দিকে রওনা দিলো।

দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে শালিনীই আগে মুখ খুললো “তোমার কিছু বলার বা জানার থাকলে জিজ্গ্যেস করতে পারো।আমার শুধু একটাই সিক্রেট আছে।আমার মাঝরাতে খুব ক্ষিদে পায়।তখন আমি গুঁড়ো দুধ চুরি করে খেয়ে নি।এটা প্লিজ ঋক কে বলো না।তাহলে আমায় বাকী কলেজটা হ্যাংলাপুঁটি কড়াইশুঁটি বলে জ্বালাবে।”

অট্টহাস্যে শাশ্বতী দেবী বললেন “না রে কাউকে বলবো না যদি তুই আমাকেও একটু চুরির ভাগ দিস। আর আমার শুধু একটাই দাবী।তুই আমায় একটু ফেসবুকটা শিখিয়ে দিস তো।এই মা মেয়ে মিলে সেলফি তুলে দেব ফেসবুকে আর ঋকটা লাইক দেবে।”

“সে না হয় দেব কিন্তু এখন চলো এবার কিছু খেতে দাও।খাবার পছন্দ না হলে কিন্তু আবার রিজেক্ট হয়ে যেতে পারো।”

খুশীমনে বাড়ী ফেরার সময় ছোটবেলায় মা কে হারানো মেয়েটা ভাবলো “Project পাকা দেখা of শাশুড়ি আর তার complete হলো না।তার বদলে পাকা দেখে একটা মা ঠিক করে ফেললো সে।”

--


Rate this content
Log in