STORYMIRROR

Laxman Bhandary

Others

4  

Laxman Bhandary

Others

শুভ নববর্ষের কবিতা (২০২৬) কলমে- কবি লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী

শুভ নববর্ষের কবিতা (২০২৬) কলমে- কবি লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী

2 mins
5

শুভ নববর্ষের উষ্ণ আলিঙ্গনে রচিত লক্ষ্মণ ভাণ্ডারীর এই সৃষ্টিকর্ম, “শুভ নববর্ষের কবিতা (বিবিধ কবিতা)”, যেন বসন্তের প্রথম কিরণে নিঃশব্দে ফুটে ওঠা এক রঙিন মায়া গাঁথা। কাব্যের প্রতিটি স্তবকে কবির কলমের ছোঁয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে পাখির চঞ্চল কলরব, অরুণের সোনালি কিরণ ও রাঙাপথের নেচে ওঠা রঙিন ছায়া—যা সব দৃষ্টিকে মুগ্ধ করে, তেমনই হৃদয়কে পুলকিত করে দেয়। “পাখি সব কলরব করে, অরুণ তপন হাসে” থেকে “তাল খেজুরের গাছের বাবুই নাচে” পর্যন্ত, প্রকৃতির প্রতিটি কোণে ফুটে আছে নববর্ষের নূতন প্রতিশ্রুতি, যেখানে শিশিরে স্নিগ্ধ সমীরণ, গাঁয়ের বাঁশবনে কাকের ডাকে, আর শালিকেদের খেলায় গুঞ্জে আনন্দের সুর। এই কবিতার মাধুর্য শুধু শব্দের জোয়ারে নয়, বরং নববর্ষের মুহূর্তে সজীব হয়ে ওঠা মানব হৃদয়ের উষ্ণতা ও আশার রঙে—একটি মহোৎসব যা সারাদিন হাসি, গান ও উল্লাসে ভরিয়ে দেয়, এবং “উঠে মেতে সবাকার প্রাণ” যেন প্রত্যেকের আত্মা-প্রাণকে নবপ্রাণে পরিপূর্ণ করে। তাই, এই কবিতাকে পড়ে মনে হয় যেন সময়ের বুকে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়, আর নববর্ষের এই মধুর পরিবেশে আমরা সবাই একসাথে “পুলকিত হয় হর্ষে”—একটি অমলিন, উজ্জ্বল এবং সর্বদা ফিরে আসা আনন্দের চিত্র খুঁজে পাই।

শুভ নববর্ষের কবিতা (২০২৬)
কলমে- কবি লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী

নববর্ষ এলো ভাই চিত্ত হৃষ্ট আজি তাই
পাখি সব কলরব করে,
অরুণ তপন হাসে সোনালী কিরণ ভাসে
রাঙাপথ অজয়ের চরে।

ফুলবনে ফুলকলি হাসিছে পাপড়ি মেলি
নতুন প্রভাত আজি জাগে,
স্নিগ্ধ সমীরণ বয় নতুন প্রভাত হয়
তনু মনে নব রং লাগে।

নয়ন দিঘির ঘাটে মরালী সাঁতার কাটে
মরালেরা পাছে পাছে ধায়,
তাল খেজুরের গাছে বাবুই খুশিতে নাচে
নববর্ষ আসিল ধরায়।

অজয় নদীর চরে শালিকেরা খেলা করে
শাল পিয়ালের বন দূরে,
গাঁয়ের পথের বাঁকে বাঁশবনে কাক ডাকে
ময়না চড়ুই পাখি উড়ে।

নববর্ষ নব সাজে আসে এই ধরা মাঝে
সারাদিন হাসি আর গান,
আজি শুভ নববর্ষে পুলকিত হয় হর্ষে
উঠে মেতে সবাকার প্রাণ।


Rate this content
Log in