STORYMIRROR

Ummar Faruk

Drama

3  

Ummar Faruk

Drama

কাজিন রিলেটেড

কাজিন রিলেটেড

8 mins
8

#মাহিয়া (কাজিন রিলেটেড)
#সোহানা_পারভিন_sohana_parvin
#সূচনা_পর্ব
#পর্ব -০১
(🚫 কপি করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ)

বৃষ্টি মুখর দিনের আবহাওয়া যেনো এক অন্যরকম মাদকতা তৈরি করে।আকাশ জুড়ে মেঘের ঘনঘটা,বৃষ্টির ফোঁটার অবিরাম ধারা,আর ভেজা মাটির সুভাস সব মিলিয়ে এক অনবদ্য পরিবেশ তৈরি করে।বৃষ্টির শব্দ যেনো এক সুরেলা গান,যা মনকে শান্ত করে চিন্তা গুলোকে পরিষ্কার করে, আর মনকে একধরনের প্রশান্তিতে ভরিয়ে দেয়। বৃষ্টি মুখর দিনে প্রকৃতি যেন আরো বেশি করে নিজের রূপ প্রকাশ করে,আর মানুষের মনটা একটু বেশি করে ভালো লাগার অনুভূতিতে ভরে ওঠে, এই দিন গুলোতে জীবনটা যেনো আরো বেশি করে উপভোগ্য হয়ে ওঠে। 
বৃস্টির পর মাঠ ঘাটে জল জমেছে ,সেই জলে পা ভিজিয়ে নিজ মনে হেঁটে যাচ্ছে এক রমণী,পরনে কালো রাঙা একখানা ওয়ান পিস ,সাথে সাদা রঙের প্যান্ট, খোলা চুল গুলো প্রকৃতির বাতাসে এলোমেলো হয়ে উড়ছে ,খানিকটা জলে ভরা মাঠের মধ্যে নিজ মনে হাঁটছে সেই রমণী,বলতে গেলে উপভোগ করছে সে এই সময়টাকে ,এই বৃষ্টিভেজা দিন কার না ভালো লাগে সবারই পছন্দ,মেয়েটা তার টানা টানা ডাগর ডাগর চোখ ফিরিয়ে এদিকে সেদিকে বার বার তাকাচ্ছে, ওষ্ঠে লেগে আছে এক স্নিগ্ধময় হাসি যা কোনো যুবকের মন কেড়ে নিতে সক্ষম ,মেয়েটার নাম "মুসকান মাহি শেখ",বয়স এই আঠারোতে পা দিয়েছে ,গায়ের রং দুধে আলতা ফর্সা ,চোখ গুলো টানা টানা কালো রঙের মনির অধিকারী,গোলাপের পাপড়ির মত ওষ্ঠ যেখানে সবসময় ঝুলে আছে এক স্নিগ্ধময় হাসি,হাইট বেশি একটা নয় পাঁচফুট এর একটু বেশি হবে হয়তো,,তবে বেশ মায়াবতী যে কারো একবার দেখেই মনের মধ্যে ভালোলাগার ছাপ ফেলতে পারে,মেয়েটা হাঁটছে মেয়েটার পিছন পিছন হাঁটছে এক যুবক পরনে ব্ল্যাক কালারের শার্ট ,সাথে ডেনিম জিন্স প্যান্ট, গায়ের রঙ উজ্জ্বল ফর্সা, চুল গুলো সেট করা জেল দিয়ে ,যেগুলো এখন পড়ে আছে কুচকানো কপালের ওপর, হাইট ছয় -দুই লম্বায়,জিম করা বডি ,শার্টের ভাজে ভাজে শরীরের ভাঁজ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ,জার জন্যে বেশ আকর্ষণীয় লাগছে পঁচিশ বছরের যুবককে, ইগলের মত চোখের চাহনি যেই চোখে ধরা পড়েছে সেই রমণীর প্রতিবিম্ব,যুবকের নাম হলো "মোজাইমিন মাহিন দিন"।

মেয়েটা হাঁটতে হাঁটতে বেশ খানিকটা এগিয়ে গিয়ে নিজের কাজিন দের সাথে এগোতে লাগলো, সবাই মিলে গল্পঃ করছে ,মাহিও গিয়ে সকলের সাথে যোগ দিলো ,মাহিকে দেখে মাহি ছোটো বোন " নিশা শেখ" খানিকটা ব্যঙ্গ করে বলে উঠলো 
--- কিরে তুই আমাদের সাথে কি করিস ,যা পেছনে তোর ফিউচার আসছে তার সাথে যা ---
নিশার কথা শুনে মাহি উল্টো দিকে মুখ ভেংচিয়ে বলে উঠলো
--- আমার যার সাথে ইচ্ছা হয় আমি তার সাথে যাবো, আর তোর যদি এতই দরদ হয় তুই যা ওর সাথে হেঁটে হেঁটে আই ---

 মাহির এমন কথা শুনে নিশা আর কিছু বলল না শুধু মুখটা অন্য দিকে ফিরিয়ে নিল...।

কিছুটা দুর যাওয়ার পর ,আবার যে যার নিজের মতো ফিরে আসলো পিচঢালা সড়কের ওপর ,সেখানে আগে থেকেই দাড়িয়ে ছিল মাহিনের ড্রাইভার ও তার এসিস্ট্যান্ট।

সকলেই একে একে পিচঢালা সড়কের ওপর উঠে যে যার নিজের কাপড় ঝাড়তে শুরু করলো ,পানিতে ভিজে জুবুথুবু গেছে খানিকটা ,সকলে যখন নিজের কাপড় ঝাড়তে ব্যাস্ত তখন মাহির চোখ গেলো দূরে এক বিক্রেতার দিকে যার কাছে তেতুঁল,আম, আমলকী,বেল বিভিন্ন ধরনের আচার বিক্রি হয়,দূরে ওই আচার বিক্রেতাকে দেখে মাহির মুখে জল চলে এল কিন্তু দুঃখের বিষয় মাহির কাছে এক টাকাও নেই ,সে এই মাঠে ঘুরতে আসার সময় ভুল করে নিজের ব্যাগ বাড়িতেই ফেলে আসে ,তখন সে পিছন ঘুরে নিজের আপুদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার জন্যে যেই পিছনে ঘুরেছে ওমনি চোখ পড়ল সকলে তাকে ছেড়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে ,ওদের সকলকে ডাকতে গেলে এদিকে বিক্রেতাও পালিয়ে যাবে তাই মাহি কি করবে বুঝতে না পেরে এদিকে সেদিকে চোখ ফিরাতে লাগলো তখনই চোখ গেলো মাহিনের দিকে যে এখন নিজের গাড়ির আগের দিকে হেলান দিয়ে ফোন টিপতেই ব্যাস্ত , আর কোনো উপায় না পেয়ে ধীর পায়ে এগিয়ে গেলো মাহি মাহিনের দিকে..

মাহিনের সামনে গিয়ে ধীরে সুস্থে বলে উঠলো
--- ভাইয়া---

মাহিন নিজের আগের দিকে করো উপস্থিতি বুঝতে পেরে চোখ তুলে চাইল তখন দেখলো তার সামনে দাড়িয়ে আছে মাহি।
মাহিকে দেখে মাহিনের ভ্রু - কুচকে গেলো ,তারপর আবার নিজের ফোনের দিকে দৃষ্টি রেখে উত্তর দিল
--- হমম---
মাহি এবার একটু আবদারের সহিত বলে উঠলো ।
--- "ভাইয়া", আমাকে একটু আচার কিনে দিতে পারবে ,আসলে আমি আমার ব্যাগটা বাড়িতেই ভুলে ফেলে এসেছি, আর আমার কাছে কোনো টাকাও নেই তাই আপনি যদি কিনে দিতেন.....

মাহির কথা শুনে মাহিন ফোনটা নিজের পকেটে ঢুকিয়ে সোজা হয়ে মাহির সামনে দাড়িয়ে বাম ভ্রু উঁচিয়ে বলে উঠলো
--- আমি কেনো তোকে কিনে দেবো ---
মাহিনের কথা শুনে মাহির মুখটা অপমানে থমথমে হয়ে উঠলো ----
মাহিনের এমন কথা শুনে মাহির অনেক রাগ হলো ,কিন্তু প্রকাশ করলো না কারণ তার এখন ওই আচার গুলো চাই তাই অপমানের পরেও মাহিনের উদ্দেশে বলে উঠলো
--- "ভাইয়া" ,আপনি আমাকে কিনে দিন আমি বাড়ি গিয়ে আপনাকে টাকা দিয়ে দেবো।

মাহির কথা শুনে মাহিন ঘাড়টা অন্য দিকে ফিরিয়ে বলে উঠলো আমার কাছে টাকা নেই....

মাহিনের এমন কথা শুনে মাহির অনেক রাগ হলো ,একটু আচার কিনে দিতে বলছে তাতেই এত কিছু , আর বলবেই না এই অভদ্র লোকটাকে কিছু , রাগে অপমানে মাহি আর কথা না বাড়িয়ে পা বাড়ালো বাড়ির উদ্দেশে , মাহিকে এভাবে রেগে যেতে দেখে মাহিন বেশ মজা পেলো......

কিছুটা দুর যাওয়ার পর মাহিন পিছন পিছন গেলো মাহি,মাহিনকে নিজের পিছনে আসতে দেখে মাহি রেগে গিয়ে বলে উঠলো 
--- এই আপনি আমার পিছনে আসছেন কেনো?

মাহিকে এভাবে রেগে যেতে দেখে মাহিন আরো একটু রাগিয়ে দিতে চেয়ে বলে উঠলো 
--- আমার যেখানে ইচ্ছা আমি সেখানে যাবো , আর কে বললো আমি তোর পিছন নিচ্ছি আমি তো রাস্তায় হাঁটছি ,রাস্তাটা কি তোর নাকি?

মাহিনের কোথায় এবার সত্যি সত্যি মাহি রেগে গেলো আর মাহিনের সাথে তর্কে না জড়িয়ে এগিয়ে যেতে লাগলো....।
কিছুটা দুর যাওয়ার পর মাহির পা থেমে গেলো পিছনে টান পড়ায় ,পিছন ফিরে তাকালে চোখ পড়ল মাহিন তার হাতের কব্জি ধরে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকে, মাহিনকে এভাবে তার হাত ধরে রাখতে দেখে মাহি খানিকটা জোর গলায় বলে উঠলো ভাইয়া হাত ছাড়ুন,
মাহির কোথায় মাহিনের কোনো হেলদোল দেখা গেলো গেলো না ,সে শুধু নিজের পকেট হাতড়ে কয়েকটা আচারের প্যাকেট বের করে দিল মাহির হাতের ওপর ,তারপর মাহির দিকে চেয়ে বলে উঠলো
--- এবার খুশি?
মাহিনের কথা শুনে খানিকটা অভিমানী স্বরে মাহি বলে উঠলো লাগবে না আমার।
মাহির এমন অভিমানী কণ্ঠ শুনে বেশ মজা পেলো মাহিন, খানিকটা মুচকি হেসে মাহির হাত থেকে আচারের প্যাকেট গুলো নিয়ে বলে উঠলো মাহিন
--- আচ্ছা যা নিতে হবে না ----
মাহিনের এমন ভাবে হাত থেকে আচারের প্যাকেট গুলো নিয়ে নিতে দেখে মাহির প্রচন্ড রাগ হলো...
এবার সে মাহিনের হাত থেকে আচারের প্যাকেট গুলো কাড়িয়ে নিয়ে একটু রাগ দেখিয়ে বলে উঠলো 
--- 'থাক আপনাকে আর জুতো মেরে গরু দান দেখাতে হবে না'।
মাহিকে এমন ভাবে ছিনিয়ে নিতে দেখে এবার বেশ জোরেই হেসে উঠলো মাহিন।
তারপর মাহির চোখের দিকে চোখ রেখে বলে উঠলো
--- এভাবে আমাকেও ছিনিয়ে নিতে পারবি তো সকলের বিরুদ্ধে গিয়ে ----
মাহিনের এমন কথা শুনে মাহি একবার চোখ তুলে তাকালো মাহিনের দিকে , অতঃপর কিছু না বলেই পা বাড়ালো সামনের দিকে....।

মাহিনও আর কিছু না বলে কল করলো আরিফকে ,আরিফ হচ্ছে মাহিনের এসিস্ট্যান্ট যে সবসময় মাহিনের সাথেই থাকে , কল করে গাড়ি নিয়ে এগিয়ে আসতে বললো...।

শেখ পরিবারে একটা আমেজ আমেজ ভাব ,কারণ শেখ পরিবার ও দিন পরিবার অনেক দিন পর আবার এক হয়েছে ।
শেখ পরিবার হচ্ছে একান্নবর্তী যৌথ পরিবার , হাসিনা শেখ এর চার ছেলে ও এক মেয়ে । বড়ো ছেলে হলেন হাসিবুল শেখ , মেজো ছেলে হলেন মনিরুল শেখ , সেজো ছেলে হলো সাইদুল শেখ ও ছোট ছেলে হলেন মইদুল শেখ...। ও এক মেয়ে হলেন শাহানা দিন যিনি এখন বিবাহিত।

হাসিবুল শেখ এর দুই মেয়ে ও দুই ছেলে ,যারা এখন সকলে বিবাহিত

"মনিরুল শেখ" এর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে ,বড়ো মেয়ে ফিরোজা শেখ এখন বিবাহিত , ও বড়ো ছেলে মিরাজ শেখ, ও ছোটো মেয়ে "নিশা শেখ" ও ছোটো ছেলে " রিয়াজ শেখ"

"সাইদুল শেখ" এর এক মেয়ে ও এক ছেলে, বড়ো মেয়ে "আহিবা শেখ" ছোটো ছেলে " উমর ফারুক"

"মইদুল শেখ" এর তিন মেয়ে ও এক ছেলে.... বড়ো মেয়ে "মুসকান মাহি শেখ " মেজো মেয়ে "মুশতারী শেখ" ও ছোট মেয়ে "সুগন্ধা শেখ" এক ছেলে হলো "রুহুল আমিন"
 

"শাহানা দিন" এর তিন ছেলে ও এক মেয়ে ,মেয়েটা এখন বিবাহিত

শাহানা দিন এর বড়ো ছেলে হলো "রায়হান আমান দিন" ,মেজো ছেলে হলো "রিজুয়ান আদিল দিন" ও ছোটো ছেলে "মোজাইমিন মাহিন দিন" এক মেয়ে "রোমানিয়া দিন" যে এখন বিবাহিত..।

সকলে বসে আছে শেখ বাড়ির হলরুমে বসে বসে আড্ডা দিচ্ছে ,এরই মধ্যে মাহিন এসে পৌঁছাল ,বাড়ি এসে সোজা কোনো দিকে না তাকিয়ে নিজের জন্যে বৈধ করা রুমে ফ্রেশ হওয়ার জন্যে চলে গেলো...।

সকলে বসে বসে আড্ডা দিচ্ছে এরই মধ্যে মাহির ভালো লাগলো না তাই সে ছাদে চলে গেলো কিছুটা সময় কাটানোর জন্যে।মাহিন রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে এসে হলরুমের দিকে এগ্রসর হলো,হলরুমে গিয়ে বসলো ,কিছুক্ষন পর মাহিনের মা এসে মাহিনের উদ্দেশে জিজ্ঞাসা করলো ....বাবা তোমায় এক কাপ কফি করে দেবো ।
মাহিন নিজের মা এর দিকে একবার চেয়ে ঘাড় কাত করে সম্মতি দিলো ....।

কিছুক্ষন বসে বসে এদিকে সেদিকে চোখ ঘুরালো ,উদ্দেশ্য হলো মাহিকে দেখা ,কিন্তু কই? কোথাও নেই মাহি ,মাহিকে হলরুমে না দেখে মাহিন কেমন যেনো ছটফট করে উঠলো ...।মাহিনকে এভাবে অস্থির হতে দেখে অহিবা খানিকটা মজার স্বরে বলে উঠলো ভাই তুমি যাকে খুজছো সে এখন ছাদে আছে ,চাইলে যেতে পারো,আহিবার কথা শুনে মাহিন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখালো না ,ঠিক সেই সময় শাহানা দিন গরম গরম ধোঁয়া উঠা কফি নিয়ে এসে দিলেন মাহিনকে ,তারপর আবার ব্যাস্ত পায়ে চলে গেলেন কিচেনের উদ্দেশে , মাহিন নিজের মাকে যেতে দেখে অগ্রসর হলো নিজের প্রিয়সীর উদ্দেশে ছাদের দিকে পা বাড়ালো...।শেখ বাড়ির ছাদটা ভীষণ সুন্দর ,চারিদিকে বিভিন্ন ধরনের ফুল এর গাছ, তাও আবার বৃষ্টির মধ্যে যেনো নতুন ভাবে জেগে উঠেছে সকলে ,মাহি চুপচাপ ফুল গুলো দেখছে,গাছের পাতার ওপর বৃষ্টির ফোঁটা গুলো হাত দিয়ে ছুঁয়ে দিচ্ছে মাহি...এদিকে তাকে যে কেউ গভীর দৃষ্টিতে গিলে গিলে খাচ্ছে সেদিকে কোনো ধ্যান আছে তার ,না নেই কারণ সে তো নিজ ভাবনাতেই ব্যাস্ত ,তাহলে অন্যদিকে ধ্যান থাকবে কিভাবে? ...।

দূরে দাঁড়িয়ে মাহিন নিজের প্রিয়সীকে দেখছে , আর ভাবছে মাহিনের ফুল এখন অন্য ফুলকে দেখতে ব্যাস্ত ,মাহির দৃষ্টি আকর্ষণ করতে খানিকটা গলা ঝেড়ে উঠলো মাহিন...।
কারো উপস্থিতি টের পেয়ে চমকে উঠে পাশে তাকালো মাহি ,তখনই চোখ গেলো দূরে ছাদের রেলিংয়ে গা এলিয়ে দাড়িয়ে থাকা যুবকের দিকে .. মাহিনকে দেখেও না দেখার ভান করে অন্য দিকে ফিরে চাইলো মাহি... মাহির এমন ব্যাবহার দেখে বেশ মজা পেলো মাহিন....।

( প্রথম পর্ব তাই ছোটো করেই দিলাম ,এবং ভুল ত্রুটি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন ও কোনো ভুল হয়ে থাকলে অবশ্যই জানাবেন সংশোধন করার চেষ্টা করবো, ধন্যবাদ)


Rate this content
Log in

Similar bengali story from Drama