STORYMIRROR

Hridita Roy

Inspirational

3  

Hridita Roy

Inspirational

হৃদয় তমসা🖤🖤

হৃদয় তমসা🖤🖤

4 mins
242


অন্ধকারে মুখ লুকিয়ে আলোর খোঁজ কী চলে

সত্যি কারে চাও গো আলো 

দাও জানালা খুলে


রাতের অন্ধকারের গভীরতা কখনো অনুভব করেছেন আপনারা।কৃষ্ণ পক্ষের রাতে নিরাক পড়া আকাশের নিচে দাড়িয়ে সেই কালো রং টা কখনো দাঁড়িপাল্লা এ ওজন করে তার ভার মেপেছেন। সেই তমসা কি সবচেয়ে গভীর আপনার কাছে। 


অনেকের কাছে হয়তো এরম রাতে নদীর পারের গভীরতা বেশি হবে,অনেকের কাছে কোনো ভুতুড়ে  

বাড়ি বা কোনো পুরোনো ভাঙা মন্দিরের আধার টা বেশি গভীর হবে।


সবার মতামত ভিন্ন হলেও একটা ব্যাপার মিলে যায় তা হলো আলোর অভাব।একটা মোমের শিখা বা এক চিলতে রোদ সেই আধার অনায়াসে সরিয়ে দিতে পারে।কিন্তু সবচেয়ে গভীর তো সেই আধার যা সূর্য দেব প্রতিনিয়ত চেষ্টা করেও ঘোচাতে পারেন না।আপনারা কি জানেন কি সেই আধার???  


হ্যা,মনের আধার।সবচেয়ে ভয়ংকর আমার কাছে,সবচেয়ে গভীর, সবচেয়ে ভারী।


এই আধার এতোটা কালো যা একজন মানুষকে প্রতিনিয়ত কৃষ্ণ গহ্বর এর অতলে ঠেলতে পারে।


এই আধার আমাদের সমাজকে,আমাদের মানসিকতা কে, আমাদের নিজস্বতাবোধ কে গলা টিপে মেরে ফেলে।আমরা প্রানী হিসেবে মানুষ থাকলেও মনের দিক থেকে মানুষ আার হতে পারি না।কিভাবে জানতে চান?? তবে শুনুন । 



আমরা রাস্তাঘাটে একটা মেয়েকে western dress এ দেখলেই তার সাথে কথা বলার আগেই তাকে উশৃঙ্খল,অসভ্যদের দলে ফেলে দেই।


আবার কেউ ইংরেজি ভাষায় বা আদবকায়দায় দক্ষ না হলে তাকে ফেলি অশিক্ষিত গেয়োদের দলে।



কথায় কথায় নিজের গায়ের দিকে না তাকিয়ে অন্যর ওপর সহজে আঙ্গুল তুলি দেই।দোষ দিতে থাকি।কখনো এটা ভাবি না এরম অবস্থায় আমি নিজে থাকতে পারতাম বা আমার situation টা এমন হতে পারে। 



যখন কোনো মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয় তখন সেই নোংরা মানসিকতার ধর্ষণকারী কুকুদের দোষ না দিয়ে অসহায় মেয়েটির দোষ দেওয়া হয়।সবচেয়ে কষ্ট হয় যখন নারী হয়ে আরেক নারীকে এই অপমান করে আমাদের পাড়ার কাকিমারা।এটা ভাবে না বাজার থেকে ফেরার পথে সে নিজেও রেপ হতে পারে,কিংবা তার মেয়েও এরম অবস্থার শিকার হতে পারে। 




সন্তান হয়ে বাবা মাকে যখন বৃদ্ধ আশ্রমে দিয়ে আাসে মানুষ তখন এটা ভাবে না সে নিজেও একদিন বৃদ্ধ হবে।তখন তার সন্তান যদি তাকে বৃদ্ধ আশ্রমে দিয়ে আসে তখন কেমন লাগবে।



এরকম হাজারটা উদাহরন দেয়া যায়।কিন্তু এতো কথা বলার একটাই কারন যে এই মানসিকতার মানুষদের মধ্যে শুধু পুরোনো চিন্তাধারার মানুষ নয় বরং বড়ো বড়ো সার্টিফিকেট ধারী মানুষ ও আছেন।শিক্ষা গ্রহনের পরও তাদের মনটা আজও আঁধারে রয়ে গেছে। 


আপনাদের সবার কাছে একটা অনুরোধ করব নিজের মনের জানালাটা খুলুন।আলো কখনো কার্পণ্য না করে যেদিকে পথ পায় সে দিকেই প্রবেশ করে।আলোকে নিজের মনের তমসা কাটাতে আমন্ত্রিত করুন। নিজেকে আলোকিতো করুন। নিজের মানসিকতাকে আালোকিতো করুন। তবেই আমাদের পৃথিবীটা আরও রঙিনআর সুন্দর হতে পারবে






অন্ধকারে মুখ লুকিয়ে আলোর খোঁজ কী চলে

সত্যি কারে চাও গো আলো 

দাও জানালা খুলে



রাতের অন্ধকারের গভীরতা কখনো অনুভব করেছেন আপনারা।কৃষ্ণ পক্ষের রাতে নিরাক পড়া আকাশের নিচে দাড়িয়ে সেই কালো রং টা কখনো দাঁড়িপাল্লা এ ওজন করে তার ভার মেপেছেন। সেই তমসা কি সবচেয়ে গভীর আপনার কাছে। 


অনেকের কাছে হয়তো এরম রাতে নদীর পারের গভীরতা বেশি হবে,অনেকের কাছে কোনো ভুতুড়ে  

বাড়ি বা কোনো পুরোনো ভাঙা মন্দিরের আধার টা বেশি গভীর হবে।


সবার মতামত ভিন্ন হলেও একটা ব্যাপার মিলে যায় তা হলো আলোর অভাব।একটা মোমের শিখা বা এক চিলতে রোদ সেই আধার অনায়াসে সরিয়ে দিতে পারে।কিন্তু সবচেয়ে গভীর তো সেই আধার যা সূর্য দেব প্রতিনিয়ত চেষ্টা করেও ঘোচাতে পারেন না।আপনারা কি জানেন কি সেই আধার???  


হ্যা,মনের আধার।সবচেয়ে ভয়ংকর আমার কাছে,সবচেয়ে গভীর, সবচেয়ে ভারী।


এই আধার এতোটা কালো যা একজন মানুষকে প্রতিনিয়ত কৃষ্ণ গহ্বর এর অতলে ঠেলতে পারে।


এই আধার আমাদের সমাজকে,আমাদের মানসিকতা কে, আমাদের নিজস্বতাবোধ কে গলা টিপে মেরে ফেলে।আমরা প্রানী হিসেবে মানুষ থাকলেও মনের দিক থেকে মানুষ আার হতে পারি না।কিভাবে জানতে চান?? তবে শুনুন । 



আমরা রাস্তাঘাটে একটা মেয়েকে western dress এ দেখলেই তার সাথে কথা বলার আগেই তাকে উশৃঙ্খল,অসভ্যদের দলে ফেলে দেই।


আবার কেউ ইংরেজি ভাষায় বা আদবকায়দায় দক্ষ না হলে তাকে ফেলি অশিক্ষিত গেয়োদের দলে।



কথায় কথায় নিজের গায়ের দিকে না তাকিয়ে অন্যর ওপর সহজে আঙ্গুল তুলি দেই।দোষ দিতে থাকি।কখনো এটা ভাবি না এরম অবস্থায় আমি নিজে থাকতে পারতাম বা আমার situation টা এমন হতে পারে। 



যখন কোনো মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয় তখন সেই নোংরা মানসিকতার ধর্ষণকারী কুকুদের দোষ না দিয়ে অসহায় মেয়েটির দোষ দেওয়া হয়।সবচেয়ে কষ্ট হয় যখন নারী হয়ে আরেক নারীকে এই অপমান করে আমাদের পাড়ার কাকিমারা।এটা ভাবে না বাজার থেকে ফেরার পথে সে নিজেও রেপ হতে পারে,কিংবা তার মেয়েও এরম অবস্থার শিকার হতে পারে। 




সন্তান হয়ে বাবা মাকে যখন বৃদ্ধ আশ্রমে দিয়ে আাসে মানুষ তখন এটা ভাবে না সে নিজেও একদিন বৃদ্ধ হবে।তখন তার সন্তান যদি তাকে বৃদ্ধ আশ্রমে দিয়ে আসে তখন কেমন লাগবে।



এরকম হাজারটা উদাহরন দেয়া যায়।কিন্তু এতো কথা বলার একটাই কারন যে এই মানসিকতার মানুষদের মধ্যে শুধু পুরোনো চিন্তাধারার মানুষ নয় বরং বড়ো বড়ো সার্টিফিকেট ধারী মানুষ ও আছেন।শিক্ষা গ্রহনের পরও তাদের মনটা আজও আঁধারে রয়ে গেছে। 


আপনাদের সবার কাছে একটা অনুরোধ করব নিজের মনের জানালাটা খুলুন।আলো কখনো কার্পণ্য না করে যেদিকে পথ পায় সে দিকেই প্রবেশ করে।আলোকে নিজের মনের তমসা কাটাতে আমন্ত্রিত করুন। নিজেকে আলোকিতো করুন। নিজের মানসিকতাকে আালোকিতো করুন। তবেই আমাদের পৃথিবীটা আরও রঙিন আর সুন্দর হতে পারবে







Rate this content
Log in

Similar bengali story from Inspirational