Susanta Santra

Inspirational


3  

Susanta Santra

Inspirational


নো

নো

8 mins 296 8 mins 296

ঘড়ির কাঁটা সকাল সাড়ে আটটা। সকালের রোদটা এইসময় খুব মিষ্টি। গরম লাগে না খুব একটা, বেশ একটা ওম আছে এই রোদটার মধ্যে। অচিরেই শীত এসে দস্তক দেবে। যদিও ইট, কাঠ, পাথরের শহর কলকাতায় শীতের প্রকোপ ইদানিং কমে আসছে। শহর কলকাতায় বসে তাই শীত আর তেমন মালুম হয় না।

অনিকেত বিধাননগর স্টেশনে থেকে সল্টলেকের ওয়েবেল মোড়ের একটা অটোতে উঠে বসল। ট্রেনে একগাদা ভিড় ঢেলে এক প্রকার দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কোনমতে এসেছে সে। মেন লাইনের ট্রেন গুলিতে সকালের দিকে তিল ধারনের জায়গা থাকে না। অটোতে বসে সে একটু স্বস্তি পেলো। ওর আগে তিনজন পেছনের সীটে বসে থাকায়, ও উঠতেই অটো ছেড়ে দিল।

বিধাননগর স্টেশন থেকে ওয়েবেলমোড় আসতে তাও আধঘন্টাখানেক লেগে গেল ওর। পথে হাওয়া খেয়ে একটু স্বস্তি পেল সে। তবে, ওয়েবেলমোড়ের আগেই অটো থেকে নেমে পড়ল সে। সামনেই একটা চায়ের দোকান, সেখানে সকাল সকাল জলখাবারেরও আয়োজন আছে। সাতসকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার ফলে ব্রেকফাস্ট করা হয়নি তার। অটো থেকে নেমে অনিকেত ধীরে ধীরে চায়ের দোকানটার দিকে অগ্রসর হতে লাগল। গরম গরম লুচি তার সাথে আলুর দম, সঙ্গে একটু শসা পেঁয়াজ কুচোনো।

রাস্তার খাবার, যাকে বলে স্ট্রিট ফুড, কিন্তু মহানগরের অনেকটা জুরেই এরাই কিন্তু কলকাতার প্রাণশক্তিকে উজ্জীবিত করে রেখেছে।

স্বল্প পয়সায় পেটকে খুশী করার অন্যতম সাধন হলো এরা। অফিস পাড়ার গ্রান্ডের পাশের গলির পাউরুটি আর আলুর দম, শিয়ালদহ বা হাওড়া স্টেশনের বাইরে পাউরুটি বাটার টোস্ট। যারা এই সব খাবারগুলি কোনোদিন চেখে দেখেননি, তারা কিন্তু কিছু অমূল্য জিনিষের স্বাদ থেকে আজীবন বঞ্চিত থাকবেন। খাওয়া শেষে তৃপ্তির একটা ঢেকুর তুলে, এঁটো প্লেটটা পাশের প্ল্যাস্টিকের গামলাতে নামিয়ে, হাত ধুঁয়ে একটা মাটির ভাড়ে চা নিয়ে সে খেতে লাগলো। সেই সময় সে লক্ষ্য করল দু-তিনজন সুসজ্জিত তার বয়সী ছেলেও দোকানটিতে এসেছে। ওরাও চায়ের ভাড় নিয়ে চা খেলো। চা শেষে ওরা সবাই এগোতে লাগল।

কিছুক্ষণ পরে ওরা প্রত্যেকে একটা বড় সাততলা বিল্ডিংটার কাছে এসে দাঁড়ালো। বিল্ডিংটাতে বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে একটা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের নাম। ঐ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কটার জোনাল অফিস হচ্ছে এটা। গেটের কাছে আসতেই সিকুরিটি ওদের আইডেনটিটি কার্ড দেখে খাতায় এন্ট্রি করলো একে একে। আপনারা ট্রেনিং-এ এসেছেন তো, লিফটে উঠে ফিফথ্ ফ্লোর বলবেন। ওরা দেখলো খাতায় ওদের আগে আরো গোটা দশজনের নাম লেখা হয়ে গেছে। এরা সকলেই ব্যাঙ্কের কর্মচারী। তবে ওদের চাকরির মেয়াদ হলো মাত্র কুড়ি দিন।

চাকরির শুরুতেই ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে একটি ট্রেনিং সেশন করা হয়। এই ট্রেনিংটার নাম ইনডাকসন ট্রেনিং। ট্রেনিং এর মেয়াদ পাঁচ দিন। এই পাঁচ দিনে এদেরকে ব্যাঙ্কের মোটিভ, কাজের ধরন, গতি প্রকৃতি ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে ওয়াকিবহাল করা হবে। এর সাথে সাথে মোটিভেশনও করা হবে। সকলে সবে সবে চাকরি পেয়েছে। পরনে সকলের ফর্মাল প্যান্ট, সার্ট আর পালিশ করা জুতো। ফিফথ ফ্লোরে উঠে লিফট থেকে একটু এগিয়ে একটা সুদৃশ্য কাঁচের দরজা। তার উপরে লেখা ব্যাঙ্কের নাম আর তার পাশে লেখা অ্যাকাডেমি। কাঁচের দরজা ঢেলে ওরা একে একে প্রবেশ করলো।

সামনে নোটিশ বোর্ডে বড় করে লেখা," ইনডাকশন ট্রেনিং এট রুম নম্বর নাইন"। ওরা একে একে নির্দিষ্ট রুমে প্রবেশ করলো। সুদৃশ্য রুম, লাইট, প্রজেকটার, বড় হোয়াইট বোর্ড, হাতলে কার্ড বোর্ড লাগানো বসার চেয়ার দেখে অনেকিতের দারুন লাগলো। সে মনে মনে গর্ব বোধ করলো একটু। রাতদিন এক করে গ্রাজুয়েশন শেষ করে, ব্যাঙ্কের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিল সে। প্রথম বার সে সাকসেসফুল হয় নি আই বি পি এস পরীক্ষায়। কাটঅফ মার্কের নীচে থাকে তার মার্কস, ওর সবচেয়ে কাছের বন্ধু গৌরবের হয়ে যায়। সে দু:খ পেয়েছিল খুব সেদিন। করাত্রি ঘুমাই নি সে। তারপর ওর মা একদিন মাথায় হাত বুলিয়ে মনে করিয়ে দিয়েছিল ওকে কোই মিল গয়া ফিল্মের ঋত্বিকের একটা ডায়লগ।

"এক ওউর ট্রাই" ব্যাস তারপর আবার চেষ্টা আর ফলস্বরূপ চাকরির চিঠি আর আজকের ট্রনিং। সে ও পেরেছে। যদিও গৌরব আর তার ব্যাঙ্ক আলাদা। মাস্টার রোলে তার নামের আগে সই করে সে একটি চেয়ারে গিয়ে বসল। চাপরাসি এসে সবাইকে পেন আর ডাইরি, একটা ফোল্ডার দিয়ে গেল। ট্রেনিংএর স্টাডি মেটেরিয়াল আর রুটীন। সব মিলিয়ে বাইশ জনের মতো ট্রেনী। তার মধ্যে বারো জন ছেলে আর দশ জন মেয়ে। ঠিক সকাল দশটা বাজতে পাঁচ মিনিট আগেই একজন মধ্য বয়স্ক সুসজ্জিত ভদ্রলোক প্রবেশ করলেন।

ক্লাশের সবাই উঠে ওনাকে উইশ করল। উনি প্রতুত্তরে উইশ করে নিজের পরিচয় দিলেন। উনি ওদের কোর্স কন্ডাক্টর, মিস্টার সুব্রত রায়। উনি ক্লাসের সবাইকে বললেন, প্রত্যেক দিন সকাল দশটায় ক্লাস শুরুর আগে একটা প্রার্থনা হবে, প্রজেকটারের মাধ্যমে ছবি দেখানো হবে আর গান। গানটি হলো হিন্দি অঙ্কুশ সিনেমার গান,"ইতনি শক্তি হামে দেনা দাতা"। গান শুরু হতেই সবাই উঠে দাঁড়ালো, এবং গানের কলি সবাই গাইতে লাগলো। অনিকেত গানটি চোখ বন্ধ করে গাইল, ওর মনে হলো সত্যি যেন শরীরে শক্তি আর পবিত্র চিন্তাধারার উদ্রেক হলো গানটি গাওয়ার পর। প্রার্থনা শেষে সবাই নিজ নিজ আসনে বসে পড়ল।

মিস্টার রায় ওদের সবাইকে একটা ওয়েলকাম স্পিচ দিলেন। এরপর ওদেরকে কোর্স সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল করলেন। উনি ওদেরকে বললেন যে এই পাঁচটি দিন ওদেরকে এখানে আনন্দ দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে। ব্যাঙ্কের নিত্য দিনের কাজ, মনোটোনি, একঘেয়েমি এসব থেকে দূরে ওরা যতো পারে এখানে আনন্দ করে যাক। উনি এটাও বলেন একমাত্র একটা আনন্দিত মন'ই পারে অন্যকে আনন্দ দিতে। "সো লেট আস এনজয়"। তারপরে উনি সবাইকে একটা ছোট্ট করে নিজের নিজের পরিচয় পর্ব সারতে বলেন। সবাই একে একে নিজের পরিচয় পর্ব সারে। এইসব করতে করতে ঘড়ির কাঁটা এগারোটা ছুঁলে ____ চা খাওয়ার বিরতি হলো। চা খাওয়ার ফাঁকে একে অপরের সাথে আলাপচারিতা হলো। নির্দিষ্ট সময়ে আবার ওরা ক্লাসে এসে বসলো। পরবর্তী সেশন আইস-ব্রেকিং । অনিকেত উৎসাহর সাথে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল, যে এটাতে কি হবে?

মিস্টার রায় ওদের কে বললেন, "আমরা এগারো জনের একটি করে টিম করব আর একটি গেম খেলবো"। বাইশ জনকে এগারো জন করে ভাগ করে দেওয়া হলো এবং ওদের কে টিম লিডার আর টিমের নামকরণ করতে বলা হলো। দুটো টিম নিজেদের নামকরণ আর লিডার ঠিক করার পর। দু দলের মধ্যে একটি অদেখা বল দিয়ে বল পাসিং গেম খেলানো হলো। দলের একজন অপরজনকে বল্ পাস করবে, এবং যাকে বল্ দেওয়া হচ্ছে তার নাম জোর করে বলবেন। যে ভুল নাম বলবে অথবা যার থেকে বল পেয়েছেন, তাকেই বল ফেরত দেবে, সে আউট হয়ে যাবে। এভাবে কিছুক্ষণ গেম চলার পর এক টিম জিতে যায় অপর জন হারে। এই গেমের পরে সকলে একে অপরের নাম মোটামুটি মনে রাখতে পারছিল। এর পরে ব্যাঙ্কিং আর কাস্টমার নিয়ে কিছু স্লাইড সো দেখানোর পর লাঞ্চ ব্রেক হয় আধ ঘন্টা খানেকের। লাঞ্চের পরে আবার ক্লাস শুরু হয়। পরের সেশন থাকে জেনারেল বিহেভিয়ারের ওপরে। বিকাল চারটের সময় সেদিনকার মতো ক্লাস শেষ হয়। যে যার বাড়ি ফেরে। এভাবে চারটে দিন কোথা দিয়ে কেটে গেল হই হই আর আনন্দ করতে করতে ওরা বুঝতেই পারলো না।

আজ ওদের ট্রেনিংএর শেষ দিন। টি ব্রেক হয়ে গেছে একটু আগে। মিস্টার রায় বলে গেছেন আজ টি ব্রেকের পরে জোনাল হেড আসবেন ওদের সাথে দেখা করতে। রায় স্যার ওদের কে বললেন, জোনাল হেড কিন্তু একজন ক্লার্ক থেকে প্রমোশন নিয়ে আজ জোনাল হেড হ্য়েছেন। তোমরা ওনার সাথে কথা বলে অনুপ্রাণিত হবে। ওরাও তাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকে ওনার আসার। নির্দিষ্ট সময়ে দরজা ঠেলে ক্লাসরুমে যিনি ঢুকলেন তাঁর নাম সত্যবত সেন, জোনাল ম্যানেজার।

ওরা সবাই অবাক বিস্ময়ে দেখলো ভদ্রলোক এক হাতে একটি সাপোর্ট স্টিক নিয়ে ঢুকলেন। সৌম্যকান্তি ভদ্রলোক বাম পাটাকে একটু টেনে টেনে চলছিলেন। মুখে একটি সৌম্য হাসি। ক্লাসের সবাই ওনাকে উইশ করলেন, উনিও প্রতুত্তরে সকলকে উইশ করে নির্দিষ্ট সিটে বসলেন। তারপরে আলাপচারিতা সারলেন সবার সাথে একে একে। ক্লাসের সবাই একটি ক্ষুদ্র ইনেট্রোডাকশন দিল একে একে। উনি সবাইকে বললেন___মন দিয়ে কাজ করতে এবং বললেন কারুর কোন প্রশ্ন থাকলে নির্দ্বিধায় করতে। সবাই চুপচাপ বসে আছে, অনিকেত উঠে জিজ্ঞেস করলো," স্যার, আপনি যদি কিছু মনে না করেন, আপনার জীবনের এই জায়গায় উঠে আসার যে জার্নিটা। তার কথা যদি একটু আমাদের বলতেন"। উনি মিষ্টি হেসে অনিকেতকে বসতে বললেন। "আসলে জানো কি, আমি প্রথম জীবনে ব্যাঙ্কে চাকরি করতে চাই নি" সত্যবত বাবু শুরু করলেন বলা। আমি ছোট্ট থেকে ডিফেন্স জয়েন করতে চাইতাম।

দেশসেবা করবো একজন অফিসার হয়ে এই আমার ড্রিম ছিলো। দু বার আমি এস এস বি যাই। প্রথম বার আমার সেন্টার পরে এলাহাবাদে। পাঁচ দিনের টেস্ট দি, কিন্তু সিলেকশন হয় না। পরের বার আবার পাশ করি এবং আবারও যাই এস এস বি দিতে, এবারের সেন্টার পরে মহীশূরে। স্ক্রিন ইন হই, সব ঠিকঠাকই চলছিল কিন্তু ইনডিভিজুয়াল হার্ডলস টেস্ট দেওয়ার সময় বোর্ড জাম্প বলে একটা টাস্ক করতে গিয়ে, আমার হাঁটু সোজা হয়ে যায়। তা নিয়েও আমি সমস্ত বাকি টাক্স কমপ্লিট করি। সেবারেও আমার সিলেকশন হয় না। পরে জানা যায় আমার বাম পায়ের লিগামেন্ট পুরোপুরি ছিঁড়ে গেছে এবং একটি অপেরাসন হয় আমার। তারপর থেকে আমাকে স্টিক নিয়ে চলতে হয়। আমার ডিফেন্স যাওয়া আর হলো না কারন ডিফেন্সের জন্য আমি মেডিকালি আনফিট ছিলাম।

আমি ব্যাঙ্ক পি ও এক্সাম দিই এবং অকৃতকার্য হই। পরের বার ব্যাঙ্কে ক্লার্ক হিসাবে ঢুকি। তিন বছর চাকরি করার পর ডিপার্টমেন্টাল এক্সাম দিয়ে অফিসার হই। এভাবেই আজ এই জায়গায়। আমার ডিফেন্স জয়েন করা হয়নি ঠিকই সেখানে আমার স্বপ্ন আমাকে সাথ দেই নি কিন্তু দেশ সেবা করার যে স্বপ্ন আমি দেখে ছিলাম, সে স্বপ্ন আমাকে ছেড়ে যাইনি। আসলে কি জানো তো মানুষের আসল শক্তি হলো ইচ্ছে। ইচ্ছেটাই আসলে আসল, ইচ্ছেটা যদি নীরেট হয় বাকিটা পেতে অসুবিধা হয় না কখনো। আর ফেইল মানে জানো তো?

কালাম সাহেব বলে গেছেন F A I L হলো "ফার্স্ট অ্যাটেম্পট ইন লার্নিং" আর END হলো "এফোর্ট নেভার ডাইস"। তাই বন্ধু জীবনে ফেইল করতে ভয় পেয়ো না, যতো ফেইল করবে, তত শিখবে। আর ফেইল কে করে বলোতো? যে পার্টিসিপেট করে সেই। আর যে পার্টিসিপেট করেনি সে কোনদিন ফেইল করেনি। আর একটা কথা বলব রাস্তা কোনদিন শেষ হয়ে যায় না। রাস্তা খুঁজে নিতে হয়। জীবনে সবসময় লক্ষ্য রেখো তারার কাছে লাফ দিয়ে যাওয়ার তাহলে যদি তারা অবধি নাও যেতে পারো চাঁদ অবধি হয়তো পৌছে যাবে।

আর একটা কথা বলে বিদায় নেবো আজকের মতো____কোনদিন অন্যকে হিংসা করো না বরঞ্চ নিজের সাথেই নিজে রেস লড়ো প্রতিনিয়ত আর রোজ নিজেকেই হারাতে চেষ্টা করো, দেখবে তুমি রোজ নতুন করে বাঁচতে শিখছো, নতুন উদ্দীপনার সাথে। জীবনে যেমন "ইয়েস" আছে তেমনি "নো"থাকবে।

নো আসলে তোমার জন্য নেক্সট অপরটুনিটি। তোমাদের সকলকে অজস্র ধন্যবাদ আমাদের ইনস্টিটিউশন জয়েন করার জন্য। তোমাদের সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করি। সত্যবত রায় যতক্ষণ বলছিলেন, সমস্ত ক্লাসে এক অখন্ড নীরবতা ছিল।

প্রত্যেকে মন দিয়ে শুনছিলেন "এক না কে হ্যাঁ করার গল্প"। সবাই উঠে করতালিতে ওনাকে অভিবাদন জানালেন। ট্রেনিং শেষে অনিকেত ঘরে ফিরছে। আজ যেন সে নতুন উদ্দীপনার এক নতুন অনিকেত। যে শিখে এসেছে জীবনের মন্ত্র ______নো মানে, "নেক্সট অপরটুনিটি"।      


Rate this content
Log in

More bengali story from Susanta Santra

নো

নো


8 mins read

নো

নো


8 mins read

Similar bengali story from Inspirational