ছেলে ভোলানো কথা
ছেলে ভোলানো কথা
মানিক চন্দ্র গোস্বামী
নেংটি সেদিন চমকে দিল ধেড়ে ইঁদুরটারে,
মনের সাহস শক্তি জোগায়, বল আসে অন্তরে।
রোয়াব কতো, হম্বিতম্বি, এই মারে সেই মারে।
ভয়ে ধেড়ে ছুট লাগালো ত্রিসীমানার পাড়ে।
বেয়াদব কাক মজার ছলে টান মেরেছে ল্যাজে,
লাফিয়ে উঠে হুলো বেড়াল লুকোয় ঘরের মাঝে।
পাড়ার নেড়ি ভূলো সেদিন ষাঁড়ের পিছু লেগে,
এমন জোরে ডাকতে থাকে, শুনলেই ভয় লাগে।
ষাঁড় বাবাজী লেজটি তুলে হঠাৎ দিল দৌড়,
পড়ি মরি সবাই ছোটে, ভয়েই লাগে ঘোর।
বাঁদর সেদিন বাঁদরামিতে হঠাৎ হলো মত্ত,
দাদুর চোখের চশমা নিয়ে বলে আমায় ধরতো।
অনেক খাবার গচ্চা দিয়ে বাঁদর এলো পথে,
ফিরলো দাদুর দৃষ্টিখানি ভাঙ্গা চশমার সাথে।
মাছরাঙা টা পুকুর পাড়ে মাছ ধরবার আশে,
ঘাপটি মেরে চুপটি করে কখন থেকে বসে।
যেই না একটা মাছ ধরেছে হাল্কা ঠোঁটের ফাঁকে,
ছিনিয়ে নিলো চিল পাখিটা, সেও যে ছিলো তাকে।
রাজহাঁসটার মাথায় খেলে ফন্দি দুষ্টুমির,
ছুটে এসে কামড় দিতেই হাল্কা হলো ভিড়।
এমনতরো মজার কথা শুনতে যদি চাও,
স্নানটি সেরে শুদ্ধ মনে পড়তে বসে যাও।
xxxxx
