ক্লান্ত পলাতক!
ক্লান্ত পলাতক!
রাত্রি যখন ঘিরে ধরে এই পলাতক মন,
জবাব চায় কোথায়? কোথায়?চললে বাছাধন?
প্রতিউত্তর দিতে গিয়ে মস্তিক যখন কিংকর্তব্যবিমুঢ় রয়ে যায়,
হৃদয়স্পর্শ করে মৃদু হাওয়া যেনো হারিয়ে যায় কোথায়!?
রাত্রি মোরে আবার প্রশ্ন করে,
আমার আবেগ অনুভূতি ঘিরে ধরে।
আমি যখন তারে বলি ছেড়ে দাও আমি যেতে চাই,
সে বলে, এখন তো আর যাওয়ার পথ নাই।
যখন বলি আমি আমার পথ নেবো নিজে খুঁজে,
আমি টপকে যাবো সমস্ত বিপদ, সুযোগ বুঝে।
রাত্রি বলে, আচ্ছা! যেতে দেবো তোমায়,
কিন্তু! ক্লান্তির সংজ্ঞা দাও আমায়।
এ এমন বিষয় কি আমি তো রোজেই তারে দেখি,
ক্লান্তি তো তাহাই, যেটা নিয়ে রোজ নতুন কবিতা লেখি।
ক্লান্তি তো তাহাই ,যেটা রোজ আমায়, তোমায় গ্রাস করে,
ক্লান্তি তো তাহাই যেটা সকল রক্তমাংসে গড়া জীবেদের আঁকড়ে ধরে।
ওহে রাত্রি মোরে যেতে দাও, প্রত্যুষের অপেক্ষায় আমি হতে চাইনা ক্লান্ত,
কী হলো? রাত্রি,তুমি চুপ? তুমি কি আমার উত্তরে শান্ত!?
রাত্রি আবার বলে, তুমি তো দেখি সত্যিই ছন্নছাড়া,
ঠিক আছে যাও, খুঁজে নাও তোমার আশ্রয় সেই নির্জন পাড়া।,
ওহে রাত্রি,
যখন ওই পলাতক মস্তিষ্কে সফলতার বোঝা অনেক ভারী,
ওহে রাত্রি, তুমি তো জানো আমি ক্লান্ত, আমি দিকভ্রান্ত দিশারী।
ওহে রাত্রি,
আমি ভবঘুরে, ওহে আমি এক শেষ ট্রেনের যাত্রী।
✍️ ছন্নছাড়া
